১০০ দিনে দেশ করোনামুক্ত করা সম্ভব, খরচ ৬০ হাজার কোটি টাকা!

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:৩৫ পিএম, ২০ জুন ২০২০

>> সারা দেশকে তিন ভাগে ভাগ করে লকডাউন করতে হবে
>> টেস্ট করা না গেলে লক্ষণের ভিত্তিতে শনাক্ত করতে হবে
>> ৯০ দিনের মাথায় সংক্রমণ ও মৃত জিরো করা সম্ভব

জনপ্রতি ৩ হাজার ৭৪২ টাকা ৫০ পয়সা খরচ করে সত্য-সঠিক পদক্ষেপ নিলে সারাদেশে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা খরচ করে ১০০ দিনে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণরূপে করোনামুক্ত করা সম্ভব। সম্ভাব্য মোট ব্যয় হিসাবে চিকিৎসা খাতে ১০ হাজার কোটি টাকা, অতিরিক্ত জনবল বাবদ ১ হাজার কোটি টাকা, যাতায়াত-খাদ্য ও অন্যান্য খরচ বাবদ ৫০০ কোটি টাকা, গরিবদের খাবার ৪৩ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা, ভলান্টিয়ার বাবদ ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং অন্যান্য ব্যয় বাবদ ৩ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয় হবে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি, রাইটস অ্যান্ড রেস্পন্সিবিলিটিজ (এফডিএসআরআর) আয়োজিত এক অনলাইন প্রেস ব্রিফিংয়ে সংগঠনের উপদেষ্টা ডা. আব্দুর নূর তুষার এই সম্ভাবনার কথা জানান।

এ মুহূর্তে দেশকে করোনা সংক্রমণমুক্ত করতে সংক্রমণ কমিয়ে আনা, আক্রান্ত রোগীদের সেবা দেয়া, খাদ্যনিরাপত্তা, ওষুধ ও চিকিৎসা নিরাপত্তা, আর্থিক নিরাপত্তা, সামাজিক আইনশৃঙ্খলাজনিত নিরাপত্তা এবং অর্থনীতির চাকা চালু করার বিষয়ে কথা বলেন তিনি।

প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, ১০০ দিনের মধ্যে সংক্রমণ প্রতিরোধে টানা ২৮ দিন ও আরও ১৪ দিনসহ ৪২ দিন লকডাউন করতে হবে। সারাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করে লকডাউন করতে হবে। লকডাউন চলাকালীন সব সম্ভাব্য রোগীকে টেস্ট করার চেষ্টা করতে হবে। টেস্ট করা না গেলে লক্ষণের ভিত্তিতে শনাক্ত করতে হবে। প্রথম ২৮ দিনে সব রোগী শনাক্ত হলে পরবর্তী ১৪ দিনে তারা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবেন। পরবর্তী ১৪ দিনে এলাকায় ধীরে ধীরে অর্থনৈতিক কাজ শুরু হবে অর্থাৎ ৬০ দিনের মধ্যে প্রতিটি লকডাউন এলাকার রোগমুক্ত হবে। তখন লকডাউন করা এলাকায় বাইরের মানুষ আসা-যাওয়া সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে।

jagonews24

লকডাউন এলাকায় কমিউনিটি সেন্টার, কোনো স্টেডিয়াম, খোলা জায়গায় আইসোলেশন সেন্টার করতে হবে। জ্বরের লক্ষণ আছে এমন ব্যক্তিরা সেখানে আইসোলেটেড হবেন। সেখান থেকে যাদের হাসপাতালে নেয়া দরকার তারা হাসপাতালে যাবেন। যাদের পরিবারের বাসা আছে তারা সেখানেই থাকবেন।

নতুন রোগ ও শূন্য মৃত্যু

লকডাউন এলাকায় সব রোগী শনাক্ত হয়ে যাবেন। শেষ না হলেও তারা হয় জ্বর-কাশিতে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়ে ওঠবেন অথবা হাসপাতালে যাবেন। সাত দিনের মধ্যে কমিউনিটিতে নতুন কোনো রোগ থাকবে না। হাসপাতালে বাসায় পর্যাপ্ত ওষুধ-চিকিৎসাসামগ্রী, অক্সিজেন প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে। শুধু অক্সিজেনসহ সব সেবামূল্য নির্ধারণ করে দিতে হবে। সুলভে মানসম্মত মাস্ক ও পিপিই পাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। সব হাসপাতাল ও চিকিৎসা কেন্দ্রকে কোভিড-১৯ সেবা দেয়ার উপযুক্ত করে তুলতে হবে। যারা একদমই পারবেন না তারা রোগ শনাক্তকরণ ও পরীক্ষার কাজ করবেন। যারা সুস্থ হবেন তাদের মধ্য থেকে তরুণদের বাড়ি বাড়ি সেবা দেয়ার কাজে নিয়োজিত করতে হবে।

