টিআইবির গবেষণার সমালোচনা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর, জবাবে যা বলল সংস্থাটি

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৭:৩৪ পিএম, ১৪ জুন ২০২১

‘করোনাভাইরাস সঙ্কট মোকাবিলা : কোভিড-১৯ টিকা ব্যবস্থাপনায় সুশাসনের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক গবেষণার ওপর স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাখ্যা সহকারে বক্তব্য দিয়েছে টিআইবি। সোমবার (১৪ জুন) সংস্থাটির পরিচালক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) শেখ মনজুর-ই-আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যাখ্যা দেয়া হয়।

ব্যাখ্যায় বলা হয়, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) স্বাস্থ্য খাত নিয়ে তার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমকে সুশাসনের আঙ্গিকে পর্যালোচনা করার উদ্দেশ্যে নিয়মিতভাবে গবেষণা পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় টিআইবি গত ৮ জুন তারিখে ‘করোনা ভাইরাস সঙ্কট মোকাবিলা : কোভিড-১৯ টিকা ব্যবস্থাপনায় সুশাসনের চ্যালেঞ্জ’ (তৃতীয় পর্ব) শীর্ষক একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে করোনা মোকাবিলায় টিকা সংগ্রহ, টিকাদান কর্মসূচি পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করা, এবং এই কার্যক্রমে বিদ্যমান সুশাসনের ঘাটতি, ঘাটতির কারণ ও ফলাফল উদঘাটন করা; করোনাভাইরাস মোকাবিলায় গৃহীত অন্যান্য সরকারি কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা এবং গবেষণার ফলাফলের আলোকে সুপারিশ প্রণয়ন করা হয়েছে।

টিআইবি প্রকাশিত এই গবেষণা প্রতিবেদনের ওপর স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক গত ১২ জুন কিছু মন্তব্য করেছেন, যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তার মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে টিআইবি নিম্নলিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করছে।

১. স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য: ‘টিআইবির রিপোর্টটি আগাগোড়াই ভুল তথ্যসংবলিত এবং শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ঘরে বসে টিআইবি মনগড়া সমালোচনা করেছে’।

টিআইবির উত্তর: এই গবেষণা সম্পন্ন করার জন্য টিআইবি সামাজিক বিজ্ঞানের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত গবেষণা পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উভয় উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছে এবং প্রতিটি তথ্যের সত্যতা একাধিক সূত্র থেকে যাচাই করেছে। গবেষণায় প্রত্যক্ষ উৎস হিসেবে সারাদেশের ৮টি বিভাগের ৪৩টি জেলা এবং প্রতিটি জেলা থেকে দ্বৈবচয়িতভাবে এক বা একাধিক (মোট ৫৯টি) টিকা কেন্দ্র নির্বাচন করা হয়েছে। নির্বাচিত কেন্দ্রগুলো হতে দৈবচয়নের ভিত্তিতে ৩০ থেকে ৩৫ জন টিকাগ্রহীতার ‘এক্সিট পোল’ সাক্ষাৎকার গ্রহণের মাধ্যমে সর্বমোট ১ হাজার ৩৮৭ জন টিকাগ্রহীতার অভিজ্ঞতা তুলে আনা হয়েছে। এছাড়া, যে ৫৯টি টিকা কেন্দ্র নির্বাচন করা হয়েছে সেসব কেন্দ্রের টিকা ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সরাসরি/প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তুলে আনা হয়। টিকা প্রদানের প্রথম ধাপে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে যে ২১ ধরনের পেশা/জনগোষ্ঠীকে টিকা প্রদানের জন্য পরিকল্পনা করা হয়, সেই তালিকা হতে দৈবচয়নের ভিত্তিতে সারাদেশের জেলা/উপজেলা পর্যায়ে ১২ ধরনের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মোট ৩১৭টি প্রতিষ্ঠান/দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টিকা গ্রহণ বিষয়ক তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এ গবেষণায় জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের স্বাস্থ্য অধিদফতর ও অন্যান্য দফতরের কর্মকর্তা, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, টিকা প্রদানে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ও জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি, সাংবাদিকদের কাছ থেকেও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

এছাড়া, পরোক্ষ তথ্য হিসেবে সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য এবং গণমাধ্যমে (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক) প্রকাশিত প্রতিবেদন হতে তথ্য সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করা হয়েছে (দেখুন মূল প্রতিবেদন, পৃ. ৪-৫)। গবেষণায় ব্যবহৃত তথ্যের সময়কাল ছিল নভেম্বর ২০২০ থেকে ৩১ মে ২০২১ পর্যন্ত। গবেষণায় ব্যবহৃত প্রতিটি তথ্যের সূত্র দেয়া হয়েছে। কাজেই ‘প্রতিবেদনটি ভুল তথ্য সংবলিত’ এবং ‘ঘরে বসে তৈরি করা’ এ কথা বলার কোনো সুযোগ নেই।

টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদনের শুরুতেই করোনা মোকাবিলায় সরকারের ইতিবাচক পদক্ষেপগুলো উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে পরীক্ষাগারের সংখ্যা বৃদ্ধি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ও জিন-এক্সপার্ট পরীক্ষার উদ্যোগ, এক হাজার শয্যার (দুই শতাধিক আইসিইউ শয্যাসহ) ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা, কোভিডের নতুন ধরন রোধ করার জন্য গৃহীত উদ্যোগসহ বিভিন্ন প্রণোদনার উল্লেখ করা হয়েছে (দেখুন মূল প্রতিবেদন, পৃ. ৭)।

২. করোনা টেস্ট নিয়ে মন্ত্রীর বক্তব্য: ‘টিআইবি বলেছে দেশে কোভিড টেস্টিং সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়নি অথচ দেশে কোভিড টেস্টিং কেন্দ্র মাত্র একটি থেকে এখন ৫১০টি করা হয়েছে।’

টিআইবির উত্তর: গবেষণায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ও জিন এক্সপার্ট টেস্টের সম্প্রসারণ হলেও আরটি-পিসিআর পরীক্ষাগার এখনো ৩০টি জেলার মধ্যে সীমিত রয়েছে। সর্বমোট ১২৯টি আরটি-পিসিআর পরীক্ষাগারের মধ্যে ৭৮টি পরীক্ষাগার ঢাকা শহরের মধ্যেই অবস্থিত এবং ৭৭টি বেসরকারি পরীক্ষাগার। ফলে জেলা-উপজেলা পর্যায়ের দরিদ্র মানুষের নমুনা পরীক্ষার সুযোগ খুব বেশি সম্প্রসারিত হয়নি এবং এখনো দেশের ৩৬টি জেলায় আরটি-পিসিআর পরীক্ষাগার না থাকায় প্রতিবেদন পেতে কোথাও কোথাও এখনো চার থেকে পাঁচ দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে (দেখুন মূল প্রতিবেদন, পৃ. ১০)।

৩. বেড সংখ্যা নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য: ‘টিআইবি বলেছে দেশে আইসিইউ বেড সংখ্যা বাড়েনি।’

টিআইবির উত্তর: টিআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি আইসিইউ শয্যাগুলোর অধিকাংশ শহরকেন্দ্রিক বিশেষত ঢাকা শহরকেন্দ্রিক। কোভিড মোকাবিলায় একটি প্রকল্পের আওতায় সারা দেশের প্রতিটি জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে ১০টি করে আইসিইউ শয্যা প্রস্তুত করার পরিকল্পনা করা হলেও এক বছরের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও এখনো তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। ফলে নতুন করে সংক্রমণ বৃদ্ধির সাথে সাথে সারাদেশে বিশেষত জেলা পর্যায়ে কোভিড চিকিৎসাসেবায় সঙ্কট তৈরি হয় (দেখুন মূল প্রতিবেদন, পৃ. ১১)।

৪. স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য: ‘স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতির অভিযোগ তোলা অনেকের কাছেই এখন একটি ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। অথচ বেসরকারি হাসপাতালের টেস্টিং জালিয়াতি, একজন ড্রাইভার বা নিম্নপদস্থ কর্মচারীর দুর্নীতি বা বিচ্ছিন্ন কোনো কর্মকর্তার মাধ্যমে অস্বচ্ছতার খবর ছাড়া কেউ স্বাস্থ্য খাতের বড় কোনো দুর্নীতি দেখাতে পারেনি। এ ক্ষেত্রে যারাই স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম করেছে, তাদেরই আইনের আওতায় এনে বিচার করা হয়েছে।’

টিআইবির উত্তর: করোনাভাইরাস সঙ্কট মোকাবিলা কার্যক্রম নিয়ে টিআইবির গত দুই পর্বের গবেষণাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতের জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন ক্রয় ও সরবরাহে অনিয়ম-দুর্নীতি লক্ষ করা গেছে, যা একদিকে প্রয়োজনীয় সরবরাহের ঘাটতি তৈরি করছে, অপরদিকে এসব মানহীন উপকরণ নমুনা পরীক্ষা ও চিকিৎসাব্যবস্থাকে বাধাগ্রস্ত করেছে। মানহীন সুরক্ষা সামগ্রী অনেক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর করোনায় আক্রান্ত হওয়া ও মৃত্যুর অন্যতম একটি কারণ ছিল। বর্তমান সময়েও এই অনিয়ম-দুর্নীতি অব্যাহত রয়েছে, যার কয়েকটি এই গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু সংঘটিত অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিগত এক বছরেও কোনো যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। দুর্নীতিতে জড়িত ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট গুটিকয়েক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেও স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আইনের আওতায় আনা হয়নি। অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা বলতে কিছু ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের রদবদলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।

