করোনাকালের করুণা!

সম্পাদকীয় ডেস্ক সম্পাদকীয় ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:৪৬ পিএম, ০৯ মে ২০২১

ডা. মোজাহার হোসেন

চিকিৎসা পেশার লোকজন মানুষের নাড়ির খবর রাখে। আক্ষরিক অর্থে একজন চিকিৎসক যখন রোগীর নাড়ির গতি (পালস্) দেখার জন্য হাতের কব্জির কিঞ্চিত উপরে স্পর্শ করেন তখনই বুঝেন নাড়ির গতি। আর এ গতি দেখেই রোগীর ভবিষ্যৎটা কোন দিকে যাবে তা তাঁরা আঁচ করতে পারেন। আগের যুগের ডাক্তার, বৈধ্য কবিরাজরা নাড়ীর গতি আর জিহ্বার শুষ্কতা বা আদ্রতা ও চোখের পাতা টেনে তার রং রেখেই চিকিৎসা কর্ম চালাতেন। এতে করে রোগী ও চিকিৎসক উভয়ের মধ্যে একধরনের নৈকট্য তৈরি হতো। পরস্পরের আস্তার জায়গা হতো মজবুত।

এখন অবস্থা একেবারে ভিন্ন। রোগ নির্ণয়ের অজস্র ‘ডিভাইস’, যান্ত্রিক কলা কৌশল প্রযুক্তির বিভিন্ন প্রয়োগ, চিকিৎসা যেমন সহজ করেছে তেমনি সংকুচিত হয়ে এসেছে রোগী-ডাক্তার পারস্পরিক আস্থার যায়গা। টেলিমেডিসিনিন, ভার্চুয়াল চিকিৎসা, হোয়াটসঅ্যাপ যাই বলিনা কেন কোথায় যেন একটি অতৃপ্তি থেকে যায় রোগী-চিকিৎসক দুই পক্ষেরই। ডাক্তার বাড়িতে বসে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইলে রোগীর কথা শুনে, চেহারা দেখে (তাও আবার একজন ডাক্তারের মধ্যস্ততায়) চিকিৎসা পত্র দেন। এতে করে রোগী-ডাক্তার সরাসরি কথা, স্পর্শ, আশ্বাস, বিশ্বাস সব কিছুতেই রয়ে যায় দোলাচল।

চিকিৎসার এই ধরন-ধারণ অতিমারি করোনার কারণে এখন অনেক ব্যাপকতা লাভ করেছে। প্রযুক্তির ব্যবহারে নিজেদের নিরাপদ রেখে চিকিৎসকরা যা করছেন তা সময়ের প্রয়োজনে ‘যথেষ্ট’। একদম হাত পা গুটিয়ে বসে না থেকে তাঁরা যে মুখের কথাটা রোগীকে শুনাতে পারছেন, ওষধ, পথ্যের নির্দেশনা দিচ্ছেন তা অবশ্যই প্রয়োজনীয় ও প্রশংসনীয়।

প্রথিতযশা, স্বনামধন্য একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যিনি দেশের মিডিয়া জগতের নানা মাধ্যমে ডেঙ্গু ও সাম্প্রতিক করোনা দুর্যোগের সময় চিকিৎসা বিষয়ক জটিল বিষয় গুলোকে সহজ সরল কথা মালা দিয়ে উপস্থাপন করে আমজনতার মন জয় করেছেন। প্রাণান্তকর প্রয়াস চালাচ্ছেন মানুষকে স্বাস্থ্যের বিধিবিধান মানাতে। তিনি অতি সম্প্রতি একদিন হাসপাতালের করিডোরে আমার সামনেই সদ্য বিএসএমএমইউ থেকে সদ্য অবসর প্রাপ্ত একজন শিশু স্নায়ু রোগ বিশেষজ্ঞকে বলছিলেন, যে ভাবে ‘দূর চিকিৎসা’ পদ্ধতিতে কাজ করছেন এতে সত্যিকার ডাক্তারি হয় না। ফি-ও তো কম নেন না। অন্ততঃ ফি-টা কম নেন। মানুষের এই সংকটকালে যত মানবিক হওয়া যায় ততই মঙ্গল। যিনি এই কথা গুলো বলছিলেন, তিনি ফি নেন রোগী প্রতি মাত্র ৩০০ টাকা। তাঁর নাম প্রফেসর ডা. এ বি এম আব্দুলাহ্।

