করোনায় সরকারি কাজে হোঁচট

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:১৮ এএম, ১৫ মে ২০২১

করোনাভাইরাস মহামারির প্রথম পর্যায় কাটিয়ে ওঠার আগেই দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হেনেছে বাংলাদেশে। লকডাউন বা চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে সরকার। সংক্রমণ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এ অবস্থায় হোঁচট খাচ্ছে সরকারি কর্মকাণ্ড।

করোনার হানায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের গতি কমে গেছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হারও নিম্নগামী।

দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রশাসনের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্ত হয়ে অনেকে মারাও গেছেন। এই প্রেক্ষাপটে সরকারি দফতরগুলোর বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির আওতায় যে কাজগুলো করার কথা, সেগুলো নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। মন্ত্রিসভায় নেয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হারও কমেছে।

প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, বিধিনিষেধের মধ্য দিয়ে গেলেও কোনো কাজ থেমে নেই। কাজে হয়তো কিছুটা ধীরগতি এসেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে, কাজকর্মে প্রশাসন যেটুকু পিছিয়েছে, তা পূরণে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

গত বছরের ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। পরিস্থিতি ক্রমে অবনতির দিকে যেতে থাকলে প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এরপর দফায় দফায় ছুটি বাড়তে থাকে। গত বছরের ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি চলে। পরে ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে অফিস খুলে দেয়া হয়, চালু করা হয় গণপরিবহন। পরে এই ব্যবস্থা তিন দফায় ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।

jagonews24

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ ফের উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় গত ৫ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন দেয় সরকার। তবে এর মাঝে গণপরিবহন ও মার্কেট খোলা রাখায় ওই লকডাউন ছিল অনেকটাই অকার্যকর

পরে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে আট দিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। লকডাউনের মধ্যে পালনের জন্য ১৩টি নির্দেশনা দেয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে। পরে ধারাবাহিকভাবে বিধিনিষেধে কিছু পরিবর্তন এনে তিন দফায় লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সেই মেয়াদ শেষ হবে আগামী ১৬ মে মধ্যরাতে।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘রূপকল্প ২০২১ চলছে। আমাদের অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা আছে, সেটা ২০২৪ সাল নাগাদ। এসডিজি’স গোল হচ্ছে ২০৩০ সাল নাগাদ। যে টার্গেটগুলো আছে সেগুলো সময়মতো অর্জন করতে হবে। কিন্তু সবার মতো আমরাও তো করোনা মহামারির মধ্যে পড়েছি। এরপরও আমরা চাইব, সময়মতো লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জন করতে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড কিন্তু থেমে নেই, কাজ কিন্তু চলছে। নদী খনন, খাল খনন, টিআর, কাবিখা চলছে। মানুষ যাতে বেকার না থাকে। ভার্চুয়ালিও অনেক কাজ চলছে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘করোনা প্রতিরোধ বিধিনিষেধের কারণে মানুষ অনেক সময় বাইরে বের হতে পারছে না। সেক্ষেত্রে কাজ কিছুটা তো স্লো হবেই। সেটা যাতে পরবর্তী সময়ে পুষিয়ে নেয়া যায়, সে বিষয়ে আমাদের পদক্ষেপও থাকবে।’

ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘পরবর্তী সময়ে আমরা ঠিক করব আমরা কতটুকু পিছিয়ে আছি, সেটুকু পূরণে তখন পরিকল্পনা নেয়া হবে।’

করোনার প্রভাবে চলতি বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে (জানুয়ারি থেকে মার্চ) মন্ত্রিসভায় নেয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার গত বছরের চেয়ে ১৬ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে। গত বছরের একই সময়ে এ হার ছিল ৬৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এবার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ৪৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

মন্ত্রিসভা বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের বিষয়ে ২০২১ সালের প্রথম ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গত ৩ মে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।

