চৈত্র মাসেও বাড়লো তিস্তার পানি, নষ্ট হচ্ছে ফসল
তিস্তায় বেড়ে যাওয়া পানিতে ডুবছে ফসল
ভারতের গজলডোবা ব্যারাজ খুলে দেওয়ায় চৈত্র মাসেও হঠাৎ বেড়েছে তিস্তা নদীর পানি। গত পাঁচ দিন থেকে তিস্তার পানি দিনে কমলেও বিকেল থেকে বাড়ছে। এতে লালমনিরহাট ও নীলফামারী তিস্তারচর এলাকায় মরিচ-পেঁয়াজ, আলু, মিষ্টি কুমড়া, গম, তামাক ও ভুট্টাসহ বিস্তীর্ণ চরের কয়েক হাজার একর আবাদ পানিতে ডুবে নষ্ট হচ্ছে। দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রাশেদিন ইসলাম জাগো নিউজকে বলে, গজলডোবা বাঁধ খুলে দেওয়ায় গত ৭২ ঘণ্টায় সাড়ে তিন হাজার কিউসেক তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিস্তার চরে পেঁয়াজ চাষি ফজর আলী বলেন, ‘চৈত্র মাসে হঠাৎ তিস্তার পানি কেন বাড়লো জানা নাই। প্রতি বছরের চৈত্র মাসে এমন পানি আসে না। এবছর হঠাৎ তিস্তার পানি এলো। আমার প্রায় এক একর আবাদি পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে গেছে। চরের কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত।’
নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার বাইস পুকুর গ্রামের দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় জেগে ওঠা চরে প্রায় পাঁচ বিঘা জমিতে গম ও পেঁয়াজ রোপণ করেছি। কিন্তু পাঁচ দিনের পানি ওঠানামায় আবাদ নষ্ট হয়ে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জায়গা জমি নাই, তাই জেগে ওঠা চরে বিভিন্ন ফসল আবাদ করে আমরা জীবিকা নির্বাহ করি। এ বছর হাজারো কৃষকের ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা আবারও ক্ষতিগ্রস্ত।’
লালমনিরহাট কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শামীম আশরাফ বলেন, তিস্তায় পানি বাড়ায় কিছু ফসলের ক্ষতি হয়েছে। আবার কিছু ফসলের উপকার হয়েছে। তবে জেলায় এখনো ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করা হচ্ছে।
রবিউল হাসান/এসজে/এএসএম
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ যানজট নিরসনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
- ২ নির্বাচনি এলাকায় দুর্নীতি-চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে: গণপূর্তমন্ত্রী
- ৩ বন্ধ বাফার গোডাউনের লোড-আনলোড, অপেক্ষায় সারবোঝাই অর্ধশত ট্রাক
- ৪ যশোরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ব্যবহার অর্ধেকে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত
- ৫ অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় হয় না : ড. মোশাররফ