১০০ দিনে দেশ করোনামুক্ত করা সম্ভব, খরচ ৬০ হাজার কোটি টাকা!

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:৩৫ পিএম, ২০ জুন ২০২০

>> সারা দেশকে তিন ভাগে ভাগ করে লকডাউন করতে হবে
>> টেস্ট করা না গেলে লক্ষণের ভিত্তিতে শনাক্ত করতে হবে
>> ৯০ দিনের মাথায় সংক্রমণ ও মৃত জিরো করা সম্ভব

জনপ্রতি ৩ হাজার ৭৪২ টাকা ৫০ পয়সা খরচ করে সত্য-সঠিক পদক্ষেপ নিলে সারাদেশে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা খরচ করে ১০০ দিনে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণরূপে করোনামুক্ত করা সম্ভব। সম্ভাব্য মোট ব্যয় হিসাবে চিকিৎসা খাতে ১০ হাজার কোটি টাকা, অতিরিক্ত জনবল বাবদ ১ হাজার কোটি টাকা, যাতায়াত-খাদ্য ও অন্যান্য খরচ বাবদ ৫০০ কোটি টাকা, গরিবদের খাবার ৪৩ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা, ভলান্টিয়ার বাবদ ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং অন্যান্য ব্যয় বাবদ ৩ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয় হবে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি, রাইটস অ্যান্ড রেস্পন্সিবিলিটিজ (এফডিএসআরআর) আয়োজিত এক অনলাইন প্রেস ব্রিফিংয়ে সংগঠনের উপদেষ্টা ডা. আব্দুর নূর তুষার এই সম্ভাবনার কথা জানান।

এ মুহূর্তে দেশকে করোনা সংক্রমণমুক্ত করতে সংক্রমণ কমিয়ে আনা, আক্রান্ত রোগীদের সেবা দেয়া, খাদ্যনিরাপত্তা, ওষুধ ও চিকিৎসা নিরাপত্তা, আর্থিক নিরাপত্তা, সামাজিক আইনশৃঙ্খলাজনিত নিরাপত্তা এবং অর্থনীতির চাকা চালু করার বিষয়ে কথা বলেন তিনি।

প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, ১০০ দিনের মধ্যে সংক্রমণ প্রতিরোধে টানা ২৮ দিন ও আরও ১৪ দিনসহ ৪২ দিন লকডাউন করতে হবে। সারাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করে লকডাউন করতে হবে। লকডাউন চলাকালীন সব সম্ভাব্য রোগীকে টেস্ট করার চেষ্টা করতে হবে। টেস্ট করা না গেলে লক্ষণের ভিত্তিতে শনাক্ত করতে হবে। প্রথম ২৮ দিনে সব রোগী শনাক্ত হলে পরবর্তী ১৪ দিনে তারা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবেন। পরবর্তী ১৪ দিনে এলাকায় ধীরে ধীরে অর্থনৈতিক কাজ শুরু হবে অর্থাৎ ৬০ দিনের মধ্যে প্রতিটি লকডাউন এলাকার রোগমুক্ত হবে। তখন লকডাউন করা এলাকায় বাইরের মানুষ আসা-যাওয়া সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে।

jagonews24

লকডাউন এলাকায় কমিউনিটি সেন্টার, কোনো স্টেডিয়াম, খোলা জায়গায় আইসোলেশন সেন্টার করতে হবে। জ্বরের লক্ষণ আছে এমন ব্যক্তিরা সেখানে আইসোলেটেড হবেন। সেখান থেকে যাদের হাসপাতালে নেয়া দরকার তারা হাসপাতালে যাবেন। যাদের পরিবারের বাসা আছে তারা সেখানেই থাকবেন।

নতুন রোগ ও শূন্য মৃত্যু

লকডাউন এলাকায় সব রোগী শনাক্ত হয়ে যাবেন। শেষ না হলেও তারা হয় জ্বর-কাশিতে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়ে ওঠবেন অথবা হাসপাতালে যাবেন। সাত দিনের মধ্যে কমিউনিটিতে নতুন কোনো রোগ থাকবে না। হাসপাতালে বাসায় পর্যাপ্ত ওষুধ-চিকিৎসাসামগ্রী, অক্সিজেন প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে। শুধু অক্সিজেনসহ সব সেবামূল্য নির্ধারণ করে দিতে হবে। সুলভে মানসম্মত মাস্ক ও পিপিই পাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। সব হাসপাতাল ও চিকিৎসা কেন্দ্রকে কোভিড-১৯ সেবা দেয়ার উপযুক্ত করে তুলতে হবে। যারা একদমই পারবেন না তারা রোগ শনাক্তকরণ ও পরীক্ষার কাজ করবেন। যারা সুস্থ হবেন তাদের মধ্য থেকে তরুণদের বাড়ি বাড়ি সেবা দেয়ার কাজে নিয়োজিত করতে হবে।

