বিশ্ব ইজতেমায় মুসল্লিদের সুবিধায় রেলওয়ের নানান উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৩০ পিএম, ২৩ জানুয়ারি ২০২৪

আসন্ন বিশ্ব ইজতেমায় যাতায়াতের সুবিধার্থে ১৭টি স্পেশাল ট্রেন চালুর পাসাপাশি মুসল্লিদের সেবায় বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় রেলভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. কামরুল আহসান এসব উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, যাত্রী সাধারণকে ট্রেন সম্পর্কে তথ্য জানানোর জন্য এবং ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ প্রতিরোধে সার্বক্ষণিক মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। ইজতেমা উপলক্ষে ঢাকা থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত সব স্টেশনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সুবিধার্থে পুলিশ এবং রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হবে। টঙ্গী, জয়দেবপুর, ঢাকা, ঢাকা বিমানবন্দর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে সিসি ক্যামেরাসমূহ কার্যকর রাখা হবে। এছাড়াও টঙ্গী স্টেশনে অতিরিক্ত সিসি ক্যামেরা সংযোজন করা হবে।

আরও পড়ুন>> বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে ১৭ স্পেশাল ট্রেন

তিনি আরও বলেন, ইজতেমা শুরুর তিনদিন আগে থেকে আখেরি মোনাজাত পর্যন্ত নির্দিষ্ট এলাকা (নারায়ণগঞ্জ থেকে ময়মনসিংহ, আখাউড়া ও টাঙ্গাইল পর্যন্ত) ট্র্যাক ও ব্রিজ প্যাট্রোলিং করা হবে। ফায়ার সার্ভিসের একটি দলকে ইজতেমা চলাকালীন সার্বক্ষণিক টঙ্গী স্টেশন এলাকায় নিয়োজিত রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইজতেমা শুরু থেকে বিশেষ করে আখেরি মোনাজাতের দিন ট্রেনের ছাদ থেকে ভ্রমণকারীদের নামানোর ব্যবস্থা করতে হবে। পিএ সিস্টেমের মাধ্যমে ইঞ্জিন ও বাফারে ভ্রমণ না করার জন্য যাত্রীসাধারণকে অবহিত করা হবে।

রেলের ডিজি বলেন, ইজতেমা চলাকালীন জরুরি অবস্থায় যাত্রীদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের জন্য টঙ্গী স্টেশনে অস্থায়ী ডিসপেনসারি স্থাপন করাসহ প্রতিদিন বাংলাদেশ রেলওয়ের একজন চিকিৎসক প্রয়োজনীয় ওষুধসহ কর্তব্যরত থাকবেন। ইজতেমায় মুসল্লিদের ব্যবহারের জন্য টঙ্গী স্টেশনে স্থায়ী টয়লেট ছাড়াও অস্থায়ী অজুখানা ও টয়লেট নির্মাণ করা হবে।

যাত্রীদের টিকিট সংগ্রহের সুবিধার্থে পর্যাপ্ত সংখ্যক ভ্রাম্যমাণ টিকিট কাউন্টার থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতে করে ঢাকা থেকে টঙ্গী ও টঙ্গী থেকে অন্যান্য রুটে ভ্রমণকারী যাত্রীরা সহজে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। এছাড়া ইজতেমা উপলক্ষে আগত মুসল্লিদের স্টেশনে নামাজ আদায় করার জন্য একটি অস্থায়ী নামাজ কক্ষ ও একটি অস্থায়ী বিশ্রামাগার নির্মাণ করা হবে।

বিশ্ব ইজতেমা চলাকালীন যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা মোকাবিলার জন্য টঙ্গী স্টেশনে একটি হাইড্রলিক টুল ভ্যান এবং ঢাকায় রিলিফ ট্রেন সদা প্রস্তুত রাখা হবে। বিশ্ব ইজতেমা চলাকালীন নির্দিষ্ট সময়ে ট্রেন চলাচলের বিষয়টি মনিটরিংয়ের জন্য টঙ্গী ও ঢাকা স্টেশনে
সিওপিএস ও তাদের মনোনীত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হবে।

আগামী ২, ৩ ও ৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম পর্ব এবং চারদিন বিরতি দিয়ে ৯, ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে।

এনএস/ইএ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।