ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. আইন-আদালত

৭ খুন মামলা : ময়নাতদন্তকারী ডাক্তারের সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে

প্রকাশিত: ০৭:১০ এএম, ০৯ মে ২০১৬

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত ৭ খুনের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ময়নাতদন্তকারী ডাক্তার নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আসাদুজ্জামানের সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।

সোমবার সকাল সাড়ে ৯টা হতে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে গ্রেফতার হওয়া নূর হোসেনসহ ২৩ আসামির উপস্থিতিতে সাক্ষ্য ও জেরা গ্রহণ চলে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতের পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, সোমবার ৭ খুনের ঘটনায় সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। নিহত আইনজীবী চন্দন সরকারের স্ত্রী অর্চনা সরকার, ভাগিনা মাদব কুমার দে, ৭ খুনের ময়নাতদন্তকারী ডাক্তার নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আসাদুজ্জামানসহ ১০ জনকে আদালতে হাজির করা হয়।

জানা গেছে, ৭ খুনের ঘটনায় দুটি মামলা হয়। একটি মামলার বাদী বিজয় কুমার পাল (নিহত অ্যাডভোকেট চন্দন সরকারের মেয়ের জামাতা) ও অপর বাদী সেলিনা ইসলাম বিউটি (নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী)।

দুটি মামলাতেই অভিন্ন সাক্ষী হলো ১২৭ জন করে। এ কারণে উভয় মামলার সাক্ষীদের একই সঙ্গে দুই মামলায় জেরা করা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন ও গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম এবং আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তার গাড়িচালক ইব্রাহীম অপহৃত হন। পরে ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ৬জনের ও ১ মে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

তদন্ত শেষে প্রায় এক বছর পর গত ৮ এপ্রিল নূর হোসেন, র্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। গত ৮ ফেব্রুয়ারি ৭ খুনের দুটি মামলায় নূর হোসেন ও র্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এ মামলায় নূর হোসেন ও র্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ মোট ২৩ জন কারাগারে আটক রয়েছেন। আর চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে এখনো ১২ জন পলাতক রয়েছেন।

শাহাদাত হোসেন/এসএস/আরআইপি

আরও পড়ুন