জীবনের ভয় কার না আছে। সবাই বাচঁতে চায় এই সুন্দর ভুবনে মানুষের মাঝে। এই মানুষই যদি না থাকে, তাহলে কাদের নিয়ে বেঁচে থাকা। বৃক্ষ-লতা-গুল্ম-ফুল-পাতা, দীঘি-নদী-নালা, হ্রদ সমুদ্র পর্বতমালাÑ এসব কিছুই নিজ নিজ সৌন্দর্যে পেখম মেলে পৃথিবী আলোকিত করবে আর ‘মানুষ’ চলে যাবে অনন্তলোকে তা’কি হয়! আর হয় না বলেই মানুষ বাঁচানোর দায় কাঁধে নিয়ে এই ঘোর অন্ধাকার দুর্দিনে মাঠে নামতে হয়েছে চিকিৎসকদের। তাঁরা মাঠে আছেন, থাকবেনও। তাঁদের সাথে আরও আছেন স্বাস্থ্য সেবার অন্যান্য স্তরের কর্মী বাহিনী। এরা প্রত্যক্ষ করোনা যোদ্ধা। এদের স্যালুট, হাজারো অভিবাদন। এদের কাজে কর্মে উৎসাহিত করা অতি আবশ্যক। হায়-হুতাশ! কোথায় সে উদ্দ্যোগ। সরকারী-বেসরকারি সব তরফই নিরব।

ভারতে নরেন্দ্র মোদি সরকার করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় বেশ কিছুদিন সন্ধ্যা লগ্নে শঙ্ক বাজিয়ে, উলুধ্বনি দিয়ে, কাসা-পিতলের বাদ্য-বাজনায় করোনা চিকিৎসায় নিবেদিত ডাক্তার ও অন্যান্যদের উৎসাহিত করতে নাগরিকদের উদ্বুদ্ধ করেছেন। ইতালিতেও ঘর বন্দি লোকজন নেচে-গেয়ে, হাত তালি দিয়ে অভিনন্দিত করেছেন করোনাযোদ্ধা স্বাস্থ্যকর্মীদের।

এবারের করোনা দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভারতের জেরবার অবস্থার মধ্যেও হেলিকপ্টার থেকে ফুল ছিটিয়ে করোনা যোদ্ধাদের সম্মানিত করা হয়েছে। আমাদের দেশে খোদ স্বাস্থ্যমন্ত্রী গত ২৭ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলনে চিকিৎপেশার লোকজনদের কেউ তাদের কাজের জন্য অভিনন্দিত করেন না বলে আক্ষেপ করেছেন। করোনা মহামারির দেড়বছরে আক্রান্ত রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে প্রাণ দিয়েছেন ১৫৫জন চিকিৎসক।

এছাড়া দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মারা গেছেন ১২জন নার্সসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী। এ পরিসংখ্যান ডাক্তারদের জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন (বিএমএ) দেওয়া। এই মুহূর্তে করোনার ভয় ভীতি উপেক্ষা করে পরিবার পরিজন থেকে বিছিন্ন হয়ে ডাক্তার নার্সসহ যেসব স্বাস্থ্যকর্মী করোনা চিকিৎসায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছেন তাঁদের এই কর্মে স্বতঃস্ফুর্ততা, উদ্দীপনা আনার তাগিদ অনুভব করছেন না কেউই। করোনাকালে এটি একটি করুণ বিষয়।

