জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বছরে ৮০০ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দের আহ্বান

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৮:৫২ পিএম, ১২ অক্টোবর ২০২১

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, ২০২০-পরবর্তী বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্য কাঠামো বাস্তবায়নে প্রতিবছর বৈশ্বিক জিডিপির প্রায় ১ শতাংশ অর্থাৎ কমপক্ষে ৮০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, এই পরিমাণের মধ্যে প্রতিবছর কমপক্ষে ৪০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য বরাদ্দ করা উচিত। একটি জীববৈচিত্র্যপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ‘২০৫০ ভিশন: লিভিং ইন হারমনি উইথ নেচার’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ সম্মেলনের বাস্তবায়ন ও তিনটি উদ্দেশ্যকে সমর্থন করে।

মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে ‘ইকোলজিক্যাল সিভিলাইজেশন-বিল্ডিং এ শেয়ারড ফিউচার ফর অল লাইফ অন আর্থ’ শিরোনামে চীনের কুনমিং শহরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের বায়োডাইভারসিটি কনফারেন্সে হাইলেভেল সেগমেন্টের ‘রাউন্ডট্যাবল বি: ক্লোজিং দি ফিন্যান্সিয়াল গ্যাপ অ্যান্ড এনশিওরিং দ্য মিনস অব ইমপ্লিমেন্টেশন’ সেশনে অনলাইনে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি জীববৈচিত্র্যপূর্ণ দেশ যেখানে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা হচ্ছে। কিন্তু ঘন ঘন জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগের কারণে এ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পর্যাপ্ত তহবিলের অভাবে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কার্যক্রম গতি পাচ্ছে না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো ঝুঁকিপূর্ণ দেশে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য ফাস্ট-ট্র্যাক সহায়তার জন্য জিইএফ, জিসিএফ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক উৎসের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

শাহাব উদ্দিন বিশ্বনেতাদের জানান, বাংলাদেশ ১৯৯২ সালে কনভেনশন অন বায়োলজিক্যাল ডাইভার্সিটিতে স্বাক্ষর করে ১৯৯৪ সালে অনুমোদন করেছে, ২০০৪ সালে জৈবনিরাপত্তা প্রটোকল অনুমোদন এবং ২০১১ সালে নাগোয়া প্রটোকল স্বাক্ষর করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিবেশ সংরক্ষণ, টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনে অসামান্য অবদানের জন্য বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছেন। তার দূরদর্শী নেতৃত্বে, বিশ্বের খুবই কম দেশের একটি হিসেবে বাংলাদেশ ২০১৭ সালে জীববৈচিত্র্য আইন কার্যকর করেছে।

এমইউ/বিএ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।