ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

ভোটারের স্বাক্ষর ছাড়া পাঠানো পোস্টাল ব্যালট বাতিল করা হবে: ইসি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৫:১৯ পিএম, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

ঘোষণাপত্র বা ভোটারের স্বাক্ষর ছাড়া পাঠানো পোস্টাল ব্যালট গণনায় অন্তর্ভুক্ত হবে না। এছাড়া আরও সাতটি কারণে পোস্টাল ব্যালট বাতিলের নতুন নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সম্প্রতি ইসির উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেশের সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে একটি নির্দেশনামূলক চিঠি পাঠিয়েছেন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বৈধ পোস্টাল ব্যালট পেপার জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রার্থীভিত্তিক এবং গণভোটের ক্ষেত্রে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’—এই ভিত্তিতে আলাদা করে গণনা করতে হবে। তবে ইস্যু করা পোস্টাল ব্যালট নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে প্রিসাইডিং অফিসার কোনো প্রার্থীর অনুকূলে গণনা করবেন না—

ক. খামের ভেতরে ঘোষণাপত্র না থাকলে।
খ. ঘোষণাপত্রে ভোটারের স্বাক্ষর না থাকলে।
গ. একাধিক প্রতীকে টিক বা ক্রস চিহ্ন দেওয়া হলে।
ঘ. কোনো প্রতীকেই টিক বা ক্রস চিহ্ন না থাকলে।
ঙ. এমনভাবে টিক বা ক্রস চিহ্ন দেওয়া হলে, যাতে যুক্তিসংগতভাবে নিশ্চিত হওয়া যায় না ভোটটি কোন প্রার্থী বা প্রতীকের পক্ষে দেওয়া হয়েছে।
চ. OCV (প্রবাসী) ভোটের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক ব্যতীত অন্য প্রতীকে টিক বা ক্রস চিহ্ন দেওয়া হলে।
ছ. ব্যালট পেপারে টিক বা ক্রস চিহ্ন ছাড়া অন্য কোনো চিহ্ন প্রদান করা হলে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, গণনার সময় উপযুক্ত কারণে অবৈধ বা বাতিল ঘোষিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট পেপারগুলো একটি নির্ধারিত খামে সংরক্ষণ করতে হবে এবং খামের ওপর ব্যালটের সংখ্যা উল্লেখ করতে হবে। পাশাপাশি মোট অবৈধ বা বাতিল ব্যালটের সংখ্যা ফলাফল বিবরণীর নির্ধারিত স্থানে লিপিবদ্ধ করে ফলাফল বিবরণী প্রস্তুত করতে হবে।

এছাড়া কোনো আসনের পোস্টাল ব্যালট গণনা শুরুর আগে যদি তা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে না পৌঁছায়, তবে ওই পোস্টাল ব্যালট গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না।

নির্দেশনায় বলা হয়, আদালতের আদেশে কোনো নির্দিষ্ট নির্বাচনি আসনের প্রার্থী তালিকায় পরিবর্তন হলে ওই আসনের পোস্টাল ব্যালট গণনার প্রয়োজন হবে না। এখানে ‘যথাসময়’ বলতে ভোটগ্রহণের দিনসহ তার আগের চারদিন—মোট পাঁচদিনকে বোঝানো হয়েছে।

এছাড়া QR কোড ডুপ্লিকেট হওয়া কিংবা ভোটার পোস্টাল ব্যালট পাওয়ার পর খামের QR কোড স্ক্যান না করার কারণে বাতিল হওয়া ব্যালটগুলো আলাদাভাবে সংরক্ষণ করতে হবে এবং সেগুলোর হিসাব প্রকাশ করতে হবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ রয়েছে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশের ভেতরে ভোটগ্রহণের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি চাকরিজীবী, কয়েদি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং প্রবাসী মিলিয়ে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ভোটার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন।

এমওএস/এমএমকে