সব আক্রান্ত রোগীর ডাটাবেজ থেকে প্লাজমা সংগ্রহ করার পদ্ধতি প্রস্তুত করা থাকবে। একক নম্বরে স্বাস্থ্যসেবা ও অ্যাম্বুলেন্স হটলাইন চালু করতে হবে। সব স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসকদের নিরাপত্তা বিধান করতে হবে। বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার অধীনে নিয়ে সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিদিন পরীক্ষার পরিমাণ এক লাখে নিয়ে যেতে হবে। কোরিয়ান কিট ব্যবহার করে এখনকার চেয়ে কম খরচে এটি করা সম্ভব। ফলে ৬০ দিনের মধ্যে নতুন সংক্রমণ অনেক কমিয়ে নিয়ে আসা সম্ভব। ৯০ দিনের মাথায় সংক্রমণ জিরো এবং মৃত জিরো করা সম্ভব। এরপর কেবল ছোট ছোট এলাকায় জ্বর হলে রোগী হাসপাতালে আসবে এবং তখন কোনো রোগীকে নির্ধারিত হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া যাবে।

প্রতিটি এলাকায় আবৃত্তি ও মোবাইল এবং টেলিফিল্মভিত্তিক সার্ভিলেন্স থাকবে। প্রতিটি জ্বরের লক্ষণযুক্ত কেস রিপোর্ট হবে। অ্যাক্টিভ সার্ভিলেন্স বা পাহারাদারি ব্যবস্থা চালু থাকবে। প্রতি সপ্তাহে কোন এলাকা কতদূর পৌঁছাল তা গণমাধ্যমে বলতে হবে। তাতে মানুষ রোডম্যাপ জানবে। রোড ম্যাপ জানলে মানুষ স্বেচ্ছায় অংশ নেবে কষ্ট করবে। শতভাগ অর্থনীতি চালু করার জন্য লকডাউন এলাকায় ধাপে ধাপে ৫০তম দিন থেকে পরবর্তী ৫০ দিনের মধ্যে সব অফিস ব্যাংক দোকান ও সিনেমা হল সব খুলে দেয়া যাবে।

jagonews24

৬০তম দিনে বিমানবন্দর ও অন্যান্য বন্দর জনপরিবহনের জন্য খুলে দেওয়া হবে। যদি ভাগে ভাগে সম্ভব হয় তবে এলাকা থেকে এলাকায় যাতায়াত ১০০ দিনের বন্ধ থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব অফিস তার পরবর্তী কাজ শুরু করবে। সর্বত্র স্যানিটাইজার সাবান ও হাত ধোয়ার সরঞ্জাম এবং আইসোলেশন রুমের ব্যবস্থা করা থাকবে। মার্কেটে বাজারে বিশেষ সতর্কতা বজায় রাখা হবে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে কাজের মধ্যে ১০০ দিনই নানাভাবে রাখা সম্ভব। তাদের জন্য নতুন কর্ম সৃষ্টি করতে হবে।

প্রাথমিক দরকার সমন্বয় ও নেতৃত্ব

একটি এক্সপার্ট প্যানেল গঠন, যেখানে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিরাপত্তা জনসংযোগে বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তি থাকতে পারেন। তবে কমিটি বড় না হওয়া বাঞ্ছনীয়। তারা পরামর্শ দেবেন প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক্সপার্ট কমিটির প্রধান হবেন, সচিব হলেন স্বাস্থ্যসচিব। এ কমিটি কাজ করবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে। আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির অধীনে আর একজন প্রধান কর্মকর্তা থাকবেন। তিনি দ্রুততম সময়ে এই বিপদসংকুল সময় সব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে সমন্বয় করবেন। এ ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মী দরকার। রাজনৈতিক কর্মী ও তরুণরা হবে অংশগ্রহণকারী কর্মী। আরও থাকবে সকল এনজিও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী ও সদস্যরা। সারাদেশে প্রতিটি উপজেলাকে কেন্দ্র করে মোট ৫০০ মানুষের দল তৈরি করতে হবে।

