পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি দখলদারির বিরুদ্ধে মুসলিম ও পশ্চিমা বিশ্ব
ছবি: আনাদোলু এজেন্সি
ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে সম্প্রতি ইসরায়েলের দখলদারি কার্যক্রমের তীব্র সমালোচনা এবং পদক্ষেপগুলোর বিরুদ্ধে নিউইয়র্কে জাতিসংঘে যৌথ বিবৃতি প্রদান করেছেন আরব লীগ ও ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) দুই ডজনেরও বেশি রাষ্ট্রদূত।
এছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নভূক্ত দেশগুলোও ইসরায়েলের এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
আরব লীগ ও ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের এসব পদক্ষেপ কার্যত দখলকৃত পশ্চিম তীরে ডি ফ্যাক্টো সংযুক্তিকরণ (বাস্তবিক অর্থে একতরফা অন্তর্ভুক্তি) হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এ ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের প্রস্তাবের পরিপন্থি এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে দুর্বল করতে পারে।
তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের স্থিতাবস্থা রক্ষা এবং দুই-রাষ্ট্র সমাধানের ভিত্তিতে ন্যায়সঙ্গত ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা নেওয়া হয়।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার ( ১০ ফেব্রুয়ারি) বলেছেন, তিনি দখলকৃত পশ্চিম তীর ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত করার (অ্যানেক্সেশন) বিপক্ষে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা সম্প্রতি যে পদক্ষেপগুলো অনুমোদন করেছে সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। তবে তিনি বলেন, আমি সংযুক্তির বিরুদ্ধে।
তিনি আরও বলেন, এ মুহূর্তে আমাদের ভাবার মতো যথেষ্ট বিষয় আছে। পশ্চিম তীর নিয়ে নতুন করে ঝামেলায় জড়ানোর প্রয়োজন নেই।
দখলকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ইউরোপের কয়েকটি প্রভাবশালী দেশ।
ইইউ’র পাশাপাশি ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, স্পেন, বেলজিয়াম, সুইজারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস এসব সিদ্ধান্তকে আন্তর্জাতিক আইনবিরোধী এবং দুই-রাষ্ট্র সমাধানের পথে বড় বাধা বলে অভিহিত করেছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করার লক্ষ্যে কয়েকটি পদক্ষেপ অনুমোদন করে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—পশ্চিম তীরে ব্যক্তিগত ইসরায়েলিদের কাছে জমি বিক্রি নিষিদ্ধকারী আইন বাতিল, জমির মালিকানার নথি উন্মুক্ত করা, হেবরনের কাছে একটি বসতি এলাকায় নির্মাণ অনুমোদনের ক্ষমতা ফিলিস্তিনি পৌরসভা থেকে ইসরায়েলের সিভিল প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া।
সূত্র: আল-জাজিরা/ আনাদোলু এজেন্সি
কেএম
সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক
- ১ জনমত জরিপে এগিয়ে থাকা দল ফলাফলে দ্বিতীয় অবস্থানে
- ২ রুশ হামলায় ইউক্রেনে শিশুসহ একই পরিবারের নিহত ৫, গর্ভবতী মা আহত
- ৩ ভোট গণনায় অনিয়মের অভিযোগ, চাপের মুখে থাইল্যান্ডের নির্বাচন কমিশন
- ৪ ২০০৬ সালে এপেস্টেইনের বিষয়ে পুলিশকে ফোন করেছিলেন ট্রাম্প
- ৫ পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি দখলদারির বিরুদ্ধে মুসলিম ও পশ্চিমা বিশ্ব