তিন সপ্তাহ পর মিয়ানমার থেকে পণ্য এলো টেকনাফে
মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘাতের কারণে বন্ধ থাকা সীমান্ত বাণিজ্য ফের সচল হয়েছে। দীর্ঘ তিন সপ্তাহ (২১ দিন) বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) রাখাইন রাজ্যের মংডু শহর থেকে টেকনাফ স্থলবন্দরে কয়েকটি পণ্যের চালান এসেছে। তবে এই ক’দিনে সরকার রাজস্ব হারিয়েছে অর্ধশত কোটি টাকা।
টেকনাফ স্থলবন্দর সূত্র জানায়, রাখাইনে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সংঘর্ষের কারণে ১৪ নভেম্বর থেকে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়। ২১ দিন পর চারটি ট্রলারে পণ্য এসে ভিড়েছে টেকনাফ স্থলবন্দরে। পণ্যগুলোর মধ্যে আছে আদা, মাছ, নারিকেল ও সুপারি।
টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা এএসএম মোশাররফ হোসেন জানান, এসব পণ্য আমদানি করেছেন ওমর ফারুক নামের এক ব্যবসায়ী। রাজস্ব দিয়ে পণ্য খালাস ও সরবরাহের প্রক্রিয়া চলছে।
টেকনাফ স্থলবন্দরের আমদানিকারক ওমর ফারুক জানান, সকালে ৩০ টন আদা, ১০০ টন মাছ, ৫৫ টন নারিকেল ও ২৫২ টন সুপারি টেকনাফ স্থলবন্দর জেটিতে এসে পৌঁছেছে।
তিনি আরও জানান, মিয়ানমারে কিনে রাখা শত শত টন আদা, মাছ, নারিকেল ও সুপারি দেশটির আকিয়াব বন্দরে ছিল। এগুলো আনা যাচ্ছিল না। অনেক ব্যবসায়ীর আদা পচে গেছে। ব্যবসায়ীদের লোকসান গুণতে হচ্ছে।
টেকনাফ স্থলবন্দরের ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন চৌধুরী জানান, ব্যবসায়ীরা আইজিএম (পণ্যের তালিকাযুক্ত কাগজপত্র) জমা দিয়েছেন। রাজস্ব দেওয়ার পর পণ্য খালাস ও সরবরাহ করা হবে।
শুল্ক কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন জানান, গত ১৪ নভেম্বর মংডু শহর থেকে টেকনাফ স্থলবন্দরে কোনো পণ্য আসেনি, একইভাবে টেকনাফ থেকে পণ্য মিয়ানমারে যায়নি। এই কয়দিনে প্রায় ৫০-৬০ কোটি টাকা রাজস্ব হারিয়েছে সরকার।
সায়ীদ আলমগীর/এফএ/এমএস
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ যানজট নিরসনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
- ২ নির্বাচনি এলাকায় দুর্নীতি-চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে: গণপূর্তমন্ত্রী
- ৩ বন্ধ বাফার গোডাউনের লোড-আনলোড, অপেক্ষায় সারবোঝাই অর্ধশত ট্রাক
- ৪ যশোরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ব্যবহার অর্ধেকে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত
- ৫ অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় হয় না : ড. মোশাররফ