ক্ষুধার তাড়না, তার সাথে করোনা: একটি নিখাদ আশাবাদী চিন্তা

সম্পাদকীয় ডেস্ক সম্পাদকীয় ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:৪৪ পিএম, ০৯ এপ্রিল ২০২০

ড. শামীম আহমেদ

এই রিপোর্টটি যখন লিখছি, তখন ৮ এপ্রিল, ২০২০ তারিখের রাত ১০টা প্রায়। কতক্ষণ লিখবো সেটা বলতে পারছি না। এ পর্যন্ত হিসাব মতে, বাংলাদেশে মোট করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২১৮ জন, মৃতের সংখ্যা ২০ জন। শুধু ঢাকায় আক্রান্তের সংখ্যা ১২২ জন। গত ১৭ নভেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে ৫৫ বছর বয়সের এক বৃদ্ধের শরীরে সর্বপ্রথম এই ভাইরাসটি শনাক্ত করা হয়। পরে ৩১ ডিসেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে এই ভাইরাস সম্পর্কে অফিসিয়ালি অবহিত করে চীন। এর ধারাবাহিকতায় ৭ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ভাইরাসটিকে শনাক্ত করার কথা জানায়। চীনের হুবেই প্রদেশেই প্রথম মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটে গত ১১ জানুয়ারি। ৩১ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই রোগটি ঘিরে বৈশ্বিক পরিসরে ‘পাবলিক হেলথ ইমার্জেন্সি’ জারি করে। পরে ৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই ভাইরাস রোধে কৌশলগত প্রস্তুতি ও মোকাবেলার পরিকল্পনা প্রকাশ করে। ১১ ফেব্রুয়ারি করোনাভাইরাসজনিত রোগটির নাম দেয়া কোভিড-১৯। এই হলো কোভিড-১৯ রোগের সংক্ষিপ্ত ব্যাকগ্রাউন্ড ইতিহাস (সূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা)।

এই ইতিহাস বলার পেছনের কারণ, যদি এটাকে শুধু চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরের কথা হিসেবে বিবেচনা করি, তবে সেই ১৭ নভেম্বর যে করোনার উৎপত্তি উহান শহর, সেটা থেকে সাময়িক মুক্ত হলো আজ ৮ এপ্রিল। অর্থাৎ প্রায় সাড়ে চার মাস। তাও যদি বিবেচনা করেন তাদের প্রস্তুতি, চিত্রটা কেমন ভিন্ন লাগবে। উহানের রোগীদের চিকিৎসা দেয়া ডাক্তার, নার্স ও সংশ্লিষ্টদের দেয়া হয়েছে রাষ্ট্রীয় বীরের মর্যাদা।

এবার বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আসা যাক। বাংলাদেশে প্রথম ৮ মার্চ তিনজনের মাঝে এই কোভিড-১৯ রোগ ধরা পড়ে বলে জানা যায়। পরে কিছুদিন বিরতি দিয়ে আবার দুইজনের মাঝে ধরা পড়ে ১৫ মার্চ। প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ১৮ মার্চ। তারপর শুরু হয় সংক্রমণ ও মৃত্যুর মিছিল। চমকে দেয়ার মতো পরিসংখ্যান দেখা যায় গত ক’দিনে। ৩ এপ্রিল ৫ জন, ৪ এপ্রিল ৯ জন, ৫ এপ্রিল ১৮ জন, ৬ এপ্রিল ৩৫ জন, ৭ এপ্রিল ৪১ জন আর ৮ এপ্রিল আক্রান্ত হিসেবে ৫৪ জন আক্রান্ত বলে জানানো হয়। একই সাথে ৪ এপ্রিল ২ জন, ৬ এপ্রিল ৩ জন, ৭ এপ্রিল ৫ জন আর ৮ এপ্রিল ৩ জনের মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়। পরিসংখ্যানের সমাপ্তি এখানে টানছি, কারণ এসব তথ্য বহুলপ্রকাশিত এবং নিত্য পরিবর্তনযোগ্য। লেখার মূল উদ্দেশ্যটিও কিন্তু পরিসংখ্যান ঘিরে নয়।

