প্রাইম ব্যাংক, বিসমিল্লাহ গ্রুপসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকের সুপারিশ
বিসমিল্লাহ গ্রুপ, প্রাইম ব্যাংক এবং একটি অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারসহ মোট ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিটের সুপারিশ করে মঙ্গলবার দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) প্রতিবেদন পেশ করা হয়েছে। কমিশন থেকে অনুমতি দেওয়া হলে শিগগিরই আদালতে মামলা দু’টির চার্জশিট পেশ করা হবে।
দুদকের দায়িত্বশীল সূত্র এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছে।
নিট পোশাক রফতানির নামে প্রাইম ব্যাংকের মতিঝিল শাখা থেকে ৪১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে বিসমিল্লাহ গ্রুপ। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা ৭ ও ৮ নম্বর মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে বেরিয়ে এসেছে এ তথ্য।
সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ৩ নভেম্বরে বিসমিল্লাহ গ্রুপ ও পাঁচটি ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ মোট ৫২ জনের বিরুদ্ধে ১২টি মামলা দায়ের করেছিলেন দুদকের পাঁচ কর্মকর্তা। এর মধ্যে ওই দুই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করা হয়েছে। তদন্তে জালিয়াতি করে পরস্পর যোগসাজশে প্রাইম ব্যাংকের ওই পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়।
এর আগে একই কায়দায় প্রিমিয়ার ব্যাংকের মতিঝিল শাখা থেকে ৫৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ৬ নম্বর মামলার চার্জশিটের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আরও ৯টি মামলার অভিযোগ তদন্ত চলছে।
মতিঝিল থানায় দায়ের করা ৭ ও ৮ নম্বর মামলার চার্জশিটে যাঁদের আসামি করার প্রস্তাব করা হয়েছে তাঁরা হলেন বিসমিল্লাহ গ্রুপের এমডি খাজা সোলেমান চৌধুরী, গ্রুপের চেয়ারম্যান ও তাঁর স্ত্রী মিসেস নওরীন হাসিব, পরিচালক ও এমডির বাবা শফিকুল আনোয়ার চৌধুরী, গ্রুপের ডিএমডি আকবর আজিজ মোত্তাক্কি, জিএম আবুল হোসাইন চৌধুরী, ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, নেটওয়ার্ক ফ্রেইট সিস্টেমের চেয়ারম্যান আখতার হোসেন এবং অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠান বে-ইয়ার্ন লিমিটেডের মালিক গোলাম মহিউদ্দিন আহম্মেদ।
এছাড়া প্রাইম ব্যাংকের মতিঝিল শাখার অভিযুক্ত কর্মকর্তারা হলেন, সাবেক ব্যবস্থাপক মো. মোজাম্মেল হোসেন, খোন্দকার ইকবাল হোসেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) মো. ইব্রাহীম হোসেন গাজী, অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এভিপি) এবিএম শাহজাহান, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার মোহম্মদ ইকবাল আজিম, মো. আবুল কালাম, ফাস্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এফএভিপি) কাজী খাইরুল ইসলাম, কর্মকর্তা একেএম জান-ই আলম ও অডিট বিভাগের প্রধান ও ডিএমডি ইয়াসিন আলী।
এসআরজে