ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. লাইফস্টাইল

নারীদের আয়রনের ঘাটতি হলে যেসব সমস্যা হতে পারে

লাইফস্টাইল ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৩:৩০ পিএম, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬

নারীরা তাদের স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতন হন না এবং শরীরের ছোটখাটো সমস্যা এড়িয়ে যান। কিন্তু ঘন ঘন মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরার ক্ষেত্রে কোনো অবহেলা নয়। এ ধরনের উপসর্গের পেছনে শরীরে আয়রনের ঘাটতি থাকতে পারে।

নারীদের মধ্যে আয়রনের অভাব হলে নানা সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। চুল পড়া, চুল পাতলা হওয়া, এবং ক্রমাগত ক্লান্তি এসব লক্ষণ সাধারণত এর সঙ্গে যুক্ত। ঋতুস্রাব, গর্ভাবস্থা, বুকের দুধ খাওয়ানো এবং খাদ্যাভ্যাসের ঘাটতি নারীদের মধ্যে আয়রনের ঘাটতি আরও বাড়াতে পারে।

পর্যাপ্ত আয়রনের মাত্রা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। কারণ আয়রন হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে-যা লোহিত রক্তকণিকায় থাকা প্রোটিন এবং ফুসফুস থেকে শরীরের অন্যান্য অংশে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়। পর্যাপ্ত আয়রন পেশীর সঠিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে, দুর্বলতা ও শ্বাসকষ্ট কমায় এবং মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ও মানসিক সুস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

নারীদের মধ্যে আয়রনের মাত্রা কম থাকার লক্ষণ
ডাঃ তৃপ্তি রাহেজা জানান,‘যখন আয়রনের মাত্রা কম থাকে, টিস্যুতে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়, ফলে ক্লান্তি আসে এবং শারীরিক ক্ষমতা হ্রাস পায়। দীর্ঘস্থায়ী আয়রনের ঘাটতিতে রক্তাল্পতা হতে পারে, যা দৈনন্দিন কার্যকারিতা এবং দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতার উপর প্রভাব ফেলে।’

নারীদের মধ্যে আয়রনের ঘাটতি থাকলে যে লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে তা হলো-
১. পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরও অবিরাম ক্লান্তি এবং দুর্বলতা
২. ফ্যাকাশে বা নিস্তেজ ত্বক, কালো দাগ দেখা
৩. হালকা পরিশ্রমের সময় শ্বাসকষ্ট এবং ধড়ফড় করা
৪. মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, মনোযোগ কম থাকা এবং স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাওয়া
৫. অতিরিক্ত চুল পড়া এবং চুল পাতলা হওয়া
৬. নখ ভঙ্গুর বা চামচ আকৃতির হয়ে যাওয়া
৭. অক্সিজেন সঞ্চালন কমে যাওয়ায় হাত-পা ঠান্ডা হওয়া
৮. ঘন ঘন সংক্রমণের হওয়া, সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যাওয়া
৯. বরফ, খড়ি বা কাদামাটির মতো অস্বাভাবিক আকাঙ্ক্ষা দেখা
১০. রাতে পায়ে অস্বস্তিকর অনুভূত হওয়া

আয়রনের ঘাটতি পূরণের উপায়
প্রতিদিনের খাবারে লাল মাংস, পোলট্রি, ডিম, সবুজ শাকসবজি, বাদাম এবং অন্যান্য আয়রনসমৃদ্ধ খাবার রাখা উচিত। লৌহের শোষণ বাড়াতে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল যেমন কমলা, কিউই এবং স্ট্রবেরি খাওয়া দরকার। পাশাপাশি পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুম নিশ্চিত করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শে আয়রন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা যেতে পারে। দৈনন্দিন জীবনে পর্যাপ্ত পানি পান করা, হালকা ব্যায়াম করা এবং মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই লক্ষণগুলো দৈনন্দিন ক্লান্তির সঙ্গে মিলে যায়, তাই দেরি না করে আয়রনের ঘাটতি তীব্র হয়ে ওঠার আগেই ঘাটতি পূরণ করুন।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

আরও পড়ুন:
যেসব সমস্যা দেখতে মাইগ্রেনের মতো হলেও মাইগ্রেন না 
খালি পেটে বিটরুটের জুস খাওয়ার উপকারিতা

এসএকেওয়াই/

আরও পড়ুন