জনবল

সবাইকে এনআইডি বা নিজের ফোন নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। প্রত্যেকের রেফারেন্স হিসেবে অন্তত আরও দুজনের নাম দিতে হবে। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কাজে নিয়োজিত করতে হবে। প্রয়োজনে এলাকাভিত্তিক ডিজাস্টার আইন কার্যকর করে ডিজাস্টার এলাকায় সেনাবাহিনীর সহায়তা নিতে হবে।

jagonews24

প্রতিরোধমূলক কাজ

কোয়ারেন্টাইন ও লকডাউন সম্পর্কে লিফলেট বিতরণ, মাইকিং, হাত ধোয়া, সোশ্যাল ডিস্ট্যান্স সম্পর্কে জানানো, কাশি ও শ্বাসকষ্টের রোগী থাকলে নির্দিষ্ট এলাকায় রিপোর্ট করতে বলা, এলাকার দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে মনিটর করা, যাতে তারা সঠিক সময় খোলা ও বন্ধ করে, বিদেশ থেকে আগত সম্পর্কে তথ্য নিয়ে সেটা যথাযথ স্থানে জানানো এবং এলাকার পাবলিক এরিয়া জীবাণুমুক্তকরণ।

দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানো

এলাকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর তালিকা প্রস্তুত করে সেটা দ্রুত সরকারের নির্দিষ্ট দফতরে পাঠানো। তাদের কাছে প্রতি সপ্তাহে দুবার খাবার পৌঁছানো। যারা একদম ছিন্নমূল তাদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু হোটেলে খাবার প্রস্তুত ও বিতরণ। গ্লাভস ও মাস্ক দেয়া এবং সেটা কীভাবে ফেলতে হবে সেটা শেখানো, সাবান ও স্যানিটাইজার বিতরণ, যারা অন্য কোনো কারণে অসুস্থ তাদের কাছে ওষুধ পৌঁছে দেয়া, বৃদ্ধ যারা বয়সের ওপরে তাদের আলাদাভাবে তালিকা তৈরি করে বিশেষ যত্ন নেয়ার চেষ্টা করা, এলাকার কৃষক ও খাবারের সময় যারা তাদের বিশেষভাবে রক্ষার চেষ্টা করা।

চিকিৎসা

সরকারি হাসপাতালে গরিবদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। সেখানে কাজ করতে মেডিকেল ছাত্রছাত্রী ও ছাত্র রাজনীতিতে জড়িতদের যথাযথ পিপিই দিয়ে নিয়োজিত করা। বেসরকারি হাসপাতালগুলো থেকে সারাদেশে অন্তত ২০০ হাসপাতাল নির্বাচন করে সেখানে করোনা ইউনিট স্থাপন করতে সরকারকে বলা। দেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভেন্টিলেটর অন্যান্য সরঞ্জাম কিনে দিতে বলা যেটা তারা আগামী তিন বছর ট্যাক্সের সাথে অর্ধেক অর্থ কিস্তিতে সমন্বয় করতে পারবে। বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ভেন্টিলেটর কিনতে বলা।

অর্থ দরকার কত?

৫০০ উপজেলায় ভলান্টিয়ার সংখ্যা হবে ৫০ হাজার। তাদের জন্য প্রতিদিন ৪০০ টাকা হারে মাসে ৬০০ কোটি টাকা। এটা লোকাল এমপি ও নেতারা বহন করবেন। ৫০০ উপজেলায় খাবার প্রদান- বাংলাদেশে হতদরিদ্র মানুষ দুই কোটি ৪১ লাখ। তাদের সকলকে একদিন খাওয়ালে খরচ হবে ৪৮২ কোটি টাকা। মোট এক মাসে খরচ ১৪ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা।

jagonews24

চিকিৎসা ব্যয়

মোট আক্রান্ত যদি ১২কোটি হয় সবার জন্য চিকিৎসা ব্যয় হবে না। তবে লকডাউন করলে এত রোগী হবে না। ছয় ভাগের একভাগেই হয়ে যাবে। মোট সুস্থ হয়ে যাবে ৯ কোটি ৬০ লাখ। বাকি আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতালে যাবে প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ লোক। এদের মধ্যে হতদরিদ্র হবে প্রায় ৬০ লাখ। এদের জন্য চিকিৎসা খরচ বাবদ ( পিপিই) ৩০০ কোটি টাকা।

ভেন্টিলেটর আইসিইউ খরচ ১ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা। ওষুধবাবদ খরচ হবে ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। অন্যান্য সকল খরচ বাদে চিকিৎসা ব্যয় বাবদ মোট খরচ হবে ৩ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা। স্বল্পতম কর ৫ শতাংশে করোনা সংক্রান্ত সামগ্রী আমদানি করতে দেয়া। মাস্ক ও অন্যান্য ফ্যাক্টরিতে উৎপাদনে সহায়তা।

