মাহবুব কবীর মিলন ওএসডি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৩৪ পিএম, ০৬ আগস্ট ২০২০

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলনকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। ‘জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া ট্রেনের টিকিট কেনা যাবে না,’ সম্প্রতি এমন একটি নিয়মের প্রবর্তন করতে যাচ্ছিলেন তিনি।

বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে ওএসডির সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

এদিকে প্রজ্ঞাপন জারির পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মাহবুব কবীর মিলন প্রজ্ঞাপনের স্ক্রিনশট দিয়ে লিখেছেন, ‘ওএসডি হলাম।’

এর আগে গত ২৫ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদ থেকে মো. মাহবুব কবির মিলনকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে বদলি করা হয়। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষে থেকে হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে সর্বত্র ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বিপণন বন্ধে জোরালো ভূমিকা রেখে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন তিনি। তবে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়া হয় তাকে।

‘টিকিট যার, ভ্রমণ তার’, সম্প্রতি রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মাহবুব কবীর অক্টোবরের শেষ নাগাদ জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে টিকিট কাটার নতুন এই নিয়ম চালুর কথা বলেছিলেন। টিকিট কালোবাজারি বন্ধ এবং ভ্রমণের সময় যাত্রীর পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য এ উদ্যোগ নেয়া হয়।

নতুন পরিকল্পনায় একজন যাত্রীকে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে নিজের ন্যাশনাল আইডি কার্ড অর্থাৎ জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তার ফলে একজন ব্যক্তি রেজিস্ট্রেশন করার সাথে সাথে তার ছবি এবং পরিচিতি যেটা জাতীয় পরিচয়পত্র সার্ভারে দেয়া আছে, সেটা রেলের সার্ভারে চলে আসবে। এজন্য চলতি মাসে নির্বাচন কমিশনের আওতায় জাতীয় পরিচয়পত্র প্রকল্পের সঙ্গে রেলওয়ে একটি সমঝোতা স্মারক সই করবে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত সচিব কবীর।

এছাড়াও আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে অনলাইন রিফান্ড বা অনলাইনে টিকিট কাটার পর যাত্রী যদি সেটি পরিবর্তন করেন বা যাত্রা বাতিল করতে চান, তাহলে তিনি টিকিট ফেরত দিয়ে অনলাইনেই অর্থ ফেরত দেয়ার নিয়মও চালু হতে যাচ্ছিল।

এছাড়াও ৩ আগস্ট তিনি ৩০ দিনের মধ্যে নিয়োগবিধি চূড়ান্ত করে রেলে ১৫ হাজার জনবল নিয়োগের ঘোষণা দেন।

এছাড়াও সম্প্রতি মাহবুব কবীর মিলনের প্রচেষ্টায় মোবাইল ব্যাংকিং সেক্টরে বিকাশ মাল্টি ডিভাইস লগইন বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে একটি অ্যাকাউন্ট থেকেই একজন গ্রাহককে ট্রানজেকশন করতে হবে। ওটিপি পিন নম্বর দিয়েও অন্য ডিভাইস থেকে অ্যাকাউন্ট চালানো যাবে না। প্রতাকরা একজনের ওটিপি পিন নিয়ে তার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকাও হাতিয়ে নিতে পারবে না।

এআর/এসএইচএস/জেআইএম/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]