অনেক চিন্তা-ভাবনা করে জীবনের প্রথম ভোট দিলাম: ব্র্যাক ছাত্রী নাজিফা
ধানমন্ডির একটি কেন্দ্রে ভোট দেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাজিফা তাবাসসুম চৌধুরী/ছবি: জাগো নিউজ
জাতীয় পরিচয়পত্র হয়েছিল আরও আগেই। কিন্তু ভোট দিতে পারেননি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাজিফা তাবাসসুম চৌধুরী। এবার তিনি ভোট দিয়ে উচ্ছ্বসিত। বলেছেন, অনেক চিন্তা-ভাবনা করে জীবনের প্রথম ভোট দিলাম, খুব ভালো লেগেছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডি ওয়াইডাব্লিউসিএ উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে জাগো নিউজকে এ কথা জানান তিনি।
নাজিফা তাবাসসুম চৌধুরী বলেন, অনেক চিন্তা-ভাবনা করে ভোট দিলাম। ভালো লাগলো যে এতো বছর পর আমরা নিজের ভোটটা দিতে পারছি। আমার এনআইডি আরও আগেই হয়েছিল, কিন্তু ভোট দিতে পারিনি। আলহামদুলিল্লাহ্, এবার দিতে পেরেছি, খুব ভালো লেগেছে।
তিনি বলেন, ধানমন্ডি ১১ নম্বর রোডের বাসা থেকে ভোটকেন্দ্র পর্যন্ত এলাম কোনো সমস্যা হয়নি। সরকারে যেই আসুক দেশের জন্য যেন ভালো হয়।
নাজিফার মতো এবার প্রথম ভোট দিতে এসেছেন বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থী নাহিয়ান হাসান জয়। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ছোটবেলায় দেখতাম সবাই ভোট দিতে যেতো। ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছে ছিল নিজে ভোট দেবো। সেই স্বপ্ন পূরণ হলো। নিজের ভোট নিজে দিতে পেরেছি। আশা করছি আমার প্রার্থী জয়লাভ করবে।
এই কেন্দ্রে ভোট দেন ঢাকা-১০ আসনের বিএনপির প্রার্থী শেখ রবিউল আলম। ভোট দেওয়ার পর ধানের শীষের এ প্রার্থী সাংবাদিকদের বলেন, এবারের নির্বাচনি পরিবেশ আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় ভিন্ন। ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছেন, নির্বিঘ্নে নিজেদের পছন্দের প্রতীকে ভোট দিতে পারছেন। ভোটের মাঠে কোনো আধিপত্যবাদের প্রভাব নেই। মানুষ স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছে।
নিজের জয়ের সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে শেখ রবিউল বলেন, আমি এই এলাকায় ৩৩ বছর ধরে রাজনীতি করছি। এলাকাবাসী আমাকে জানে, আমিও তাদের জানি। এলাকার উন্নয়ন ও নাগরিক স্বার্থ রক্ষায় আমি সবসময় কাজ করেছি। এখানকার মানুষ আমাকে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করলে আমি তাদের ভালোবাসার মর্যাদা রাখবো।
টিটি/এমকেআর