৫. ভ্যাকসিন ক্রয় নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য: ‘টিআইবি ভারতের সঙ্গে ভ্যাকসিন ক্রয় চুক্তিতে অস্বচ্ছতার কথা বলেছে, যা মোটেও সত্য নয়। ভারতের সঙ্গে চুক্তি থেকে শুরু করে সবকিছু ছিল স্বচ্ছ পানির মতো পরিষ্কার ও উন্মুক্ত। দেশের সব মানুষই জানে, ভারতের সঙ্গে কী কী ছিল চুক্তিতে এবং কেন ভারত চুক্তির অবশিষ্ট টিকা দিতে পারেনি।’

টিআইবির উত্তর: এই গবেষণায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে যৌক্তিক কারণ না দেখিয়ে টিকা আমদানিতে তৃতীয় পক্ষের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে তৃতীয় পক্ষের লাভবান হওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেয়া হয়েছে। এই চুক্তির ক্ষেত্রে চুক্তির শর্তাবলী, ক্রয় পদ্ধতি, অগ্রিম প্রদান, তৃতীয় পক্ষের ভূমিকা, তাদের অন্তর্ভুক্তির কারণ ও তারা কিসের ভিত্তিতে কত টাকা কমিশন পাচ্ছে ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। মানুষ গণমাধ্যম থেকে বিচ্ছিন্নভাবে তথ্য পেয়েছে। এছাড়া, এই ক্রয় চুক্তির ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও বেক্সিমকো ফার্মার কর্তৃপক্ষের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০০৮ অনুসারে ক্রয় পরিকল্পনা ও ক্রয় চুক্তি সম্পাদন নোটিশ সিপিটিইউ-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করার কথা হলেও তা প্রকাশ করা হয়নি।

৬. মন্ত্রীর বক্তব্য ‘টিআইবি বসুন্ধরা আইসোলেশন সেন্টার প্রসঙ্গে, টিকার প্রায়োরিটি সেট করা বা বিদেশগামী যাত্রীদের সেবা দেয়ার বিষয়ে যে সমালোচনা করেছে তা আগাগোড়াই মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’।

টিআইবির উত্তর: প্রতিটি বিষয়েই গণমাধ্যমে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে এবং গবেষণায় সেসব তথ্য যাচাই সাপেক্ষে উপস্থাপন করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

৭. মন্ত্রীর বক্তব্য: ‘স্বাস্থ্য খাত নিয়ে তারা (টিআইবি) কেবল সমালোচনা করার জন্যই সমালোচনা করেছে, কিন্তু করোনা কেন বৃদ্ধি পাচ্ছে, সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য তারা করেনি। কারণ, তারা করোনা নিয়ন্ত্রণে কোনো প্রচারণা বা ভূমিকাই রাখেনি’।

টিআইবির উত্তর: করোনা কেন বৃদ্ধি পাচ্ছে এ বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত বিশ্লেষণসহ ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে (দেখুন মূল প্রতিবেদন, পৃ. ৭-৯)। উল্লেখ্য, টিআইবি সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহযোগী ভূমিকা পালনের লক্ষে সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুমোদনসহ গবেষণা ও অধিপরামর্শমূলক কাজ করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় করোনা অতিমারি নিয়ন্ত্রণে সুশাসনের ক্ষেত্রে ঘাটতিসমূহ চিহ্নিত করে এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ তুলে ধরে প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে টিআইবি এই অতিমারি নিয়ন্ত্রণে সরকারের সহযোগী ভূমিকাই পালন করছে।

তাই টিআইবির প্রতিবেদনকে ‘আগাগোড়া মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আখ্যায়িত না করে বরং টিআইবি কর্তৃক চিহ্নিত ঘাটতিসমূহকে দূর করা এবং সুপারিশকৃত বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমেই অতিমারি নিয়ন্ত্রণে অধিকতর কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব। টিআইবির কোভিড-১৯ সংক্রান্ত কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য সরকারের গৃহীত ব্যবস্থা ও কার্যক্রমকে কীভাবে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করা যায়, সে বিষয়ে গবেষণাধর্মী বিশ্লেষণের মাধ্যমে সরকারকে সহায়তা করা। তাই টিআইবি আশা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গবেষণায় উল্লিখিত ফলাফলকে নিরপেক্ষ ও নৈর্ব্যক্তিক দৃষ্টিতে গ্রহণ করে তাদের সক্ষমতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধিতে মনোনিবেশ করবেন যেন কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে সরকারের উদ্যোগগুলো সফল হয়।

