ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

গাজীপুরে নোমান গ্রুপের দুই কারখানায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ

জেলা প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ০৮:১৬ এএম, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

গাজীপুরের শ্রীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে নোমান গ্রুপের দুইটি কারখানার শ্রমিকরা। এ সময় মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টায় শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালার এলাকার নোমান গ্রুপের ইয়াসমিন স্পিনিং ও উপজেলার মুলাইদ এলাকার তালহা স্পিনিং মিলের শ্রমিকরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে।

ইয়াসমিন স্পিনিং মিলের শ্রমিক উজ্জ্বল, জাহাঙ্গীর বলেন, প্রতি মাসের বেতন পরের মাসে ১০তারিখের মধ্যে পরিশোধ করা হয়। আগস্টের বেতন সেপ্টেম্বরের ১৭ তারিখ হলেও পরিশোধ করছে না কারখানা কর্তৃপক্ষ। বেতন নিয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের কথাও বলছেন না। আমরা একাধিকবার তাদের কাছে গিয়েও বেতন পরিশোধে কোনো আশ্বাস না পেয়ে আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছি। বেতন না পেয়ে আমরা ঘর ভাড়া, দোকানবাকি পরিশোধ করতে পারছি না।

jagonews24

আরও পড়ুন: গাজীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ

আরেক শ্রমিক সজিব বলেন, আমরা সঠিক সময়ে বাড়ি ভাড়া দিতে না পারলে বাড়ির মালিক আমাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। নানা ধরনের কটু কথা শুনতে হয় আমাদের। আমরা মাসব্যাপী মুদির দোকান থেকে বাকি খাদ্য সামগ্রী কিনে থাকি, সেই বাকি টাকা পরিশোধ করতে হয়। বেতন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সন্তানদের স্কুলের বেতন পরিশোধ করতে হয়। আমাদের বেতন আটকে যাওয়ায় তাদের কটু কথা শুনতে হচ্ছে। আমরা বারবার কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বেতনের জন্য কথা বলার চেষ্টা করেছি তারা আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেননি।

একই অভিযোগ করেন নোমান গ্রুপের তালহা স্পিনিং মিলের শ্রমিকদেরও। কারখানার শ্রমিক সোহেল, মাহতাব বলেন, আমাদের আগস্টের বেতন বকেয়া রয়েছে। কর্তৃপক্ষ আমাদের বকেয়া বেতন পরিশোধে কোনো উদ্যোগ নেননি। আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনাও করেননি।

এবিষয়ে কারখানার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা গণমাধ্যমে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের শ্রীপুর জোনের সহকারী পুলিশ সুপার আসম আবদুর নুর বলেন, খবর পেয়ে শিল্প পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে শ্রমিকরা মহাসড়ক ছেড়ে চলে যায়। এতে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এখন প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টি শেষে শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে কারখানার মালিক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে বেতন পরিশোধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমিনুল ইসলাম/জেএস/জিকেএস