সব আক্রান্ত রোগীর ডাটাবেজ থেকে প্লাজমা সংগ্রহ করার পদ্ধতি প্রস্তুত করা থাকবে। একক নম্বরে স্বাস্থ্যসেবা ও অ্যাম্বুলেন্স হটলাইন চালু করতে হবে। সব স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসকদের নিরাপত্তা বিধান করতে হবে। বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার অধীনে নিয়ে সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিদিন পরীক্ষার পরিমাণ এক লাখে নিয়ে যেতে হবে। কোরিয়ান কিট ব্যবহার করে এখনকার চেয়ে কম খরচে এটি করা সম্ভব। ফলে ৬০ দিনের মধ্যে নতুন সংক্রমণ অনেক কমিয়ে নিয়ে আসা সম্ভব। ৯০ দিনের মাথায় সংক্রমণ জিরো এবং মৃত জিরো করা সম্ভব। এরপর কেবল ছোট ছোট এলাকায় জ্বর হলে রোগী হাসপাতালে আসবে এবং তখন কোনো রোগীকে নির্ধারিত হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া যাবে।

প্রতিটি এলাকায় আবৃত্তি ও মোবাইল এবং টেলিফিল্মভিত্তিক সার্ভিলেন্স থাকবে। প্রতিটি জ্বরের লক্ষণযুক্ত কেস রিপোর্ট হবে। অ্যাক্টিভ সার্ভিলেন্স বা পাহারাদারি ব্যবস্থা চালু থাকবে। প্রতি সপ্তাহে কোন এলাকা কতদূর পৌঁছাল তা গণমাধ্যমে বলতে হবে। তাতে মানুষ রোডম্যাপ জানবে। রোড ম্যাপ জানলে মানুষ স্বেচ্ছায় অংশ নেবে কষ্ট করবে। শতভাগ অর্থনীতি চালু করার জন্য লকডাউন এলাকায় ধাপে ধাপে ৫০তম দিন থেকে পরবর্তী ৫০ দিনের মধ্যে সব অফিস ব্যাংক দোকান ও সিনেমা হল সব খুলে দেয়া যাবে।

jagonews24

৬০তম দিনে বিমানবন্দর ও অন্যান্য বন্দর জনপরিবহনের জন্য খুলে দেওয়া হবে। যদি ভাগে ভাগে সম্ভব হয় তবে এলাকা থেকে এলাকায় যাতায়াত ১০০ দিনের বন্ধ থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব অফিস তার পরবর্তী কাজ শুরু করবে। সর্বত্র স্যানিটাইজার সাবান ও হাত ধোয়ার সরঞ্জাম এবং আইসোলেশন রুমের ব্যবস্থা করা থাকবে। মার্কেটে বাজারে বিশেষ সতর্কতা বজায় রাখা হবে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে কাজের মধ্যে ১০০ দিনই নানাভাবে রাখা সম্ভব। তাদের জন্য নতুন কর্ম সৃষ্টি করতে হবে।

প্রাথমিক দরকার সমন্বয় ও নেতৃত্ব

একটি এক্সপার্ট প্যানেল গঠন, যেখানে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিরাপত্তা জনসংযোগে বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তি থাকতে পারেন। তবে কমিটি বড় না হওয়া বাঞ্ছনীয়। তারা পরামর্শ দেবেন প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক্সপার্ট কমিটির প্রধান হবেন, সচিব হলেন স্বাস্থ্যসচিব। এ কমিটি কাজ করবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে। আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির অধীনে আর একজন প্রধান কর্মকর্তা থাকবেন। তিনি দ্রুততম সময়ে এই বিপদসংকুল সময় সব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে সমন্বয় করবেন। এ ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মী দরকার। রাজনৈতিক কর্মী ও তরুণরা হবে অংশগ্রহণকারী কর্মী। আরও থাকবে সকল এনজিও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী ও সদস্যরা। সারাদেশে প্রতিটি উপজেলাকে কেন্দ্র করে মোট ৫০০ মানুষের দল তৈরি করতে হবে।

জনবল

সবাইকে এনআইডি বা নিজের ফোন নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। প্রত্যেকের রেফারেন্স হিসেবে অন্তত আরও দুজনের নাম দিতে হবে। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কাজে নিয়োজিত করতে হবে। প্রয়োজনে এলাকাভিত্তিক ডিজাস্টার আইন কার্যকর করে ডিজাস্টার এলাকায় সেনাবাহিনীর সহায়তা নিতে হবে।

jagonews24

প্রতিরোধমূলক কাজ

কোয়ারেন্টাইন ও লকডাউন সম্পর্কে লিফলেট বিতরণ, মাইকিং, হাত ধোয়া, সোশ্যাল ডিস্ট্যান্স সম্পর্কে জানানো, কাশি ও শ্বাসকষ্টের রোগী থাকলে নির্দিষ্ট এলাকায় রিপোর্ট করতে বলা, এলাকার দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে মনিটর করা, যাতে তারা সঠিক সময় খোলা ও বন্ধ করে, বিদেশ থেকে আগত সম্পর্কে তথ্য নিয়ে সেটা যথাযথ স্থানে জানানো এবং এলাকার পাবলিক এরিয়া জীবাণুমুক্তকরণ।

দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানো

এলাকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর তালিকা প্রস্তুত করে সেটা দ্রুত সরকারের নির্দিষ্ট দফতরে পাঠানো। তাদের কাছে প্রতি সপ্তাহে দুবার খাবার পৌঁছানো। যারা একদম ছিন্নমূল তাদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু হোটেলে খাবার প্রস্তুত ও বিতরণ। গ্লাভস ও মাস্ক দেয়া এবং সেটা কীভাবে ফেলতে হবে সেটা শেখানো, সাবান ও স্যানিটাইজার বিতরণ, যারা অন্য কোনো কারণে অসুস্থ তাদের কাছে ওষুধ পৌঁছে দেয়া, বৃদ্ধ যারা বয়সের ওপরে তাদের আলাদাভাবে তালিকা তৈরি করে বিশেষ যত্ন নেয়ার চেষ্টা করা, এলাকার কৃষক ও খাবারের সময় যারা তাদের বিশেষভাবে রক্ষার চেষ্টা করা।

চিকিৎসা

সরকারি হাসপাতালে গরিবদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। সেখানে কাজ করতে মেডিকেল ছাত্রছাত্রী ও ছাত্র রাজনীতিতে জড়িতদের যথাযথ পিপিই দিয়ে নিয়োজিত করা। বেসরকারি হাসপাতালগুলো থেকে সারাদেশে অন্তত ২০০ হাসপাতাল নির্বাচন করে সেখানে করোনা ইউনিট স্থাপন করতে সরকারকে বলা। দেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভেন্টিলেটর অন্যান্য সরঞ্জাম কিনে দিতে বলা যেটা তারা আগামী তিন বছর ট্যাক্সের সাথে অর্ধেক অর্থ কিস্তিতে সমন্বয় করতে পারবে। বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ভেন্টিলেটর কিনতে বলা।

অর্থ দরকার কত?

৫০০ উপজেলায় ভলান্টিয়ার সংখ্যা হবে ৫০ হাজার। তাদের জন্য প্রতিদিন ৪০০ টাকা হারে মাসে ৬০০ কোটি টাকা। এটা লোকাল এমপি ও নেতারা বহন করবেন। ৫০০ উপজেলায় খাবার প্রদান- বাংলাদেশে হতদরিদ্র মানুষ দুই কোটি ৪১ লাখ। তাদের সকলকে একদিন খাওয়ালে খরচ হবে ৪৮২ কোটি টাকা। মোট এক মাসে খরচ ১৪ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা।

jagonews24

চিকিৎসা ব্যয়

মোট আক্রান্ত যদি ১২কোটি হয় সবার জন্য চিকিৎসা ব্যয় হবে না। তবে লকডাউন করলে এত রোগী হবে না। ছয় ভাগের একভাগেই হয়ে যাবে। মোট সুস্থ হয়ে যাবে ৯ কোটি ৬০ লাখ। বাকি আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতালে যাবে প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ লোক। এদের মধ্যে হতদরিদ্র হবে প্রায় ৬০ লাখ। এদের জন্য চিকিৎসা খরচ বাবদ ( পিপিই) ৩০০ কোটি টাকা।

ভেন্টিলেটর আইসিইউ খরচ ১ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা। ওষুধবাবদ খরচ হবে ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। অন্যান্য সকল খরচ বাদে চিকিৎসা ব্যয় বাবদ মোট খরচ হবে ৩ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা। স্বল্পতম কর ৫ শতাংশে করোনা সংক্রান্ত সামগ্রী আমদানি করতে দেয়া। মাস্ক ও অন্যান্য ফ্যাক্টরিতে উৎপাদনে সহায়তা।

ওষুধ বিতরণ, বিক্রয় ও রোগী পরিবহন

এলাকার ফার্মেসিগুলো খোলা রাখা। যারা ওষুধ কিনতে আসবেন সেখানেই তাদের ইনফারেট থার্মোমিটার দিয়ে জ্বর দেখা। সকল জিপিকে (জেনারেল প্রাকটিশনার) তাদের চেম্বার খোলা রাখতে বলা। সকল ডায়াগনস্টিক সেন্টার খোলা রাখা। দমকল বাহিনীকে অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা। ছোট ট্রাকের ওপরে ছাউনি দিয়ে দ্রুত রোগী হাসপাতালে নেবার জন্য ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সে রূপান্তর করা।

বর্জ্য ব্যবস্থা

সব হাসপাতাল থেকে করোনা বর্জ্য নিষ্কাশনের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা। ক্লিনারদের পিপিই প্রদান, এ কাজের সংযুক্ত সকলকে ট্রেনিং প্রদান। এলাকার করোনা বর্জ্য ডাম্পিংয়ের জন্য নিরাপদ স্থান নির্ধারণ ও মনিটরিং। করোনা আক্রান্তদের বাসাগুলো থেকে বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য সুইপারদের নিরাপত্তা প্রদান।

