ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. আইন-আদালত

২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ইউসিবির সাবেক দুই পরিচালক কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৩:২০ পিএম, ৩১ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে হুণ্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচারের অভিযোগে করা মামলায় ব্যাংকটির সাবেক দুই পরিচালককে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন।

আসামিরা হলেন- ইউসিবিএলের সাবেক পরিচালক অপরূপ চৌধুরী (৬৫) ও তৌহিদ সিপার রফিকুজ্জামান (৬৬)। তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেছিলেন।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোকাররম হোসাইন জানান, আত্মসাৎ ও অর্থপাচারের অভিযোগে করা মামলায় দুই আসামির জামিন আবেদন শুনানি শেষে আদালত তা নাকচ করেন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আরামিট গ্রুপের প্রটোকল অফিসার ফরমান উল্লাহ চৌধুরীকে নামসর্বস্ব একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক দেখিয়ে ইউসিবিএল থেকে ২৫ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন করা হয়। পরে ওই অর্থ উত্তোলন করে হুণ্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হয়।

এ মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তার স্ত্রী ও ইউসিবিএলের সাবেক চেয়ারম্যান রুকমীলা জামানসহ মোট ৩৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর আগে গত ১১ মার্চ আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

দুদক সূত্র জানায়, ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটে। তদন্ত শেষে গত ৫ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

মামলাটি দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দায়ের করা হয়েছে। আগামী ৫ এপ্রিল সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

এ মামলায় ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১-এ সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ও তার স্ত্রীসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

পরবর্তীতে মামলার ৩১ আসামির মধ্যে দুজন মারা যাওয়ায় তাদের বিচারিক কার্যক্রম থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। তারা হলেন ইউসিবিএলের সাবেক ক্রেডিট ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল এবং জাবেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী কাজী মোহাম্মদ দিলদার আলম।

অন্যদিকে, তদন্তে নতুন করে পাওয়া সাতজনকে যুক্ত করে মোট ৩৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে দুদক। অভিযোগপত্রে ৯২ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

এমআরএএইচ/এসএনআর/বিএ