বিষয়বস্তু তো শিরোনাম অনুযায়ী হওয়া উচিত, এই রোগের সাথে ক্ষুধার তাড়নার কী সম্পর্ক? ক্ষুধা বিষয়টি মূলত কৃষিপণ্যের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও আমদানির উপর নির্ভরশীল। আবার সেই কৃষিপণ্যের উৎপাদন ও আমদানি, পণ্যের পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও বিক্রয় আজ চরমভাবে সম্পৃক্ত হয়ে উঠেছে করোনাভাইরাস এবং এর দ্বারা সংগঠিত কোভিড-১৯ রোগকে কেন্দ্র করে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই রোগটি নিয়ন্ত্রণ করছে বাংলাদেশের পুরো সিস্টেমকে। পুরো সিস্টেম নিয়ে বলার মতো দুঃসাহস না থাকলেও কৃষিবিদ হিসেবে কৃষি সেক্টর নিয়ে যতসামান্য কিছু বলা যায়।

বাংলাদেশে ফসল উৎপাদনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়টি হচ্ছে রবি মৌসুম। মাঠে মাঠে এখন সবুজের সমারোহ। বোরো ফসলের মাঠে এসময় কৃষকদের ব্যস্ত সময় কাটে ফসলের নিবিড় পরিচর্যায়, সেচ কার্যক্রম, সার-কীটনাশক প্রয়োগ, এমন কার্যক্রমে। কিন্তু গত ২৫ মার্চের পর থেকে শুরু হওয়া সরকারি ছুটি ঘোষণা আর দেশজুড়ে করোনার থাবায় মুখ থুবড়ে পড়েছে বাংলার গোটা কৃষি ও এর সাথে জড়িত পেশাজীবী গোষ্ঠী। বোরোর পাশাপাশি মাঠে রয়েছে পাকা গম, মাঝ বয়সী আম আর লিচু্। প্রকৃতভাবে বিবেচনা করলে এখন এই মুহূর্তে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় চলছে ’লক-ডাউন’ নামের করাল গ্রাস। ধীরে ধীরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে প্রায় গোটা দেশজুড়ে। সরকারের নির্দেশনা মেনে প্রতিটি উপজেলাতে যদিও কৃষি অফিসগুলো চালু আছে, কিন্তু এমন একটি সংক্রামক ব্যাধির সাথে লড়াই করে ফসল ফলাতে রীতিমত হিমসিম খেতে হচ্ছে বাংলার মেহনতি কৃষকদের। কৃষকরা তাদের প্রধান অর্থকরী ফসল বোরো ধানের কিংবা আম-লিচু বাগানের সঠিক পরিচর্যা করতে পারছে না। যদিও সরকার করোনা মোকাবেলায় ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার বৃহৎ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো এই প্যাকেজ থেকে কি কৃষক সরাসরি উপকৃত হওয়ার কোনো সুযোগ পাচ্ছে?

সরকার ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের মধ্যে যা রয়েছে:
সম্ভাব্য পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য সরকার যে চারটি কৌশল অবলম্বন করবে তা হলো-
ক) সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি; খ) আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ প্রণয়ন; গ) সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বৃদ্ধি; ও ঘ) মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধি। এই চারটি আর্থিক সহায়তা প্যাকেজের মাধ্যমে যে বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে- ১) ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও সার্ভিস সেক্টরের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সুবিধা দেয়া; ২) ক্ষুদ্র (কুটির শিল্পসহ) ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সুবিধা দেয়া; ৩) বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবর্তিত এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের (ইডিএফ) সুবিধা বাড়ানো; ৪) প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট রিফাইন্যান্স স্কিম প্রণয়ন করা। (সূত্র: দৈনিক যুগান্তর)।

