ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ফরিদপুরে কদর বেড়েছে তেঁতুল গাছের খাইট্টার

এন কে বি নয়ন | ফরিদপুর | প্রকাশিত: ০৩:০০ পিএম, ২৭ জুন ২০২৩

কোরবানির পশুর মাংস ও হাড় কাটার জন্য শক্ত কাঠের তৈরি খাইট্টার ব্যবহারই জনপ্রিয়। তাই ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ফরিদপুরের বিভিন্ন উপজেলার হাট-বাজারে খাইট্টা ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততা বেড়েছে। পশুহাটের সঙ্গে অস্থায়ীভাবে এসব খাইট্টার দোকান বসিয়েছেন তারা। মাঝারি ও ছোট আকৃতির তেঁতুল, বেল, নিম, জাম, আম, শিশু ও মেহগনি গাছের শেষ গোঁড়া দিয়ে খাইট্টা তৈরি করা হয়। বিশেষ করে লোর তেঁতুল গাছের খাইট্টার কদর বেশি।

ক্রেতা ও বিক্রেতা জানান, ঈদুল আজহায় পশু কোরবানির পরে মাংস ও হাড় কাটার অন্যতম অনুষঙ্গ হলো কাঠের খাইট্টা। যাতে ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে গোস্ত ভালোভাবে ছাটাই করা যায়। সব গাছ দিয়ে খাইট্টা তৈরি করা যায় না। কোরবানির ঈদ এলেই খাইট্টার চাহিদা বেড়ে যায়।

ফরিদপুর শহরে খাটিয়া ব্যবসায়ী মোহাম্মদ পারভেজ হাসান রাজিব জাগো নিউজকে বলেন, ঈদ উপলক্ষে অরিজিনাল তেঁতুল গাছের খাইট্টার কদর বেড়েছে। সরাসরি ও অনলাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন সাইজের খাইট্টার দাম ১৫০-৪০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। চাহিদাও অনেক।

আরেক ব্যবসায়ী মো. শাহাবুদ্দিন শেখ সাফু জাগো নিউজকে বলেন, গ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে তেঁতুল, বেল, নিম, জাম, আম, শিশু ও মেহগনি গাছ সংগ্রহ করে স-মিলে খণ্ড খণ্ড করে খাইট্টা তৈরি করি। বিশেষ করে কোরবানির ঈদে এর কদর বেশি থাকে। ঈদের দিন ঘনিয়ে এলে চড়াদামে এসব কিনতে হয়। এবার বেচা-বিক্রি ভালো হচ্ছে। ঈদের আগের রাত পর্যন্ত চলবে বেচাকেনা।

বোয়ালমারী পৌরসভার তালতলা বাজারে কাঠ ব্যবসায়ী ও খাইট্টা তৈরি করা আহাদ শেখ জাগো নিউজকে বলেন, ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন সাইজের খাইট্টা তৈরির পর পাইকারি দরে বিক্রি করি। একটি ছোট খাইট্টা ১০০ টাকা ও বড় সাইজের ৩০০ টাকা দরে বিক্রি করছি।

এ বিষয়ে ক্রেতা সেলিমুজ্জামান, শাহিনুজ্জামান খান, মিজানুর রহমান বলেন, ঈদের নামাজের পর পশু কোরবানি দেওয়া নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়তে হয়। তখন জিনিসপত্র খোঁজাখুঁজি করা বা অন্যের কাছ থেকে নেওয়া অনেকটা বিড়ম্বনা হয়ে দাঁড়ায়। তাই মাংস ও হাড় কাটার অত্যন্ত প্রয়োজনীয় জিনিস কাঠের খাইট্টা কিনতে ভুল করিনি।

এসজে/জিকেএস