জনসংযোগ

দ্রুত স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত লিফলেট প্রস্তুত ও বিতরণ, টিভিগুলোতে টিকার চালানো, দেশের বিভিন্ন স্থানে ভিডিও ডিসপ্লেগুলিতে প্রচারণা, এলাকাভিত্তিক মাইকিং, প্রতি এলাকায় একটি মসজিদ থেকে নির্দিষ্ট সময় পরপর করোনা সংক্রান্ত তথ্য মাইকে বলা এবং ভলান্টিয়ারদের টিশার্ট দেয়া যেখানে হাত ধোয়া ও সামাজিক দূরত্ব সংক্রান্ত ছবিসহ নির্দেশ দেয়া থাকবে।

jagonews24

সচ্ছলদের জন্য বিতরণ ব্যবস্থা

এলাকাতে ডিস্ট্রিবিউশন পয়েন্ট তৈরি, হোম ডেলিভারি এবং শহর এলাকায় পাঠাও-উবার এসবে সাহায্য নেয়া।

করোনা পরবর্তী পুনর্বাসন

চাষাবাদের জন্য ঋণ প্রদান, কৃষি সহায়তা, ব্যবসা সহায়তা এবং আপাতত তিন মাসের জন্য ১০ শতাংশের নিচে কৃষি জমি ক্রয় বিক্রয় বন্ধ করে রাখা, যাতে মানুষ করোনার কারণে ভূমিহীন না হয় বরং জমির বিনিময়ে ঋণ প্রদান করা।

