ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. আন্তর্জাতিক

কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা: পানি ও তেল শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৫:৫৪ পিএম, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

কুয়েত জানিয়েছে, ইরানের হামলায় একটি তেল ও পানিশোধন (ডেসালিনেশন) প্ল্যান্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের ৩৫তম দিনে উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে।

কুয়েত কর্তৃপক্ষ জানায়, শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুরের আগেই প্ল্যান্টটিতে হামলা হয়, তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি।

এর কয়েক ঘণ্টা আগে মিনা আল- আহমাদি তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলা চালানো হয়। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেইউএনএ জানিয়েছে, এতে শোধনাগারের কয়েকটি কার্যক্রম ইউনিটে আগুন ধরে যায়, তবে কোনো কর্মী আহত হয়নি।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি সেবা ও ফায়ার সার্ভিসের দল পাঠানো হয়েছে এবং পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বাতাসের মান পর্যবেক্ষণ করছেন।

এটি এই শোধনাগারে তৃতীয়বারের মতো হামলা এবং পুরো দেশে উচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে।

তিনি বলেন, এটি মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বড় শোধনাগার এবং স্থানীয় জ্বালানি চাহিদার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে কুয়েত ইরানের খুব কাছাকাছি—মাত্র প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরত্বে—যা এটিকে হামলার জন্য সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় কেইউএনএ সতর্ক করে জানায়, কুয়েতে শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চলছে। দেশজুড়ে আকাশে বিস্ফোরণ ও সাইরেন শোনা গেছে, যা ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের সময় ঘটেছে বলে জানানো হয়।

কুয়েতসহ উপসাগরীয় দেশগুলো পানিশোধিত পানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। গত ৩০ মার্চ কুয়েতের একটি বিদ্যুৎ ও পানিশোধন প্ল্যান্টে হামলায় এক ভারতীয় নাগরিক নিহত হন।

তবে ইরান এসব হামলার দায় অস্বীকার করেছে এবং এর জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করেছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

এমএসএম