এ সরকার দায়িত্ব নেয় ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি। ২০১৯ সালে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ছিল ৯৬ দশমিক ১২ শতাংশ। পরের বছর অর্থাৎ ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বাস্তবায়নের হার কমে হয়েছে ৮০ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) প্রকাশিত মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর মাসিক ভিত্তিতে এডিপি বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদন অনুযায়ী, করোনার কারণে গত পাঁচ বছরের মধ্যে চলতি অর্থবছরের (২০২০-২১) প্রথম সাত মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন হার সর্বনিম্ন। এই সময়ে এডিপিতে খরচ হয়েছে ৭২ হাজার ৬০৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা, অর্থাৎ বাস্তবায়ন হার ৩৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

আইএমইডির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯-২০ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারিতে এডিপি বাস্তবায়নের হার ছিল ৩৭ দশমিক ২৬ শতাংশ, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৩৯ দশমিক ১৩ শতাংশ, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ এবং ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাস্তবায়ন হার ছিল ৩৬ দশমিক ৯১ শতাংশ।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে সংশোধিত এডিপির বরাদ্দের মাত্র ২১ শতাংশ বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ।

করোনার প্রকোপ ঠেকাতে বিধিনিষেধে অন্যান্য খাতের মতো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প। বিভিন্ন প্রকল্পের বিদেশি পরামর্শক-প্রকৌশলী-কর্মীদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়া, মালামাল আমদানি করতে না পারা, কর্মীদের করোনায় আক্রান্ত হওয়া, রিসোর্স স্থানান্তর করতে না পারাসহ নানা জটিলতায় পড়ে প্রকল্পগুলো। ফলে প্রকল্পের গতি মুখ থুবড়ে পড়ে। মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিতেও ধস নামে।

কাজ বন্ধ না থাকলেও লকডাউনে সঙ্কটে পড়েছে ১ হাজার ৭২৪ উন্নয়ন প্রকল্প। সেই সঙ্গে চলতি অর্থবছরে যেসব নতুন প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে, সেসব প্রকল্পের অগ্রগতিতেও ভাটা পড়েছে।

করোনার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিতেও (এপিএ)। এটি গত অর্থবছরের মূল্যায়ন প্রতিবেদনেই উঠে এসেছে। চলতি অর্থবছরও এপিএতে করোনায় বড় ধরনের প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

jagonews24

এক বছরে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো কি কাজ করবে তার একটি অঙ্গীকারনামা হচ্ছে এপিএ বা বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি। এই অঙ্গীকার পূরণ করবে বলে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে। পরে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো অধীন দফতর বা সংস্থাগুলোর সঙ্গে এপিএ করে।

সরকারি কাজে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি, সম্পদের সদ্ব্যবহার এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়নে ২০১৪-১৫ অর্থবছর থেকে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি করা হচ্ছে।

অন্যান্য সময় এই অনুষ্ঠানটি জুলাই মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে চলতি অর্থবছরের অনুষ্ঠানটি পিছিয়ে সেপ্টেম্বর মাসে করা হয়।

২০১৯-২০ অর্থবছরে ৫১টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির অর্জিত গড় নম্বর ছিল ৮৬ দশমিক ৫। ২০২০-২১ অর্থবছরে তা কমে হয়েছে ৮২ দশমিক ৪ শতাংশ। অর্থাৎ সর্বশেষ অর্থবছরে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়নের হার কমেছে।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৫১টির মধ্যে ৪৪টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগই ৮০-এর উপরে নম্বর পেয়েছিল। মাত্র সাতটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ ৮০-এর নিচে নম্বর পায়। পরের অর্থবছর (২০১৯-২০) ৩২টি মন্ত্রণালয় ৮০-এর ওপর নম্বর পেয়েছে, ৮০-এর নিচে পেয়েছে ১৯টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ। চলতি অর্থবছর বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নে করোনা বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি করেছে।

একটি মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক কর্মসম্পাদন সংক্রান্ত কমিটির টিম লিডার (অতিরিক্ত সচিব) নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘এবার চুক্তিই হয়েছে একটু দেরিতে। এখন তো জরুরি কাজগুলো চলছে শুধু। লক্ষ্য ও প্রকৃত কাজের মধ্যে হয়তো ঘাটতি থাকবে।’

