স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
জুড়ি-বড়লেখায় পানি ও স্যানিটেশনের জন্য বিশেষ বরাদ্দের পরিকল্পনা নেই
জাতীয় সংসদে মৌলভীবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্যের লিখিত প্রশ্নের জবাবে সুপেয় পানি ও স্যানিটেশন সম্পর্কিত তথ্য জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মৌলভীবাজার জেলার জুড়ি ও বড়লেখা উপজেলার প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য সুপেয় পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থায় সরকারের কোনো ‘বিশেষ বরাদ্দ’ দেওয়ার পরিকল্পনা নেই। তবে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের চলমান ও সমাপ্ত প্রকল্পের মাধ্যমে এ এলাকার মানুষ সুপেয় পানি ও উন্নত স্যানিটেশন সুবিধা পাচ্ছেন।
রোববার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে মৌলভীবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদের লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান মন্ত্রী।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা ও জুড়ি উপজেলায় নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন উন্নয়ন প্রকল্প গত ডিসেম্বর ২০২৫-এ সমাপ্ত হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় নির্মিত হয়েছে ৫০০টি সাব-মার্সিবল পাম্প ও জলাধারসহ গভীর নলকূপ, ১০০টি রিংওয়েল, ৩২টি কমিউনিটি ভিত্তিক পানি সরবরাহ ইউনিট, ৫২৫টি অফসেট টুইনপিট হাউজহোল্ড ল্যাট্রিন, ১৬টি পাবলিক টয়লেট এবং ৩২টি কমিউনিটি ল্যাট্রিন।
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প (২০২০-২০২৬)’ এর আওতায় গত ৬ অর্থবছরে জুড়ি উপজেলায় ৮৩৭টি গভীর নলকূপ, একটি গ্রামীণ পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই স্কিম ও ১৮টি কমিউনিটি ভিত্তিক পানি সরবরাহ ইউনিট এবং বড়লেখা উপজেলায় এক হাজার ৪১০টি গভীর নলকূপ, একটি গ্রামীণ পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই স্কিম ও ১৮টি কমিউনিটি ভিত্তিক পানি সরবরাহ ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘গ্রামীণ স্যানিটেশন প্রকল্প’-এর আওতায় জুড়ি উপজেলায় ৩০০টি এবং বড়লেখা উপজেলায় ৫০০টি ইম্প্রুভড টুইন পিট ল্যাট্রিন বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া উভয় উপজেলায় চারটি করে কমিউনিটি টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এই প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য সুপেয় পানি সরবরাহ এবং স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে। বিশেষ কোনো নতুন বরাদ্দের পরিকল্পনা না থাকলেও বিদ্যমান প্রকল্পের সুফল এরই মধ্যে জনগণ পাচ্ছে।
এমওএস/এমএএইচ/