করোনা : পরিত্রাণে সতর্কতার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয় ডেস্ক সম্পাদকীয় ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:১৫ এএম, ০৪ জুলাই ২০২০

ফারিহা হোসেন

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস এমন একটি সংক্রামক ভাইরাস, যা এর আগে পৃথিবীতে মানুষের মধ্যে ছড়ায়নি। এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে এ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা এক কোটি ১০ লাখ প্রায়। মৃতের সংখ্যা পাঁচ লাখ ২৪ হাজারের বেশি। তবে সাড়ে ৬১ লাখের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন বিশ্বব্যাপী আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এখন পর্যন্ত এর কার্যকর কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। পুরো মানবজাতি এক অর্থে অসহায় এ ভাইরাসের কাছে। নভেল করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ ভাইরাসের অনেক রকম প্রজাতি আছে, কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ছয়টি প্রজাতি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। তবে নতুন সংক্রমিত এ ভাইরাসের কারণে সে সংখ্যা এখন থেকে হবে সাতটি।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে সাধারণত জ্বর, কাশি এবং শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা প্রধান লক্ষণ হিসেবে দেখা দেয়। এটি ফুসফুসে আক্রমণ করে। সাধারণত শুষ্ক কাশি ও জ্বরের মাধ্যমেই শুরু হয় এর উপসর্গ, পরে শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা দেখা দেয়। উপসর্গগুলো প্রকাশ পেতে গড়ে পাঁচ থেকে ১৪ দিন সময় নেয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ভাইরাসটির ইনকিউবেশন পিরিয়ড ১৪ দিন পর্যন্ত স্থায়ী থাকে। তবে কিছু কিছু গবেষকের মতে এর স্থায়িত্ব ২৪ দিন পর্যন্তও হতে পারে। এ ভাইরাসে আক্রান্ত ও সংক্রমিত মানুষ অন্যদের সংক্রমিত করে। তবে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত উপসর্গহীন মানুষও অন্যের দেহে ভাইরাসটি সংক্রমিত করতে পারে। জ্বর দিয়ে ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়, এরপর শুকনো কাশি দেখা দিতে পারে। প্রায় এক সপ্তাহ পর শ্বাসকষ্ট শুরু হতে পারে। সমস্যা জটিল হলে অনেক রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দিতে হয়। এই রোগে ৬ ভাগ কঠিনভাবে অসুস্থ হয়- এ ক্ষেত্রে ফুসফুস বিকল, সেপটিক শক, অঙ্গবৈকল্য এবং মৃত্যুর আশঙ্কা তৈরি হয়। ১৪ ভাগ এর মধ্যে তীব্রভাবে উপসর্গ দেখা দেয়। তাদের মূলত শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা তৈরি হয়। ৮০ ভাগের মধ্যে হালকা উপসর্গ দেখা যায়- জ্বর এবং কাশি ছাড়াও কারো কারো নিউমোনিয়ার উপসর্গও দেখা যেতে পারে করোনাভাইরাস সংক্রমণে। বয়স্ক ব্যক্তি এবং যাদের কোনো ধরনের অসুস্থতা যেমন- অ্যাজমা, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, উচ্চরক্তচাপ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে করোনাভাইরাস মারাত্মক অসুস্থতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, এ রোগে নারীদের চেয়ে পুরুষদের মৃত্যুর আশঙ্কা বেশি। আক্রান্ত ব্যক্তি যেন শ্বাস প্রশ্বাসে সহায়তা পায় এবং তার দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা যেন ভাইরাসের মোকাবিলায় সক্ষম হয়, তা নিশ্চিত করাই থাকে চিকিৎসকদের উদ্দেশ্য। গ্রীষ্মের তুলনায় শীতের মাসগেলোতে সর্দি এবং ফ্লু বেশি দেখা যায়, তবে গরম আবহাওয়া ভাইরাসের বিস্তার পরিবর্তিত করে কিনা তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

যুক্তরাজ্যের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টারা বলেছেন, ভাইরাসটির ওপর ঋতুর কোনো প্রভাব আছে কিনা, তা পরিষ্কার নয়। যদি কোনো প্রভাব থেকেও থাকে, তবে তারা মনে করেন যে সর্দি এবং ফ্লুয়ের হার কমে আসবে। গ্রীষ্মকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা যদি দ্রুত হারে নামতে থাকে, তাহলে শীতকালে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ারও আশঙ্কা থাকে।