লেখক : উপ-পরিচালক ডাইরেক্টর, সেন্ট্রাল হসপিটাল লি. ধানমন্ডি, ঢাকা।

এইচআর/জিকেএস

এই মুহূর্তে করোনার ভয় ভীতি উপেক্ষা করে পরিবার পরিজন থেকে বিছিন্ন হয়ে ডাক্তার নার্সসহ যেসব স্বাস্থ্যকর্মী করোনা চিকিৎসায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছেন তাঁদের এই কর্মে স্বতঃস্ফুর্ততা, উদ্দীপনা আনার তাগিদ অনুভব করছেন না কেউই। করোনাকালে এটি একটি করুণ বিষয়।

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১৭,৬৬,৪৮,৫৯১
আক্রান্ত

৩৮,১৭,৮৩২
মৃত

১৬,০৬,৭২,২৪৫
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৮,২৬,৯২২ ১৩,১১৮ ৭,৬৬,২৬৬
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩,৪৩,২০,০৮৬ ৬,১৫,০৫৬ ২,৮৩,৯৮,৯৫৫
ভারত ২,৯৫,০৬,৩২৮ ৩,৭৪,২২৬ ২,৮১,৪৬,৩৭৮
ব্রাজিল ১,৭৪,১২,৭৬৬ ৪,৮৭,৪০১ ১,৫৭,৯৪,৫৪৮
ফ্রান্স ৫৯,১৭,৩৯৭ ১,১০,৪২০ ৫৪,৯৫,৪৮৮
তুরস্ক ৫৩,৩০,৪৪৭ ৪৮,৭২১ ৫২,০২,২৫১
রাশিয়া ৫২,০৮,৬৮৭ ১,২৬,৪৩০ ৪৮,০১,৩৩৫
যুক্তরাজ্য ৪৫,৬৫,৮১৩ ১,২৭,৯০৪ ৪৩,১০,৫৭২
ইতালি ৪২,৪৪,৮৭২ ১,২৭,০০২ ৩৯,৫৭,৫৫৭
১০ আর্জেন্টিনা ৪১,১১,১৪৭ ৮৫,০৭৫ ৩৬,৯৫,২৮৮
১১ স্পেন ৩৭,৩৩,৬০০ ৮০,৫০১ ৩৫,০৯,৭৩০
১২ কলম্বিয়া ৩৭,২৪,৭০৫ ৯৫,১৯২ ৩৪,৫৭,১১৭
১৩ জার্মানি ৩৭,২৩,২৯৪ ৯০,৪৭০ ৩৫,৭৬,৮০০
১৪ ইরান ৩০,২৮,৭১৭ ৮২,০৯৮ ২৬,৫২,৭৯২
১৫ পোল্যান্ড ২৮,৭৭,৪৬৯ ৭৪,৫৭৩ ২৬,৪৮,৫০৪
১৬ মেক্সিকো ২৪,৫২,৪৬৯ ২,৩০,০৯৫ ১৯,৫২,৩৮২
১৭ ইউক্রেন ২২,২৩,৫৫৮ ৫১,৬৭৯ ২১,২৭,৩৩৭
১৮ পেরু ২০,০১,০৫৯ ১,৮৮,৪৪৩ ১৭,২০,৬৬৫
১৯ ইন্দোনেশিয়া ১৯,১১,৩৫৮ ৫২,৮৭৯ ১৭,৪৫,০৯১
২০ দক্ষিণ আফ্রিকা ১৭,৪৭,০৮২ ৫৭,৭৬৫ ১৬,০৬,৫৮১
২১ নেদারল্যান্ডস ১৬,৭২,৭৪৪ ১৭,৭১১ ১৫,৭১,৫৭৪
২২ চেক প্রজাতন্ত্র ১৬,৬৫,০৯৭ ৩০,২২৫ ১৬,২৯,৩৭৯
২৩ চিলি ১৪,৭৬,৪৭৩ ৩০,৭০৭ ১৩,৯৯,১৮৭
