বাঙালিই একমাত্র সূর্যোদয়কে বরণের মাধ্যমে বর্ষবরণ করে: তাপস

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:১৪ পিএম, ১৪ এপ্রিল ২০২৪

বিশ্বে বাঙালিই একমাত্র জাতি যারা নতুন সূর্যোদয়কে বরণের মাধ্যমে বর্ষবরণ করে থাকে বলে উল্লেখ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

রোববার (১৪ এপ্রিল) সকালে নগর ভবন প্রাঙ্গণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বর্ষবরণ উৎসব অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

বাঙালিই একমাত্র সূর্যোদয়কে বরণের মাধ্যমে বর্ষবরণ করে: তাপস

মেয়র শেখ তাপস বলেন, পৃথিবীর অধিকাংশ দেশ রাত ১২টা ১ মিনিটে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়। আমরাই একমাত্র জাতি যারা নতুন সূর্যোদয়কে বরণের মাধ্যমে বর্ষবরণ করে থাকি। সুতরাং বাঙালি জাতি বিশ্ববাসীকে আলোর পথ দেখায়। বাঙালি জাতি আলোর দিশারি।

নতুন বছরকে বরণের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ রচনা অব্যাহত থাকবে জানিয়ে মেয়র বলেন, জাতির পিতার লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নে শেখ হাসিনা বিশ্ববাসীকে আলোর পথ দেখাতে চান। একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণের মাধ্যমে তিনি এ দেশকে একটি উন্নত বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। তার সে অগ্রযাত্রাকে সমুন্নত করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমরা সবাই এ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো।

বাঙালিই একমাত্র সূর্যোদয়কে বরণের মাধ্যমে বর্ষবরণ করে: তাপস

স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালির সর্বজনীন উৎসবসমূহের মধ্যে অন্যতম। এই উৎসব অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিনির্মাণের অন্যতম ভিত্তি। অথচ দেশবিরোধী সাম্প্রদায়িক শক্তি একসময় এই উৎসবকে বানচাল করার পায়তারা করেছিল। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ আবারও এই উৎসবকে বাঙালির ঘরে ঘরে ছড়িয়ে দিয়েছে। তার নেতৃত্বেই বাঙালি সংস্কৃতি এগিয়ে চলেছে এবং এগিয়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির প্রমুখ শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।

এমএমএ/জেডএইচ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।