বিশ্বজুড়ে এখন একটাই আতঙ্ক আর তার নাম এই করোনাভাইরাস। এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতেই কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেয়া হচ্ছে। কোয়ারেন্টাইন অর্থ- একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পৃথক থাকা। কারো মধ্যে করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিলে, তাকে জনবহুল এলাকা থেকে দূরে রাখতে এবং ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে অন্তত ১৪ দিন আলাদা থাকতে বলা হয়। নিরাপদ স্থানে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা কোয়ারেন্টাইনের উদ্দেশ্য। এ ক্ষেত্রে কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষদের অবজারভেশনে রাখা না হলে, এ রোগ আরো ছড়িয়ে পড়তে পারে।

কোয়ারেন্টাইন এবং আইসোলেশন শব্দ দুটির মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। কারো মধ্যে যখন জীবাণুর উপস্থিতি ধরা পড়ে অথবা ধরা না পড়লেও যদি উপসর্গ থাকে, তখন তাকে আলাদা করে চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে হয়। এ প্রক্রিয়াকে আইসোলেশন বলে। জীবাণু যাতে ছড়িয়ে পড়তে না পারে, এ জন্য রোগীকে যত রকম ব্যারিয়ার দেয়া সম্ভব, আইসোলেশনে তা দেয়া হয়। সংক্ষেপে বলতে গেলে, আইসোলেশন হচ্ছে অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য, আর কোয়ারেন্টাইন হচ্ছে সুস্থ বা আপাত সুস্থ ব্যক্তিদের জন্য। আইসোলেশনে কতদিন রাখা হবে তার কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই। পুরোপুরি সেরে না ওঠা পর্যন্ত আইসোলেশনে রাখা হয়।

কোনো ব্যক্তি যখন বাড়িতেই কোয়ারেন্টাইনের সকল নিয়ম মেনে, বাইরের লোকজনের সাথে ওঠাবসা বন্ধ করে আলাদা থাকেন, তখন সেটিকে হোম কোয়ারেন্টাইন বলা হয়। কোনো ব্যক্তি যদি কোভিড-১৯ আক্রান্ত দেশ থেকে ফেরেন তাকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়। এক্ষেত্রেও কমপক্ষে ১৪ দিন তাকে কোয়ারেন্টাইনের নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দেয়া হয়। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তি তিনি মুখে মাস্ক পরবেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন, ঘরে আলাদা থাকবেন। তার ব্যবহার্য জিনিস অন্য কেউ ব্যবহার করবেন না। তার ঘরে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সতর্কতা ছাড়া কেউ প্রবেশ করবেন না।

কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তির কাছে খাবার ও অন্যান্য সেবা যিনি পৌঁছে দেবেন তিনিও পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন। কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তির কাছ থেকে অন্যদের অন্তত এক মিটার দূরে থাকতে বলা হয়। মুখে মাস্ক পরা, অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে বারবার সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, হাঁচি-কাশির সময় রুমাল-টিস্যু ব্যবহার করা ও ব্যবহারের পর মাস্ক, টিস্যু ঢাকনাযুক্ত পাত্রে ফেলে দেয়া গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি। কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তি ও তাকে সেবা প্রদানকারীকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, এমন খাবার খেতে হবে এবং সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এই ভাবনাটি ভুল। যারা করোনা আক্রান্ত দেশ থেকে ফিরেছেন, করোনা রোগীর সংস্পর্শে এসেছেন অথবা সন্দেহ করা হচ্ছে তিনি করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন, এমন ব্যক্তিকেই হোম কোয়ারেন্টাইন করা হয়ে থাকে।

কোয়ারেন্টাইনে থাকা মা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে পারবেন। এমনকি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মা তার শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে পারবেন। মায়ের বুকের দুধ পানে শিশু আক্রান্ত হওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ হলো করোনায় আক্রান্ত মা তার শিশুকে বুকের দুধ চালিয়ে যেতে পারবেন। তবে মাস্ক ব্যবহার এবং ভালোভাবে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে তারপরে শিশুর কাছে যেতে হবে। কাশি, সর্দি, বমি ইত্যাদির সংস্পর্শে এলে সঙ্গে সঙ্গে মাস্ক খুলে এবং নতুন মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। ব্যবহারের পর মাস্ক ঢাকনাযুক্ত ময়লার পাত্রে ফেলতে হবে এবং সাবানপানি দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে। প্রয়োজনে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা জীবাণুনাশক ব্যবহার করতে হবে।

