উপনির্বাচন
ফরিদপুর-২ আসনে আ’লীগের মনোনয়ন না পেয়ে ‘বিদ্রোহী’ হলেন জামাল
আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী অ্যাডভোকেট জামাল হোসেন মিয়া
ফরিদপুর-২ আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন ১৭ জন। এদের মধ্যে মনোনয়ন পেয়েছেন সদ্য প্রয়াত সংসদ উপনেতা ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর ছোট ছেলে শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী।
দলীয় পদ না পেয়ে অবশেষে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে নেমেছেন অ্যাডভোকেট জামাল হোসেন মিয়া। তিনি বেঁচে থাকলে শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকবেন বলেও ঘোষণা দেন। তার দাবি, লাবু চৌধুরী বাদে যারা মনোনয়নপত্র চেয়েছিলেন সবাই তাকে সমর্থন করে সঙ্গে আছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১২ সেপ্টেম্বর সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়। সেখানে ৫ নভেম্বর ভোটের দিন ধার্য করেছে নির্বাচন কমিশন। এ উপ-নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ও নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জামাল হোসেন মিয়া।
তিনি জাগো নিউজকে বলেন, নগরকান্দা-সালথা ও কৃষ্টপুরের জনগণের ইচ্ছায়ই নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি মানুষের কল্যাণে জনগণের জন্য রাজনীতি করি। জনগণই আমার মূল শক্তি।
দলের ও দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার কারণ জানতে চাইলে জামাল হোসেন বলেন, ‘আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন ক্ষুদ্র সৈনিক। শেখ হাসিনার নেতৃত্বের রাজনীতি করি। আমি নৌকা মার্কার বিরুদ্ধে না, দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধেও না। এ নগরকান্দা-সালথার নির্যাতিত জনগণকে বাঁচানোই আমার মূল লক্ষ্য।’
তিনি আরও বলেন, বিগত দিনে সালথা- নগরকান্দায় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ওপর যে অন্যায়, অত্যাচার, নির্যাতন চলেছে, আমার এলাকার অসংখ্যক নিরীহ মানুষ মিথ্যা মামলায় হয়রানি ও ঘরছাড়া। সন্ত্রাসীদের নির্যাতন থেকে জনগণকে বাঁচানোর স্বার্থে ও জনগণের দাবির মুখে আমি নির্বাচন করার কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকবো।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের আহ্বায়ক কাজী আব্দুস সোবহান বলেন, ‘আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করি। জননেত্রী শেখ হাসিনা যাকে পছন্দ করে নৌকা প্রতীক দিয়েছেন আমরা তার পক্ষে কাজ করবো। দলের জন্য মার্কার জন্য নৌকার পক্ষে কাজ করবো। আমার সমর্থক ও নেতাকর্মীদের নৌকার পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছি।’
সাজেদা চৌধুরীর ছোট ছেলে শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে পেরেছি বিধায় তিনি আমাকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন। আমি যেন মায়ের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করতে পারি।
সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে শূন্য হওয়া ফরিদপুর-২ আসনের উপ-নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৫ নভেম্বর। নির্বাচন কমিশন ৩ অক্টোবর এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে।
এন কে বি নয়ন/এসজে/এএসএম
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ ঘোড়া প্রতীকে ভোট চেয়ে বিপাকে হবিগঞ্জের স্বতন্ত্র প্রার্থী সুজাত
- ২ সীমান্ত পার হওয়ার সময় কুমিল্লায় হত্যা মামলার তিন আসামি গ্রেফতার
- ৩ বালুভর্তি ট্রাকে লুকানো ছিল দেড় কোটি টাকার চোরাই শাড়ি
- ৪ পুলিশকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেওয়া হলো আসামিকে
- ৫ ভবন ছাড়তে উকিল নোটিশ, চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও চলছে কার্যক্রম