রোজার আগেই বাড়লো সব ফলের দাম
রোজার আগেই দাম বেড়েছে দেশি-বিদেশি ফলের, ছবি: জাগো নিউজ
পবিত্র রমজান মাস শুরুর আগেই বাজারে দেশি বিদেশি প্রায় সব ফলের দাম বেড়েছে। বিদেশি আপেল মাল্টার মতো ফলগুলোর দাম প্রায় ৪০ থেকে ৬০ টাকা আর কলা-বরইয়ের মতো দেশি ফলের দাম বেড়েছে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশি ফল কলা প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে জাতভেদে ২০ থেকে ৫০ টাকা বেশি দামে। এখন এক ডজন সাগর কলা বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা যা ১২০ টাকায় পাওয়া যেত কয়েকদিন আগে।
সবরি কলাও বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা ডজনে। একইভাবে বাংলা কলা ১০০ থেকে ১২০ টাকা বিক্রি হতে দেখা গেছে। যা আগের চেয়ে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেশি।
এদিকে, তরমুজের মৌসুম পুরোপুরি শুরু না হলেও আকারভেদে কেজিপ্রতি দাম চাওয়া হচ্ছে ৭০ থেকে ৯০ টাকা। পেয়ারার দাম বেড়ে আকারভেদে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। আর আকারভেদে প্রতিটি আনারস ৪০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মৌসুমি বরই বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ২০০ টাকা কেজি পর্যন্ত দরে। দেশি পেঁপের দামও কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা। এসব ফলের দাম বেশ বেড়েছে গত ২ থেকে ৩ দিনের ব্যবধানে।
অন্যদিকে, বিদেশি ফলের মধ্যে রোজায় সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকে খেজুর, মাল্টা ও আপেলের। এর মধ্যে মাল্টা ও আপেলের দাম বেড়েছে ৬০ টাকা পর্যন্ত। মাল্টার দাম কেজিপ্রতি বেড়ে ৩২০ থেকে ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা আগে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা ছিল।
আর আপেলের কেজি প্রকারভেদে ৩৬০ থেকে ৪০০ টাকা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, যেখানে রোজার কারণে ফলের চাহিদা বেড়েছে, সে অবস্থায় নির্বাচনের ফলে সরবরাহে কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে। পরিবহন খরচও বেড়েছে কয়েক গুণ। এদিকে, বিভিন্ন পাইকারি বাজারে সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানোর অভিযোগও আছে।
রামপুরা ফল বিক্রেতা জামেদুল হক বলেন, রোজার মধ্যে সবাই ফল কিনে। কিন্তু এত ফলের সরবরাহ পাইকারি বাজারে নেই। পাইকারি বাজার থেকেই আমরা ২০ থেকে ৫০ টাকা বেশি ধরে ফল কিনছি।
মহিউদ্দিন চৌধুরী নামে এক ক্রেতা বলেন, রোজার প্রাক্কালে সব প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়ে যাওয়া যেন এক অনিবার্য রেওয়াজ। এবারও সে একই প্রবণতা দেখা গেছে। ব্যাতিক্রম হয়নি। এগুলো মনিটরিংয়ে সরকারের গুরুত্ব দিতে হবে।
এনএইচ/এসএনআর