অপরিষ্কার হাতে কখনই চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করা যাবে না। অবশ্যই হাঁচি-কাশির সময় টিস্যু পেপার বা বাহুর ভাঁজে মুখ ও নাক ঢেকে হাঁচি-কাশি দিতে হবে। হাঁচির পর হাত পরিষ্কার করতে হবে। ব্যক্তিগত ব্যবহার্য জিনিসপত্র অন্য কারও সঙ্গে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করা যাবে না এবং কোয়ারেন্টাইনে থাকাকালে। ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, আইশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, সংবাদকর্মী যারা সাধারণ মানুষের সংস্পর্শে আসেন তাদের অবশ্যই পিপিই ব্যবহার করতে হবে। এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা রয়েছে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রতিদিন বাড়িঘর ভালো মতো পরিষ্কার করাও জরুরি। পাশাপাশি জীবাণুনাশক হ্যান্ডওয়াশের মতো কিছু স্বাস্থ্য উপকরণও ঘরে রাখা জরুরি। প্রতিবার খাবার রান্না বা তৈরি করার আগে ও পরে, খাবার খাওয়ার আগে ও পরে, টয়লেট ব্যবহারের পরে, বাইরে থেকে বাসায় আসার সঙ্গে সঙ্গেই সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ভালোভাবে ধুতে হবে অথবা জীবাণুনাশক ব্যবহার করে হাত পরিষ্কার করতে হবে। রান্নাঘরসহ বাড়ির পরিবেশ স্বাস্থ্যকর রাখতে জীবাণুনাশক ক্লিনিং স্প্রেও ব্যবহার করা জরুরি। খাবার তৈরির আগে ও পরে জীবাণুনাশক ক্লিনিং স্প্রে ব্যবহার করে রান্নাঘর এবং বাথরুমসহ বাসার অন্যান্য ঘর পরিষ্কার করতে হবে, যাতে কোনো রোগজীবাণু খাবারে যেতে না পারে। হাঁড়ি-পাতিল ধোয়া, টয়লেট পরিষ্কার বা ধুলা-ময়লা পরিষ্কার করা মতো গৃহস্থালি কাজের জন্য রাবার গ্লাভস ব্যবহার করলে ভালো। বাড়ির প্রতিটি ঘরে টিস্যু রাখা উচিত, যাতে কাশি বা হাঁচির সময় হাত বাড়ালেই টিস্যু পাওয়া যায়। ভেজা টিস্যু, হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং পকেট টিস্যু জীবাণুনাশক ভেজা টিস্যু এবং স্যানিটাইজার ঘরে বা বাইরেও ব্যবহার করা যায়। যখন সাবান বা পানি পাওয়া যাবে না, তখন এসব ব্যবহার করে জীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধ করতে হবে।

দীর্ঘদিন পরস্পরের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকলে করোনাভাইরাসকে হয়তো নিয়ন্ত্রণ করা যাবে, কিন্তু এতে মানসিক কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। আত্মীয়-বন্ধু-পরিজনদের সঙ্গে দীর্ঘ অদর্শন, দিন চালানোর মতো রসদ সংগ্রহের চ্যালেঞ্জ, আর তারচেয়েও সুস্থভাবে দিনগুলো কীভাবে কাটবে ভেবে প্রবল মানসিক উদ্বেগে ভুগতে শুরু করা মোটেই বিচিত্র নয়! গৃহবন্দি থাকতে থাকতে দেখা দিতে পারে ডিপ্রেশন। এই বিপুল মানসিক চাপ আর ডিপ্রেশন সহ্য করতে করতে ভেঙে পড়া মোটেই অস্বাভাবিক নয়। কাজেই একদিকে যেমন করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করতে হবে, তেমনি লড়াই করতে হবে নিজের মনের সঙ্গেও। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা আর সেই সঙ্গে ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখা, এ সময় কাটিয়ে উঠতে আমাদের সাহায্য করবে। মনোবল ভেঙে গেলে চলবে না।