২৪ কানাডা ১৪,০১,০০৬ ২৫,৯১৪ ১৩,৫৭,৪৯৩
২৫ ফিলিপাইন ১৩,১৫,৬৩৯ ২২,৭৮৮ ১২,৩২,৯৮৬
২৬ ইরাক ১২,৫৪,৬৪৩ ১৬,৭০৫ ১১,৭২,২২৭
২৭ সুইডেন ১০,৮৩,৪৫৬ ১৪,৫৩৭ ১০,২২,৪৫৭
২৮ রোমানিয়া ১০,৭৯,৭২৬ ৩১,৮৩৪ ১০,৪৪,২৩৭
২৯ বেলজিয়াম ১০,৭৫,৭৬৫ ২৫,০৮১ ১০,০১,৩৯৮
৩০ পাকিস্তান ৯,৪১,১৭০ ২১,৬৮৯ ৮,৭৭,১৯১
৩১ পর্তুগাল ৮,৫৭,৪৪৭ ১৭,০৪৭ ৮,১৫,৩৪২
৩২ ইসরায়েল ৮,৩৯,৬৬৬ ৬,৪৩০ ৮,৩৩,০২৩
৩৩ হাঙ্গেরি ৮,০৬,৭৯০ ২৯,৯০৪ ৭,২৪,৬১৪
৩৪ জাপান ৭,৭৩,৮২২ ১৪,০৩৩ ৭,২৭,৭৩০
৩৫ জর্ডান ৭,৪৩,৩৩১ ৯,৫৯২ ৭,২৬,২১৯
৩৬ সার্বিয়া ৭,১৪,৮৯১ ৬,৯৬২ ৭,০৩,৭৭১
৩৭ সুইজারল্যান্ড ৭,০০,০৫১ ১০,৮৫৯ ৬,৬৬,৩৮৪
৩৮ মালয়েশিয়া ৬,৫৭,৫০৮ ৩,৯০৮ ৫,৮০,২৭৬
৩৯ অস্ট্রিয়া ৬,৪৮,৬২০ ১০,৬৬১ ৬,৩৩,৯৩৯
৪০ নেপাল ৬,০৮,৪৭২ ৮,৪১২ ৫,৩১,১০৫
৪১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৫,৯৭,৯৮৬ ১,৭২৬ ৫,৭৭,২৩৪
৪২ লেবানন ৫,৪২,৫২৩ ৭,৭৯৪ ৫,২৭,১৭৪
৪৩ মরক্কো ৫,২৩,৮৯০ ৯,২১১ ৫,১১,১২৬
৪৪ সৌদি আরব ৪,৬৫,৭৯৭ ৭,৫৭২ ৪,৪৮,০৯৩
৪৫ ইকুয়েডর ৪,৩৮,৯৩৪ ২১,০৪৮ ৩,৯৮,৬৪৫
৪৬ বুলগেরিয়া ৪,২০,২৯৪ ১৭,৮৯৮ ৩,৮৯,৪০২
৪৭ গ্রীস ৪,১৪,৯৩৩ ১২,৪১৯ ৩,৯১,৭৬১
৪৮ বেলারুশ ৪,০৫,৬৬৩ ২,৯৭৮ ৩,৯৮,৭৪২
৪৯ বলিভিয়া ৪,০৫,৩৪৭ ১৫,৪৮৫ ৩,১৯,৬৬৬
৫০ কাজাখস্তান ৪,০১,২৭২ ৪,১৬০ ৩,৭৬,৮৩১
৫১ স্লোভাকিয়া ৩,৯১,০২৬ ১২,৪৩৯ ৩,৭৭,২৫৪
৫২ প্যারাগুয়ে ৩,৮৯,৬৫০ ১০,৬৯৯ ৩,২২,২৬৯
৫৩ পানামা ৩,৮৭,১২৭ ৬,৪৩৯ ৩,৭১,৫৯৭
৫৪ তিউনিশিয়া ৩,৬৮,৯০৮ ১৩,৫১৫ ৩,২১,৪৮৫
৫৫ ক্রোয়েশিয়া ৩,৫৮,৫৬৩ ৮,১৩২ ৩,৪৯,২৪৪
৫৬ জর্জিয়া ৩,৫৩,৯৬৫ ৫,০৪৮ ৩,৩৯,৩৯২
৫৭ কোস্টারিকা ৩,৩৯,৯০০ ৪,৩২২ ২,৬১,১৯৫
৫৮ উরুগুয়ে ৩,৩৬,৪৭০ ৪,৯৫৬ ২,৯৬,৮৫৫
৫৯ আজারবাইজান ৩,৩৫,১৭১ ৪,৯৫৩ ৩,২৮,৫৮০
৬০ কুয়েত ৩,২৭,৯৬৩ ১,৮২০ ৩,১০,০৯৫
৬১ ফিলিস্তিন ৩,১১,০১৮ ৩,৫২৪ ৩,০২,৯৪৪
