পদ্মায় বাসডুবি

দুই মরদেহ ও জীবিত একজনকে উদ্ধার, তিনজনই নারী

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি রাজবাড়ী
প্রকাশিত: ০৮:২২ পিএম, ২৫ মার্চ ২০২৬
ফেরিতে উঠতে গিয়ে নদীতে পড়ে যায় বাসটি। ছবি-সংগৃহীত

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ডুবে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুজনের মরদেহ ও একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তিনজনই নারী। তবে ৪০ জনের মতো মরদেহ পানির নিচে রয়েছে বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।

নিহতরা হলেন রাজবাড়ীর ভবানীপুরের বাসিন্দা রেহেনা (৫৫) ও মর্জিনা (৬০)। জীবিত নারীর নাম নুসরাত (২৯)। তিনি পেশায় একজন চিকিৎসক। তার বাড়িও ভবানীপুরে।

বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের কমান্ডার মো. বেলাল উদ্দিন জাগো নিউজকে মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রাত সোয়া ৮টা পর্যন্ত দুই নারীর মরদেহ ও একজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ৪০ জনের মতো মরদেহ পানির নিচে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের দুজন ডুবুরি, দুজন সহকারী ডুবুরি উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট ফায়ার সার্ভিসের একটি দল উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিবহনের ঘাট তত্ত্বাবধায়ক মো. মনির হোসেন জানান, বিকেল ৫টার দিকে সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি দৌলতদিয়ার তিন নম্বর ঘাটে আসে। এসময় ঘাটে থাকা একটি ফেরি যানবাহন নিয়ে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। অল্পের জন্য তাতে উঠতে না পারায় অপর ফেরির জন্য বাসটি অপেক্ষা করছিল। সোয়া ৫টার দিকে ওই ঘাটে ‘হাসনা হেনা’ নামের একটি ইউটিলিটি (ছোট) ফেরি এসে সজোরে পন্টুনে আঘাত করে। ফেরির ধাক্কায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।

তিনি আরও জানান, বাসে নারী-শিশুসহ অন্তত ৪০ জন যাত্রী ছিলেন। এরইমধ্যে কয়েকজন যাত্রী ওপরে উঠতে পারলেও বেশিরভাগ যাত্রী বাসের ভেতর আটকা পড়েছে।

রুবেলুর রহমান/এসআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।