ওষুধ বিতরণ, বিক্রয় ও রোগী পরিবহন

এলাকার ফার্মেসিগুলো খোলা রাখা। যারা ওষুধ কিনতে আসবেন সেখানেই তাদের ইনফারেট থার্মোমিটার দিয়ে জ্বর দেখা। সকল জিপিকে (জেনারেল প্রাকটিশনার) তাদের চেম্বার খোলা রাখতে বলা। সকল ডায়াগনস্টিক সেন্টার খোলা রাখা। দমকল বাহিনীকে অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা। ছোট ট্রাকের ওপরে ছাউনি দিয়ে দ্রুত রোগী হাসপাতালে নেবার জন্য ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সে রূপান্তর করা।

বর্জ্য ব্যবস্থা

সব হাসপাতাল থেকে করোনা বর্জ্য নিষ্কাশনের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা। ক্লিনারদের পিপিই প্রদান, এ কাজের সংযুক্ত সকলকে ট্রেনিং প্রদান। এলাকার করোনা বর্জ্য ডাম্পিংয়ের জন্য নিরাপদ স্থান নির্ধারণ ও মনিটরিং। করোনা আক্রান্তদের বাসাগুলো থেকে বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য সুইপারদের নিরাপত্তা প্রদান।

জনসংযোগ

দ্রুত স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত লিফলেট প্রস্তুত ও বিতরণ, টিভিগুলোতে টিকার চালানো, দেশের বিভিন্ন স্থানে ভিডিও ডিসপ্লেগুলিতে প্রচারণা, এলাকাভিত্তিক মাইকিং, প্রতি এলাকায় একটি মসজিদ থেকে নির্দিষ্ট সময় পরপর করোনা সংক্রান্ত তথ্য মাইকে বলা এবং ভলান্টিয়ারদের টিশার্ট দেয়া যেখানে হাত ধোয়া ও সামাজিক দূরত্ব সংক্রান্ত ছবিসহ নির্দেশ দেয়া থাকবে।

jagonews24

সচ্ছলদের জন্য বিতরণ ব্যবস্থা

এলাকাতে ডিস্ট্রিবিউশন পয়েন্ট তৈরি, হোম ডেলিভারি এবং শহর এলাকায় পাঠাও-উবার এসবে সাহায্য নেয়া।

করোনা পরবর্তী পুনর্বাসন

চাষাবাদের জন্য ঋণ প্রদান, কৃষি সহায়তা, ব্যবসা সহায়তা এবং আপাতত তিন মাসের জন্য ১০ শতাংশের নিচে কৃষি জমি ক্রয় বিক্রয় বন্ধ করে রাখা, যাতে মানুষ করোনার কারণে ভূমিহীন না হয় বরং জমির বিনিময়ে ঋণ প্রদান করা।

এমইউ/জেডএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৩,৩৪,৯১,০০৬
আক্রান্ত

