বঙ্গবন্ধুর ভাষণে আবেগতাড়িত মুক্তিযোদ্ধারা
‘আমি প্রধানমন্ত্রিত্ব চাই না। আমি এদেশের মানুষের অধিকার চাই।’ ‘রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরও দেবো এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ।’ ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষণ শুনে কান্নার রোল পড়ে গেলো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে।
মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডি থানাধীন ম্যারিয়ট কনভেশন সেন্টারে আয়োজিত ঢাকা-১০ আসনের সকল মুক্তিযোদ্ধাদের পুর্নমিলনী অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ভিডিওসহ দেখানো হয়। তখনই এ আবেগঘন পরিবেশের তৈরি হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলির সদস্য এবং সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর মতো বিশ্বনেতা ছিলেন বলেই আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলছি, বঙ্গবন্ধু ছিলেন বলেই আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি।
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের সেই ভাষণ স্বাধীনতা যুদ্ধের আগুনকে উস্কে দিয়েছিল বলে মন্তব্য করেন কলাবাগান থানা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সদস্য ফয়জুল কবরি নান্টু।
তিনি বলেন, আজ দেশে অনেক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর মধ্যে বঙ্গবন্ধুর সেই আদর্শ খুঁজে পাওয়া যায় না। আজও স্বাধীনতা বিরোধীরা বীর দর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বঙ্গবন্ধু থাকলে এসবের কিছুই হতো না।
মুক্তিযোদ্ধা ইসমত কাদের গামা আবেগতাড়িত কণ্ঠে বলেন, দেশের স্বাধীনতার জন্য, এদেশের মানুষের শোষণ মুক্তির জন্যই কারাবরণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম ঘোষণা করায় মুক্তিকামী মানুষ স্বাধীনতার যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন। এমন ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।
বিকেল পৌনে ৬টায় শুরু হওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের পুর্নমিলনীন অনুষ্ঠানে ২ শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা অংশগ্রহণ করেন।
জেইউ/এসকেডি/পিআর
সর্বশেষ - জাতীয়
- ১ জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
- ২ নির্বাচন ঘিরে চট্টগ্রামে নিরাপত্তা জোরদার, মাঠে র্যাবের ৫০ টহল দল
- ৩ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ‘ভয়েস ফর জাস্টিস অবজারভার্স’ দলের সাক্ষাৎ
- ৪ গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন প্রধান উপদেষ্টা
- ৫ নির্বাচনের আগের দিন সেনা-বিজিবি-পুলিশ-র্যাবের চেকপোস্ট, তল্লাশি