এই প্রণোদনা প্যাকেজ নিঃসন্দেহে করোনা সৃষ্ট দেশের অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সেই সাথে হয়তো কৃষকের এবং কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে পরোক্ষ ভূমিকা পালন করবে। কিন্তু কৃষকের বর্তমান সমস্যা সমাধানে প্রত্যক্ষ কোনো ভূমিকা কি রাখতে পারবে? এই প্রণোদনা কি পারবে কৃষকের ফসল নিরাপদে ঘরে তুলতে? এই মহাদুঃশ্চিন্তা কমানোর জন্য কৃষিমন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক ২০১৯-২০ অর্থবছরে খরিপ-১/২০২০-২১ আউশ (২য় পর্যায়) উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার বীজ বিতরণের জন্য ৯ কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার ২৫০ টাকা কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির অর্থ ছাড়করণ ও অগ্রিম উত্তোলনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় জমির পরিমাণ থাকবে ১০৯২৬৫ বিঘা আর উপকারভোগী চাষির সংখ্যা হবে ১০৯২৬৫ জন। বীজ উপকরণের পরিমাণ ৫৪৬ দশমিক ৩২৫ মেট্রিক টন, ডিএপি ও এমওপি উপকরণের পরিমাণ যথাক্রমে ২১৮৫ দশমিক ৩ ও ১০৯২ দশমিক ৬৫ মেট্রিক টন। বীজ, ডিএপি ও এমওপি সারে জনপ্রতি উপকরণ বা আর্থিক সহায়তার পরিমাণ যথাক্রমে ৫, ২০ ও ১০ কেজি হিসেবে ৩০০ টাকা, ২৮০ টাকা ও ১৩০ টাকা। এছাড়া পরিবহন ব্যয় ও আনুষঙ্গিক খরচ বাবদও অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে এবারের এই প্রণোদনায়।

এটা হয়তো আগাম সহায়তা হিসেবে কৃষকদের আউশ আবাদে প্রত্যক্ষ সহায়তা করবে, হয়তো পরোক্ষভাবে রবি মৌসুমে কিছুটা আপদকালীন সহায়তা কৃষক এ থেকে পাবেন। কিন্তু এই সহায়তাই কি যথেষ্ট? গেল বছর কৃষকের ফসল কাটার শ্রমিক সংকট মেটাতে অনেক বিচিত্র অভিজ্ঞতার কথা নিশ্চয়ই আমাদের মনে আছে। বহু এলাকায় শ্রমিক না পেয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা তার অফিসের সমস্ত জনবল নিয়োজিত করেছিলেন কৃষকের সোনালী ফসল ঘরে তোলার জন্য। শুধু তাই নয়, কোনো কোনো জায়গায় প্রশাসনের লোক, স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রী কিংবা সমাজ সেবকদের পর্যন্ত মাঠে নামতে হয়েছে কৃষকের ফসল কর্তনের জন্য। রীতিমত হিমশিম খেয়েও অনেক স্থানে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি কৃষকের ফসলের ন্যায্য মূল্য। তাহলে বর্তমান করোনায় সৃষ্ট পরিস্থিতি সামাল দিতে কি সক্ষম হবো আমরা? যদিও গতবারের অভিজ্ঞতার আলোকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক মহোদয়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে প্রায় ৪০০০ (চার হাজার) কোটি টাকা ব্যয়ে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের এক বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। কিন্তু সেই প্রকল্প প্রণয়নের কাজও বর্তমানে চলমান। সুতরাং সেখান থেকেও চলতি রবি মৌসুমে উপকার পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

এই যখন পরিস্থিতি তখন কিভাবে কৃষক ঘরে বসে থাকেন? আর কৃষক-কৃষিবিদের সম্পর্কতো রাধা-কৃষ্ণের। কৃষ্ণের বাঁশির সুরে রাধা যেমন ছুটে আসে, কৃষকের মাঠে বিচরণ তেমনি ব্যাকুল করে তোলে কৃষি কর্মকর্তা, সার-বীজ ও কীটনাশক ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সর্বস্তরের কর্মীদের। কারণ এই কৃষকইতো আমাদের নায়ক। তাকে তো বাঁচাতেই হবে। তাহলে সত্যিকারের প্রণোদনা এই মুহূর্তে কার বেশি প্রয়োজন? যারা নিজেদের স্বার্থে দেশের হতদরিদ্র গার্মেন্টস কর্মীদের গত ২৫ মার্চ ঝুঁকির মুখে গাঁদাগাঁদি করে শহর থেকে গা ধাক্কা দিয়ে গ্রামে পাঠিয়ে দেয়, আবার সরকারি নির্দেশনার বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা না করে বিপুল লাভের লোভে কোনো রকম নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত না করে আবার বেতন-ভাতা আর চাকরির ভয় দেখিয়ে যোজন যোজন মাইল পায়ে হাঁটিয়ে করোনা রোগীর মৃত্যুপুরী ঢাকায় নিয়ে এলো তাদের? নাকি যারা নিজের জীবনকে বাজি রেখে ১৭ কোটি মানুষের মুখে আহার জুটিয়ে দেয় তাদের?