এ সংকটকালে আমাদের আলোচনার একমাত্র বিষয় যেন করোনাভাইরাস। সংবাদমাধ্যমে নানান খবর, হোয়াটসঅ্যাপে পাওয়া নানান ফরোয়ার্ডেড মেসেজ, বাড়িতে আলোচনা, সব মিলিয়ে তথ্যের ভারে ভারাক্রান্ত আমরা সবাই। কিন্তু সারাক্ষণ একটা বিষয়েই ডুবে না থেকে অন্যান্য বিষয়েও কথা বললে, ভালো গান শুনলে, ছবি দেখলে মন হালকা থাকবে। কঠিন এ সময়ের জন্য সুস্থদেহের পাশাপাশি সুস্থমন থাকাও অত্যন্ত প্রয়োজন।

এ পরিস্থিতিতে গুজব যাতে ছড়াতে না পারে, সে কারণে যে কোনো খবর বিশ্বাস এবং অন্যকে জানানোর আগে অবশ্যই যাচাই করে নিতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ার মেসেজ বা পোস্ট থেকে নয়, অথেনটিক সোর্স থেকে পাওয়া তথ্যই গ্রহণ করা উচিত। এতে করে সঠিক তথ্য পাওয়া এবং অন্যকে জানানোর মাধ্যমে একে অন্যের পাশে থাকা যাবে, গুজবও ছড়াতে পারবে না।

বন্ধু এবং আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে ফোনে নিয়মিত যোগাযোগ রাখলে মন ভালো থাকবে। শুধু রোগ বা সমস্যার কথাই নয়, নানা বিষয়ে স্বাভাবিকভাবে কথা বললে মন ঝরঝরে থাকবে। এতে করে অন্যেরা যেমন ভরসা পাবে, নিজেরও ভরসা লাগবে। মনে রাখতে হবে সারা পৃথিবী আজ এ সমস্যার মধ্যে রয়েছে। কাজেই মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে বিশ্বাস করতে হবে এ সংকট কেটে যাবে। এ সময় ইতিবাচক ভাবনা অত্যন্ত জরুরি। করোনাভাইরাসে ক্ষতির সাথে ভালো দিকও আছে। লকডাউনে থাকাকালে পরিবারের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন একটা সময় কাটানো যাচ্ছে, এও কম কীসে! পজিটিভ ভাবনা উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে।

সরকার দেশের মানুষের পাশে থেকে যেমন তাদের ভালো রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, আমরাও তেমনি নিজেদের ভালো রেখে, অন্যদেরও ভালো রাখতে চেষ্টা করতে পারি। এতে করে সরকারকে যেমন সহায়তা করা হবে, তেমনি নিজেকেও সহায়তা করা হবে। সহায়তা করা হবে দেশ এবং বিশ্বকেও।

