ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. খেলাধুলা

শশী থারুর

মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়া ঠিক হয়নি, খেলাধুলায় রাজনীতিকরণ লজ্জাজনক

স্পোর্টস ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৫:০৭ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

শুরুটা হয়েছিল মোস্তাফিজুর রহমানকে দিয়ে। আইপিএল থেকে মোস্তাফিজকে ছেঁটে ফেলার পর ফুঁসে উঠে বাংলাদেশ। নিরাপত্তা উদ্বেগে ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আইসিসির হুমকি-ধামকিতেও কাজ হয়নি। বাংলাদেশ তাদের অবস্থানে অনড় থাকে।

শেষ পর্যন্ত টাইগারদের বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে অন্তর্ভূক্ত করেছে আইসিসি। বাংলাদেশের ন্যায্য দাবির পক্ষে শুরু থেকেই অবস্থান নিয়েছিল পাকিস্তান। এমনকি আইসিসির ভোটাভুটিতে একমাত্র দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দেয় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

পাকিস্তান সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিল বিশ্বকাপে খেলতে যাবে কিনা। পরে সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বিশ্বকাপে বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসলেও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। যার ফলে বড় অংকের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে আইসিসি এবং সম্প্রচারকদের।

পুরো পরিস্থিতি ঘোলাটে করার পেছনে মোস্তাফিজ-ইস্যু এবং ভারতের দায় দেখছেন দেশটির কংগ্রেস নেতা ও লোকসভার সদস্য শশী থারুর। বার্তা সংস্থা ‘এএনআই’র সঙ্গে আলাপে তিনি বলেন, ‘খোলাখুলি বললে, দুই পক্ষ থেকেই যেভাবে খেলাধুলাকে রাজনীতিকরণ করা হচ্ছে, তা অত্যন্ত লজ্জাজনক।’

মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়া প্রসঙ্গে শশী থারুর বলেন, ‘আমি মনে করি, বাংলাদেশি ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতায় খেলার চুক্তি থেকে বাদ দেওয়া ঠিক হয়নি। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। রাজনীতির অনুপ্রবেশ এখানে স্পষ্ট। আমার মতে, বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়া কিছুটা অতিরঞ্জিত ছিল, তবে সেটিও একই প্রবণতার প্রতিফলন। পাকিস্তান এখন বাংলাদেশের সঙ্গে সংহতি দেখাতে চাইছে।’

তিনি যোগ করেন, ‘পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। আমার মনে হয়, আমাদের সত্যিই বোঝাপড়ায় পৌঁছানো দরকার যে খেলাধুলা-বিশেষ করে ক্রিকেটের মতো একটি খেলা, যা এত মানুষের আবেগের সঙ্গে জড়িত; মানুষকে অন্তত মাঠে একত্র করার মাধ্যম হওয়া উচিত, বিভক্ত করার নয়।’

‘আমি আন্তরিকভাবে মনে করি, এটি এখন সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য একটি ‘ওয়েক-আপ কল’। জরুরি ভিত্তিতে পারস্পরিক যোগাযোগ শুরু করা দরকার। আইসিসি এই আলোচনার প্ল্যাটফর্ম হতে পারে। সবাই মিলে বলা উচিত, এই ফালতু কাজগুলো বন্ধ করা যাক। এভাবে চিরকাল চলতে পারে না।’

এমএমআর