এমইউ/জেডএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

২৬,৬৬,৭৭,৪১৩
আক্রান্ত

৫২,৭৭,৩৪৩
মৃত

২৪,০২,০৮,৭৪৯
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১৫,৭৭,৭২০ ২৮,০০৫ ১৫,৪২,৬০০
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৫,০১,৪৬,৩০৮ ৮,১০,২৩৭ ৩,৯৬,৬০,৭৯২
ভারত ৩,৪৬,৪৮,০৮৬ ৪,৭৩,৫৩৭ ৩,৪০,৬৯,৬০৮
ব্রাজিল ২,২১,৪৭,৪৭৬ ৬,১৫,৭৮৯ ২,১৩,৭০,৩৮৮
যুক্তরাজ্য ১,০৫,১৫,২৩৯ ১,৪৫,৬৪৬ ৯২,৫৯,১৭৯
রাশিয়া ৯৮,৩৩,৭৪৯ ২,৮২,৪৬২ ৮৫,৩০,৪৭৬
তুরস্ক ৮৯,২১,১৫০ ৭৮,০১৭ ৮৪,৬২,৩২৩
ফ্রান্স ৭৯,২৮,৫৭২ ১,১৯,৫৩৫ ৭১,৯১,১২৯
জার্মানি ৬২,১৯,১৬৯ ১,০৩,৯১৩ ৫১,২০,১০০
১০ ইরান ৬১,৩৭,৮২১ ১,৩০,২৭৭ ৫৯,৩০,৫০২
১১ আর্জেন্টিনা ৫৩,৪৩,১৫৩ ১,১৬,৬৮০ ৫২,০৩,৮০৯
১২ স্পেন ৫২,০২,৯৫৮ ৮৮,১৫৯ ৪৯,২৭,৩৯১
১৩ ইতালি ৫১,১৮,৫৭৬ ১,৩৪,২৮৭ ৪৭,৪৮,৪৫৪
১৪ কলম্বিয়া ৫০,৮২,৭৬২ ১,২৮,৮২১ ৪৯,২৩,৪৩৩
১৫ ইন্দোনেশিয়া ৪২,৫৭,৮১৫ ১,৪৩,৮৭৬ ৪১,০৮,২৯৭
১৬ মেক্সিকো ৩৯,০১,২৬৩ ২,৯৫,২০২ ৩২,৫৭,৬৭৬
১৭ পোল্যান্ড ৩৬,৮৪,৬৭১ ৮৫,৭০০ ৩১,৬৭,৭৫৪
১৮ ইউক্রেন ৩৫,০১,৯৫৫ ৮৮,৫১৯ ৩০,৫৯,৭৪১
১৯ দক্ষিণ আফ্রিকা ৩০,৩৮,০৭৫ ৮৯,৯৭৫ ২৮,৬১,৩৭২
২০ ফিলিপাইন ২৮,৩৫,১৫৪ ৪৯,৪৯৯ ২৭,৭২,১০৭
২১ নেদারল্যান্ডস ২৭,৭২,৯১৯ ১৯,৭০২ ২১,৬৯,৯৯৩
২২ মালয়েশিয়া ২৬,৬৩,০৩৪ ৩০,৬৫২ ২৫,৭২,০৫৩
২৩ চেক প্রজাতন্ত্র ২২,৪৭,০৬৭ ৩৩,৭৬৮ ১৯,২২,৫৬২
২৪ পেরু ২২,৪৩,৪১৫ ২,০১,৩৭৯ ১৭,২০,৬৬৫
২৫ থাইল্যান্ড ২১,৪৫,২৪১ ২০,৯৬৪ ২০,৫৫,২৬৫
২৬ ইরাক ২০,৮৪,৯৬১ ২৩,৯০৩ ২০,৫০,৯৬০
২৭ বেলজিয়াম ১৮,২৭,৪৬৭ ২৭,১৬৭ ১৩,৫৮,২৫৭
২৮ কানাডা ১৮,১২,২৪৪ ২৯,৮০০ ১৭,৫৩,১১৬
২৯ রোমানিয়া ১৭,৮৬,৮৩৯ ৫৭,১৫৩ ১৭,০৩,২৮৪
৩০ চিলি ১৭,৭৪,০৪৮ ৩৮,৫৩১ ১৬,৬৮,১২১
৩১ জাপান ১৭,২৭,৯৪২ ১৮,৩৬৪ ১৭,০৮,৭১১
৩২ ইসরায়েল ১৩,৪৬,৬৭০ ৮,২০৯ ১৩,৩২,৯৯৭
৩৩ ভিয়েতনাম ১৩,২৩,৬৮৩ ২৬,৪৮৩ ১০,১০,৪০৭
৩৪ পাকিস্তান ১২,৮৭,১৬১ ২৮,৭৭৭ ১২,৪৬,৪৬৪
৩৫ সার্বিয়া ১২,৬৫,২২৮ ১১,৯৫৫ ১২,১৩,৩২৫
৩৬ সুইডেন ১২,১২,১৪৫ ১৫,১৩৬ ১১,৬২,৬৫৮
৩৭ অস্ট্রিয়া ১২,০৩,১০৩ ১২,৮৪৪ ১০,৮৭,১৩৩
৩৮ পর্তুগাল ১১,৬৯,০০৩ ১৮,৫৫১ ১০,৮৮,২৯৫
৩৯ হাঙ্গেরি ১১,৫৭,৫৬৮ ৩৫,৬১১ ৯,৩২,২০৪
৪০ সুইজারল্যান্ড ১০,৬৩,৪৬৬ ১১,৬২৮ ৮,৭৬,২৬১
৪১ জর্ডান ৯,৮১,৭৬৭ ১১,৭৮৭ ৯,০৭,৩৮৬
৪২ কাজাখস্তান ৯,৭৫,৭৮২ ১২,৭৮৫ ৯,৪২,০৭৬
৪৩ গ্রীস ৯,৭১,১৪৮ ১৮,৭১৬ ৮,৮৩,০৬৬
৪৪ কিউবা ৯,৬৩,১৯৪ ৮,৩১০ ৯,৫৪,২৯৪
৪৫ মরক্কো ৯,৫০,৬৪৩ ১৪,৭৮৮ ৯,৩৩,০৪৯
৪৬ জর্জিয়া ৮,৬৭,০৭১ ১২,৪০৭ ৮,০৯,৮৩০
৪৭ নেপাল ৮,২২,৮৩০ ১১,৫৪৩ ৮,০৪,৯০১
৪৮ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৭,৪২,৩৭৬ ২,১৪৯ ৭,৩৭,৪০০
৪৯ স্লোভাকিয়া ৭,৩২,৪৯৫ ১৪,৯০০ ৫,৯৯,৮৫৮