১০,০৪,৮৬৬
মৃত

২,৪৮,০০,১৮০
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৩,৬০,৫৫৫ ৫,১৯৩ ২,৭২,০৭৩
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৭৩,৪৭,২৬৮ ২,০৯,৬৭৯ ৪৫,৯৭,১৬৫
ভারত ৬১,৪৩,০১৯ ৯৬,৩৫১ ৫০,৯৮,৫৭৩
ব্রাজিল ৪৭,৩৬,৮৩১ ১,৪১,৮৭৭ ৪০,৬০,০৮৮
রাশিয়া ১১,৫৯,৫৭৩ ২০,৩৮৫ ৯,৪৫,৯২০
কলম্বিয়া ৮,১৩,০৫৬ ২৫,৪৮৮ ৭,১১,৪৭২
পেরু ৮,০৫,৩০২ ৩২,২৬২ ৬,৬৪,৪৯০
স্পেন ৭,৪৮,২৬৬ ৩১,৪১১ ১,৯৬,৯৫৮
মেক্সিকো ৭,৩০,৩১৭ ৭৬,৪৩০ ৫,২৩,৮৩১
১০ আর্জেন্টিনা ৭,১১,৩২৫ ১৫,৭৪৯ ৫,৬৫,৯৩৫
১১ দক্ষিণ আফ্রিকা ৬,৭০,৭৬৬ ১৬,৩৯৮ ৬,০৩,৭২১
১২ ফ্রান্স ৫,৪২,৬৩৯ ৩১,৮০৮ ৯৫,৪২৬
১৩ চিলি ৪,৫৯,৬৭১ ১২,৬৯৮ ৪,৩৩,০১৬
১৪ ইরান ৪,৪৯,৯৬০ ২৫,৭৭৯ ৩,৭৬,৫৩১
১৫ যুক্তরাজ্য ৪,৩৯,০১৩ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১৬ ইরাক ৩,৫৩,৫৬৬ ৯,০৫২ ২,৮৪,৭৮৪
১৭ সৌদি আরব ৩,৩৩,৬৪৮ ৪,৭১২ ৩,১৭,৮৪৬
১৮ তুরস্ক ৩,১৫,৮৪৫ ৮,০৬২ ২,৭৭,০৫২
১৯ ইতালি ৩,১১,৩৬৪ ৩৫,৮৫১ ২,২৫,১৯০
২০ পাকিস্তান ৩,১০,৮৪১ ৬,৪৬৬ ২,৯৬,০২২
২১ ফিলিপাইন ৩,০৭,২৮৮ ৫,৩৮১ ২,৫২,৬৬৫
২২ জার্মানি ২,৮৮,৬১৭ ৯,৫৪৫ ২,৫০,৮০০
২৩ ইন্দোনেশিয়া ২,৭৮,৭২২ ১০,৪৭৩ ২,০৬,৮৭০
২৪ ইসরায়েল ২,৩৩,২৬৫ ১,৫০৭ ১,৬৫,১৯১
২৫ ইউক্রেন ২,০১,৩০৫ ৩,৯৯৬ ৮৮,৪৫৩
২৬ কানাডা ১,৫৪,৬২৮ ৯,২৭১ ১,৩১,৯৪৭
২৭ ইকুয়েডর ১,৩৪,৯৬৫ ১১,২৮০ ১,১২,২৯৬
২৮ বলিভিয়া ১,৩৩,৯০১ ৭,৮৫৮ ৯৩,৭৯১
২৯ কাতার ১,২৫,৩১১ ২১৪ ১,২২,২০৯
৩০ রোমানিয়া ১,২৩,৯৪৪ ৪,৭৪৮ ৯৯,৩৪৪
৩১ মরক্কো ১,১৯,১০৭ ২,১১৩ ৯৭,৪৬৮
৩২ নেদারল্যান্ডস ১,১৪,৫৪০ ৬,৩৮০ ২৫০
৩৩ বেলজিয়াম ১,১৪,১৭৯ ৯,৯৯৬ ১৯,২৭৫
৩৪ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,১১,৬৬৬ ২,০৯৮ ৮৬,৪২২
৩৫ পানামা ১,১০,৫৫৫ ২,৩৪০ ৮৭,২১৫
৩৬ কাজাখস্তান ১,০৭,৭৭৫ ১,৬৯৯ ১,০২,৭৩৬
৩৭ কুয়েত ১,০৩,৯৮১ ৬০৫ ৯৫,৫১১
৩৮ মিসর ১,০২,৮৪০ ৫,৮৮৩ ৯৫,০৮০
৩৯ ওমান ৯৮,০৫৭ ৯২৪ ৮৮,২৩৪
৪০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৯২,০৯৫ ৪১৩ ৮১,৪৬২
৪১ সুইডেন ৯০,৯২৩ ৫,৮৮০ ৪,৯৭১
৪২ গুয়াতেমালা ৯০,২৬৩ ৩,২৩৪ ৭৯,০৬৭
৪৩ পোল্যান্ড ৮৮,৬৩৬ ২,৪৪৭ ৬৮,৪২০
৪৪ চীন ৮৫,৩৭২ ৪,৬৩৪ ৮০,৫৫৩
৪৫ জাপান ৮১,৬৯০ ১,৫৪৫ ৭৪,৬০৭
৪৬ বেলারুশ ৭৭,৯৪৬ ৮২২ ৭৪,১৬৭
৪৭ হন্ডুরাস ৭৫,১০৯ ২,২৮৯ ২৬,৩৭৪