যদি আবার একটু ফিরে যাই সেদিনের সেই প্রণোদনা প্যাকেজের আলোচনায়, সেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা করেন, দেশে করোনায় সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবেলায় সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বৃদ্ধিতে গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে অন্যতম প্রধান কাজ হলো দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী জনগণ, দিনমজুর এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক কাজে নিয়োজিত জনসাধারণের মৌলিক চাহিদা পূরণে বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বৃদ্ধি করা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমসমূহ হলো: (১) বিনামূল্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ; (২) ১০ টাকা কেজি দরে চাউল বিক্রয়; (৩) লক্ষ্যভিত্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ; (৪) ‘বয়স্ক ভাতা’ এবং ‘বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলাদের জন্য ভাতা’ কর্মসূচির আওতা সর্বাধিক দারিদ্র্যপ্রবণ ১০০টি উপজেলায় শতভাগে উন্নীত করা; এবং (৫) জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে গৃহীত অন্যতম কার্যক্রম গৃহহীন মানুষদের জন্য গৃহ নির্মাণ কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়ন করা ইত্যাদি।

কৃষি সংশ্লিষ্টরা স্বভাবতই ভাববেন, বর্তমান রবি মৌসুমে মাঠে পড়ে থাকা বোরো, গম কিংবা আম-লিচুসহ অন্যান্য ফসলের সঠিক পরিচর্যা ও কৃষকের ফসল নিরাপদে ঘরে তোলার জন্য আপদকালীন একটি কৃষি প্রণোদনার বিশেষ প্রয়োজন নয় কি? কৃষি বিষয়ক সকল সংগঠন, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, কৃষি বিষয়ক টিভি-রেডিও চ্যানেলগুলোর কি এগুলো নিয়ে একটু ভাবা দরকার নয়? আমাদের মাঠের নায়ক কৃষকের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, তাদের যারা সেবা দিচ্ছেন, সেই কৃষি কর্মকর্তাদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার বিষয়টি কি গুরুত্বপূর্ণ নয়? করোনা কি তাদের আক্রমণ করবে না? মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত স্বাস্থ্য বীমার আওতায় কি কৃষক-কৃষিবিদরাও অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন না?

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও তার সরকার বরাবরই কৃষিবান্ধব। আমরা আশা ও বিশ্বাস করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিশ্চয়ই উল্লেখিত বিষয়গুলো ইতোমধ্যেই তার সদয় বিবেচনায় নিয়েছেন। আমরা আশা করি অচিরেই তার নিকট থেকে এই বিষয়ে একটি ঘোষণা শুনতে পারব। দেশের কৃষককে বাঁচাতে তিনি তার পিতা আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে প্রাধান্য দিয়ে কৃষিকেই অগ্রাধিকারভিত্তিতে মূল্যায়ন করবেন, এটাই আমরা বিশ্বাস করি। সেক্ষেত্রে শিরোনামে যেটা বলা হয়েছিল, ক্ষুধার তাড়না আর সমসাময়িক করোনা- দু’টোই সমসাময়িক দুঃশ্চিন্তার কারণ। আপাতদৃষ্টিতে করোনার প্রভাবে বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্র যেভাবে অর্থনৈতিক ক্ষতিটাকে প্রাধান্য দিচ্ছে, বাংলাদেশের জন্য চিত্রটা কিন্তু ভিন্ন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কৃষির ভূমিকাকে যদি এভাবে দেখি যে, বিগত বেশ কিছু বছর ধরে কৃষি কিন্তু আমাদের অর্থনীতিতে আলাদা করে কোনো চাপ সৃষ্টি করেনি, বরং জিডিপিতে প্রবৃদ্ধির হার নিয়মিতভাবে উর্ধ্বে রেখেছে। আর সেই বাড়তি চাপ থেকে সরকার মুক্ত থাকাতেই কিন্তু নিতে পারছে একটার পর একটা মেগা প্রজেক্ট। বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রগুলো যেখানে দিনে দিনে আমদানি নির্ভর কৃষির দিকে ঝুঁকছে, বাংলাদেশ সেখানে রফতানিমুখী কৃষির এক গৌরবময় উদাহরণ।