এমইউ/এমআরআর/এএসএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

২৬,৫৮,০০,১১০
আক্রান্ত

৫২,৬৬,১১৯
মৃত

২৩,৯৫,১৩,৯৯০
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১৫,৭৭,০৭০ ২৭,৯৮৯ ১৫,৪১,৮৮৬
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪,৯৯,৩৪,৭৯১ ৮,০৮,৬০৮ ৩,৯৪,৯৮,১১১
ভারত ৩,৪৬,৩৩,২৫৫ ৪,৭০,৬২০ ৩,৪০,৬০,৭৭৪
ব্রাজিল ২,২১,৩৮,২৪৭ ৬,১৫,৬০৬ ২,১৩,৫৯,৩৫২
যুক্তরাজ্য ১,০৪,২১,১০৪ ১,৪৫,৫৫১ ৯১,৮৮,১৩১
রাশিয়া ৯৮,০১,৬১৩ ২,৮১,২৭৮ ৮৫,০২,৪০৬
তুরস্ক ৮৮,৮১,৭৬০ ৭৭,৬৪৫ ৮৪,১২,৪৩৪
ফ্রান্স ৭৮,৭৫,০১২ ১,১৯,৫০৬ ৭১,৬৮,১৮৮
জার্মানি ৬১,৪৩,৮৫৬ ১,০৩,৫৩০ ৫০,৮২,৫০০
১০ ইরান ৬১,৩১,৩৫৬ ১,৩০,১২৪ ৫৯,১৬,১৯৯
১১ আর্জেন্টিনা ৫৩,৩৯,৩৮২ ১,১৬,৬৪৩ ৫২,০০,১৪১
১২ স্পেন ৫২,০২,৯৫৮ ৮৮,১৫৯ ৪৯,২৭,৩৯১
১৩ ইতালি ৫০,৯৪,০৭২ ১,৩৪,১৫২ ৪৭,৩৬,২০২
১৪ কলম্বিয়া ৫০,৭৮,৯৮৭ ১,২৮,৭৩৩ ৪৯,১৮,৬১৯
১৫ ইন্দোনেশিয়া ৪২,৫৭,৪৮৯ ১,৪৩,৮৬৩ ৪১,০৫,৯৯৪
১৬ মেক্সিকো ৩৯,০০,২৯৩ ২,৯৫,১৫৪ ৩২,৫৫,৮০২
১৭ পোল্যান্ড ৩৬,৭১,৪২১ ৮৫,৬৭৫ ৩১,৪২,২৬৫
১৮ ইউক্রেন ৩৪,৯৭,৪৭৭ ৮৮,২৮০ ৩০,৫০,৬৫৯
১৯ দক্ষিণ আফ্রিকা ৩০,২০,৫৬৯ ৮৯,৯৬৫ ২৮,৫৫,৪৭৪
২০ ফিলিপাইন ২৮,৩৪,৭৭৫ ৪৯,৩৮৬ ২৭,৭১,৫৩৬
২১ নেদারল্যান্ডস ২৭,২৮,৮৭৬ ১৯,৬৪২ ২১,৪৭,২১০
২২ মালয়েশিয়া ২৬,৫৪,৪৭৪ ৩০,৫৭৪ ২৫,৬১,২৩২
২৩ পেরু ২২,৪২,৬৪৬ ২,০১,৩৬০ ১৭,২০,৬৬৫
২৪ চেক প্রজাতন্ত্র ২২,৪০,৭২১ ৩৩,৬৬৫ ১৯,১৪,৩২৯
২৫ থাইল্যান্ড ২১,৪১,২৪১ ২০,৯৪২ ২০,৪৮,৮১৫
২৬ ইরাক ২০,৮৩,৮৮৯ ২৩,৮৭৩ ২০,৪৯,১৯৪
২৭ বেলজিয়াম ১৮,২৭,৪৬৭ ২৭,১৬৭ ১৩,৫৮,২৫৭
২৮ কানাডা ১৮,০৫,০৭০ ২৯,৭৬৬ ১৭,৪৬,১৭০
২৯ রোমানিয়া ১৭,৮৫,১২০ ৫৭,০২১ ১৬,৯৯,০৮৩
৩০ চিলি ১৭,৭০,৬২০ ৩৮,৪৬৫ ১৬,৬২,৮৭৭
৩১ জাপান ১৭,২৭,৮২৮ ১৮,৩৬৪ ১৭,০৮,৬৩৮
৩২ ইসরায়েল ১৩,৪৫,৪৪২ ৮,১৯৯ ১৩,৩১,৯০৩
৩৩ ভিয়েতনাম ১২,৯৪,৭৭৮ ২৬,০৬১ ১০,০৭,৫৬৬
৩৪ পাকিস্তান ১২,৮৬,৮২৫ ২৮,৭৬৭ ১২,৪৫,৬০৬
৩৫ সার্বিয়া ১২,৬২,৪১৯ ১১,৮৭৬ ১২,০৬,৫৮৬
৩৬ সুইডেন ১২,১২,১৪৫ ১৫,১৩৬ ১১,৬১,৯২৭
৩৭ অস্ট্রিয়া ১১,৯৮,৪৭৮ ১২,৭৯৬ ১০,৭৫,৪৮২
৩৮ পর্তুগাল ১১,৬৩,০০১ ১৮,৫১৪ ১০,৮৫,৬৫৪