৬২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৩,০৭,৮৪৭ ৩,৭০৫ ২,৫০,৫৯৫
৬৩ ডেনমার্ক ২,৮৯,৮৭৪ ২,৫২৫ ২,৭৮,২৫৬
৬৪ লিথুনিয়া ২,৭৭,৭৪৬ ৪,৩৩৯ ২,৬৩,৩৬২
৬৫ ইথিওপিয়া ২,৭৪,১৮৭ ৪,২৪২ ২,৫০,৬৬৪
৬৬ মিসর ২,৭২,৪৯১ ১৫,৫৮২ ২,০০,২৭৩
৬৭ গুয়াতেমালা ২,৭১,৭০৩ ৮,৪৫৫ ২,৪৬,৪২৬
৬৮ আয়ারল্যান্ড ২,৬৬,৮১৯ ৪,৯৪১ ২,৪৯,৯২৯
৬৯ বাহরাইন ২,৫৭,৮৫২ ১,২০৬ ২,৪২,৬৭৮
৭০ স্লোভেনিয়া ২,৫৬,৪৪৩ ৪,৪০৪ ২,৪৯,২৩২
৭১ মলদোভা ২,৫৫,৭৯৭ ৬,১৫৪ ২,৪৮,৬৭১
৭২ ভেনেজুয়েলা ২,৫০,৩০৯ ২,৮১৪ ২,৩০,২৪৮
৭৩ হন্ডুরাস ২,৪৭,০৭৪ ৬,৬০৬ ৮৮,১৬৪
৭৪ ওমান ২,৩৪,৬৩৪ ২,৫১৩ ২,১০,৯৫২
৭৫ আর্মেনিয়া ২,২৩,৬৮২ ৪,৪৮৪ ২,১৫,১৯৫
৭৬ শ্রীলংকা ২,২৩,৬৩৮ ২,১৩৬ ১,৮৮,৫৪৭
৭৭ কাতার ২,১৯,৭৩০ ৫৭৭ ২,১৬,৯৪৪
৭৮ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,০৪,৫৯৭ ৯,৪৭৯ ১,৭৭,১২২
৭৯ থাইল্যান্ড ১,৯৫,৯০৯ ১,৪৪৯ ১,৫৪,৪১৪
৮০ লিবিয়া ১,৮৯,০৫৯ ৩,১৬১ ১,৭৪,৬৬৬
৮১ কেনিয়া ১,৭৫,১৭৬ ৩,৩৯৬ ১,২০,০৩১
৮২ নাইজেরিয়া ১,৬৭,০৫৯ ২,১১৭ ১,৬৩,৪৩৬
৮৩ কিউবা ১,৫৭,৭০৮ ১,০৮৭ ১,৪৯,৭৫৯
৮৪ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,৫৫,৫৩৬ ৫,৪৭১ ১,৪৯,৬২৮
৮৫ দক্ষিণ কোরিয়া ১,৪৭,৮৭৪ ১,৯৮৫ ১,৩৮,৫৮১
৮৬ মায়ানমার ১,৪৫,৬০৩ ৩,২৪৪ ১,৩২,৯২৮
৮৭ লাটভিয়া ১,৩৬,০৩০ ২,৪৫৬ ১,৩০,৭২৮
৮৮ আলজেরিয়া ১,৩৩,৩৮৮ ৩,৫৭১ ৯২,৮৫২
৮৯ আলবেনিয়া ১,৩২,৪৫৯ ২,৪৫৩ ১,২৯,৮৪২
৯০ এস্তোনিয়া ১,৩০,৫১০ ১,২৬৬ ১,২৫,৭৫৩
৯১ নরওয়ে ১,২৮,০৪৬ ৭৮৯ ৮৮,৯৫২
৯২ জাম্বিয়া ১,১১,৭৪৬ ১,৩৮৯ ৯৭,৭৫৬
৯৩ কিরগিজস্তান ১,১০,৩৭০ ১,৮৯০ ১,০২,৬৩৩
৯৪ উজবেকিস্তান ১,০৩,৫১০ ৭০৮ ৯৯,৪১৬
৯৫ মন্টিনিগ্রো ৯৯,৯৫৬ ১,৬০১ ৯৭,৯৩০
৯৬ ঘানা ৯৪,৪৯৩ ৭৮৯ ৯২,৫৮৯
৯৭ ফিনল্যাণ্ড ৯৩,৮২১ ৯৬৪ ৪৬,০০০
৯৮ আফগানিস্তান ৯১,৪৫৮ ৩,৬১২ ৬১,৪১০
