গাজীপুরে কমেছে যাত্রীর চাপ, নেই যানজট
মহাসড়কে কমেছে যাত্রীর চাপ
স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপনে নানা দুর্ভোগ, যানজট, রোদ আর বৃষ্টি মাথায় নিয়ে লাখ লাখ মানুষ গত দুদিন গাজীপুর ত্যাগ করেছেন। ফলে মহাসড়কে ছিল ঘরমুখো মানুষের চাপ। একই সঙ্গে ছিল যানজটও। তবে শনিবার (৯ জুলাই) এ চিত্র একেবারে উল্টো।
টঙ্গী থেকে চান্দনা চৌরাস্তা এবং চান্দনা চৌরাস্তা থেকে চন্দ্রা মোড় পর্যন্ত সকাল থেকে তেমন যানজট নেই। নেই যাত্রীর চাপও। শিল্প সমৃদ্ধ গাজীপুর এখন অনেকটাই শ্রমিক শূন্য হয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার গাজীপুরের অধিকাংশ পোশাক কারখানা ছুটি হওয়ার পর থেকে শিল্প কলকারখানার শ্রমিকসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ গ্রামের বাড়িতে ঈদ উদযাপনের জন্য স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ঢকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন বাস স্ট্যান্ডে অবস্থান নেন। অনেকে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে আবার অনেকে পিকআপ ও ট্রাকে রোদ বৃষ্টি উপেক্ষা করে নানা দুর্ভোগ আর যানজট মাথায় নিয়ে ছুটে যান গন্তব্যে।
শনিবার সকালে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা মোড়, ভোগড়া বাইপাস মোড়, কালিয়াকৈরের চন্দ্রা মোড়, টঙ্গী, কোনাবাড়ীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যাত্রীদের তেমন চাপ লক্ষ্য করা যায়নি। সড়কে গণপরিবহনের চাপও নেই। যেসব শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ নানা কারণে গত দুদিনে গাজীপুর ত্যাগ করতে পারেনি তারা সকাল থেকে মহাসড়ক ও বাসস্ট্যান্ডের দিকে যাত্রা শুরু করেছেন।

গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ জাগো নিউজকে বলেন, গাজীপুরের গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম স্থান চন্দ্রা মোড়, মাওনা চৌরাস্তা ও জৈনা বাজার এলাকায় জেলা পুলিশ যানজট নিরসনে কাজ করেছে। লাখ লাখ লোককে গাজীপুর থেকে তাদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার যে চ্যালেঞ্জ ছিল সেটা আমরা সফলভাবে করতে পেরেছি। আজও সড়কে জেলা পুলিশ থাকবে। ঈদ শেষে গাজীপুরে কর্মস্থলে ফেরাকে নির্বিঘ্ন করতেও আমরা প্রস্তুত রয়েছি।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (ট্রাফিক) আব্দুল্লাহ আল মামুন জাগো নিউজকে বলেন, গত দু-তিন দিনে লাখ লাখ লোক গাজীপুর ছেড়ে গেছে। তাদের নির্বিঘ্নে পার করতে পারাটাই ছিল আসল কাজ। আর সে কাজটি ভালোভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি। রাস্তায় যানজট নিরসনে আজও ট্রাফিক পুলিশ কাজ চালিয়ে যাবে। সাধারণ মানুষের সেবায় আমরা সব সময় নিয়োজিত আছি।
মো. আমিনুল ইসলাম/এসজে/এমএস