সরকারের নীতিনির্ধারক ও জেলা প্রশাসকদের মধ্যে সামনা-সামনি মতবিনিময় এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেয়ার জন্য প্রতি বছর জুলাই মাসে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন করা হলেও করোনার কারণে গত বছর তা সম্ভব হয়নি। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এবারও অনিশ্চয়তা রয়েছে রাষ্ট্রীয় এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানটি নিয়ে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন মানে হচ্ছে একটা বড় ধরনের গ্যাদারিং। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে তো এটা করা যাবে না। তবে আমরা আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি রাখছি। সময় আসলে তখন বোঝা যাবে।’

আরএমএম/এমএইচআর/এসএইচএস/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

২৪,৫৩,৮১,৮৯৫
আক্রান্ত

৪৯,৮১,১৫৯
মৃত

২২,২৪,৪৮,৯০৮
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১৫,৬৮,২৫৭ ২৭,৮৩৪ ১৫,৩২,১৮০
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪,৬৪,৯৭,৭১৯ ৭,৫৯,৯৩২ ৩,৬৩,৭৫,১৮৯
ভারত ৩,৪২,১৫,৬৫৩ ৪,৫৫,৬৮৪ ৩,৩৫,৯৭,৩৩৯
ব্রাজিল ২,১৭,৪৮,৯৮৪ ৬,০৬,২৯৩ ২,০৯,৪৪,০৮৭
যুক্তরাজ্য ৮৮,৫৩,২২৭ ১,৩৯,৮৩৪ ৭১,৯৮,৪০৮
রাশিয়া ৮৩,৫২,৬০১ ২,৩৩,৮৯৮ ৭২,৪২,৭৩৫
তুরস্ক ৭৯,০৯,১১১ ৬৯,৫৫৯ ৭৩,৪৬,২৭৯
ফ্রান্স ৭১,৩৩,৭৬৬ ১,১৭,৫৫৫ ৬৯,২১,১৯৩
ইরান ৫৮,৭৭,৪৫৬ ১,২৫,৫১৯ ৫৪,৪৩,২৪৩
১০ আর্জেন্টিনা ৫২,৮৩,০০০ ১,১৫,৮৬৬ ৫১,৪৯,১৮১
১১ স্পেন ৫০,০৪,১৪৩ ৮৭,২৩৮ ৪৮,৫৯,৪১৫
১২ কলম্বিয়া ৪৯,৯৪,০১৪ ১,২৭,১৩৩ ৪৮,৩৮,০৬৩
১৩ ইতালি ৪৭,৪৭,৭৭৩ ১,৩১,৯০৪ ৪৫,৪০,৮২৩
১৪ জার্মানি ৪৫,০১,০২১ ৯৫,৭৯৪ ৪২,৩৭,১০০
১৫ ইন্দোনেশিয়া ৪২,৪১,০৯০ ১,৪৩,২৭০ ৪০,৮৪,৮৩১
১৬ মেক্সিকো ৩৭,৮৮,৯৮৬ ২,৮৬,৮৮৮ ৩১,৫৩,০৬৭
১৭ পোল্যান্ড ২৯,৮২,১৪৩ ৭৬,৫৪০ ২৬,৯০,১১৮
১৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ২৯,২০,১০৯ ৮৮,৯৮৭ ২৮,১২,৩২০
১৯ ইউক্রেন ২৮,২৫,৭৩৩ ৬৫,৬২৮ ২৪,০১,৭০৫
২০ ফিলিপাইন ২৭,৬৮,৮৪৯ ৪২,৩৪৮ ২৬,৭৬,৩৪৯
২১ মালয়েশিয়া ২৪,৪২,২২৪ ২৮,৫৭৬ ২৩,৪০,৩৯০
২২ পেরু ২১,৯৭,০৫২ ২,০০,১১৮ ১৭,২০,৬৬৫
২৩ নেদারল্যান্ডস ২০,৯৩,৬০৬ ১৮,৩৪০ ১৯,৭৮,১৭৮
২৪ ইরাক ২০,৪৯,২৪০ ২৩,০২৪ ১৯,৯১,৫৭৫
২৫ থাইল্যান্ড ১৮,৭৫,৩১৫ ১৮,৯২২ ১৭,৫৮,২৯৭
২৬ চেক প্রজাতন্ত্র ১৭,৪১,৮৫৯ ৩০,৬৬৭ ১৬,৬৯,৬৫৭
২৭ জাপান ১৭,১৭,৩৬৭ ১৮,২২১ ১৬,৯৪,৪৫২
২৮ কানাডা ১৭,০৪,৩৯১ ২৮,৮৪১ ১৬,৪৯,৫৮২
২৯ চিলি ১৬,৮৪,৬০৮ ৩৭,৬৯১ ১৬,৩৩,৫১৮
৩০ রোমানিয়া ১৫,৮৭,৮৮০ ৪৫,৫০৩ ১৩,৪৫,৩২৪
৩১ বেলজিয়াম ১৩,৩৩,৯৪৭ ২৫,৯১৪ ১২,০৯,৫২৩
৩২ ইসরায়েল ১৩,২৫,২৬৭ ৮,০৬৩ ১৩,০৬,১২৭
৩৩ পাকিস্তান ১২,৭০,৩২২ ২৮,৪০৫ ১২,১৭,৯৩৫
৩৪ সুইডেন ১১,৬৮,২৭১ ১৪,৯৬৪ ১১,৩৫,১০৮
৩৫ সার্বিয়া ১১,১১,৯৫৭ ৯,৬৩৪ ৯,৭৮,৭৩৬
৩৬ পর্তুগাল ১০,৮৬,২৮০ ১৮,১৪১ ১০,৩৭,২৬১
৩৭ কিউবা ৯,৪৭,৯৩৫ ৮,২০১ ৯,৩৪,৩৫০
৩৮ মরক্কো ৯,৪৪,৮০৩ ১৪,৬৩৬ ৯,২৫,১২৫
৩৯ কাজাখস্তান ৯,৩২,৬৮৮ ১২,০০১ ৮,৭৬,৬৯৯
৪০ ভিয়েতনাম ৮,৯৬,১৭৪ ২১,৮০২ ৮,১০,২৯০
৪১ সুইজারল্যান্ড ৮,৬৭,১৯৭ ১১,২১৮ ৮,২২,২১২
৪২ হাঙ্গেরি ৮,৫৫,৩৩৯ ৩০,৬৪৭ ৭,৯৬,৪৩৫
৪৩ জর্ডান ৮,৫৪,৭৫৮ ১০,৯৭৬ ৮,২৪,৯৯৩
৪৪ নেপাল ৮,১০,২৯৮ ১১,৩৭২ ৭,৮৮,৬৩০
৪৫ অস্ট্রিয়া ৮,০৯,০৮৬ ১১,২৮৯ ৭,৬২,৭২৭
৪৬ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৭,৩৯,৪৭১ ২,১৩৪ ৭,৩৩,৫০৪
৪৭ গ্রীস ৭,২৪,৫৭১ ১৫,৭০৭ ৬,৭১,৫৯৬
৪৮ তিউনিশিয়া ৭,১২,০১৩ ২৫,২১৩ ৬,৮৫,৫০৮
৪৯ জর্জিয়া ৭,০৩,২৮১ ৯,৮৭৩ ৬,৪২,৭০১
৫০ লেবানন ৬,৩৮,৫৮১ ৮,৪৬৫ ৬,১৩,৭৭০
৫১ গুয়াতেমালা ৫,৯৬,৪১৭ ১৪,৭৯৭ ৫,৭৪,৫৬৬
৫২ বেলারুশ ৫,৯০,২২৬ ৪,৫৪৬ ৫,৬২,০৯১
৫৩ বুলগেরিয়া ৫,৮২,১২২ ২৩,৪৪০ ৪,৭১,৪০৩
৫৪ কোস্টারিকা ৫,৫৭,৯২২ ৬,৯৯৭ ৪,৯০,৬৭২
৫৫ সৌদি আরব ৫,৪৮,৩৬৮ ৮,৭৮২ ৫,৩৭,৩৭৬