৯৯ চীন ৯১,৪২৮ ৪,৬৩৬ ৮৬,৩৩৩
১০০ ক্যামেরুন ৮০,০৯০ ১,৩১০ ৭৭,৩০৫
১০১ মঙ্গোলিয়া ৭৬,০৮৪ ৩৬৫ ৫৬,৯৪৭
১০২ এল সালভাদর ৭৫,৩৫১ ২,২৯৫ ৭০,১৫০
১০৩ সাইপ্রাস ৭৩,১১৫ ৩৭২ ৭১,৪৬৪
১০৪ মোজাম্বিক ৭১,৫৩৮ ৮৪১ ৬৯,৮৮১
১০৫ লুক্সেমবার্গ ৭০,৪০৬ ৮১৮ ৬৮,৯৪৩
১০৬ মালদ্বীপ ৭০,৩০১ ১৯৭ ৬০,৭৬৯
১০৭ নামিবিয়া ৬৫,০৮৯ ৯৯৫ ৫৪,৫৩৫
১০৮ সিঙ্গাপুর ৬২,২৭৬ ৩৪ ৬১,৮৬৯
১০৯ উগান্ডা ৬১,৯৭৭ ৪২৮ ৪৮,১৬০
১১০ বতসোয়ানা ৫৯,৪৮০ ৮৯৬ ৫৫,৬১৭
১১১ জ্যামাইকা ৪৯,২৩২ ৯৯৬ ২৭,৩৬৫
১১২ আইভরি কোস্ট ৪৭,৬৬২ ৩০৬ ৪৭,১৭৮
১১৩ সেনেগাল ৪১,৯৯৮ ১,১৫৪ ৪০,৫৩৬
১১৪ মাদাগাস্কার ৪১,৯৩৩ ৮৮৭ ৪০,৮৭০
১১৫ জিম্বাবুয়ে ৩৯,৮৫২ ১,৬৩২ ৩৬,৯৯২
১১৬ কম্বোডিয়া ৩৮,৪২৭ ৩৩৫ ৩১,৮৫৮
১১৭ অ্যাঙ্গোলা ৩৬,৬০০ ৮২৫ ৩০,২০৭
১১৮ সুদান ৩৬,৩০৪ ২,৭৩২ ২৯,৯৯৪
১১৯ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৩৫,২২৮ ৮৩৪ ২৭,৮২৫
১২০ মালাউই ৩৪,৪৮৫ ১,১৫৯ ৩২,৭২৫
১২১ কেপ ভার্দে ৩১,৫৭১ ২৭৩ ৩০,৩১৬
১২২ মালটা ৩০,৫৮১ ৪১৯ ৩০,১০৩
১২৩ অস্ট্রেলিয়া ৩০,২৪৭ ৯১০ ২৯,১৮৯
১২৪ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ২৮,৭২৩ ৬৭০ ১৮,৮০৪
১২৫ রুয়ান্ডা ২৮,১৪৬ ৩৭০ ২৬,৩৪১
১২৬ রিইউনিয়ন ২৭,২৩৫ ২১২ ২৫,০৮৮
১২৭ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ২৫,৫০৬ ১৩৩ ৯,৯৯৫
১২৮ সিরিয়া ২৪,৮১৪ ১,৮১০ ২১,৬৭৫
১২৯ গ্যাবন ২৪,৭৩৬ ১৫৬ ২৩,৭৪১
১৩০ গিনি ২৩,৩৮৯ ১৬৭ ২১,৪৫২
১৩১ মায়োত্তে ২০,১৭৬ ১৭৩ ২,৯৬৪
১৩২ মৌরিতানিয়া ২০,০৪০ ৪৭৫ ১৯,০৯২
১৩৩ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৮,৯৩০ ১৪২ ১৮,৭৪৯
১৩৪ ইসওয়াতিনি ১৮,৭৩২ ৬৭৬ ১৭,৯৪৩
১৩৫ গায়ানা ১৮,৩০৩ ৪২৪ ১৬,২৫০
১৩৬ সুরিনাম ১৮,১১০ ৩৯৩ ১৩,৮১১
১৩৭ পাপুয়া নিউ গিনি ১৬,৬৮২ ১৬৫ ১৬,০১৭
১৩৮ গুয়াদেলৌপ ১৬,৬০৮ ২২৫ ২,২৫০