৩৯ হাঙ্গেরি ১১,৩৪,৮৬৯ ৩৫,১২২ ৯,১০,৭৪৫
৪০ সুইজারল্যান্ড ১০,৩৯,৭৩০ ১১,৬১২ ৮,৭০,৬৮৪
৪১ কাজাখস্তান ৯,৭৫,১৫০ ১২,৭৬৯ ৯,৪১,২৮৫
৪২ জর্ডান ৯,৭১,৪০১ ১১,৭১৫ ৮,৯৯,৫৫৫
৪৩ কিউবা ৯,৬৩,০০২ ৮,৩০৭ ৯,৫৪,০৩০
৪৪ গ্রীস ৯,৬২,৬৯৫ ১৮,৫১৬ ৮,৬৮,০২৮
৪৫ মরক্কো ৯,৫০,৫০১ ১৪,৭৮৭ ৯,৩২,৮৩৫
৪৬ জর্জিয়া ৮,৬৫,২৯৩ ১২,৩৪৪ ৮,০৬,৫৯৬
৪৭ নেপাল ৮,২২,৩৯২ ১১,৫৪০ ৮,০৪,১০৮
৪৮ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৭,৪২,২৭৮ ২,১৪৮ ৭,৩৭,২৫৫
৪৯ স্লোভাকিয়া ৭,২৯,৪৭৫ ১৪,৮২৬ ৫,৯৫,৩৬৯
৫০ তিউনিশিয়া ৭,১৮,২৭৮ ২৫,৩৯৮ ৬,৯১,৫২২
৫১ বুলগেরিয়া ৭,০২,৪৫৪ ২৮,৮০৫ ৫,৭৩,১১২
৫২ লেবানন ৬,৭৭,১৪৭ ৮,৭৬৫ ৬,৩৪,৯৯৪
৫৩ বেলারুশ ৬,৬২,০৫৬ ৫,১৪৭ ৬,৫০,৫৭৭
৫৪ ক্রোয়েশিয়া ৬,২৮,২৪১ ১১,১৫০ ৫,৮৫,৭৪৩
৫৫ গুয়াতেমালা ৬,১৯,৫৪২ ১৫,৯৮০ ৬,০২,৩৪৩
৫৬ আজারবাইজান ৫,৯৪,৯৯৪ ৭,৯৪৭ ৫,৬২,৭৮৬
৫৭ আয়ারল্যান্ড ৫,৮৯,০৯৪ ৫,৭০৭ ৪,৫৪,৩৬২
৫৮ কোস্টারিকা ৫,৬৭,৩৮৩ ৭,৩১২ ৫,৫২,১৫৮
৫৯ শ্রীলংকা ৫,৬৬,৯৩৬ ১৪,৪৪০ ৫,৪২,০১০
৬০ সৌদি আরব ৫,৪৯,৮৭৭ ৮,৮৪২ ৫,৩৯,০১১
৬১ বলিভিয়া ৫,৪২,৮৫৯ ১৯,২১৫ ৪,৯৭,১১৫
৬২ ইকুয়েডর ৫,২৬,৮৭০ ৩৩,২৫০ ৪,৪৩,৮৮০
৬৩ মায়ানমার ৫,২৪,১২২ ১৯,১৩৫ ৪,৯৯,৮০০
৬৪ ডেনমার্ক ৫,০৬,০৮৫ ২,৯৩৯ ৪,৪৩,৭৪৯
৬৫ লিথুনিয়া ৪,৭৯,৮৩৯ ৬,৮৪৭ ৪,৪৪,৫৫৬
৬৬ পানামা ৪,৭৮,৮৩১ ৭,৩৭৩ ৪,৬৮,৬৬১
৬৭ দক্ষিণ কোরিয়া ৪,৭৩,০৩৪ ৩,৮৫২ ৪,০৭,১৭৫
৬৮ প্যারাগুয়ে ৪,৬৩,৩১৫ ১৬,৪৭৭ ৪,৪৬,০৭৯
৬৯ ভেনেজুয়েলা ৪,৩৪,১৩৩ ৫,১৮৬ ৪,২১,৪৯৫
৭০ ফিলিস্তিন ৪,৩১,৫৮৮ ৪,৫৪৬ ৪,২৩,৭৭৭
৭১ স্লোভেনিয়া ৪,২৮,৯৪৫ ৫,২৯০ ৩,৯৩,১৮০
৭২ কুয়েত ৪,১৩,৪৬৪ ২,৪৬৫ ৪,১০,৭০১
৭৩ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৪,০৮,২৪৫ ৪,২১২ ৪,০১,৭১৬
৭৪ উরুগুয়ে ৪,০০,৮২১ ৬,১৩২ ৩,৯২,৩৮৮
৭৫ মঙ্গোলিয়া ৩,৮৩,৫৪৩ ২,০১৬ ৩,১৩,২৫৬
৭৬ হন্ডুরাস ৩,৭৮,২৫১ ১০,৪১৩ ১,২২,০৩৯
৭৭ লিবিয়া ৩,৭৪,৯৮৯ ৫,৪৯৩ ৩,৫৫,১২১
৭৮ ইথিওপিয়া ৩,৭২,০৯০ ৬,৭৯৪ ৩,৪৯,৫৫৭
৭৯ মলদোভা ৩,৬৬,১৬২ ৯,২০৮ ৩,৬৩,৭৭৪
৮০ মিসর ৩,৬২,২৬০ ২০,৬৮২ ৩,০০,৪৩৭
৮১ আর্মেনিয়া ৩,৪০,৭২৩ ৭,৬৮৩ ৩,২১,১০৬
৮২ ওমান ৩,০৪,৫৮১ ৪,১১৩ ৩,০০,০২১
৮৩ নরওয়ে ২,৮২,৯১৮ ১,০৯৩ ৮৮,৯৫২