৫৬ শ্রীলংকা ৫,৩৭,২০১ ১৩,৬৫৪ ৫,০৪,০০৩
৫৭ আজারবাইজান ৫,২০,০৬৮ ৬,৯৩৯ ৪,৮৬,৪২৬
৫৮ ইকুয়েডর ৫,১৫,৬৫৯ ৩২,৯৫৩ ৪,৪৩,৮৮০
৫৯ বলিভিয়া ৫,১০,৪৭০ ১৮,৯০৩ ৪,৭৩,১৯৫
৬০ মায়ানমার ৪,৯৫,৮৯৮ ১৮,৫৮২ ৪,৬০,২২৪
৬১ পানামা ৪,৭১,৮৮৪ ৭,৩১৪ ৪,৬২,২৮৭
৬২ স্লোভাকিয়া ৪,৬৫,০২৭ ১২,৯৫৭ ৪,১৬,৯৫১
৬৩ প্যারাগুয়ে ৪,৬০,৮১৫ ১৬,২৩৩ ৪,৪৪,৩০৩
৬৪ ক্রোয়েশিয়া ৪,৪৯,৩৬৫ ৯,০৯০ ৪,২২,৩৩১
৬৫ আয়ারল্যান্ড ৪,৩৩,৯০২ ৫,৩৬৯ ৩,৭৯,৩০৮
৬৬ ফিলিস্তিন ৪,২১,৯১৬ ৪,৩৮৩ ৪,১০,১৭৬
৬৭ কুয়েত ৪,১২,৫৭৮ ২,৪৬১ ৪,০৯,৬৭৯
৬৮ ভেনেজুয়েলা ৪,০২,৪০৭ ৪,৮৩৬ ৩,৮৪,৩০৫
৬৯ লিথুনিয়া ৩,৯৬,০৪৭ ৫,৭২০ ৩,৫১,৬৫৭
৭০ উরুগুয়ে ৩,৯২,৫৮৫ ৬,০৭৪ ৩,৮৪,৭০২
৭১ ডেনমার্ক ৩,৭৯,০৭৮ ২,৭০৩ ৩,৬২,৪৯৭
৭২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৩,৭৭,৩৮৫ ৪,১১৪ ৩,৬৭,৬৪২
৭৩ হন্ডুরাস ৩,৭৪,৭৮৩ ১০,২১১ ১,১৫,৫৪৭
৭৪ ইথিওপিয়া ৩,৬৩,২৪০ ৬,৩৯৩ ৩,৩৬,৯১৪
৭৫ দক্ষিণ কোরিয়া ৩,৫৬,৩০৫ ২,৭৯৭ ৩,২৯,৬৫৮
৭৬ লিবিয়া ৩,৫৪,৮৬৬ ৫,০৩৩ ২,৯০,৭৮৪
৭৭ মঙ্গোলিয়া ৩,৫৩,৫০৪ ১,৬৮৯ ৩,১৩,২৫৬
৭৮ মলদোভা ৩,৩০,৭৯৯ ৭,৫৭৬ ৩,০৮,৮৩২
৭৯ মিসর ৩,২৬,৩৭৯ ১৮,৩৭৫ ২,৭৫,৬৩৭
৮০ স্লোভেনিয়া ৩,২২,৯১২ ৪,৭০৪ ২,৯৭,৯৫০
৮১ ওমান ৩,০৪,২০৫ ৪,১১১ ২,৯৯,৫৫৮
৮২ আর্মেনিয়া ৩,০০,১৪৩ ৬,১৫১ ২,৬৩,৭১৬
৮৩ বাহরাইন ২,৭৬,৬৩৫ ১,৩৯৩ ২,৭৪,৬৪০
৮৪ কেনিয়া ২,৫২,৮৩৯ ৫,২৬৩ ২,৪৬,৩৯০
৮৫ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৫০,১৬৫ ১১,৪২৩ ১,৯২,২১৮
৮৬ কাতার ২,৩৮,৭৪২ ৬০৯ ২,৩৭,০৮৮
৮৭ নাইজেরিয়া ২,১১,৩৩০ ২,৮৮৪ ২,০২,৮০৩
৮৮ জাম্বিয়া ২,০৯,৬৪৮ ৩,৬৬০ ২,০৫,৮৭৩
৮৯ আলজেরিয়া ২,০৫,৯৯০ ৫,৮৯৯ ১,৪১,৩৩৫
৯০ লাটভিয়া ২,০৫,৫৭৭ ৩,০৭৬ ১,৬৯,৪৭২
৯১ নরওয়ে ২,০২,৫৫৪ ৮৯৫ ৮৮,৯৫২
৯২ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,০০,৪১২ ৭,০৭২ ১,৮৭,১৪৯
৯৩ এস্তোনিয়া ১,৮৬,৫৩০ ১,৪৮৩ ১,৬১,৬২০
৯৪ বতসোয়ানা ১,৮৫,৯৮৫ ২,৪০২ ১,৮২,৩০৪
