ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

‘উচ্চশব্দে পাঠদান কষ্টকর হয়ে উঠেছে’

জেলা প্রতিনিধি | রাজবাড়ী | প্রকাশিত: ০৯:২১ পিএম, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২

রাজবাড়ীতে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও প্রকল্পের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাহাবুর রহমান শেখ।

jagonews24

পরিবেশ অধিদপ্তর ফরিদপুর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মিতা রানী দাসের সভাপতিত্বে সভায় স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির প্রভাষক আবদুল্লাহ আল নাঈম, রাজবাড়ী এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রবিউল ইসলাম, রাজবাড়ী পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে উপ-পরিচালক গোলাম মো. ফারুক, শেরে বাংলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী চায়না সাহা, সরকারি গার্লস হাইস্কুলের শিক্ষক জহুরুল ইসলাম, জেলা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রফিকুল ইসলাম পিন্টু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় প্রধান অতিথি বলেন, রাস্তায় গাড়ি উল্টোদিকে চালানোর কারণে বেশি উচ্চ শব্দে হর্ন বাজাতে হয়। এটি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আর ড্রাইভারকে নিয়ে সচেতনতামূলক এরকম সভা বেশি করতে হবে। একই সঙ্গে নির্মাণ কাজের উচ্চ শব্দও নিয়ন্ত্রণে আনার ব্যবস্থা করতে হবে জনস্বার্থে।

jagonews24

পদ্দুত কুমার দাস বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস নেওয়া কষ্টকর হয়ে উঠেছে। মাইকিংয়ের সময় নির্দিষ্ট করা এবং স্কুল এলাকায় হাইড্রোলিক হর্ন পুরোপুরি বন্ধ না করলে অতিরিক্ত শব্দ দূষণের কারণে স্কুল কার্যক্রম চালানো কষ্টকর হয়ে উঠেছে।

মিতা রানী দাস বলেন, সবাই সচেতন হলে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ নয়, অনেক ভাল কাজ করা সম্ভব। এখন যেমন যানবাহনের সংখ্যা যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনি বেড়েছে অদক্ষ ও অশিক্ষিত চালক। যারা হর্নে ব্যবহার কোথায় করতে কবে জানেন না। ফলে প্রতিনিয়তই শব্দ দূষণের মাত্রা বাড়ছে। এছাড়া বর্তমানে সভা-সেমিনারসহ অন্যান্য প্রচারণায় মাইক ব্যবহারে শব্দ দূষণ বাড়ছে। সারা রাত-দিন সব সময় উচ্চস্বরে মাইকিং করে প্রচারণা করছে।

jagonews24

জেলা পরিসংখ্যান অফিস কর্মকর্তা হারুন অর রিশদ বলেন, উন্নত দেশে কথা বলার ধরনটা আলাদা। সবাই আস্তে কথা বলতে অভ্যস্ত। আমাদের দেশে চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। আর অনুষ্ঠানে উচ্চ শব্দের মাইকের ব্যবহার বন্ধে বিশেষভাবে নজর দিতে হবে।

রিকশা-ভ্যান শ্রমিক সভাপতি আব্দুল ওহাব সরদার বলেন, রাজবাড়ীতে মোটরসাইকেলের শব্দ বেশি। হাসপাতালের রোগীরা এ থেকে নিস্তার পাচ্ছে না।

jagonews24

শারমিন আক্তার বলেন, শহরে রাস্তায় হাঁটা বড় দায়। গাড়ীর হর্নে অতিষ্ঠ মানুষ। কোনো অনুষ্ঠান হলে তো শব্দের যন্ত্রণা থেকে নিস্তার নেই।

বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্রর (ক্যাপস) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদারের নেতৃত্বে পরিচালিত টিম রাজবাড়ী শহরে শব্দ দূষণের মাত্রা জানতে পাঁচ স্থানের সাউন্ড লেভেল মিটার স্থাপন করে সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দিবা এবং রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ৬টা পর্যন্ত রাত্রিকালীন সময় ধরে তথ্য নেওয়া হবে।

রুবেলুর রহমান/আরএইচ/জিকেএস