ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

নেত্রকোনা থেকে অপহৃত নোমানকে ফেনীর সীমান্ত থেকে উদ্ধার

জেলা প্রতিনিধি | নেত্রকোনা | প্রকাশিত: ০২:০৮ পিএম, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২

নেত্রকোনার দুর্গাপুর থেকে অপহৃত যুবক নোমান মিয়াকে (২১) ফেনীর পরশুরাম উপজেলার সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে নোমানকে দুর্গাপুর থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় অপহরণের অভিযোগে বাদশা মিয়া নামে তার এক প্রতিবেশীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নোমন উপজেলার পাটলী গ্রামের শুক্কুর আলীর ছেলে।

নোমানের বাবা শুক্কর আলী বলেন, ‘আমার ছেলে তার স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে গাজীপুর জেলার কোনাবাড়ী এলাকায় রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতো। সে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসে। ওইদিন বিকেলে প্রতিবেশী আমরুজ আলীর ছেলে বাদশা মিয়া (৩২) কাজ দেওয়ার কথা বলে তাকে ফেনীতে নিয়ে যায়।’

শুক্কর আলী আরও বলেন, ‘১৮ ফেব্রুয়ারি নোমান আমার ছোট মেয়ে নূরজাহানকে বার্তা পাঠিয়ে জানায় তাকে অপহরণ করে শারীরিক নির্যাতন ও ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হচ্ছে। টাকা না দিলে তাকে খুন করারও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া লাবু মিয়া নামের আরেক ব্যক্তি আমার বড় ছেলে শামীমকে ফোন করে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ পাঠাতে বলেন। অপহরণকারীরা তাকে গাছের সঙ্গে শিকলে বেঁধে মারধরের ভিডিও ফুটেজ ও ছবিও পাঠায় শামীমের ইমো নম্বরে।’

শুক্কুর আলীর দাবি, পাটলী গ্রামের বাদশা মিয়া ও ফেনীর লাবু মিয়া এ ঘটনায় সরাসরি জড়িত। নোমানকে ফেনীতে নেওয়ার দুদিন পর বাদশা মিয়া বাড়িতে চলে আসে।

নেত্রকোনা ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক এসআই ফরিদ আহমেদ বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মনে হয়েছে নোমান ও অপহরণের ঘটনায় জড়িত বাদশা এবং লাবুসহ চক্রটির প্রত্যেকে মাদক কারবারির সঙ্গে জড়িত। তারা সীমান্ত এলাকা দিয়ে গাঁজা আনা-নেওয়ার কাজ করত। নোমান ছিল তাদের বাহক। গাঁজা ব্যবসার দেনা-পাওনা নিয়ে বিরোধের কারণে চক্রটি নোমানকে জিম্মি করে মুক্তিপণ দাবি করে।’

দুর্গাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মীর মাহবুবুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা নোমানকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছি। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

এইচ এম কামাল/এসজে/এএসএম