লেখক : ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক, কলাম লেখক।

এইচআর/বিএ/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

২,০২,০৩,৬৩৩
আক্রান্ত

৭,৩৭,১৪১
মৃত

১,৩০,০৯,৯৩০
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ২,৬০,৫০৭ ৩,৪৩৮ ১,৫০,৪৩৭
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৫২,৩৮,২৫১ ১,৬৬,০৪০ ২৬,৮২,৩৮৫
ব্রাজিল ৩০,৫৭,৪৭০ ১,০১,৭৫২ ২১,১৮,৪৬০
ভারত ২২,৬৭,১৫৩ ৪৫,৩৫৩ ১৫,৮১,৬৪০
রাশিয়া ৮,৯২,৬৫৪ ১৫,০০১ ৬,৯৬,৬৮১
দক্ষিণ আফ্রিকা ৫,৬৩,৫৯৮ ১০,৬২১ ৪,১৭,২০০
মেক্সিকো ৪,৮০,২৭৮ ৫২,২৯৮ ৩,২২,৪৬৫
পেরু ৪,৭৮,০২৪ ২১,০৭২ ৩,২৪,০২০
কলম্বিয়া ৩,৮৭,৪৮১ ১২,৮৪২ ২,১২,৬৮৮
১০ চিলি ৩,৭৫,০৪৪ ১০,১৩৯ ৩,৪৭,৩৪২
১১ স্পেন ৩,৭০,০৬০ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
১২ ইরান ৩,২৮,৮৪৪ ১৮,৬১৬ ২,৮৬,৬৪২
১৩ যুক্তরাজ্য ৩,১৩,৪৮৩ ৪৬,৫৭৪ ৩৪৪
১৪ সৌদি আরব ২,৮৯,৯৪৭ ৩,১৯৯ ২,৫৩,৪৭৮
১৫ পাকিস্তান ২,৮৪,৬৬০ ৬,০৯৭ ২,৬০,৭৬৪
১৬ ইতালি ২,৫০,৮২৫ ৩৫,২০৯ ২,০২,২৪৮
১৭ আর্জেন্টিনা ২,৪৬,৪৯৯ ৪,৬৩৪ ১,০৮,২৪২
১৮ তুরস্ক ২,৪১,৯৯৭ ৫,৮৫৮ ২,২৪,৯৭০
১৯ জার্মানি ২,১৮,৪৯৯ ৯,২৬৫ ১,৯৭,৯০০
২০ ফ্রান্স ২,০২,৭৭৫ ৩১,০১৭ ৮২,৮৩৬
২১ ইরাক ১,৫৩,৫৯৯ ৫,৪৬৪ ১,০৯,৭৯০
২২ ফিলিপাইন ১,৩৬,৬৩৮ ২,২৯৪ ৬৮,১৫৯
২৩ ইন্দোনেশিয়া ১,২৭,০৮৩ ৫,৭৬৫ ৮২,২৩৬
২৪ কানাডা ১,১৯,৭৪৪ ৮,৯৮২ ১,০৫,৯৯৬
২৫ কাতার ১,১৩,২৬২ ১৮৮ ১,০৯,৯৯৩
২৬ কাজাখস্তান ৯৯,৪৪২ ১,০৫৮ ৭২,৫২৩
২৭ মিসর ৯৫,৬৬৬ ৫,০৩৫ ৫৩,৭৭৯
২৮ ইকুয়েডর ৯৪,৭০১ ৫,৯৩২ ৭৮,৬০৮
২৯ বলিভিয়া ৮৯,৯৯৯ ৩,৬৪০ ২৯,৮০৮
৩০ ইসরায়েল ৮৪,৭২২ ৬১৩ ৫৮,৯৯৮
৩১ চীন ৮৪,৬৬৮ ৪,৬৩৪ ৭৯,২৩২
৩২ সুইডেন ৮২,৯৭২ ৫,৭৬৬ ৪,৯৭১
৩৩ ইউক্রেন ৮১,৯৫৭ ১,৯২২ ৪৪,৩৫৯
৩৪ ওমান ৮১,৭৮৭ ৫২১ ৭৬,১২৪
৩৫ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৮০,৪৯৯ ১,৩২৮ ৪৪,৯১০
৩৬ পানামা ৭৪,৪৯২ ১,৬৩৯ ৪৮,৭৪৮
৩৭ বেলজিয়াম ৭৪,১৫২ ৯,৮৭২ ১৭,৭৮০
৩৮ কুয়েত ৭২,৪০০ ৪৮২ ৬৪,০২৮
৩৯ বেলারুশ ৬৮,৯৪৭ ৫৮৯ ৬৪,৯৯১
৪০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৬২,৭০৪ ৩৫৭ ৫৬,৭৬৬
৪১ রোমানিয়া ৬২,৫৪৭ ২,৭২৯ ৩০,৩১১
৪২ নেদারল্যান্ডস ৫৯,১৯৪ ৬,১৫৭ ২৫০
৪৩ গুয়াতেমালা ৫৬,৯৮৭ ২,২২২ ৪৫,৫৮৯