৮৪ বাহরাইন ২,৭৭,৮০৩ ১,৩৯৪ ২,৭৬,০৯৬
৮৫ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৭৭,২২৮ ১২,৬৮৭ ১৩,৪৯,৯৫৬
৮৬ সিঙ্গাপুর ২,৬৮,৬৫৯ ৭৪৬ ২,৫৮,০৩৮
৮৭ লাটভিয়া ২,৫৭,৩২৯ ৪,২৬৭ ২,৪১,৬৮৩
৮৮ কেনিয়া ২,৫৫,৪০৮ ৫,৩৩৫ ২,৪৮,৪০৪
৮৯ কাতার ২,৪৪,০৭১ ৬১১ ২,৪১,৩৪০
৯০ এস্তোনিয়া ২,২৪,৯৯৩ ১,৮২৩ ২,০৭,৮৫০
৯১ অস্ট্রেলিয়া ২,১৭,৮৪৩ ২,০৫০ ১,৯৬,৯৪৮
৯২ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,১৭,০২৫ ৭,৬৩১ ২,০৩,৩২৫
৯৩ নাইজেরিয়া ২,১৪,৫৬৭ ২,৯৮০ ২,০৭,৪২৭
৯৪ আলজেরিয়া ২,১১,২৯৭ ৬,০৯৬ ১,৪৫,০৫৪
৯৫ জাম্বিয়া ২,১০,২৯৪ ৩,৬৬৭ ২,০৬,৪৫৪
৯৬ আলবেনিয়া ২,০১,৪০২ ৩,১০৯ ১,৯১,৮৫৫
৯৭ বতসোয়ানা ১,৯৫,৩০২ ২,৪১৯ ১,৯২,৪৫২
৯৮ উজবেকিস্তান ১,৯৪,৩৩৩ ১,৪১৮ ১,৯০,৯৩৯
৯৯ ফিনল্যাণ্ড ১,৯১,২২৬ ১,৩৬০ ৪৬,০০০
১০০ কিরগিজস্তান ১,৮৩,৬১৫ ২,৭৫৮ ১,৭৮,৬০২
১০১ মন্টিনিগ্রো ১,৫৮,২৮৩ ২,৩২৪ ১,৫৩,৭৫৮
১০২ আফগানিস্তান ১,৫৭,৪৪৫ ৭,৩৬৫ ১,৪০,৭২১
১০৩ মোজাম্বিক ১,৫১,৮৬৮ ১,৯৪১ ১,৫১,৩৮২
১০৪ জিম্বাবুয়ে ১,৩৮,৫২৩ ৪,৭০৯ ১,২৮,৮৫৮
১০৫ সাইপ্রাস ১,৩৬,৫২৫ ৬০১ ১,২৪,৩৭০
১০৬ ঘানা ১,৩০,৯২০ ১,২০৯ ১,২৯,০৪২
১০৭ নামিবিয়া ১,২৯,৬৩৮ ৩,৫৭৩ ১,২৫,৫২৩
১০৮ উগান্ডা ১,২৭,৬৫৫ ৩,২৫৪ ৯৭,৮৪৭
১০৯ কম্বোডিয়া ১,২০,২৫৬ ২,৯৬০ ১,১৬,৬০৯
১১০ এল সালভাদর ১,১৯,৮০৩ ৩,৭৮৩ ১,০২,৯৮২
১১১ ক্যামেরুন ১,০৭,১৪৮ ১,৮০৪ ১,০২,৭১৬
১১২ রুয়ান্ডা ১,০০,৪০৪ ১,৩৪৩ ৪৫,৫২২
১১৩ চীন ৯৯,১৪২ ৪,৬৩৬ ৯৩,৪৭০
১১৪ মালদ্বীপ ৯২,০৯৫ ২৫৩ ৯০,১০৩
১১৫ জ্যামাইকা ৯১,৪২১ ২,৪০৭ ৬২,৮২৪
১১৬ লুক্সেমবার্গ ৯০,৭৭৪ ৮৮০ ৮৪,৮৩৪
১১৭ লাওস ৭৮,৪৬৯ ২০১ ৭,৩৩৯
১১৮ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৭৪,৫৩৩ ২,২৩৬ ৬০,২০২
১১৯ সেনেগাল ৭৪,০১৩ ১,৮৮৬ ৭২,১০১
১২০ অ্যাঙ্গোলা ৬৫,২৪৪ ১,৭৩৫ ৬৩,২৯৮
১২১ মালাউই ৬১,৯৬৬ ২,৩০৭ ৫৮,৮১৬
১২২ আইভরি কোস্ট ৬১,৮১৭ ৭০৫ ৬০,৮৪৪
১২৩ রিইউনিয়ন ৬১,১৮৮ ৩৮৪ ৫৭,৭৮১
১২৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৫৮,৩১৯ ১,১০৭ ৫০,৯৩০
১২৫ গুয়াদেলৌপ ৫৫,২৮৪ ৭৪৮ ২,২৫০
১২৬ ফিজি ৫২,৫৪৩ ৬৯৭ ৫১,১১৬
১২৭ সুরিনাম ৫০,৯৯৩ ১,১৭০ ২৯,৫৭৭