১৩৯ হাইতি ১৬,৩৫৬ ৩৫২ ১২,৫৬০
১৪০ সোমালিয়া ১৪,৭৭৯ ৭৭৪ ৭,০১৬
১৪১ মালি ১৪,৩৫০ ৫২৩ ৯,৯৫৯
১৪২ এনডোরা ১৩,৮১৩ ১২৭ ১৩,৫৯১
১৪৩ টোগো ১৩,৬২০ ১২৬ ১৩,৩০১
১৪৪ বুর্কিনা ফাঁসো ১৩,৪৫৯ ১৬৭ ১৩,২৭২
১৪৫ তাজিকিস্তান ১৩,৩০৮ ৯০ ১৩,২১৮
১৪৬ সিসিলি ১২,৯৭৩ ৪৬ ১১,৬৩৪
১৪৭ বেলিজ ১২,৯৩৮ ৩২৫ ১২,৪৬৩
১৪৮ তাইওয়ান ১২,৯২১ ৪৩৭ ১,১৩৩
১৪৯ কিউরাসাও ১২,২৯৩ ১২৩ ১২,১৪০
১৫০ কঙ্গো ১২,১২১ ১৬০ ১১,২১১
১৫১ মার্টিনিক ১২,১১০ ৯৮ ৯৮
১৫২ বাহামা ১২,০৯২ ২৩৬ ১১,০৮১
১৫৩ হংকং ১১,৮৭৮ ২১০ ১১,৫৯৮
১৫৪ জিবুতি ১১,৫৭২ ১৫৪ ১১,৪০১
১৫৫ আরুবা ১১,০৭৬ ১০৭ ১০,৯৫১
১৫৬ লেসোথো ১০,৮৫৯ ৩২৬ ৬,৪৪৩
১৫৭ দক্ষিণ সুদান ১০,৬৮৮ ১১৫ ১০,৫১৪
১৫৮ ভিয়েতনাম ১০,৫৩৮ ৫৯ ৩,৯৯৮
১৫৯ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৮,৬৫০ ১২০ ৮,৪১৩
১৬০ পূর্ব তিমুর ৮,২২৮ ১৮ ৬,৬৩০
১৬১ বেনিন ৮,১০৯ ১০২ ৭,৯৭৯
১৬২ নিকারাগুয়া ৭,৬৬২ ১৮৮ ৪,২২৫
১৬৩ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৭,১০১ ৯৮ ৬,৮৫৯
১৬৪ ইয়েমেন ৬,৮৬২ ১,৩৪৯ ৩,৭৪৩
১৬৫ আইসল্যান্ড ৬,৬১৬ ৩০ ৬,৫৪৩
১৬৬ গাম্বিয়া ৬,০০৮ ১৮০ ৫,৮১৩
১৬৭ নাইজার ৫,৪৪৬ ১৯২ ৫,১৬১
১৬৮ সেন্ট লুসিয়া ৫,১৭৯ ৮০ ৪,৯৮৪
১৬৯ সান ম্যারিনো ৫,০৯০ ৯০ ৪,৯৯৮
১৭০ বুরুন্ডি ৪,৯৯৫ ৭৭৩
১৭১ চাদ ৪,৯৪২ ১৭৪ ৪,৭৬৫
১৭২ ইরিত্রিয়া ৪,৮৪৮ ১৬ ৪,২৭৮
১৭৩ সিয়েরা লিওন ৪,৩৪৯ ৮২ ৩,১৭৮
১৭৪ জিব্রাল্টার ৪,৩১২ ৯৪ ৪,২০৩
১৭৫ চ্যানেল আইল্যান্ড ৪,১১১ ৮৬ ৩,৯৬৫
১৭৬ বার্বাডোস ৪,০৩৬ ৪৭ ৩,৯৭১
১৭৭ কমোরস ৩,৮৯৯ ১৪৬ ৩,৭৩৬
১৭৮ গিনি বিসাউ ৩,৮০২ ৬৯ ৩,৫৪৫
১৭৯ লিচেনস্টেইন ৩,০২৬ ৫৯ ২,৯৪৮
১৮০ নিউজিল্যান্ড ২,৭০৮ ২৬ ২,৬৫৫
১৮১ মোনাকো ২,৫২৫ ৩৩ ২,৪৭৩
১৮২ সিন্ট মার্টেন ২,৫২২ ৩১ ২,৪১৯
১৮৩ বারমুডা ২,৪৯৭ ৩৩ ২,৪৫৫
১৮৪ লাইবেরিয়া ২,৪৮৪ ৯৩ ২,০৬৫
