হাসপাতালে রোগীর স্বজনকে কোপানো মামলায় খালাস যুবলীগকর্মী
দেবাশীষ নয়ন
ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে রোগীর স্বজনকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় করা মামলায় খালাস পেলেন যুবলীগকর্মী দেবাশীষ নয়ন (৩২)। উভয়পক্ষের আপসে তাকে মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়।
দেবাশীষ নয়ন ফরিদপুর পৌর শহরের দক্ষিণ ঝিলটুলী মহল্লার বাসিন্দা। তিনি ফরিদপুরের যুবলীগকর্মী, এছাড়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক কমিটির সহ-সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।
রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় ফরিদপুরের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের বিচারক তরুণ বাছাড় এ রায় দেন।
বিবাদী পক্ষের আইনজীবী শফিকুর রহমান উজ্জ্বল এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বাদীপক্ষের সঙ্গে বিবাদীপক্ষের আপসের ভিত্তিতে বিচারক দেবাশীষ নয়নসহ এ মামলার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে খালাস দেন।
এর আগে আলোচিত এ মামলায় ছাত্রলীগের এ নেতা উচ্চ আদালত থেকে ২১ দিনের আগাম জামিনে ছিলেন। পরে ফরিদপুরের ১ নম্বর আমলি আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে একই আদালত থেকে জামিনে ছিলেন তিনি।
এর আগে ফরিদপুর শহরের হরিসভা এলাকার বাসিন্দা ফাহিম আহমেদের স্ত্রী হীরা বেগম ফরিদপুর জেনারেল (সদর) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারির রাতে দায়িত্বরত নার্স ইলা শিকদারের সঙ্গে ফাহিম আহমেদের কথাকাটাকাটি হয়। এর জেরে দেবাশীষ নয়নকে খবর দিয়ে ডেকে আনেন নার্স। দেবাশীষ নয়ন হাসপাতালে এসে ফাহিম আহমেদের বুকে ছুরিকাঘাত করে বলে অভিযোগ করে ভুক্তভোগী পরিবার। পরে ইলা ও দেবাশীষ নয়ন পালিয়ে যান বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় ফাহিমকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ফাহিম আহমেদ বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় নার্স ইলা শিকদার ও দেবাশীষ নয়নকে আসামি করে মামলা করেন। পরে উভয়পক্ষের আপসের মাধ্যমে আদালতের মাধ্যমে খালাস পেলেন দেবাশীষ নয়ন ও নার্স ইলা শিকদার।
এন কে বি নয়ন/জেডএইচ