ভিডিও EN
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিসিকে ক্যানসার সৃষ্টিকারী অ্যাসবেস্টস

জেলা প্রতিনিধি | ব্রাহ্মণবাড়িয়া | প্রকাশিত: ০৭:৫১ পিএম, ০৫ এপ্রিল ২০২৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিদর্শনে গেছেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী। বুধবার (৫ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন তিনি।

দুপুরে সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের নন্দনপুর শিল্পনগরী বিসিকের বিভিন্ন শিল্পকারখানা পরিদর্শন করেন নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান। বিসিক এলাকা পরিদর্শন করে হতভম্ব হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

বিসিক শিল্প এলাকা পরিদর্শন শেষে বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা নদী রক্ষা কমিশনের সভায় তিনি একথা জানান।

jagonews24

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘সমস্যা অনেক রয়েছে। বিসিকে গিয়ে আমরা হতভম্ব হয়ে গেছি। জলমগ্ন এলাকা বিসিকের ভেতরটা, বাইরে প্রায় এক হাজার বিঘার মতো জমি প্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিষাক্ত পানিতে। তাদের কাগজপত্রের বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছি। পানি নিষ্কাশনে তাদের কী পরিকল্পনা আছে জানতে চেয়েছি। তাদের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন। সেখানে ৯ বিঘার মতো বিশাল একটি পুকুরকে তারা সম্পূর্ণভাবে বিষাক্ত করে ফেলেছেন।’

বিসিক এলাকায় ক্যানসার সৃষ্টিকারী অ্যাসবেস্টস পাওয়া গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি সেখানে অ্যাসবেস্টস পেয়েছি। তবে আমি তা ছুঁয়ে দেখিনি এবং কাউকে ছুঁতে দেইনি। পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালকও দেখেছেন। অ্যাসবেস্টস একটি ভয়ঙ্কর পদার্থ। তারা এ অ্যাসবেস্টস পাচ্ছেন কোথায়? তার একটা মাত্র সোর্স শিপ ব্র্যান্ডিং ইয়ার্ডে এগুলো ব্যবহার করা হয়। শিপ ব্র্যান্ডিংয়ের কাজে এগুলোকে প্রক্রিয়া করতে হয়। এ প্রক্রিয়ায়ও অনেক টাকা খরচ হয়। তাই আমি মনে করি এগুলো এখানে প্রক্রিয়াকরণ করতে নিয়ে আসেন।’

jagonews24

অ্যাসবেস্টস বিষয়ে অডিট করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়ে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, ‘যেখানে যেখানে অ্যাসবেস্টস পাওয়া যাবে তা লাল কালি দিয়ে চিহ্নিত করতে হবে। সেখানে থাকা লোকজনকে সরিয়ে ফেলতে হবে। কারণ অ্যাসবেস্টস হচ্ছে এমন একটা পদার্থ যা মানবদেহের ফুসফুস ক্যানসার সৃষ্টি করে।’

অ্যাসবেস্টস ব্যবহারকারীদের শনাক্ত করতে জেলা প্রশাসককে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহায়তা নিয়ে কাজ করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, তাদের জেলে ছাড়া কোথাও দেখতে চাই না।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক শাহগীর আলমের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এইচ এম কামরুল ইসলাম, পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল কুদ্দুস, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজুর রহমান ওলি প্রমুখ।

আবুল হাসনাত মো. রাফি/এসআার/জিকেএস