১৮৫ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২,৪২১ ১৮ ২,৩৮৭
১৮৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২,১৪৭ ১২ ১,৮৯৭
১৮৭ সেন্ট মার্টিন ২,০৪০ ১২ ১,৩৯৯
১৮৮ লাওস ১,৯৯৬ ১,৮৬২
১৮৯ ভুটান ১,৮০৮ ১,৪৪০
১৯০ মরিশাস ১,৬৭৩ ১৮ ১,২৪৭
১৯১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১,৬১৯ ১৭ ৬,৪৪৫
১৯২ আইল অফ ম্যান ১,৫৯৯ ২৯ ১,৫৬৩
১৯৩ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১,২৬৩ ৪২ ১,২১৪
১৯৪ ফিজি ১,১১৮ ৩১২
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ১,০০৫ ৪৬২
১৯৬ ফারে আইল্যান্ড ৭৫৬ ৭২৭
১৯৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৯৮ কেম্যান আইল্যান্ড ৫৯২ ৫৭৮
১৯৯ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
২০০ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৪৫ ৪৩৮
২০১ ব্রুনাই ২৪৮ ২৩৯
২০২ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ২৪৮ ২০৯
২০৩ ডোমিনিকা ১৮৯ ১৮৮
২০৪ গ্রেনাডা ১৬১ ১৬০
২০৫ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫৫ ৬১
২০৬ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১২৮ ৫৮
২০৭ এ্যাঙ্গুইলা ১০৯ ১০৯
২০৮ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৬৩ ৬৩
২০৯ ম্যাকাও ৫২ ৫১
২১০ গ্রীনল্যাণ্ড ৪৪ ৪০
২১১ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ২৭
২১২ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ২৫ ২৫
২১৩ মন্টসেরাট ২০ ১৯
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ২০ ২০
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ ভানুয়াতু
২১৯ সামোয়া
২২০ সেন্ট হেলেনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]