১২৮ সিরিয়া ৪৮,৫৩৮ ২,৭৭২ ২৯,৬২৪
১২৯ ইসওয়াতিনি ৪৭,৩৬৮ ১,২৪৮ ৪৫,২৬৩
১৩০ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৪৬,৩২৩ ৬৩৬ ৩৩,৫০০
১৩১ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৬,১৪২ ৩২৮ ১১,২৫৪
১৩২ মার্টিনিক ৪৫,৫০১ ৭১৮ ১০৪
১৩৩ মাদাগাস্কার ৪৪,৮০০ ৯৭২ ৪৩,১১৯
১৩৪ সুদান ৪৩,৪৮৯ ৩,১৬৪ ৩৫,৪৯১
১৩৫ মালটা ৩৯,৮৬৫ ৪৬৮ ৩৭,৬৩৮
১৩৬ মৌরিতানিয়া ৩৯,৫১০ ৮৩৮ ৩৭,৮২৮
১৩৭ কেপ ভার্দে ৩৮,৪৩৯ ৩৫১ ৩৭,৯৬৮
১৩৮ গায়ানা ৩৮,১১৮ ১,০০৪ ৩৬,১৭০
১৩৯ গ্যাবন ৩৭,৪৭৭ ২৮০ ৩৩,০৯৪
১৪০ পাপুয়া নিউ গিনি ৩৫,৩৯০ ৫৫০ ৩৪,৩২২
১৪১ গিনি ৩০,৭৭০ ৩৮৭ ২৯,৭২৫
১৪২ বেলিজ ৩০,৬৮০ ৫৭৯ ২৮,৯৭৯
১৪৩ টোগো ২৬,২৯১ ২৪৩ ২৫,৯২১
১৪৪ তানজানিয়া ২৬,২৭০ ৭৩০ ১৮৩
১৪৫ বার্বাডোস ২৫,৯৬৪ ২৩৪ ২৩,২৫৩
১৪৬ হাইতি ২৫,৫১০ ৭৪৭ ২১,৬৪৪
১৪৭ বেনিন ২৪,৮৬৩ ১৬১ ২৪,৫৪৬
১৪৮ সিসিলি ২৩,৫৩৭ ১২৭ ২২,৯১২
১৪৯ সোমালিয়া ২৩,০৫১ ১,৩৩১ ১২,৩২৫
১৫০ বাহামা ২২,৮২৫ ৬৯৫ ২১,৬১৫
১৫১ মরিশাস ২১,৯৭৩ ৪৫৫ ২০,১৬৪
১৫২ লেসোথো ২১,৮৩৮ ৬৬৩ ১৩,৭৪১
১৫৩ মায়োত্তে ২১,০০৩ ১৮৫ ২,৯৬৪
১৫৪ বুরুন্ডি ২০,৪৩৯ ৩৮ ৭৭৩
১৫৫ পূর্ব তিমুর ১৯,৮২৮ ১২২ ১৯,৭০১
১৫৬ কঙ্গো ১৮,৯৭০ ৩৫৪ ১২,৪২১
১৫৭ চ্যানেল আইল্যান্ড ১৮,৮৯৩ ১০৪ ১৬,৪৫৯
১৫৮ আইসল্যান্ড ১৮,৩৩৩ ৩৫ ১৬,৭২১
১৫৯ এনডোরা ১৮,০১০ ১৩২ ১৬,১৬২
১৬০ মালি ১৭,৮১২ ৬১৭ ১৫,২২৩
১৬১ কিউরাসাও ১৭,৪৭০ ১৭৯ ১৭,১৯০
১৬২ নিকারাগুয়া ১৭,২৫৪ ২১০ ৪,২২৫
১৬৩ তাজিকিস্তান ১৭,০৯৫ ১২৪ ১৬,৯৬৬
১৬৪ তাইওয়ান ১৬,৬৫২ ৮৪৮ ১৫,৬৪৮
১৬৫ আরুবা ১৬,৪৩২ ১৭৪ ১৬,০৭৪
১৬৬ বুর্কিনা ফাঁসো ১৬,০০০ ২৮৬ ১৫,৩৪৫
১৬৭ ব্রুনাই ১৫,১৬৪ ৯৮ ১৪,৭১৮
১৬৮ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৩,৫৯৯ ১৭৫ ১৩,৩৪৬
১৬৯ জিবুতি ১৩,৫০৮ ১৮৭ ১৩,২৯৪
১৭০ সেন্ট লুসিয়া ১৩,০২৭ ২৮২ ১২,৬৩৬
১৭১ দক্ষিণ সুদান ১২,৭৫৮ ১৩৩ ১২,৪৬৩
১৭২ হংকং ১২,৪৬২ ২১৩ ১২,১৪৯
১৭৩ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১২,২৪৯ ২৭৯ ১১,৭৪৬
১৭৪ নিউজিল্যান্ড ১২,১৯৫ ৪৪ ৫,৮৩৪
১৭৫ আইল অফ ম্যান ১১,৮৬১ ৬৬ ১০,৮৮১
১৭৬ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১১,৭৪২ ১০১ ৬,৮৫৯
