ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. আইন-আদালত

গুলশান-বনানীর অনুমোদনবিহীন সিসা লাউঞ্জ বন্ধের নির্দেশ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৭:১০ পিএম, ০৩ মার্চ ২০২৬

রাজধানীর গুলশান-বনানীর অনুমোদনবিহীন মাদক সিসা ও সিসা লাউঞ্জ বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ডিএমপি কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়।

এ সংক্রান্ত বিষয়ে শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এস এম জুলফিকার আলী জুনু। আদেশের বিষয়টি তিনি নিজে নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ১৮ জানুয়ারি রাজধানীর গুলশান-বনানীর অনুমোদনবিহীন মাদক সিসা ও সিসা লাউঞ্জ বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করা হয়। গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এস এম জুলফিকার আলী জুনু এ রিট করেন। রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের আইজি, র‌্যাবের মহাপরিচালক, ডিএমপি কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়।

তার আগে ৮ জানুয়ারি রাজধানীর অভিজাত এলাকায় অনুমোদনবিহীন মাদক সিসা ও সিসা লাউঞ্জ বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে এস এম জুলফিকার আলী জুনু সরকার সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানীর গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি ও উত্তরার মতো অভিজাত এলাকায় রাত গভীর হলে জমে ওঠে গোপন আড্ডা। বাইরে থেকে ক্যাফে বা লাউঞ্জ মনে হলেও ভেতরে এগুলো রূপ নেয় সিসা বারে।

সেখানে তামাকজাত সিসার সঙ্গে ব্যবহার হয় নানা ধরনের মাদক। অনেক জায়গায় চলে অনৈতিক কার্যক্রমও। অথচ দেশে সিসা বার পরিচালনার কোনো বৈধ অনুমতি নেই। আইন স্পষ্টভাবে নিষেধাজ্ঞা দিলেও কার্যকর তদারকির অভাবে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বেড়ে চলেছে এ সংস্কৃতি।

সম্প্রতি বনানীতে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা এই অবৈধ ব্যবসার চিত্র আরও স্পষ্ট করেছে। ‘৩৬০ ডিগ্রি’ নামের একটি সিসা বার থেকে বের হয়ে খুন হন এক ইন্টারনেট ব্যবসায়ী।

তদন্তে জানা গেছে, এর আগেও ওই স্থানে ‘এরাবিয়ান কজি’ নামে সিসা বার চালু ছিল। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে তা বন্ধ হয়। কিন্তু মালিকপক্ষ নাম পাল্টে আবারও একই ধরনের ব্যবসা শুরু করে। অভিযানের পরও এভাবে বারবার গোপনে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এসব প্রতিষ্ঠান।

এফএইচ/এমআইএইচএস