বিএভিএস ও এলজিইডিতে দুদকের অভিযান

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:১২ পিএম, ০২ মার্চ ২০২৬

ঢাকা ও চট্টগ্রামে পৃথক দুই অভিযানে নিয়োগে অনিয়ম, ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটির এনফোর্সমেন্ট টিম আজ সোমবার (২ মার্চ) এসব অভিযান পরিচালনা করে। বিষয়টি জানান দুদকের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর ভলানটারি স্টেরিলাইজেশনে (বিএভিএস) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাড়া জনবল নিয়োগ, একই অঞ্চল থেকে একাধিক ব্যক্তিকে নিয়োগ, ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে অভিযান পরিচালনা করেছে দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিট।

মো. আকতারুল ইসলাম বলেন, অভিযানকালে রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় সার্বিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ টিমের নিকট প্রতীয়মান হয়েছে। একই সঙ্গে ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের সত্যতাও নথিপত্রে পরিলক্ষিত হয়েছে। সংগৃহীত রেকর্ডপত্র বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনার পর কমিশনের নিকট পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

অন্যদিকে, চট্টগ্রামে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ অর্থ আত্মসাৎ ও অনিয়মের অভিযোগে দুদকের জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১-এর এনফোর্সমেন্ট টিম স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), চট্টগ্রাম কার্যালয়ে অভিযান চালায়।

দুদক জানায়, অভিযানকালে টিম প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তরে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নেয়। চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী, কর্ণফুলী ও আনোয়ারা উপজেলায় বাস্তবায়নাধীন উন্নয়ন প্রকল্পসমূহে বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎসহ দুর্নীতির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র চাওয়া হয়েছে। রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা শেষে এলজিইডির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়-দায়িত্ব বিশ্লেষণ করে কমিশনের নিকট বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

এসএম/এএমএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।