ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

শরীয়তপুরে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রত্যাহার

প্রকাশিত: ১২:৩৮ পিএম, ০৩ মে ২০১৬

ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদে করা আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়েছে শরীয়তপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। শরীয়তপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এহসান শাহ্ এর আশ্বাসে আন্দোলন তুলে নেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার থেকে ইনস্টিটিউটে আবার মধ্যপর্ব পরীক্ষাসহ ক্লাস শুরু হবে।

গত ২৮ এপ্রিল শরীয়তপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ৬ জন ছাত্রীকে ইভটিজিং করে এক বখাটে। তাৎক্ষণিকভাবে অত্র ইনস্টিটিউটের ছাত্র-ছাত্রীরা ইভটিজিংকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তরি দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অব্যাহত রাখে। তারই ধারাবাহিকতায় সকাল ১১টায় শরীয়তপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এহসান শাহ্ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে গিয়ে শিক্ষার্থীদের বোঝাতে সক্ষম হন।

নাঈম সরকার যে ঘটনা ঘটিয়েছে তার বিরুদ্ধে আমরা পালং থানায় একটি মামলা নিয়েছি। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে এবং খুব শিগগিরই গ্রেফতার করে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে। পুলিশ সুপারের এমন আশ্বাসে ছাত্র-ছাত্রীরা আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন এবং বুধবার থেকে নিয়মিত মধ্য পর্ব পরীক্ষাসহ ক্লাস করতে সম্মতি দেন।

এ ব্যাপারে শরীয়তপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এহসান শাহ্ বলেন, ২৮ এপ্রিল ইভটিজিংয়ের ঘটনায় আজ আমি শরীয়তপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে গিয়ে ওই ম্যাচ মালিক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে বসেছিলাম। তাদের বলেছি  নাঈমকে গ্রেফতার করে উপযুক্ত শাস্তি দেব। যাতে আর কখনো এ ধরনের ঘটনা না ঘটে।

জানা যায়, শরীয়তপুরস্থ দেওভোগ গ্রামে অবস্থিত গিয়াসউদ্দিন সরকারের বাড়িতে শরীয়তপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কিছু ছাত্র-ছাত্রী ম্যাচ করে থাকতেন। দীর্ঘ দিন ধরে ম্যাচ মালিক গিয়াস উদ্দিন সরকারের ছেলে নাঈম সরকার উক্ত ম্যাচের ৬ ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করতেন। ছাত্রীরা সম্মানের ভয়ে সহ্য করতেন।

কিন্তু উপায়ান্তুর না দেখে ছাত্রীরা শরীয়তপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষকে জানালে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে উক্ত ৬ ছাত্রীকে কলেজ ক্যাম্পাসের শিক্ষকদের বাসভবনে থাকার ব্যবস্থা করেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে ইনস্টিটিউটের ছাত্র-ছাত্রীরা তার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন এবং ক্লাস বর্জনসহ পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দেন। এরই ধারাবাহিকতায় উক্ত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র-ছাত্রীরা মঙ্গলবার পরীক্ষাসহ ক্লাস বর্জন করে।

ছগির হোসেন/এফএ/এবিএস

আরও পড়ুন