ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. শিক্ষা

পদত্যাগপত্র দিয়েই শিক্ষামন্ত্রীর বিদায়ী শুভেচ্ছা পেলেন ঢাবি ভিসি!

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৪:০০ পিএম, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান রোববার সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে যান। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে দেখা করে তিনি উপাচার্য পদ থেকে পদত্যাগ করবেন বলে জানান। এরপর মন্ত্রীর হাতে তুলে দেন পদত্যাগপত্র।

উপাচার্যের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে সঙ্গে সঙ্গেই তাকে ‘বিদায়ী শুভেচ্ছা’ লেখা ফুলের তোড়া তুলে দেন মন্ত্রী। তাতে লেখা ছিল ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান-কে শুভেচ্ছা; ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, শিক্ষামন্ত্রী।’

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদত্যাগপত্র দিতে এসে এভাবে ‘বিদায়ী শুভেচ্ছা’ লেখা ফুলের তোড়া পাওয়ার ঘটনা নজিরবিহীন। কারণ, পদত্যাগপত্র দিলে তা গ্রহণ হবে কি না, তা বিবেচনা করা হয়। এরপরও কিছু প্রক্রিয়া থাকে। কিন্তু তার আগেই এভাবে বিদায়ী শুভেচ্ছা দেওয়ায় ভিন্ন বার্তা মিলছে।

শিক্ষামন্ত্রীকে উপাচার্যের পদত্যাগপত্র এবং মন্ত্রীর পক্ষ থেকে বিদায়ী শুভেচ্ছা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন এমন একজন কর্মকর্তা জাগো নিউজকে জানান, খুব অল্প সময়ে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। মন্ত্রী এবং উপাচার্য দুজনই খুব বেশি কথা বলেননি। শুধু আনুষ্ঠানিকতা হয়েছে মাত্র।

jagonews24

ওই কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, ‘ফুলের তোড়া আগেই এনে রাখা হয়েছিল। প্রথমে উপাচার্য পদত্যাগপত্র তুলে দেন মন্ত্রীর হাতে। এর পরপরই মন্ত্রী উপাচার্যকে বিদায়ী শুভেচ্ছা বার্তার ফুলের তোড়া দেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহেনা পারভীন।’

আরও পড়ুন
পদত্যাগ করলেন ঢাবি উপাচার্য

বিষয়টি নিয়ে সচিব রেহেনা পারভীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘উনি পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। শিক্ষামন্ত্রী সেটি গ্রহণ করেছেন। এখন বাকি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।’ তবে পদত্যাগপত্র দেওয়ার সময় উপাচার্যকে বিদায়ী শুভেচ্ছা দেওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সচিব এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার দুজন কর্মকর্তা জানান, নিয়ম অনুযায়ী—উপাচার্য নিয়োগ দেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আচার্য রাষ্ট্রপতি। আবার যখন উপাচার্যরা পদত্যাগ করেন, তখন তা আচার্যকে পাঠানো হয়। তিনি পদত্যাগপত্র গ্রহণ করলে উপাচার্য পদ শূন্য হয়। উপাচার্যকে এসব কাজে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহযোগিতা করে। এককথায় মন্ত্রণালয় মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। সেক্ষেত্রে আজ ঢাবি উপাচার্য পদত্যাপগপত্র দিলেও এখনই তা কার্যকর হয়নি। রাষ্ট্রপতি সেটি গ্রহণ করলে তা কার্যকর হবে।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে পদত্যাগপত্র দেওয়া ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি পদত্যাগপত্র দিয়েছি। উনি (শিক্ষামন্ত্রী) শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, আমি গ্রহণ করেছি। ভিন্ন কিছু দেখছি না।’ তবে এ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

এএএইচ/এমকেআর