৫০ তিউনিশিয়া ৭,১৮,৪৪৩ ২৫,৪০১ ৬,৯১,৬৪০
৫১ বুলগেরিয়া ৭,০৫,৫৮৬ ২৯,০৬০ ৫,৭৭,০৪৩
৫২ লেবানন ৬,৭৯,৬২৫ ৮,৭৮৫ ৬,৩৪,৯৯৪
৫৩ বেলারুশ ৬,৬৫,১২৫ ৫,১৭৬ ৬,৫৪,০০০
৫৪ ক্রোয়েশিয়া ৬,৩১,৭৬৫ ১১,২৬৯ ৫,৯৪,৯২৯
৫৫ গুয়াতেমালা ৬,১৯,৮৯১ ১৫,৯৯২ ৬,০২,৮২০
৫৬ আয়ারল্যান্ড ৫,৯৭,১৬১ ৫,৭০৭ ৪,৬১,৯৭৯
৫৭ আজারবাইজান ৫,৯৬,৯৭৩ ৭,৯৮৩ ৫,৬৫,৫২১
৫৮ শ্রীলংকা ৫,৬৮,৪২৩ ১৪,৪৮৪ ৫,৪২,৬৮৮
৫৯ কোস্টারিকা ৫,৬৭,৬১৪ ৭,৩১৮ ৫,৫৫,৬৪৯
৬০ সৌদি আরব ৫,৪৯,৯৫৫ ৮,৮৪৫ ৫,৩৯,০৮২
৬১ বলিভিয়া ৫,৪৩,৩৯০ ১৯,২২২ ৪,৯৭,৮৮৭
৬২ ইকুয়েডর ৫,২৯,৩৪৯ ৩৩,৪৮৪ ৪,৪৩,৮৮০
৬৩ মায়ানমার ৫,২৪,৬৩৮ ১৯,১৪৬ ৫,০০,৭০১
৬৪ ডেনমার্ক ৫,১৬,২৫৭ ২,৯৫৬ ৪,৫০,৮৫৬
৬৫ লিথুনিয়া ৪,৮০,৩১০ ৬,৮৬২ ৪,৪৪,৮৭৪
৬৬ পানামা ৪,৭৯,০৫৩ ৭,৩৭৪ ৪,৬৮,৮৩৮
৬৭ দক্ষিণ কোরিয়া ৪,৭৭,৩৫৮ ৩,৮৯৩ ৪,০৯,০৪১
৬৮ প্যারাগুয়ে ৪,৬৩,৪২৭ ১৬,৪৭৯ ৪,৪৬,২৩৪
৬৯ ভেনেজুয়েলা ৪,৩৪,৯১৮ ৫,১৯৩ ৪,২২,২৮৯
৭০ ফিলিস্তিন ৪,৩২,২৬৫ ৪,৫৫৪ ৪,২৪,১৭২
৭১ স্লোভেনিয়া ৪,৩০,৮৩৯ ৫,৩১৭ ৩,৯৬,৭৯১
৭২ কুয়েত ৪,১৩,৫২৪ ২,৪৬৫ ৪,১০,৭৪৬
৭৩ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৪,০৮,৭৪৮ ৪,২১২ ৪,০২,৬২৭
৭৪ উরুগুয়ে ৪,০১,১০৩ ৬,১৩৬ ৩,৯২,৮৮০
৭৫ মঙ্গোলিয়া ৩,৮৩,৬৮২ ২,০১৭ ৩,১৩,২৫৬
৭৬ হন্ডুরাস ৩,৭৮,২৫১ ১০,৪১৩ ১,২২,০৩৯
৭৭ লিবিয়া ৩,৭৫,৪৬৮ ৫,৪৯৯ ৩,৫৬,৮১৪
৭৮ ইথিওপিয়া ৩,৭২,৩৩৪ ৬,৮০৪ ৩,৪৯,৭৩৫
৭৯ মলদোভা ৩,৬৬,৭৫১ ৯,২৪৪ ৩,৬৩,৭৭৪
৮০ মিসর ৩,৬৪,০৩৩ ২০,৭৭০ ৩,০২,২৫৯
৮১ আর্মেনিয়া ৩,৪০,৮১৮ ৭,৬৯১ ৩,২১,৮৮৪
৮২ ওমান ৩,০৪,৬১২ ৪,১১৩ ৩,০০,০৪৭
৮৩ নরওয়ে ২,৮৭,১২৩ ১,০৯৬ ৮৮,৯৫২
৮৪ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৭৮,৫১১ ১২,৭৮০ ১৩,৪৯,৯৫৬
৮৫ বাহরাইন ২,৭৭,৮৫৬ ১,৩৯৪ ২,৭৬,১৪৮
৮৬ সিঙ্গাপুর ২,৬৯,৮৭৩ ৭৬৩ ২,৬০,৭৫৪
৮৭ লাটভিয়া ২,৫৭,৫৫৯ ৪,২৭৭ ২,৪২,৪৯৮
৮৮ কেনিয়া ২,৫৫,৪৬৯ ৫,৩৩৫ ২,৪৮,৪৪৪
৮৯ কাতার ২,৪৪,৩৮৭ ৬১১ ২,৪১,৫৬৬
৯০ এস্তোনিয়া ২,২৫,২৯৪ ১,৮২৫ ২,০৮,৬১৪
৯১ অস্ট্রেলিয়া ২,১৯,১২৪ ২,০৫৬ ১,৯৭,০৭০
৯২ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,১৭,৪০০ ৭,৬৫৮ ২,০৩,৯৬৭
৯৩ নাইজেরিয়া ২,১৪,৭৮৯ ২,৯৮০ ২,০৭,৪৭৮
৯৪ আলজেরিয়া ২,১১,৬৬২ ৬,১১১ ১,৪৫,৩৫০
৯৫ জাম্বিয়া ২,১০,৩২৭ ৩,৬৬৮ ২,০৬,৪৮১
৯৬ আলবেনিয়া ২,০১,৯০২ ৩,১১৫ ১,৯২,৪২৮
৯৭ বতসোয়ানা ১,৯৫,৫৫২ ২,৪২০ ১,৯২,৪৫২
৯৮ ফিনল্যাণ্ড ১,৯৪,৬৩৮ ১,৩৮৩ ৪৬,০০০
৯৯ উজবেকিস্তান ১,৯৪,৫৫৬ ১,৪২১ ১,৯১,০৬২
১০০ কিরগিজস্তান ১,৮৩,৬৪৯ ২,৭৬০ ১,৭৮,৬৫১
১০১ মন্টিনিগ্রো ১,৫৮,৬২৩ ২,৩৩১ ১,৫৪,২৩৩
১০২ আফগানিস্তান ১,৫৭,৪৯৯ ৭,৩৬৫ ১,৪০,৮০৯
১০৩ মোজাম্বিক ১,৫২,০০০ ১,৯৪১ ১,৫১,৩৮২
১০৪ জিম্বাবুয়ে ১,৩৯,০৪৬ ৪,৭১০ ১,২৮,৮৬৮
