ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. শিক্ষা

ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজের পদত্যাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ১২:৩৪ পিএম, ১৬ মার্চ ২০২৬

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব বরাবর তিনি এ পদত্যাগপত্র দেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ইউজিসি সূত্র জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সচিবকে পাঠানো পদত্যাগপত্রের একটি কপি জাগো নিউজের হাতে এসেছে। তাতে তিনি ‘শারীরিক অসুস্থতাকে কারণ দেখিয়ে অব্যাহতি চেয়েছেন।

পদত্যাগপত্রে অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ০৫ সেপ্টেম্বর নিয়োগ পেয়ে আমি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান পদে যোগদান করি। শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে আমি কমিশনের চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করছি।

‌‘এমতাবস্থায়, আমার বর্তমান শারীরিক অবস্থা বিবেচনাপূর্বক বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি প্রদানের বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।’

ইউজিসি সূত্র বলছে, সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী এক অনুষ্ঠানে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ইউজিসি চেয়ারম্যানকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে বলে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ইউজিসিতেও গুঞ্জন ছড়িয়েছে যে চেয়ারম্যানকে সরিয়ে দেওয়া হবে। এ কারণে তিনি আগেই পদত্যাগ করতে পারেন।

বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের আমলে ২০০২ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬তম উপাচার্য পদে সাময়িক নিয়োগ পান বিশ্ববিদ্যালয়টির মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত এ অধ্যাপক। বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন আচার্য ও রাষ্ট্রপতি ড. ইয়াজ উদ্দিন আহমেদ তাকে এ নিয়োগ দেন। উপাচার্য হিসেবে সাময়িক সময়ের জন্য নিয়োগ পেয়ে দীর্ঘ ৬ বছর দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

এর আগে ড. ফায়েজ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) ষষ্ঠ চেয়ারম্যান পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ১৯৯৩ সালের ৭ মার্চ থেকে ১৯৯৮ সালের ৫ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ বছর এ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর ইউজিসির চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সরিয়ে দেওয়া হয়। পট-পরিবর্তনের একমাস পর ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে অধ্যাপক ফায়েজকে চার বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়। সে হিসাবে তার মেয়াদকাল এখনও দুই বছরের বেশি বাকি।

এএএইচ/এমআরএম/জেএইচ