৪৮ নেপাল ৭৪,৭৪৫ ৪৮১ ৫৪,৬৪০
৪৯ পর্তুগাল ৭৪,০২৯ ১,৯৫৭ ৪৭,৮৮৪
৫০ ইথিওপিয়া ৭৩,৯৪৪ ১,১৭৭ ৩০,৭৫৩
৫১ কোস্টারিকা ৭৩,৭১৪ ৮৬১ ২৯,৪২০
৫২ ভেনেজুয়েলা ৭২,৬৯১ ৬০৬ ৬২,৪২৭
৫৩ বাহরাইন ৬৯,৩৬১ ২৪৫ ৬২,৮৮৭
৫৪ চেক প্রজাতন্ত্র ৬৫,৩১৩ ৬১৫ ৩১,২৬৮
৫৫ নাইজেরিয়া ৫৮,৩২৪ ১,১০৮ ৪৯,৭৯৪
৫৬ সিঙ্গাপুর ৫৭,৭১৫ ২৭ ৫৭,৩৯৩
৫৭ উজবেকিস্তান ৫৫,৭৭৬ ৪৬০ ৫২,৩২৪
৫৮ সুইজারল্যান্ড ৫২,৬৪৬ ২,০৬৫ ৪২,৭০০
৫৯ আলজেরিয়া ৫১,২১৩ ১,৭১৯ ৩৫,৯৬২
৬০ মলদোভা ৫১,১৯৪ ১,৩০১ ৩৮,২১৭
৬১ আর্মেনিয়া ৪৯,৫৭৪ ৯৫৭ ৪৩,৬৬৫
৬২ ঘানা ৪৬,৩৮৭ ২৯৯ ৪৫,৬১৮
৬৩ কিরগিজস্তান ৪৬,৩৫৫ ১,৪৯৮ ৪২,৬১৩
৬৪ অস্ট্রিয়া ৪৩,৪৩২ ৭৯০ ৩৪,০৫২
৬৫ আজারবাইজান ৪০,০৬১ ৫৮৮ ৩৭,৭২৫
৬৬ আফগানিস্তান ৩৯,২৩৩ ১,৪৫৫ ৩২,৬৪২
৬৭ ফিলিস্তিন ৩৯,১২১ ২৯৯ ৩০,২২০
৬৮ প্যারাগুয়ে ৩৮,৬৮৪ ৮০৩ ২২,৪১৯
৬৯ কেনিয়া ৩৮,১৬৮ ৭০০ ২৪,৬৮১
৭০ লেবানন ৩৭,২৭২ ৩৫১ ১৬,৬৭৬
৭১ আয়ারল্যান্ড ৩৫,৩৭৭ ১,৮০২ ২৩,৩৬৪
৭২ সার্বিয়া ৩৩,৪১৪ ৭৪৮ ৩১,৫৩৬
৭৩ লিবিয়া ৩৩,২১৩ ৫২৭ ১৮,৫১৮
৭৪ এল সালভাদর ২৮,৮০৯ ৮৩১ ২৩,৩১৭
৭৫ ডেনমার্ক ২৭,০৭২ ৬৪৯ ১৯,৯৪২
৭৬ অস্ট্রেলিয়া ২৭,০৪৪ ৮৭৫ ২৪,৬৭৬
৭৭ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২৭,০০১ ৮২৯ ২০,০০৫
৭৮ হাঙ্গেরি ২৪,৭১৬ ৭৪৯ ৫,১৫২
৭৯ দক্ষিণ কোরিয়া ২৩,৬৬১ ৪০৬ ২১,২৯২
৮০ ক্যামেরুন ২০,৭৩৫ ৪১৮ ১৯,৪৪০
৮১ বুলগেরিয়া ২০,০৫৫ ৭৯৬ ১৪,১৭৬
৮২ আইভরি কোস্ট ১৯,৬৪১ ১২০ ১৯,২০২
৮৩ গ্রীস ১৭,৭০৭ ৩৮৩ ৯,৯৮৯
৮৪ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১৭,৬৭৪ ৭২৯ ১৪,৬৪২
৮৫ মাদাগাস্কার ১৬,৩৪৮ ২২৯ ১৪,৯৪৭
৮৬ ক্রোয়েশিয়া ১৬,২৪৫ ২৭২ ১৪,৭৯৩
৮৭ তিউনিশিয়া ১৬,১১৪ ২১৪ ৫,০৩২
৮৮ সেনেগাল ১৪,৯১৯ ৩০৯ ১২,২৩১
৮৯ জাম্বিয়া ১৪,৬৬০ ৩৩২ ১৩,৮২১
৯০ নরওয়ে ১৩,৭৪১ ২৭৪ ১১,১৯০
৯১ সুদান ১৩,৬০৬ ৮৩৬ ৬,৭৬৪
৯২ আলবেনিয়া ১৩,৩৯১ ৩৮০ ৭,৬২৯
৯৩ মায়ানমার ১১,৬৩১ ২৫৬ ৩,০৭৩
৯৪ নামিবিয়া ১১,১২১ ১২১ ৮,৭৮৭
৯৫ মালয়েশিয়া ১১,০৩৪ ১৩৪ ৯,৮৮৯
৯৬ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১০,৬২৪ ২৭১ ১০,০৯৩
৯৭ গিনি ১০,৫৯৮ ৬৬ ৯,৯৪০
৯৮ মন্টিনিগ্রো ১০,৪৪১ ১৬৩ ৬,৭২০
৯৯ মালদ্বীপ ১০,১৫৭ ৩৪ ৮,৯৫০
১০০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৯,৮৯৫ ৬৫ ৯,৫৩৬