১০৫ সাইপ্রাস ১,৩৭,৫৩৮ ৬০২ ১,২৪,৩৭০
১০৬ ঘানা ১,৩১,২৪৬ ১,২২৮ ১,২৯,৩২৬
১০৭ নামিবিয়া ১,২৯,৭৯৬ ৩,৫৭৪ ১,২৫,৫৩১
১০৮ উগান্ডা ১,২৭,৬৮৯ ৩,২৫৬ ৯৭,৮৪৭
১০৯ কম্বোডিয়া ১,২০,২৭২ ২,৯৬৩ ১,১৬,৬২৭
১১০ এল সালভাদর ১,১৯,৮০৩ ৩,৭৮৬ ১,০২,৯৮২
১১১ ক্যামেরুন ১,০৭,১৪৮ ১,৮০৪ ১,০২,৭১৬
১১২ রুয়ান্ডা ১,০০,৪২৯ ১,৩৪৩ ৪৫,৫২২
১১৩ চীন ৯৯,২০৩ ৪,৬৩৬ ৯৩,৫০৭
১১৪ মালদ্বীপ ৯২,৩৬৮ ২৫৫ ৯০,৩০৪
১১৫ লুক্সেমবার্গ ৯১,৭০৯ ৮৮৫ ৮৫,৭২৬
১১৬ জ্যামাইকা ৯১,৫৩৬ ২,৪১০ ৬৩,০৯৬
১১৭ লাওস ৮০,৭২২ ২১০ ৭,৩৩৯
১১৮ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৭৫,৯৩৫ ২,২৮১ ৬০,৯৪৭
১১৯ সেনেগাল ৭৪,০৩১ ১,৮৮৬ ৭২,১০৭
১২০ অ্যাঙ্গোলা ৬৫,২৫৯ ১,৭৩৫ ৬৩,৩২৫
১২১ মালাউই ৬১,৯৯৭ ২,৩০৭ ৫৮,৮২৪
১২২ আইভরি কোস্ট ৬১,৮২৬ ৭০৬ ৬০,৮৭৫
১২৩ রিইউনিয়ন ৬১,১৮৮ ৩৮৪ ৫৭,৭৮১
১২৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৫৮,৮৫৮ ১,১১৩ ৫০,৯৩০
১২৫ গুয়াদেলৌপ ৫৫,২৮৪ ৭৪৮ ২,২৫০
১২৬ ফিজি ৫২,৫৬২ ৬৯৭ ৫১,১২৫
১২৭ সুরিনাম ৫১,০০৯ ১,১৭১ ২৯,৫৭৭
১২৮ সিরিয়া ৪৮,৭০৯ ২,৭৮২ ২৯,৮৫০
১২৯ ইসওয়াতিনি ৪৭,৮৫১ ১,২৪৮ ৪৫,২৮০
১৩০ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৪৬,৩২৪ ৬৩৬ ৩৩,৫০০
১৩১ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৬,২০৫ ৩২৯ ১১,২৫৪
১৩২ মার্টিনিক ৪৫,৫০১ ৭১৮ ১০৪
১৩৩ মাদাগাস্কার ৪৪,৮০০ ৯৭২ ৪৩,১১৯
১৩৪ সুদান ৪৪,১৭০ ৩,২০০ ৩৫,৭৮৬
১৩৫ মালটা ৪০,০১৫ ৪৬৮ ৩৭,৮২২
১৩৬ মৌরিতানিয়া ৩৯,৫৮৪ ৮৪২ ৩৭,৯৭৩
১৩৭ কেপ ভার্দে ৩৮,৪৫৩ ৩৫১ ৩৭,৯৮০
১৩৮ গায়ানা ৩৮,২১৭ ১,০০৮ ৩৬,২৬৮
১৩৯ গ্যাবন ৩৭,৫১১ ২৮১ ৩৩,৪২৪
১৪০ পাপুয়া নিউ গিনি ৩৫,৫৩৮ ৫৫০ ৩৪,৫৫৫
১৪১ বেলিজ ৩০,৮২৪ ৫৮২ ২৯,২২৫
১৪২ গিনি ৩০,৭৭০ ৩৮৭ ২৯,৭২৫
১৪৩ টোগো ২৬,৩১৫ ২৪৩ ২৫,৯২৮
১৪৪ তানজানিয়া ২৬,২৭০ ৭৩০ ১৮৩
১৪৫ বার্বাডোস ২৬,২০০ ২৪০ ২৩,৫৯৬
১৪৬ হাইতি ২৫,৬৩৮ ৭৫০ ২১,৭৪৬
১৪৭ বেনিন ২৪,৮৬৩ ১৬১ ২৪,৫৪৬
১৪৮ সিসিলি ২৩,৫৩৭ ১২৭ ২২,৯১২
১৪৯ সোমালিয়া ২৩,০৫১ ১,৩৩১ ১২,৩২৫
১৫০ বাহামা ২২,৮৩৯ ৭০৫ ২১,৬৪৪
১৫১ মরিশাস ২২,০৯০ ৪৫৫ ২০,২৬৬
১৫২ লেসোথো ২১,৮৩৮ ৬৬৩ ১৩,৭৪১
১৫৩ মায়োত্তে ২১,০০৩ ১৮৫ ২,৯৬৪
১৫৪ বুরুন্ডি ২০,৪৩৯ ৩৮ ৭৭৩
১৫৫ পূর্ব তিমুর ১৯,৮২৮ ১২২ ১৯,৭০২
১৫৬ কঙ্গো ১৮,৯৭০ ৩৫৪ ১২,৪২১
১৫৭ চ্যানেল আইল্যান্ড ১৮,৮৯৩ ১০৪ ১৬,৪৫৯
১৫৮ আইসল্যান্ড ১৮,৬৪২ ৩৫ ১৭,২৪১
১৫৯ এনডোরা ১৮,৬৩১ ১৩৩ ১৬,৪৪৬
১৬০ মালি ১৭,৯৭১ ৬১৮ ১৫,৩২১
১৬১ কিউরাসাও ১৭,৪৮৭ ১৮০ ১৭,২০৯
১৬২ নিকারাগুয়া ১৭,২৫৪ ২১০ ৪,২২৫
১৬৩ তাজিকিস্তান ১৭,০৯৫ ১২৪ ১৬,৯৬৬
১৬৪ তাইওয়ান ১৬,৬৬২ ৮৪৮ ১৫,৬৫০
১৬৫ আরুবা ১৬,৪৫০ ১৭৪ ১৬,০৯৫
১৬৬ বুর্কিনা ফাঁসো ১৬,০০০ ২৮৬ ১৫,৩৪৫