এসব নিয়ে কথা বলায় কিংবা আল্লাহর ওপর ভরসা করার কথা বলায়, আমাকে আমার কিছু বিলাতপ্রবাসী বন্ধু বলে- আমি নাকি ভীতু প্যাসিমিস্টিক (নৈরাশ্যবাদী) লোক। কারণ আমি বাংলাদেশের এই অসহায় গরিব মানুষগুলোর মতো মাঝে মাঝে ভাবি, সামনে রোজার মাসে বেশি বেশি ইবাদত করলে হয়তো করোনা চলে যাবে, অথবা আর একটু গরম পড়লে সাথে একটু বৃষ্টি হলেই হয়তো করোনারভাইরাস টিকে থাকতে পারবে না। কারণ অন্য সবার মতো করোনায় মরার ভয়ের চেয়ে না খেয়ে মরার ভয় যে এখানে অনেক বেশি। উন্নত দেশে থেকে আশাব্যঞ্জক চিন্তা করার সুযোগ আমার হয়তো নেই, তাই আমার চিন্তা চেতনাটা নেতিবাচকই সব সময়। আপনি মশাই ইতিবাচক চিন্তাটাই করুন না। তবে মনে রাখবেন, আমি বা আমরা কিন্তু ভালোই ছিলাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশ কিন্তু মধ্যম আয়ের দেশেই যাচ্ছিল। এই আপনাদের ঢুকতে দিতে গিয়েই আজ আমাদের এই দশা। অথচ আপনাদের একটু কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলায় বললেন...। থাক সে কথা। সম্ভব হলে আপনাদের অর্জিত জ্ঞান দিয়ে এই করোনা মোকাবেলার উপায় খুঁজতে সহায়তা করুন। দেশীয় বিজ্ঞানীরা কিছু উদ্ভাবন করলে সেগুলোর সমালোচনা না করে, সেগুলোর ভুল দিকটা ধরিয়ে সেটিকে কাজে লাগানোর পরামর্শ দিন। ড. বিজন স্যার কিংবা ড. আলিমুল স্যারের উদ্ভাবনকে তুচ্ছ না ভেবে এর চেয়ে ভালো কিছু উদ্ভাবনের চেষ্টাটাই হবে সঠিক সমালোচনা, আসল ইতিবাচক চিন্তা। বাংলাদেশের জন্য বর্তমানে ক্ষুধার তাড়না আর করোনা দু’টোই মূল আলোচনা। আর এই নিয়ে ভাবাটাই বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে ইতিবাচক ভাবনা। একটি পিওর অপটিমিস্টিক চিন্তা।

লেখক
অতিরিক্ত উপ-পরিচালক
(কন্দাল, সবজি ও মসলা জাতীয় ফসল)
হর্টিকালচার উইং
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর (ডিএই)

এইচএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৫৯,৩১,৮৬৭
আক্রান্ত

৩,৬২,৬১৩
মৃত

২৫,৯৫,৯৮২
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪২,৮৪৪ ৫৮২ ৯,০১৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৭,৬৮,৬০৮ ১,০৩,৩৪৪ ৪,৯৮,৭৬২
ব্রাজিল ৪,৩৮,৮১২ ২৬,৯৯১ ১,৯৩,১৮১
রাশিয়া ৩,৮৭,৬২৩ ৪,৩৭৪ ১,৫৯,২৫৭
স্পেন ২,৮৪,৯৮৬ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ২,৬৯,১২৭ ৩৭,৮৩৭ ৩৪৪
ইতালি ২,৩১,৭৩২ ৩৩,১৪২ ১,৫০,৬০৪
ফ্রান্স ১,৮৬,২৩৮ ২৮,৬৬২ ৬৭,১৯১
জার্মানি ১,৮২,৪৫২ ৮,৫৭০ ১,৬৪,১০০
১০ ভারত ১,৬৭,৪৪২ ৪,৭৯৭ ৭১,৩৮৫
১১ তুরস্ক ১,৬০,৯৭৯ ৪,৪৬১ ১,২৪,৩৬৯
১২ ইরান ১,৪৬,৬৬৮ ৭,৬৭৭ ১,১৪,৯৩১
১৩ পেরু ১,৪১,৭৭৯ ৪,০৯৯ ৫৯,৪৪২
১৪ কানাডা ৮৮,৫১২ ৬,৮৭৭ ৪৬,৮৪০
১৫ চিলি ৮৬,৯৪৩ ৮৯০ ৩৬,১৫০
১৬ চীন ৮২,৯৯৫ ৪,৬৩৪ ৭৮,২৯১
১৭ মেক্সিকো ৮১,৪০০ ৯,০৪৪ ৫৬,৬৩৮
১৮ সৌদি আরব ৮০,১৮৫ ৪৪১ ৫৪,৫৫৩
১৯ পাকিস্তান ৬৪,০২৮ ১,৩১৭ ২২,৩০৫
২০ বেলজিয়াম ৫৮,০৬১ ৯,৪৩০ ১৫,৬৮২
২১ কাতার ৫২,৯০৭ ৩৬ ১৫,৩৯৯
২২ নেদারল্যান্ডস ৪৫,৯৫০ ৫,৯০৩ ২৫০
২৩ বেলারুশ ৩৯,৮৫৮ ২১৯ ১৬,৬৬০
২৪ ইকুয়েডর ৩৮,৪৭১ ৩,৩১৩ ১৮,৪২৫
২৫ সুইডেন ৩৫,৭২৭ ৪,২৬৬ ৪,৯৭১
২৬ সিঙ্গাপুর ৩৩,৮৬০ ২৩ ১৮,২৯৪
২৭ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৩২,৫৩২ ২৫৮ ১৬,৬৮৫
২৮ পর্তুগাল ৩১,৫৯৬ ১,৩৬৯ ১৮,৬৩৭
২৯ সুইজারল্যান্ড ৩০,৭৯৬ ১,৯১৯ ২৮,৩০০
৩০ দক্ষিণ আফ্রিকা ২৭,৪০৩ ৫৭৭ ১৪,৩৭০
৩১ কলম্বিয়া ২৫,৩৬৬ ৮২২ ৬,৬৬৫
৩২ ইন্দোনেশিয়া ২৫,২১৬ ১,৫২০ ৬,৪৯২
৩৩ আয়ারল্যান্ড ২৪,৮৪১ ১,৬৩৯ ২২,০৮৯
৩৪ কুয়েত ২৪,১১২ ১৮৫ ৮,৬৯৮
৩৫ পোল্যান্ড ২২,৯৬৪ ১,০৪৩ ১০,৬৯২
৩৬ ইউক্রেন ২২,৮১১ ৬৭৯ ৮,৯৩৪
৩৭ মিসর ২০,৭৯৩ ৮৪৫ ৫,৩৫৯
৩৮ রোমানিয়া ১৮,৯৮২ ১,২৪০ ১২,৮২৯
৩৯ ইসরায়েল ১৬,৮৮৭ ২৮৪ ১৪,৭২৭
৪০ জাপান ১৬,৬৮৩ ৮৬৭ ১৪,১৪৭
৪১ অস্ট্রিয়া ১৬,৬৫৫ ৬৬৮ ১৫,৩৪৭
