ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. প্রবাস

পোস্টাল ব্যালটে স্বতঃস্ফূর্ত ভোট দিচ্ছেন কুয়েত প্রবাসীরা

সাদেক রিপন | প্রকাশিত: ০৯:২০ এএম, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রবাসে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রথমবার পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। রোববার থেকে সালমিয়া, হাওয়াল্লি ও কাইফানসহ বিভিন্ন পোস্ট অফিসে হলুদ খামে ব্যালট জমা দেওয়ার ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

নির্বাচন কমিশনের নতুন পদ্ধতিতে এবার ভোটদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে অ্যাপের মাধ্যমে। ভোটাররা ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে বারকোড স্ক্যান করে এবং ফেস ভেরিফিকেশন (মুখাবয়ব শনাক্তকরণ) সম্পন্ন করে ব্যালট পেপার সংগ্রহ করছেন। এরপর নিজের পছন্দের প্রার্থীকে এবং গণভোটের ব্যালটে টিক দিয়ে হলুদ খামে ভরে জমা দিচ্ছেন পোস্ট অফিসে।

কুয়েত দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আল মিসাইল (Al Masayel) পোস্ট অফিসে কোনো ফি ছাড়াই প্রবাসীরা তাদের ব্যালট জমা দিতে পারবেন। আগামী ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যারা নিবন্ধন করেও ব্যালট পাননি, তাদের দ্রুত ব্যালট সংগ্রহ করে জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

দীর্ঘ ২৫ বছর কুয়েতে কর্মরত জামাল মিয়া আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘বিদেশে থাকার কারণে কোনোবার ভোট দিতে পারিনি। এবার প্রথম ভোট দিতে পেরে আমি অনেক খুশি। যে সরকারই আসুক, তারা যেন প্রবাসী ও তাদের পরিবারের জন্য কাজ করে।’

আরেক প্রবাসী ভোটার ওয়াসিম জানান, অ্যাপের মাধ্যমে ফেস ভেরিফাই ও সেলফি তুলে কার্যক্রম শেষ করতে বন্ধুরাই একে অপরকে সহযোগিতা করছেন। এই পদ্ধতিতে একজনের ভোট অন্যজনের দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কুয়েতে মোট নিবন্ধিত প্রবাসী ভোটার ৩৫ হাজার ৩৮৬ জন। এর মধ্যে নারী ভোটারের সংখ্যা ৫২৪ জন। ব্যালট জমার শেষ সময় ২ ফেব্রুয়ারি। নির্বাচন কমিশনে পৌঁছানোর সময়সীমা ১২ ফেব্রুয়ারি, বিকেল ৪টা।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টার পর দেশে পৌঁছানো কোনো ব্যালট গণনায় ধরা হবে না। তাই দূরত্বের কারণে যারা সরাসরি আসতে পারছেন না, তারা বিশ্বস্ত মাধ্যমেও হলুদ খাম পোস্ট অফিসে পাঠানোর চেষ্টা করছেন।

এমআরএম