৪৪ সিঙ্গাপুর ৫৫,২৯২ ২৭ ৪৯,৬০৯
৪৫ পর্তুগাল ৫২,৮২৫ ১,৭৫৯ ৩৮,৬০০
৪৬ পোল্যান্ড ৫২,৪১০ ১,৮০৯ ৩৬,৮৭৭
৪৭ হন্ডুরাস ৪৭,৪৫৪ ১,৪৯৫ ৬,৫৯৭
৪৮ জাপান ৪৬,৭৮৩ ১,০৪০ ৩২,৩১২
৪৯ নাইজেরিয়া ৪৬,৫৭৭ ৯৪৫ ৩৩,১৮৬
৫০ বাহরাইন ৪৪,০১১ ১৬৩ ৪০,৯৬৭
৫১ ঘানা ৪১,২১২ ২১৫ ৩৮,৭২৭
৫২ আর্মেনিয়া ৪০,৪৩৩ ৭৯৬ ৩২,৬১৬
৫৩ কিরগিজস্তান ৪০,০৮৫ ১,৪৭৪ ৩২,১২৬
৫৪ আফগানিস্তান ৩৭,১৬২ ১,৩২৮ ২৬,২২৮
৫৫ সুইজারল্যান্ড ৩৬,৭০৮ ১,৯৮৭ ৩২,৪০০
৫৬ আলজেরিয়া ৩৫,৭১২ ১,৩১২ ২৪,৯২০
৫৭ মরক্কো ৩৪,০৬৩ ৫১৬ ২৪,৫২৪
৫৮ আজারবাইজান ৩৩,৬৪৭ ৪৯২ ৩০,৬৪২
৫৯ উজবেকিস্তান ৩১,৩০৪ ২০০ ২২,৯৯২
৬০ সার্বিয়া ২৮,২৬২ ৬৪৬ ১৮,৯৬৫
৬১ মলদোভা ২৭,৮৪১ ৮৫০ ১৯,৩০০
৬২ কেনিয়া ২৬,৯২৮ ৪২৩ ১৩,৪৯৫
৬৩ আয়ারল্যান্ড ২৬,৭৬৮ ১,৭৭২ ২৩,৩৬৪
৬৪ ভেনেজুয়েলা ২৫,৮০৫ ২২৩ ১৩,৩৫৬
৬৫ কোস্টারিকা ২৩,৮৭২ ২৪৪ ৭,৮২৩
৬৬ ইথিওপিয়া ২৩,৫৯১ ৪২০ ১০,৪১১
৬৭ নেপাল ২৩,৩১০ ৭৯ ১৬,৪৯৩
৬৮ অস্ট্রিয়া ২২,১০৬ ৭২৩ ২০,০১০
৬৯ অস্ট্রেলিয়া ২১,৪০৭ ৩১৪ ১১,৮৭৬
৭০ এল সালভাদর ২০,৮৭২ ৫৬৩ ৯,৭২০
৭১ চেক প্রজাতন্ত্র ১৮,৪৫৪ ৩৯০ ১২,৯৮৩
৭২ ক্যামেরুন ১৮,০৪২ ৩৯৫ ১৫,৩২০
৭৩ আইভরি কোস্ট ১৬,৭৯৮ ১০৫ ১৩,০৫২
৭৪ ডেনমার্ক ১৪,৮১৫ ৬২০ ১২,৯২৫
৭৫ দক্ষিণ কোরিয়া ১৪,৬২৬ ৩০৫ ১৩,৬৫৮
৭৬ ফিলিস্তিন ১৪,৫১০ ১০০ ৮,০৪৫
৭৭ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ১৪,৪৯৮ ৪২৫ ৮,১৫৯
৭৮ বুলগেরিয়া ১৩,৫১২ ৪৫৯ ৭,৯৮০
৭৯ মাদাগাস্কার ১৩,২০২ ১৫১ ১১,০১১
৮০ সুদান ১১,৯৫৬ ৭৮১ ৬,২৬৬
৮১ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১১,৯৪২ ৫২৮ ৮,০৮৭
৮২ সেনেগাল ১১,৩১২ ২৩৬ ৭,৩৯০
৮৩ নরওয়ে ৯,৬৬১ ২৫৬ ৮,৮৫৭
৮৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৯,৪৮৯ ২২৪ ৮,৩৬৩
৮৫ মালয়েশিয়া ৯,০৯৪ ১২৫ ৮,৮০৩
৮৬ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৮,২৬৭ ৪৮ ৭,৫০১
৮৭ জাম্বিয়া ৮,২১০ ২৪১ ৬,৮০২
৮৮ গিনি ৭,৯৩০ ৫০ ৬,৮৯৮
৮৯ গ্যাবন ৭,৯২৩ ৫১ ৫,৭০৪
৯০ তাজিকিস্তান ৭,৮২৭ ৬২ ৭,২৩৫
৯১ হাইতি ৭,৬৩৪ ১৮৩ ৪,৯৮২
৯২ ফিনল্যাণ্ড ৭,৬০১ ৩৩৩ ৬,৯৮০
৯৩ লুক্সেমবার্গ ৭,২১৬ ১২১ ৬,১৭০
৯৪ প্যারাগুয়ে ৬,৯০৭ ৭৫ ৫,২২২
৯৫ লেবানন ৬,৮১২ ৮০ ২,২৯০
৯৬ আলবেনিয়া ৬,৫৩৬ ২০০ ৩,৩৭৯
৯৭ মৌরিতানিয়া ৬,৫২৩ ১৫৭ ৫,৫২৭
