ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন ভারসাম্যহীন ছয় বাংলাদেশি

জেলা প্রতিনিধি | ব্রাহ্মণবাড়িয়া | প্রকাশিত: ০৪:০৮ পিএম, ১৮ নভেম্বর ২০২১

ভারতের ত্রিপুরায় চিকিৎসাধীন ছয়জন মানসিক ভারসাম্যহীন বাংলাদেশে ফিরে এসেছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে তারা দেশে ফিরেছেন।

তারা হলেন- বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের মো. মমতাজের ছেলে জিয়ারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ সদরের ভাস্করটিলা গ্রামের শামসুদ্দীনের মেয়ে মোছা. হানিফা আক্তার, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার চরকালি গ্রামের মৃত ছমেদ আলীর মেয়ে আল্পনা খাতুন, কেরানীগঞ্জের মুন্সি নোয়াদ্দা গ্রামের মৃত বিরিচ খানের মেয়ে রীনা আক্তার, জামালপুর সদরের নারকেলী গ্রামের মৃত নবীর উদ্দিনের ছেলে মানিক মিয়া ও মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ডরিতাজপুর গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে শাহজাহান মিয়া।

jagonews24

এর আগে বিভিন্ন সময় তারা বাংলাদেশ থেকে নিখোঁজ ছিলেন। ভারতের ত্রিপুরায় পুলিশ তাদের আটক করে মর্ডান সাইকিয়াট্রিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে সুস্থ হওয়ার পর আদালতের নির্দেশে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় নিখোঁজরা ভারতের আগরতলার মর্ডান সাইক্রিয়াট্রিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এদের অনেকেই এ হাসপাতালে ৪-৫ বছর বা আরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবস্থার কিছুটা উন্নতি হওয়ার পর তাদের দেশে ফেরত আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ হাসপাতালে পাচারের শিকার আরও অনেক বাংলাদেশি আছেন বলে জানা গেছে।

jagonews24

উদ্ধারকৃত হানিফা আক্তার ছেলে ইয়াছিন জানান, পাঁচ বছর আগে হঠাৎ করে তাদের মা হারিয়ে যান। তারা ভেবেছিলেন কোনো আত্মীয়ের বাড়িতে গেছেন। পরে নানাবাড়ি করিমগঞ্জ থানায় খোঁজ করেন। কিন্তু পাননি। পরে মে মাসে পুলিশ খোঁজ নিতে বাড়িতে এলে জানতে পারেন আগরতলায় আছেন তার মা।

জিয়ারুলের ভায়রা ভাই মোহাম্মদ রাজ্জাক জানান, ২০১৪ সালে তার বায়রা জিয়ারুল নিখোঁজ হয়ে যান। তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। এমন একজন মানুষ কীভাবে ভারতে পাচার হলেন সেটা নিয়ে তারাও বিস্মিত।

jagonews24

নোম্যান্স ল্যান্ডে হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভারতের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আগরতলা নিযুক্ত সহকারী হাই কমিশনার মোহাম্মদ জোবায়ের হোসেন, মো. রেজাউল হক চৌধুরীও এসএম আসাদুজ্জামান।

অন্যদিকে বাংলাদেশের পক্ষে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুমানা আক্তার, সহকারী কমিশনার ভূমি মো. সাইফুল ইসলাম, আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান।

আবুল হাসনাত মো. রাফি/আরএইচ/জেআইএম