১০১ ফিনল্যাণ্ড ৯,৭৪৩ ৩৪৫ ৭,৮৫০
১০২ তাজিকিস্তান ৯,৬৮৫ ৭৫ ৮,৪৮৩
১০৩ স্লোভাকিয়া ৯,৩৪৩ ৪৪ ৪,২১৩
১০৪ জর্ডান ৯,২২৬ ৫১ ৪,৩৫৯
১০৫ হাইতি ৮,৭৪০ ২২৭ ৬,৬৮৮
১০৬ গ্যাবন ৮,৭২৮ ৫৪ ৭,৯৩৪
১০৭ লুক্সেমবার্গ ৮,৩৭৬ ১২৪ ৭,১৪০
১০৮ মোজাম্বিক ৮,২৮৮ ৫৯ ৪,৮৩৬
১০৯ জিম্বাবুয়ে ৭,৮১২ ২২৭ ৬,১০৬
১১০ উগান্ডা ৭,৭৭৭ ৭৫ ৪,০৩৩
১১১ মৌরিতানিয়া ৭,৪৬৪ ১৬১ ৭,০৭০
১১২ জ্যামাইকা ৬,১৭০ ৯৩ ১,৭৪১
১১৩ কেপ ভার্দে ৫,৮১৭ ৫৯ ৫,১৩৪
১১৪ মালাউই ৫,৭৭০ ১৭৯ ৪,২৪৩
১১৫ জর্জিয়া ৫,৫৫২ ৩২ ২,০৫৪
১১৬ কিউবা ৫,৪৮৩ ১২২ ৪,৭৮৭
১১৭ ইসওয়াতিনি ৫,৪৫২ ১০৮ ৪,৮৪৪
১১৮ জিবুতি ৫,৪১০ ৬১ ৫,৩৪০
১১৯ স্লোভেনিয়া ৫,৩৮৮ ১৪৯ ৩,৬০০
১২০ হংকং ৫,০৭৬ ১০৫ ৪,৭৯০
১২১ নিকারাগুয়া ৫,০৭৩ ১৪৯ ২,৯১৩
১২২ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,০২৮ ৮৩ ৪,৭৪০
১২৩ কঙ্গো ৫,০০৮ ১১৪ ৩,৮৮৭
১২৪ সুরিনাম ৪,৮৩৫ ১০২ ৪,৬৬১
১২৫ রুয়ান্ডা ৪,৮৩২ ২৯ ৩,১১৭
১২৬ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৮০৬ ৬২ ১,৮৪০
১২৭ অ্যাঙ্গোলা ৪,৭১৮ ১৭৪ ১,৭০৭
১২৮ লিথুনিয়া ৪,৪৯০ ৯২ ২,৩২৭
১২৯ গুয়াদেলৌপ ৪,৪৮৭ ৪২ ২,১৯৯
১৩০ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৪,৩৮২ ৭২ ২,২৭৫
১৩১ সিরিয়া ৪,১০২ ১৯৪ ১,০৭৪
১৩২ রিইউনিয়ন ৩,৮৮২ ১৫ ২,৮১৯
১৩৩ আরুবা ৩,৮৪৪ ২৫ ২,৯৪৮
১৩৪ বাহামা ৩,৮৩৮ ৮৯ ২,০০৫
১৩৫ সোমালিয়া ৩,৫৮৮ ৯৯ ২,৯৪৬
১৩৬ গাম্বিয়া ৩,৫৬৯ ১১১ ২,১৬১
১৩৭ থাইল্যান্ড ৩,৫৪৫ ৫৯ ৩,৩৬৯
১৩৮ মায়োত্তে ৩,৫৪১ ৪০ ২,৯৬৪
১৩৯ শ্রীলংকা ৩,৩৬২ ১৩ ৩,২১০
১৪০ এস্তোনিয়া ৩,২৬৭ ৬৯ ২,৫১৩
১৪১ মালি ৩,০৯০ ১৩০ ২,৪৩৯
১৪২ মালটা ৩,০০৬ ৩২ ২,৩৯৯
১৪৩ বতসোয়ানা ২,৯২১ ১৬ ৭০১
১৪৪ গায়ানা ২,৭৭২ ৭৬ ১,৫৬৪
১৪৫ দক্ষিণ সুদান ২,৬৯২ ৪৯ ১,২৯০
১৪৬ আইসল্যান্ড ২,৬৬৩ ১০ ২,১৬১
১৪৭ বেনিন ২,৩৪০ ৪০ ১,৯৬০
১৪৮ গিনি বিসাউ ২,৩২৪ ৩৯ ১,৫৪৯
১৪৯ সিয়েরা লিওন ২,২১৫ ৭২ ১,৬৮১
১৫০ ইয়েমেন ২,০৩১ ৫৮৭ ১,২৬৬
১৫১ উরুগুয়ে ২,০০৮ ৪৭ ১,৭২৮
১৫২ বুর্কিনা ফাঁসো ২,০০৮ ৫৬ ১,২৭৬
১৫৩ এনডোরা ১,৯৬৬ ৫৩ ১,২৬৫
১৫৪ বেলিজ ১,৮৫৪ ২৪ ১,১৯৬
১৫৫ নিউজিল্যান্ড ১,৮৩৩ ২৫ ১,৭৫৩
১৫৬ টোগো ১,৭৪৩ ৪৬ ১,৩৩০
১৫৭ সাইপ্রাস ১,৭১৩ ২২ ১,৩৬৯
১৫৮ লাটভিয়া ১,৬৯৭ ৩৬ ১,৩০৪
১৫৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১,৫৭৯ ১,৩৩৫