৯৮ গ্রীস ৫,৭৪৯ ২১৩ ৩,৮০৪
৯৯ ক্রোয়েশিয়া ৫,৬৪৯ ১৫৮ ৪,৯০৬
১০০ লিবিয়া ৫,৪৫১ ১১৯ ৭০১
১০১ জিবুতি ৫,৩৪৭ ৫৯ ৫,১২০
১০২ মালদ্বীপ ৫,১৫৭ ১৯ ২,৮৩৫
১০৩ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৪,৮২১ ৮৩ ২,১৮২
১০৪ জিম্বাবুয়ে ৪,৭৪৮ ১০৪ ১,৫২৪
১০৫ হাঙ্গেরি ৪,৭৩১ ৬০৫ ৩,৫২৫
১০৬ মালাউই ৪,৬৫৮ ১৪৬ ২,৩৭৫
১০৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৬৪১ ৬০ ১,৭২১
১০৮ হংকং ৪,১৪৯ ৫৫ ২,৯১৬
১০৯ নিকারাগুয়া ৩,৯০২ ১২৩ ২,৯১৩
১১০ কঙ্গো ৩,৬৬৪ ৫৮ ১,৫৮৯
১১১ মন্টিনিগ্রো ৩,৬১৮ ৬৪ ২,৪৫২
১১২ থাইল্যান্ড ৩,৩৫১ ৫৮ ৩,১৬০
১১৩ ইসওয়াতিনি ৩,২৩৬ ৫৮ ১,৬০৭
১১৪ সোমালিয়া ৩,২২৭ ৯৩ ১,৭২৮
১১৫ নামিবিয়া ৩,১০১ ১৯ ৭১৫
১১৬ মায়োত্তে ৩,০৬৮ ৩৯ ২,৮৩৫
১১৭ কিউবা ৩,০৪৬ ৮৮ ২,৪৬০
১১৮ শ্রীলংকা ২,৮৭১ ১১ ২,৫৯৩
১১৯ কেপ ভার্দে ২,৮৫৮ ৩২ ২,০৮৬
১২০ স্লোভাকিয়া ২,৫৯৯ ৩১ ১,৮৬৬
১২১ মালি ২,৫৭৩ ১২৫ ১,৯৬৯
১২২ দক্ষিণ সুদান ২,৪৭০ ৪৭ ১,১৭৫
১২৩ মোজাম্বিক ২,৪১১ ১৬ ৮৬০
১২৪ সুরিনাম ২,৩৯১ ২৯ ১,৬৩৫
১২৫ লিথুনিয়া ২,২৬৫ ৮১ ১,৬৭০
১২৬ স্লোভেনিয়া ২,২৫৫ ১২৮ ১,৯৬০
১২৭ এস্তোনিয়া ২,১৫৮ ৬৯ ১,৯৬২
১২৮ রুয়ান্ডা ২,১৫২ ১,৩৯২
১২৯ গিনি বিসাউ ২,০৫২ ২৯ ৯৪৪
১৩০ আইসল্যান্ড ১,৯৬২ ১০ ১,৯০৭
১৩১ বেনিন ১,৯৩৬ ৩৮ ১,৬০০
১৩২ সিয়েরা লিওন ১,৯১৭ ৬৯ ১,৪৪৭
১৩৩ ইয়েমেন ১,৮৩২ ৫১৮ ৯১৫
১৩৪ তিউনিশিয়া ১,৭১৭ ৫১ ১,২৬৫
১৩৫ অ্যাঙ্গোলা ১,৬৭৯ ৭৮ ৫৬৯
১৩৬ নিউজিল্যান্ড ১,৫৬৯ ২২ ১,৫২৬
১৩৭ উরুগুয়ে ১,৩৫৩ ৩৭ ১,১২৫
১৩৮ উগান্ডা ১,২৯৭ ১,১৩৭
১৩৯ লাটভিয়া ১,২৯০ ৩২ ১,০৭০
১৪০ জর্ডান ১,২৬৮ ১১ ১,১৮৭
১৪১ সিরিয়া ১,২৫৫ ৫২ ৩৬৪
১৪২ সাইপ্রাস ১,২৫২ ১৯ ৮৭০
১৪৩ জর্জিয়া ১,২৫০ ১৭ ১,০১০
১৪৪ লাইবেরিয়া ১,২৪০ ৭৯ ৭২৫
১৪৫ গাম্বিয়া ১,২৩৫ ২৩ ২২১
১৪৬ বুর্কিনা ফাঁসো ১,২০৪ ৫৪ ৯৮৪
১৪৭ নাইজার ১,১৫৮ ৬৯ ১,০৫৭
১৪৮ মালটা ১,১১২ ৬৮৮
১৪৯ টোগো ১,০৬০ ২৩ ৭২৯
১৫০ জ্যামাইকা ১,০২৩ ১৪ ৭৪৫
১৫১ এনডোরা ৯৬৩ ৫২ ৮৩৯
১৫২ চাদ ৯৪৫ ৭৬ ৮৪৩
১৫৩ বাহামা ৮৯৮ ১৫ ১০৪
১৫৪ ভিয়েতনাম ৮৪৭ ১৫ ৩৯৯
১৫৫ বতসোয়ানা ৮০৪ ৬৩
১৫৬ লেসোথো ৭৪২ ২৩ ১৭৫
১৫৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৫৮ সান ম্যারিনো ৬৯৯ ৪৫ ৬৫৭
১৫৯ রিইউনিয়ন ৬৮৭ ৬৩১