১৭৭ ইয়েমেন ১০,০২১ ১,৯৫৩ ৬,৯০৪
১৭৮ গাম্বিয়া ৯,৯৯২ ৩৪২ ৯,৬৪০
১৭৯ কেম্যান আইল্যান্ড ৭,৫২৯ ৩,৫৭০
১৮০ ইরিত্রিয়া ৭,৪৫৮ ৬১ ৭,২৪০
১৮১ জিব্রাল্টার ৭,৩৬০ ৯৯ ৬,৯০২
১৮২ নাইজার ৭,০৬১ ২৬১ ৬,৬৯৩
১৮৩ গিনি বিসাউ ৬,৪৪৪ ১৪৯ ৬,২৭৫
১৮৪ সিয়েরা লিওন ৬,৪০২ ১২১ ৪,৩৯৩
১৮৫ ডোমিনিকা ৬,১২০ ৩৯ ৫,৭১২
১৮৬ সান ম্যারিনো ৫,৯৭৯ ৯৩ ৫,৬১০
১৮৭ লাইবেরিয়া ৫,৯১৫ ২৮৭ ৫,৫২৩
১৮৮ গ্রেনাডা ৫,৯০৭ ২০০ ৫,৬৩২
১৮৯ বারমুডা ৫,৭৫১ ১০৬ ৫,৬১৫
১৯০ চাদ ৫,৭০১ ১৮১ ৪,৮৭৪
১৯১ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৫,৫৭৯ ৭৪ ৫,০৭৭
১৯২ লিচেনস্টেইন ৪,৮৯৩ ৬২ ৪,৩৫৭
১৯৩ সিন্ট মার্টেন ৪,৫৯৮ ৭৫ ৪,৫০৪
১৯৪ কমোরস ৪,৫৪২ ১৫০ ৪,৩১৩
১৯৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৪,১৪৭ ১১৭ ৪,০১৯
১৯৬ সেন্ট মার্টিন ৩,৯৭৩ ৫৬ ১,৩৯৯
১৯৭ মোনাকো ৩,৮৭৯ ৩৬ ৩,৬৯১
১৯৮ ফারে আইল্যান্ড ৩,৭৯৬ ১৩ ৩,২৬৩
১৯৯ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৩,১০৩ ২৫ ৩,০৪৯
২০০ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৩,০২৬ ২২ ৬,৪৪৫
২০১ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ২,৮০৯ ৩৮ ২,৬৪৯
২০২ সেন্ট কিটস ও নেভিস ২,৭৮৯ ২৮ ২,৭৪৯
২০৩ ভুটান ২,৬৪১ ২,৬২৫
২০৪ সেন্ট বারথেলিমি ১,৬০৩ ৪৬২
২০৫ গ্রীনল্যাণ্ড ১,৫৮২ ১,২৬১
২০৬ এ্যাঙ্গুইলা ১,৪১৪ ১,৩২৩
২০৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
২০৮ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৫৪ ৪৩৮
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৮৩ ৬৮
২১০ ম্যাকাও ৭৭ ৭৭
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ৫৯ ৩২
২১২ মন্টসেরাট ৪৪ ৪৩
২১৩ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ২৭
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ২০ ২০
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ পালাও
২১৮ ভানুয়াতু
২১৯ মার্শাল আইল্যান্ড
২২০ সামোয়া
২২১ সেন্ট হেলেনা
২২২ টাঙ্গা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]