অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মানলেন লতিফা
দেবরের দেওয়া আগুনে অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মানলেন লতিফা বেগম (৪২)। বুধবার (২২ মার্চ) দুপুর পৌনে ২টার দিকে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
লতিফা বেগম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রসুলুল্লাহবাদ ইউনিয়নের উত্তর দাররা গ্রামের প্রবাস ফেরত মো. জাকারিয়া আল-আমিনের স্ত্রী।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নবীনগর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল আহমেদ।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৬ সালে উত্তর দাররা গ্রামের জিন্নত আলী ব্যাপারীর ছেলে আরব আমিরাত প্রবাসী জাকারিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় একই উপজেলার কালঘড়া গ্রামের হেলাল সরকারের মেয়ে লতিফা বেগমের। তাদের সংসারে দুই ছেলে রয়েছে। বড় ছেলে আরব আমিরাত প্রবাসী ও ছোট ছেলে কলেজে পড়াশোনা করে। দেড় বছর আগে মো. জাকারিয়া দেশে ফিরেছেন।
লতিফা বেগমের স্বামী মো. জাকারিয়া বলেন, আমার ছোট ভাই জালাল মিয়া মাদকাসক্ত। প্রায় সময় টাকার জন্য ঘরে এসে আমার স্ত্রীকে উত্ত্যক্ত করতো। কয়েকদিন আগে জালাল মিয়ার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছিল।
এনিয়ে ক্ষুব্ধ ছিল জালাল। রোববার (১৯ মার্চ) দুপুরে আমি বাড়ি ছিলাম না। লতিফা ঘরে বসে পিঠা তৈরি করছিল। এ সুযোগে জালাল পিছন থেকে এসে লতিফার গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে তার পুরো শরীর ঝলসে যায়।
পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে চিকিৎসকরা লতিফাকে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠান।
এ বিষয়ে নবীনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল আহমেদ জানান, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হয়েছে। আমরা জালালকে গ্রেফতার করতে একাধিকবার অভিযান চালিয়েছি। অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আবুল হাসনাত মো. রাফি/এফএ/এএসএম
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ যানজট নিরসনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
- ২ নির্বাচনি এলাকায় দুর্নীতি-চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে: গণপূর্তমন্ত্রী
- ৩ বন্ধ বাফার গোডাউনের লোড-আনলোড, অপেক্ষায় সারবোঝাই অর্ধশত ট্রাক
- ৪ যশোরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ব্যবহার অর্ধেকে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত
- ৫ অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় হয় না : ড. মোশাররফ