৯৫ উজবেকিস্তান ১,৮৪,৫৬৩ ১,৩১২ ১,৮০,৩০৫
৯৬ আলবেনিয়া ১,৮২,৬১০ ২,৮৮৮ ১,৭২,৪৬৪
৯৭ কিরগিজস্তান ১,৮০,৮৬৫ ২,৬৬১ ১,৭৫,৩০২
৯৮ সিঙ্গাপুর ১,৭৯,০৯৫ ৩৩৯ ১,৪৮,৪০৮
৯৯ অস্ট্রেলিয়া ১,৬৩,৮৬৬ ১,৬৬৯ ১,৩০,৯২২
১০০ আফগানিস্তান ১,৫৬,১২৪ ৭,২৬৬ ১,২৮,২৭৪
১০১ ফিনল্যাণ্ড ১,৫৫,৫৪৭ ১,১৫০ ৪৬,০০০
১০২ মোজাম্বিক ১,৫১,২৪৩ ১,৯২৯ ১,৪৮,৯৭৯
১০৩ মন্টিনিগ্রো ১,৪১,৮৩৪ ২,০৭৫ ১,৩৫,৫৭১
১০৪ জিম্বাবুয়ে ১,৩২,৭২৪ ৪,৬৭৪ ১,২৭,৪৯৭
১০৫ ঘানা ১,৩০,০০৮ ১,১৭৪ ১,২৬,৯৭৬
১০৬ নামিবিয়া ১,২৮,৮৫৯ ৩,৫৫০ ১,২৪,৪৬৮
১০৭ উগান্ডা ১,২৫,৭৮৮ ৩,২০০ ৯৬,৫৭৫
১০৮ সাইপ্রাস ১,২১,৯৮৬ ৫৭১ ৯০,৭৫৫
১০৯ কম্বোডিয়া ১,১৮,১১১ ২,৭৫৮ ১,১৩,৭৯১
১১০ এল সালভাদর ১,১৩,৪২২ ৩,৫৯৬ ৯৪,৯৮০
১১১ ক্যামেরুন ১,০০,২৮৯ ১,৬০০ ৮০,৪৩৩
১১২ রুয়ান্ডা ৯৯,৪৭৪ ১,৩২১ ৪৫,৫১২
১১৩ চীন ৯৬,৮৯৯ ৪,৬৩৬ ৯১,৬২০
১১৪ জ্যামাইকা ৮৮,৪৮০ ২,১৮৪ ৫৬,৯৪৪
১১৫ মালদ্বীপ ৮৭,১৮৬ ২৪২ ৮৫,৩৭৮
১১৬ লুক্সেমবার্গ ৮১,১২৪ ৮৪২ ৭৮,৪৩৩
১১৭ সেনেগাল ৭৩,৮৯৭ ১,৮৭৮ ৭১,৯৯৫
১১৮ অ্যাঙ্গোলা ৬৪,০৩৩ ১,৭০২ ৫২,৮৩৩
১১৯ মালাউই ৬১,৭৬৬ ২,২৯৬ ৫৭,১৭৭
১২০ আইভরি কোস্ট ৬১,২২১ ৬৯১ ৫৯,৮৫২
১২১ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৫৭,৪৫৩ ১,০৯১ ৫০,৯৩০
১২২ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৫৬,০১৩ ১,৬৫৫ ৪৯,৬১৬
১২৩ রিইউনিয়ন ৫৪,৬৬৮ ৩৭৪ ৫৩,৮৭৯
১২৪ গুয়াদেলৌপ ৫৪,৩৫০ ৭৩৬ ২,২৫০
১২৫ ফিজি ৫২,০২৮ ৬৭৩ ৪৮,৯৫৫
১২৬ সুরিনাম ৪৮,৫৪৮ ১,০৬৯ ২৯,৪৪৯
১২৭ ইসওয়াতিনি ৪৬,৩৯০ ১,২৪২ ৪৫,০৭৫
১২৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৪,৩৪৭ ৩০২ ৯,৯৯৫
১২৯ মাদাগাস্কার ৪২,৮৯৮ ৯৫৮ ৪২,৫৪৫
১৩০ মার্টিনিক ৪২,৬৩৪ ৬৭০ ১০৪
১৩১ সিরিয়া ৪২,০৭৬ ২,৫২৬ ২৫,৯২৬
১৩২ সুদান ৪০,২৩৮ ৩,০৯৯ ৩২,৯০৫
১৩৩ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৪০,১৭৮ ৬৩৫ ৩৩,৫০০
১৩৪ কেপ ভার্দে ৩৮,১৫১ ৩৪৯ ৩৭,৫২৪