১৬০ লেসোথো ১,৫৬৫ ৩৫ ৮২২
১৬১ লাইবেরিয়া ১,৩৪২ ৮২ ১,২২১
১৬২ মার্টিনিক ১,২৯০ ২০ ৯৮
১৬৩ নাইজার ১,১৯৬ ৬৯ ১,১০৭
১৬৪ চাদ ১,১৮৫ ৮৫ ১,০০৬
১৬৫ ভিয়েতনাম ১,০৭৭ ৩৫ ৯৯৯
১৬৬ সান ম্যারিনো ৭৩৫ ৪৫ ৬৭৬
১৬৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৬৮ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৬৮২ ৬২০
১৬৯ চ্যানেল আইল্যান্ড ৬৫৬ ৪৮ ৬০০
১৭০ সিন্ট মার্টেন ৬৪৪ ২২ ৫৩২
১৭১ পাপুয়া নিউ গিনি ৫৩২ ৫১৬
১৭২ তাইওয়ান ৫১৩ ৪৮০
১৭৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৭৪ বুরুন্ডি ৪৮৫ ৪৭২
১৭৫ কমোরস ৪৭৮ ৪৫৮
১৭৬ ফারে আইল্যান্ড ৪৬০ ৪২৩
১৭৭ সেন্ট মার্টিন ৩৮৩ ২৭৩
১৭৮ জিব্রাল্টার ৩৮২ ৩৪১
১৭৯ ইরিত্রিয়া ৩৭৫ ৩৪১
১৮০ মরিশাস ৩৬৭ ১০ ৩৪৩
১৮১ কিউরাসাও ৩৬৬ ১৪৮
১৮২ আইল অফ ম্যান ৩৪০ ২৪ ৩১৪
১৮৩ মঙ্গোলিয়া ৩১৩ ৩০৫
১৮৪ কম্বোডিয়া ২৭৬ ২৭৫
১৮৫ ভুটান ২৭৩ ২১০
১৮৬ মোনাকো ২১২ ১৭৪
১৮৭ কেম্যান আইল্যান্ড ২১০ ২০৭
১৮৮ বার্বাডোস ১৯০ ১৭৮
১৮৯ বারমুডা ১৮১ ১৬৭
১৯০ ব্রুনাই ১৪৬ ১৪২
১৯১ সিসিলি ১৪৩ ১৪০
১৯২ লিচেনস্টেইন ১১৭ ১১০
১৯৩ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১০১ ৯২
১৯৪ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৮৮ ২১
১৯৫ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭১ ৬২
১৯৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৬৪ ৬৪
১৯৭ সেন্ট বারথেলিমি ৪৮ ২৫
১৯৮ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৯ ফিজি ৩২ ২৮
২০০ ডোমিনিকা ৩০ ২৪
২০১ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৭ ২৬
২০২ সেন্ট লুসিয়া ২৭ ২৭
২০৩ পূর্ব তিমুর ২৭ ২৭
২০৪ গ্রেনাডা ২৪ ২৪
২০৫ লাওস ২৩ ২২
২০৬ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৯ ১৭
২০৭ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৪ ১৪
২০৯ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১০ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১১ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২১২ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৩ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]