ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

২৫১ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলার আসামি খুলনায় গ্রেফতার

প্রকাশিত: ০২:৫৩ পিএম, ৩০ মার্চ ২০১৬

পণ্য আমদানির নামে এলসি খুলে জনতা ব্যাংক দিলকুশা শাখা থেকে প্রায় ২৫১ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলার প্রধান আসামি টিপু সুলতানকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার দুপুরে খুলনার দৌলতপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার তাকে ঢাকা সিএমএম আদালতে হাজির করা হতে পারে বলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান। টিপু সুলতানের বিরুদ্ধে অন্যান্য ব্যাংক থেকেও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এই মামলায় ব্যাংকের চার কর্মকর্তাকেও আসামি করা হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের একটি বিশেষ টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খুলনায় এসে টিপু সুলতানকে গ্রেফতার করে।
টিমের সদস্যরা হলেন, দুদকের উপ পরিচালক মো. সামছুল আলম ও মো. জাহাঙ্গীর আলম।

টিপু সুলতানকে গ্রেফতারের বিষয়টি দুদকের উপ-পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বীকার করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, পণ্য আমদানির নামে মেসার্স ঢাকা ট্রেডিং হাউজের মালিক টিপু সুলতান ও জনতা ব্যাংকের চার কর্মকর্তা যোগসাজসে রাজধানীর মতিঝিল থানার দিলকুশা জনতা ব্যাংক থেকে ২৫০ কোটি ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে। এই ঘটনায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আত্মসাতের অভিযোগে মেসার্স ঢাকা ট্রেডিং হাউজের মালিক টিপু সুলতানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের উপ-পরিচালক মো. সামছুল আলম মামলাটি (মামলা নম্বর ২২) দায়ের করেন। মামলাটির তদন্ত করছেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম। এ মামলায় টিপু সুলতানকে গ্রেফতার করা হয়।

রাজধানীর বিজয়নগরেই টিপু সুলতানের মালিকানাধীন ঢাকা ট্রেডিং হাউজ। এ প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে তিনি ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ওই অর্থ আত্মসাৎ করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন, জনতা ব্যাংকের জিএম মো. মঞ্জুরুল ইসলাম, সাবেক এজিএম শামীম আহমেদ খান, জনতা ব্যাংক লোকাল অফিসের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার মো. মশিউর রহমান এবং লোকাল অফিসের সাবেক ম্যানেজার এ এস এম জহিরুল অফিসার।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চিনি ও বাচ্চাদের খাবার আমদানির নামে জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিসে ঢাকা ট্রেডিং হাউজের অনুকূলে এলসি খোলেন মো. টিপু সুলতান। পরে সে এলসির বিপরীতে মালামাল আমদানি না করে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে এ কোম্পানির হিসাব নম্বরে ২৫০ কোটি ৯৬ লাখ ১ হাজার ৪৫৫ টাকা স্থানান্তর করে।

স্থানান্তরিত ওই বিপুল পরিমাণ টাকা ২০১০ থেকে ২০১২ সালের বিভিন্ন সময়ে আসামিরা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন, যা দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে। পরে কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়।


আলমগীর হান্নান/এমএএস/এবিএস