জঙ্গি অর্থায়নে সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশের সুযোগ নেই


প্রকাশিত: ০৬:০৯ পিএম, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬
জঙ্গি অর্থায়নে সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশের সুযোগ নেই

জঙ্গি অর্থায়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যাংক বা অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠানের তালিকা জনসম্মুখে প্রকাশের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

জাতীয় সংসদে সোমবার ঢাকা-৫ আসনের সরকার দলীয় হাবিবুর রহমান মোল্লার প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (২০১৫ সালের সংশোধনীসহ) অনুসারে ওই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বাংলাদেশ ব্যাংক ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) নামে একটি পৃথক কেন্দ্রীয় সংস্থা রয়েছে। আইন অনুযায়ী উক্ত ইউনিট রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থাসমূহ থেকে নগদ লেনদেন রিপোর্ট (সিটিআর) এবং সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট (এসটিআর) সংগ্রহ করে বিশ্লেষণপূর্বক প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে প্রেরণ করে। প্রয়োজনে সরেজমিনে পরিদর্শন করে।

মুহিত বলেন, এক্ষেত্রে কোনো ব্যাংক ও অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জঙ্গি অর্থায়নের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে প্রেরণ করা হয়ে থাকে।

আইনের ৬(২) নং ধারা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এই আইনের অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান বা এজেন্ট কর্তৃক চাকরিরত বা নিয়োগকৃত থাকা অবস্থায় কিংবা চাকরি বা নিয়োগজনিত চুক্তি অবসায়নের পর তৎকর্তৃক সংগৃহীত, প্রাপ্ত, আহরিত, জ্ঞাত কোনো তথ্য এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণ ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার বা প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ আছে। এ প্রেক্ষাপটে, জঙ্গি অর্থায়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যাংক বা অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠানের তালিকা জনসম্মুখে প্রকাশের সুযোগ নেই।

মাদারীপুর-৩ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিমের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের ২০০২-২০০৬ সালে মোট ১৯ হাজার ৩৩৩ দশমিক ৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিটেন্স আহরিত হয়েছিল। অপরদিকে বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম ৫ বছর এবং দ্বিতীয় মেয়াদের দুই বছরসহ মোট সাত বছরে মোট প্রবাসী রেমিটেন্সের পরিমাণ ৯২ হাজার ১৫৯ দশমিক ২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এইচএস/একে/পিআর