৪২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১৬,০৬৮ ৪৮৫ ৮,৯৫২
৪৩ ফিলিপাইন ১৫,৫৮৮ ৯২১ ৩,৫৯৮
৪৪ আর্জেন্টিনা ১৪,৭০২ ৫০৮ ৪,৬১৭
৪৫ আফগানিস্তান ১৩,৬৫৯ ২৪৬ ১,২৫৯
৪৬ পানামা ১২,১৩১ ৩২০ ৭,৩৭৯
৪৭ ডেনমার্ক ১১,৫১২ ৫৬৮ ১০,১৮০
৪৮ দক্ষিণ কোরিয়া ১১,৪০২ ২৬৯ ১০,৩৬৩
৪৯ সার্বিয়া ১১,৩০০ ২৪১ ৬,৪৩৮
৫০ বাহরাইন ১০,০৫২ ১৫ ৫,৪১৯
৫১ কাজাখস্তান ৯,৯৩২ ৪৮৯ ৪,৯০০
৫২ ওমান ৯,৮২০ ৪০ ২,৩৯৬
৫৩ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,১৪৩ ৩১৯ ৬,৪৬৪
৫৪ আলজেরিয়া ৮,৯৯৭ ৬৩০ ৫,২৭৭
৫৫ নাইজেরিয়া ৮,৯১৫ ২৫৯ ২,৫৯২
৫৬ আর্মেনিয়া ৮,৬৭৬ ১২০ ৩,২৯৭
৫৭ নরওয়ে ৮,৪১১ ২৩৬ ৭,৭২৭
৫৮ বলিভিয়া ৮,৩৮৭ ২৯৩ ৭৩৮
৫৯ মালয়েশিয়া ৭,৭৩২ ১১৫ ৬,২৩৫
৬০ মলদোভা ৭,৭২৫ ২৮২ ৪,১২৩
৬১ মরক্কো ৭,৬৯৭ ২০২ ৫,২২৩
৬২ ঘানা ৭,৩০৩ ৩৪ ২,৪১২
৬৩ অস্ট্রেলিয়া ৭,১৭৩ ১০৩ ৬,৫৮২
৬৪ ফিনল্যাণ্ড ৬,৭৭৬ ৩১৩ ৫,৫০০
৬৫ ইরাক ৫,৪৫৭ ১৭৯ ২,৯৭১
৬৬ ক্যামেরুন ৫,৪৩৬ ১৭৫ ১,৯৯৬
৬৭ আজারবাইজান ৪,৭৫৯ ৫৬ ৩,০২২
৬৮ হন্ডুরাস ৪,৭৫২ ১৯৬ ৫১৯
৬৯ গুয়াতেমালা ৪,৩৪৮ ৮০ ৫৬৫
৭০ সুদান ৪,৩৪৬ ১৯৫ ৭৪৯
৭১ লুক্সেমবার্গ ৪,০০৮ ১১০ ৩,৮০৩
৭২ হাঙ্গেরি ৩,৮৪১ ৫১৭ ২,০২৪
৭৩ তাজিকিস্তান ৩,৫৬৩ ৪৭ ১,৬৭৪
৭৪ গিনি ৩,৫৫৩ ২২ ১,৯৫০
৭৫ উজবেকিস্তান ৩,৪৬৩ ১৪ ২,৬৯৪
৭৬ সেনেগাল ৩,৪২৯ ৪১ ১,৭৩৮
৭৭ থাইল্যান্ড ৩,০৭৬ ৫৭ ২,৯৪৫
৭৮ জিবুতি ২,৯১৪ ২০ ১,২৪১
৭৯ গ্রীস ২,৯০৬ ১৭৫ ১,৩৭৪
৮০ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২,৮৩৩ ৬৯ ৪০০
৮১ আইভরি কোস্ট ২,৬৪১ ৩২ ১,৩২৬
৮২ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৪৮৫ ১৫৩ ১,৮০৩
৮৩ বুলগেরিয়া ২,৪৮৫ ১৩৬ ১,০১৬
৮৪ গ্যাবন ২,৪৩১ ১৪ ৬৬৮
৮৫ এল সালভাদর ২,২৭৮ ৪২ ১,০১৫
৮৬ ক্রোয়েশিয়া ২,২৪৫ ১০২ ২,০৫১
৮৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,০৭৭ ১২১ ১,৪৮৬
৮৮ কিউবা ১,৯৮৩ ৮২ ১,৭৩৪
৮৯ এস্তোনিয়া ১,৮৫৯ ৬৭ ১,৬১০