১৬৭ ব্রুনাই ১৫,২০২ ৯৮ ১৪,৮৩৭
১৬৮ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৩,৫৯৯ ১৭৫ ১৩,৩৪৬
১৬৯ জিবুতি ১৩,৫০৮ ১৮৮ ১৩,২৯৪
১৭০ সেন্ট লুসিয়া ১৩,০৪৮ ২৮২ ১২,৬৪৪
১৭১ দক্ষিণ সুদান ১২,৮২৩ ১৩৩ ১২,৪৬৩
১৭২ হংকং ১২,৪৬৭ ২১৩ ১২,১৫১
১৭৩ নিউজিল্যান্ড ১২,৩৩১ ৪৪ ৫,৮৮৫
১৭৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১২,২৭৩ ২৭৯ ১১,৭৭০
১৭৫ আইল অফ ম্যান ১২,০৩৫ ৬৬ ১১,০৫৯
১৭৬ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১১,৭৪২ ১০১ ৬,৮৫৯
১৭৭ ইয়েমেন ১০,০৩৪ ১,৯৫৫ ৬,৯১৭
১৭৮ গাম্বিয়া ৯,৯৯২ ৩৪২ ৯,৬৪০
১৭৯ কেম্যান আইল্যান্ড ৭,৫২৯ ৩,৫৭০
১৮০ ইরিত্রিয়া ৭,৪৮৪ ৬১ ৭,২৭১
১৮১ জিব্রাল্টার ৭,৩৭৬ ১০০ ৬,৯৯১
১৮২ নাইজার ৭,০৯১ ২৬৪ ৬,৭৩৯
১৮৩ গিনি বিসাউ ৬,৪৪৪ ১৪৯ ৬,২৭৭
১৮৪ সিয়েরা লিওন ৬,৪০২ ১২১ ৪,৩৯৩
১৮৫ সান ম্যারিনো ৬,২১৭ ৯৪ ৫,৭৭২
১৮৬ ডোমিনিকা ৬,১২০ ৪২ ৫,৭১২
১৮৭ লাইবেরিয়া ৫,৯১৫ ২৮৭ ৫,৫২৩
১৮৮ গ্রেনাডা ৫,৯০৮ ২০০ ৫,৬৩৬
১৮৯ বারমুডা ৫,৭৫১ ১০৬ ৫,৬১৫
১৯০ চাদ ৫,৭০১ ১৮১ ৪,৮৭৪
১৯১ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৫,৬২৩ ৭৬ ৫,০৯৬
১৯২ লিচেনস্টেইন ৪,৯৪১ ৬২ ৪,৩৫৭
১৯৩ সিন্ট মার্টেন ৪,৫৯৮ ৭৫ ৪,৫০৪
১৯৪ কমোরস ৪,৫৪৩ ১৫১ ৪,৩১৩
১৯৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৪,১৪৮ ১১৭ ৪,০১৯
১৯৬ সেন্ট মার্টিন ৩,৯৭৩ ৫৬ ১,৩৯৯
১৯৭ ফারে আইল্যান্ড ৩,৯৫৭ ১৩ ৩,৩৯৩
১৯৮ মোনাকো ৩,৯০২ ৩৬ ৩,৭৩৬
১৯৯ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৩,১০৭ ২৫ ৩,০৫৫
২০০ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৩,০৪০ ২২ ৬,৪৪৫
২০১ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ২,৮০৯ ৩৮ ২,৬৪৯
২০২ সেন্ট কিটস ও নেভিস ২,৭৯০ ২৮ ২,৭৪৯
২০৩ ভুটান ২,৬৪১ ২,৬২৫
২০৪ গ্রীনল্যাণ্ড ১,৬২১ ১,৪১৯
২০৫ সেন্ট বারথেলিমি ১,৬০৩ ৪৬২
২০৬ এ্যাঙ্গুইলা ১,৪১৪ ১,৩২৩
২০৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
২০৮ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৫৪ ৪৩৮
২০৯ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ৮৬ ৪৯
২১০ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৮৩ ৬৮
২১১ ম্যাকাও ৭৭ ৭৭
২১২ মন্টসেরাট ৪৪ ৪৩
২১৩ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ২৭
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ২০ ২০
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ পালাও
২১৮ ভানুয়াতু
২১৯ মার্শাল আইল্যান্ড
২২০ সামোয়া
২২১ সেন্ট হেলেনা
২২২ টাঙ্গা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]