১৩৫ মালটা ৩৭,৫৮০ ৪৬০ ৩৬,৫০৫
১৩৬ মৌরিতানিয়া ৩৭,০৩২ ৭৯২ ৩৫,৭৩৬
১৩৭ লাওস ৩৭,০১৮ ৫৬ ৬,৫৫৮
১৩৮ গায়ানা ৩৫,১৭০ ৮৯৯ ৩০,৯৩৩
১৩৯ গ্যাবন ৩৪,৮৯৮ ২৩০ ২৮,৫৬৭
১৪০ গিনি ৩০,৬৪৭ ৩৮৫ ২৯,৫১১
১৪১ পাপুয়া নিউ গিনি ২৮,২০৯ ৩৩৫ ২৪,৫০২
১৪২ বেলিজ ২৬,১৫২ ৪৮২ ২২,৯৫৭
১৪৩ তানজানিয়া ২৬,১১৫ ৭২৫ ১৮৩
১৪৪ টোগো ২৬,০১১ ২৪২ ২৫,৪৭৪
১৪৫ বেনিন ২৪,৬৭৮ ১৬১ ২৩,৯৭১
১৪৬ হাইতি ২৩,৬১৯ ৬৬২ ২০,২৪৯
১৪৭ বাহামা ২২,২৫৯ ৬৪২ ২০,২৬১
১৪৮ সিসিলি ২২,০৮৬ ১১৯ ২১,৭৪৭
১৪৯ লেসোথো ২১,৫৯৮ ৬৫৭ ১২,২২৭
১৫০ সোমালিয়া ২১,২৬৯ ১,১৮০ ৯,৯২৭
১৫১ মায়োত্তে ২০,৪৯৭ ১৮২ ২,৯৬৪
১৫২ বুরুন্ডি ১৯,৯৫৪ ৩৮ ৭৭৩
১৫৩ পূর্ব তিমুর ১৯,৭৭৮ ১২১ ১৯,৬০৫
১৫৪ মরিশাস ১৭,৪১৬ ১৬০ ১,৮৫৪
১৫৫ তাজিকিস্তান ১৭,০৮৬ ১২৪ ১৬,৯৬০
১৫৬ কিউরাসাও ১৭,০২৭ ১৭৩ ১৬,৭০৩
১৫৭ কঙ্গো ১৬,৮৬৮ ২৪৯ ১২,৪২১
১৫৮ নিকারাগুয়া ১৬,৪২২ ২০৭ ৪,২২৫
১৫৯ তাইওয়ান ১৬,৩৮৮ ৮৪৭ ১৫,৪২৪
১৬০ বার্বাডোস ১৬,০৩৩ ১৪৩ ১০,৪২৯
১৬১ মালি ১৫,৮৭৯ ৫৫৯ ১৪,৫৯৭
১৬২ আরুবা ১৫,৮৪৮ ১৭১ ১৫,৫১৩
১৬৩ এনডোরা ১৫,৪২৫ ১৩০ ১৫,২০৫
১৬৪ বুর্কিনা ফাঁসো ১৪,৭৯৩ ২১৪ ১৪,২৮৭
১৬৫ জিবুতি ১৩,৪৬১ ১৮১ ১৩,২১৫
১৬৬ আইসল্যান্ড ১৩,২৩৬ ৩৩ ১২,৪২৭
১৬৭ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৩,২৩৬ ১৬৩ ১২,৫৬৫
১৬৮ চ্যানেল আইল্যান্ড ১২,৮২৭ ৯৯ ১২,১৩৫
১৬৯ ব্রুনাই ১২,৫৯৫ ৮২ ১০,০৪৭
১৭০ সেন্ট লুসিয়া ১২,৪৬৫ ২৫০ ১১,৮৪২
১৭১ হংকং ১২,৩৩৬ ২১৩ ১২,০৩৩
১৭২ দক্ষিণ সুদান ১২,২৯৩ ১৩৩ ১২,০০৮
১৭৩ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১১,৫১৮ ১০০ ৬,৮৫৯
১৭৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১০,৭৬৮ ২৬৩ ৫৮
১৭৫ গাম্বিয়া ৯,৯৫৯ ৩৪০ ৯,৬০৩
১৭৬ ইয়েমেন ৯,৭১১ ১,৮৫৮ ৬,৩০৯
১৭৭ আইল অফ ম্যান ৯,৩২৭ ৫৭ ৮,৪৯২
১৭৮ ইরিত্রিয়া ৬,৭৯৮ ৪৫ ৬,৭১৭
১৭৯ সিয়েরা লিওন ৬,৩৯৬ ১২১ ৪,৩৯৩
১৮০ নাইজার ৬,২৬০ ২০৮ ৫,৯৩৫