১৬০ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৯৭ ৪৮ ৫৫৫
১৬১ গায়ানা ৫৬৮ ২৩ ১৮৯
১৬২ আরুবা ৫৬৩ ১১৪
১৬৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৬৪ তাইওয়ান ৪৮০ ৪৪৩
১৬৫ বুরুন্ডি ৪০৮ ৩১৫
১৬৬ কমোরস ৩৯৯ ৩৬৯
১৬৭ মায়ানমার ৩৬০ ৩১২
১৬৮ মরিশাস ৩৪৪ ১০ ৩৩৪
১৬৯ মার্টিনিক ৩৩৬ ১৬ ৯৮
১৭০ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩১২
১৭১ গুয়াদেলৌপ ৩১৭ ১৪ ১৮৬
১৭২ ফারে আইল্যান্ড ৩০৬ ২১৫
১৭৩ মঙ্গোলিয়া ২৯৩ ২৬৩
১৭৪ ইরিত্রিয়া ২৮৫ ২৪৫
১৭৫ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ২৮০ ১৩৮
১৭৬ কম্বোডিয়া ২৫১ ২১৯
১৭৭ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২১৬ ৩৯
১৭৮ পাপুয়া নিউ গিনি ২১৪ ৫৩
১৭৯ কেম্যান আইল্যান্ড ২০৩ ২০২
১৮০ জিব্রাল্টার ২০১ ১৮৬
১৮১ সিন্ট মার্টেন ১৮৯ ১৭ ৮৬
১৮২ বারমুডা ১৫৮ ১৪৪
১৮৩ বেলিজ ১৫৪ ৩২
১৮৪ ব্রুনাই ১৪২ ১৩৮
১৮৫ বার্বাডোস ১৪২ ১১২
১৮৬ মোনাকো ১৩৩ ১১৩
১৮৭ সিসিলি ১২৬ ১২৫
১৮৮ ভুটান ১১০ ৯৬
১৮৯ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৯২ ৭৬
১৯০ লিচেনস্টেইন ৮৯ ৮৫
১৯১ সেন্ট মার্টিন ৭৮ ৪৪
১৯২ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬৯ ৬২
১৯৩ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৫৭ ৫২
১৯৪ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৯৫ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৬ কিউরাসাও ৩১ ৩০
১৯৭ ফিজি ২৭ ১৮
১৯৮ সেন্ট লুসিয়া ২৫ ২৪
১৯৯ পূর্ব তিমুর ২৫ ২৪
২০০ গ্রেনাডা ২৪ ২৩
২০১ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৩ ২২
২০২ লাওস ২০ ১৯
২০৩ ডোমিনিকা ১৮ ১৮
২০৪ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৭ ১৭
২০৫ গ্রীনল্যাণ্ড ১৪ ১৪
২০৬ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২০৭ সেন্ট বারথেলিমি ১৩
২০৮ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৩
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১০ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২১১ পশ্চিম সাহারা ১০
২১২ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৩ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]