প্রবীণ রাজনীতিবিদ হাবিবুর রহমান আজাদ মারা গেছেন
প্রবীণ রাজনীতিবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও সুবক্তা হাবিবুর রহমান আজাদ মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। ২৫ নভেম্বর দুপুর ১.৩০ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান রুপম মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন।
মোস্তাফিজুর রহমান রুপম জানান, হাবিবুর রহমান আজাদ কয়েকদিন আগে অসুস্থ হয়ে ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ বাদ এশা রাজধানীর খিলগাঁও নূরবাগ জামে মসজিদ এবং আগামীকাল বাদ জোহর গ্রামের বাড়িতে তাঁর প্রতিষ্ঠিত স্নানঘাটা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
হাবিবুর রহমান আজাদ ১৯৫১ সালের ৩ জুন মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার বাঁশগাড়ী ইউনিয়নের স্নানঘাটা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একসময় সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি ‘সাপ্তাহিক বাংলার বাণী’ পত্রিকার সহ সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া ‘জননী বাংলা’য় কাজ করেছেন এবং ‘এই সময়’ নামে একটি পত্রিকা প্রকাশ করেছেন।
তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় দুর্ধর্ষ গেরিলা যোদ্ধা ছিলেন। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের নেতা ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় মাদারীপুর সরকারি কলেজের ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। এরপর কয়েকবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাদারীপুর-৩ আসনের স্বতন্ত্র এবং বিএনপি মানোনীত প্রার্থী হয়েছিলেন। একবার কালকিনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে মাদারীপুরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মাদারীপুরের কালকিনি প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন মহল থেকে শোক প্রকাশ করা হয়েছে।
এসইউ/
সর্বশেষ - রাজনীতি
- ১ সমস্যা সমাধানে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান তারেক রহমানের
- ২ রাস্তা বন্ধ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হলে কার্যালয়ে আসা যাবে না
- ৩ সরকারের ব্যর্থতার কারণেই এবারের ঈদ সুখকর হয়নি: জামায়াত নেতা মিলন
- ৪ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রথমবার তারেক রহমান
- ৫ নয়াপল্টনে বিএনপির সংসদ সদস্যদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক