অদম্য টি-টোয়েন্টি কাপ
লিটন-সাইফের ব্যাটে জয়ে শুরু ধুমকেতুর
লক্ষ্যটা ছিলো ১৪৪, খুব বেশি বড় না। আর যে দলে লিটন কুমার দাস আর সাইফ হাসান আছেন, সে দলের কাছে তো তা মামুলিই। এই কথার যথার্থতাও প্রমাণ হয়েছে এই দুই ব্যাটারের ফিফটিতে ধুমকেতুর ৬ উইকেটের জয়ে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর শেরেবাংলায় দুরন্তকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ধুমকেতুর অধিনায়ক লিটন কুমার দাস। ১১৯ বলে ব্যাটিং করে অলআউ হওয়ার আগে দুরন্তর বোর্ডে জমা হয় ১৪৩।
১৪৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩৪ রানের উদ্বোধনী জুটি হয় ধুমকেতুর সাইফ ও তানজিদ হাসান তামিমের। ১৭ রান করে তামিম ফিরলে ভাঙে জুটি।
এরপর অধিনায়ক লিটনকে নিয়ে দুরন্তর বোলারদের ওপর চড়াও হন সাইফ হাসান। ৩০ বলে ৩টি করে চার ও ছক্কায় ৫০ রান করেন তিনি দলীয় ১১২ রানে আউট হওয়ার আগে। লিটনকে নিয়ে আউট হওয়া আগে গড়েন ৭৮ রানের জুটি।
মাত্র ৬ রান করে ফিরে যান পরের ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমন। দলীয় ১৩০ রান ইমনের বিদায়ে দলের বোর্ডে ২ রান যোগ হতেই তাওহিদ হৃদয়ও ফেরেন সাজঘরে। তবে অধিনায়ক লিটন শাসন করে যান প্রতিপক্ষের বোলারদের। তুলে নেন নিজের ফিফটিও।
১০ চারে ৪৩ বলে ৬৫ রান করে ৬ উইকেটে দলের জয় আদায় করে মাঠ ছাড়েন তিনি অপরাজিত থেকে। ২ রান করে অপরাজিত ছিলেন শামীম হোসেন পাটোয়ারি।
দুরন্তর হয়ে ৩ উইকেট পান এসএম মেহরব। আর একটি উইকেট গেছে রিপন মন্ডল।
এর আগে, টস জিতে দুরন্তকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ধুমকেতুর অধিনায়ক লিটন কুমার দাস। আগে ব্যাটিং করতে নেমে ভালো শুরুর পরও দেড়শো রানের আগেই ধুমকেতুর বোলারদের সম্মিলিত প্রয়াসে গুটিয়ে গেছে দুরন্ত।
দুরন্তর হয়ে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেছেন ওপেনার মাহফিজুল ইসলাম রবিন। অধিনায়ক আকবর আলী করেছেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮ রান। ১৬ রান করেছেন আজিজুল হাকিম ফাহিম।
ধুমকেতুর হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট পেয়েছেন রিশাদ হোসেন। দুটি করে শরিফুল ইসলাম ও তানজিম হাসান সাকিব। একটি করে পেয়েছেন মাহেদি হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান।
আইএন