হুমকির মুখে রমনা পার্কের সৌন্দর্য


প্রকাশিত: ১১:০৮ এএম, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৬

সম্প্রতি কিছু কার্যক্রমের ফলে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী রমনা পার্কের সৌন্দর্য, উপযোগিতা ও ঐতিহ্য হুমকির মুখে পড়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে ‘‘রমনা পার্ক: সৌন্দর্য, উপযোগিতা ও ঐতিহ্য সুরক্ষা’’ শীর্ষক এক সেমিনারে আলোচকরা এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউট (আইএবি), বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যনার্স (বিআইপি), বাংলাদেশ বার্ড ক্লাব, সমন্বয় আর্কিটেক্টস, তরুপল্লব ও পরিবর্তন চাই` এই সেমিনারের আয়োজন করে। সেমিনারে মুলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্থপতি তুগলক আজাদ।

লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, রমনা বটমূল ব্যতীত সম্পূর্ণ পার্ক জুড়ে অনুষ্ঠানের কারণে রমনা পার্কের জীববৈচিত্র্য নষ্ট হচ্ছে। সেই সঙ্গে পার্কে অব্যাহতভাবে বিবিধ কন্সট্রাকশনের কাজ সবুজকে নষ্ট করেছে।

আলোচকরা বলেন, পার্কে ফুলজ ও নান্দনিক গাছের বদলে, বনজ ও ফলদ গাছের বিস্তার বাড়ছে, যা পার্ক হিসাবে রমনার সৌন্দর্য, উপযোগিতা ও ঐতিহ্যকে ব্যাহত করছে। বৃক্ষশোভিত স্থান ঘাসে ঢাকা উন্মুক্ত লন-একটি অন্যটির পরিপূরক। কিন্তু সম্প্রতি সমস্ত উন্মুক্ত স্থান এবং লনে অপরিকল্পিতভাবে গাছ লাগিয়ে দেয়া হচ্ছে।

তারা বলেন, রমনা পার্ক বর্তমানে বাংলাদেশের সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন। পার্কের বর্তমান এরিয়া ৬৮ দশমিক ৫ একর। লেক এরিয়া ৮৭৬ একর উল্লেখ করে সেমিনারে বলা হয়, বাংলাদেশ জলজ ফুলের দেশ। জলজ ফুল ‘সাদা শাপলা’ আমাদের জাতীয় ফুল। রমনা লেক দেশের জলজ ফুল দিয়ে সুশোভিত করলে দেশের ঐতিহ্য, জীব বৈচিত্র রক্ষিত হবে।

ইতিহাসবিদ অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের সভাপতিত্বে সেমিনারে নগর পরিকল্পনাবিদ, গবেষক, পরিবেশবিদসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এএস/এসকেডি/এবিএস