কারাগারে মামুন খালেদ, আদালতে স্বামীকে দেখে কাঁদলেন স্ত্রী নুসরাত
আদালতে ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক শেখ মামুন খালেদ/ছবি জাগো নিউজ
বিএনপি কর্মী মকবুল হোসেন হত্যা মামলায় ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক শেখ মামুন খালেদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন ঢাকার মহানগর হাকিম আদালত। একই সঙ্গে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পঞ্চম দফায় রিমান্ড শেষে সোমবার (১৩ এপ্রিল) মামুন খালেদকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির এসআই কফিল উদ্দিন তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন ও নজরুল ইসলাম পাখি তার জামিন চেয়ে শুনানি করেন।
শুনানিকালে আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজ বক্তব্যে মামুন খালেদ বলেন, ২০২০ সালে অবসরের পর তিনি একাডেমিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন এবং রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। অসুস্থতার বিষয়টিও তুলে ধরে তার পক্ষে জামিন প্রার্থনা করা হয়। তবে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এই আদেশের পর আদালত প্রাঙ্গণে আবেগঘন দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। হাজতখানায় নেওয়ার পথে মামুন খালেদকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তার স্ত্রী নুসরাত জাহান। এ সময় তাদের দুই কন্যাও ছিলেন। স্বামীর সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কথা বলে তিনি সরে যান এবং পরে মামুন খালেদকে হাজতখানায় নেওয়া হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ৭ ডিসেম্বর রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় দলীয় কার্যালয়ের আশপাশে হামলা ও গুলিতে মকবুল হোসেন নামে এক কর্মী নিহত হন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে পল্টন মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন, যেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৫৬ জনকে আসামি করা হয়।
গ্রেঢতারের পর থেকে এ পর্যন্ত চার দফায় মোট ১৭ দিন রিমান্ডে নেওয়া হয় মামুন খালেদকে। সর্বশেষ এক দিনের রিমান্ড শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এমডিএএ/বিএ
সর্বশেষ - আইন-আদালত
- ১ হত্যা মামলায় সাবেক মন্ত্রী নুরুজ্জামানকে গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ
- ২ বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি
- ৩ কারাগারে মামুন খালেদ, আদালতে স্বামীকে দেখে কাঁদলেন স্ত্রী নুসরাত
- ৪ মৃতপ্রায় হয়ে পড়লে ২১ ফুটের সেই কক্ষে এসি লাগানো হয়: আমান আযমী
- ৫ যিনি অনৈতিকভাবে অর্থ আদায় করেন তার মুখে নৈতিকতা মানায় না