১৮১ গিনি বিসাউ ৬,১৩৩ ১৪১ ৫,৪৯২
১৮২ লাইবেরিয়া ৫,৯১৫ ২৮৭ ৫,৪৫৮
১৮৩ জিব্রাল্টার ৫,৯০৪ ৯৮ ৫,৬৪১
১৮৪ নিউজিল্যান্ড ৫,৮৯৯ ২৮ ৪,৫৬৭
১৮৫ গ্রেনাডা ৫,৮২৪ ১৯৭ ৫,৫০৩
১৮৬ বারমুডা ৫,৬২৫ ৯৮ ৫,৪০০
১৮৭ সান ম্যারিনো ৫,৫০৯ ৯২ ৫,৩৮৩
১৮৮ চাদ ৫,০৬৭ ১৭৪ ৪,৮৭৪
১৮৯ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৪,৯০৫ ৬৪ ৩,০৬০
১৯০ ডোমিনিকা ৪,৬৫৯ ৩০ ৪,২৪৮
১৯১ সিন্ট মার্টেন ৪,৪৮৪ ৭৫ ৪,৩৭০
১৯২ কমোরস ৪,২৩৩ ১৪৭ ৪,০৪৮
১৯৩ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৪,০৩১ ৯৯ ৩,৫৪১
১৯৪ সেন্ট মার্টিন ৩,৮৫০ ৫৫ ১,৩৯৯
১৯৫ লিচেনস্টেইন ৩,৫৪৭ ৬১ ৩,৪৪১
১৯৬ মোনাকো ৩,৩৯৯ ৩৬ ৩,৩৩৭
১৯৭ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২,৯৬১ ২৩ ২,৮৮২
১৯৮ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ২,৭২৫ ৩৭ ২,৬৪৯
১৯৯ সেন্ট কিটস ও নেভিস ২,৬৩৭ ২১ ২,৩১৩
২০০ ভুটান ২,৬১৭ ২,৬১০
২০১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ২,৪০২ ১৯ ৬,৪৪৫
২০২ ফারে আইল্যান্ড ১,৭৭৮ ১,৩৩৯
২০৩ সেন্ট বারথেলিমি ১,৫৮৯ ৪৬২
২০৪ কেম্যান আইল্যান্ড ১,২৭৯ ৯৫৭
২০৫ এ্যাঙ্গুইলা ৮৫৯ ৭৪৯
২০৬ গ্রীনল্যাণ্ড ৭৭২ ৬৯১
২০৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
২০৮ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৪৫ ৪৩৮
২০৯ ম্যাকাও ৭৭ ৬৬
২১০ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৬৮ ৬৭
২১১ মন্টসেরাট ৪১ ৩৪
২১২ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ৩২ ৩২
২১৩ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ২৭
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ২০ ২০
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ পালাও
২১৮ ভানুয়াতু
২১৯ মার্শাল আইল্যান্ড
২২০ সামোয়া
২২১ সেন্ট হেলেনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]