মিশিগানে বাংলাদেশ দূতাবাস: প্রবাসীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত তারেক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম/ছবি-আশিক রহমান
ট্রাম্প প্রশাসনের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি অফিস অনুমোদন দিলেই যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশ দূতাবাসের একটি অফিস খোলা হবে। এ লক্ষ্যে মিশিগানে বসবাসরত বাংলাদেশি আমেরিকানদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা করেছেন ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) হ্যামট্রামেক শহরের গেটস অব কলম্বাসের হলরুমে এই সভায় রাষ্ট্রদূত তারেক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশের প্রতি অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের এই অবদান ও স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এরই মধ্যে মিশিগানের ডেট্রয়েট শহরে একটি স্থায়ী দূতাবাস অফিস খোলার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন।
রাষ্ট্রদূত আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি অফিসের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া গেলেই ডেট্রয়েটে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশ দূতাবাসের কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। এতে করে মিশিগানসহ আশপাশের অঙ্গরাজ্যে বসবাসরত হাজারো বাংলাদেশি সহজেই পাসপোর্ট, ভিসা, নথি প্রত্যয়নসহ বিভিন্ন কনসুলার সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
সভায় ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার। দূতাবাস কর্মকর্তা সালাউদ্দিন মাহমুদ, মাহবুবুর রহমান ও আরিফুর রহমান উপস্থিত প্রবাসীদের বিভিন্ন প্রশ্নোত্তর পর্বে সার্বিক সহযোগিতা করেন।

হ্যামট্রামেক সিটি প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশি আমেরিকান বর্তমান ও সাবেক কাউন্সিলর রাষ্ট্রদূত হাতে একটি প্রোক্লেমেশন তুলে দেন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত প্রবাসী নেতারা এ উদ্যোগকে ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
বাংলাদেশিরা তাদের দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। তারা বলেন, মিশিগানে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি বসবাস করলেও কনসুলার সেবা পেতে তাদের এখনো দূরবর্তী অঙ্গরাজ্যে যেতে হয়, যা সময় ও অর্থ দু’দিক থেকেই কষ্টসাধ্য।
এমআরএম/এমএস