৯০ সোমালিয়া ১,৮২৮ ৭২ ৩১০
৯১ আইসল্যান্ড ১,৮০৫ ১০ ১,৭৯২
৯২ মায়োত্তে ১,৬৭০ ২১ ১,৩১৫
৯৩ লিথুনিয়া ১,৬৬২ ৬৮ ১,২১৬
৯৪ কিরগিজস্তান ১,৬৬২ ১৬ ১,০৮৮
৯৫ কেনিয়া ১,৬১৮ ৫৮ ৪২১
৯৬ শ্রীলংকা ১,৫৩০ ১০ ৭৫৪
৯৭ স্লোভাকিয়া ১,৫২০ ২৮ ১,৩৩৮
৯৮ মালদ্বীপ ১,৫১৩ ১৯৭
৯৯ নিউজিল্যান্ড ১,৫০৪ ২২ ১,৪৮১
১০০ স্লোভেনিয়া ১,৪৭৩ ১০৮ ১,৩৫৭
১০১ হাইতি ১,৪৪৩ ৩৫ ২৯
১০২ ভেনেজুয়েলা ১,৩২৫ ১৬ ৩০২
১০৩ নেপাল ১,২১২ ২০৬
১০৪ গিনি বিসাউ ১,১৯৫ ৪২
১০৫ মালি ১,১৯৪ ৭২ ৬৫২
১০৬ লেবানন ১,১৬৮ ২৬ ৬৯৯
১০৭ আলবেনিয়া ১,০৯৯ ৩৩ ৮৫১
১০৮ হংকং ১,০৮০ ১,০৩৫
১০৯ তিউনিশিয়া ১,০৭১ ৪৮ ৯৪৬
১১০ লাটভিয়া ১,০৬৫ ২৪ ৭৪৫
১১১ জাম্বিয়া ১,০৫৭ ৭৭৯
১১২ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১,০৪৩ ১২ ১৬৫
১১৩ কোস্টারিকা ১,০০০ ১০ ৬৪৬
১১৪ দক্ষিণ সুদান ৯৯৪ ১০
১১৫ নাইজার ৯৫৫ ৬৪ ৮০৩
১১৬ সাইপ্রাস ৯৪১ ১৭ ৭৮৪
১১৭ প্যারাগুয়ে ৯০০ ১১ ৪০২
১১৮ উরুগুয়ে ৮৮৭ ২২ ৬৫৪
১১৯ বুর্কিনা ফাঁসো ৮৪৭ ৫৩ ৭১৯
১২০ ইথিওপিয়া ৮৩১ ১৯১
১২১ সিয়েরা লিওন ৮১২ ৪৫ ৩৬১
১২২ এনডোরা ৭৬৩ ৫১ ৬৮১
১২৩ নিকারাগুয়া ৭৫৯ ৩৫ ৩৭০
১২৪ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৭৫৫ ২৩
১২৫ জর্জিয়া ৭৪৬ ১২ ৫৭৬
১২৬ জর্ডান ৭২৮ ৫৮৬
১২৭ চাদ ৭২৬ ৬৫ ৪১৩
১২৮ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১২৯ মাদাগাস্কার ৬৯৮ ১৬৪
১৩০ সান ম্যারিনো ৬৭০ ৪২ ৩২২
১৩১ মালটা ৬১৬ ৫০১
১৩২ ফিলিস্তিন ৫৭৭ ৩৬৮
১৩৩ কঙ্গো ৫৭১ ১৯ ১৬১
১৩৪ জ্যামাইকা ৫৬৯ ২৮৪
১৩৫ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৬০ ৪৫ ৫১৭
১৩৬ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৩৭ রিইউনিয়ন ৪৬৫ ৪১১
১৩৮ তাইওয়ান ৪৪২ ৪২০
১৩৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৩৬ ১৬১
১৪০ টোগো ৪২২ ১৩ ১৯৭
১৪১ কেপ ভার্দে ৩৯০ ১৫৫
১৪২ রুয়ান্ডা ৩৪৯ ২৪৫
১৪৩ মৌরিতানিয়া ৩৪৬ ১৯ ১৫
১৪৪ বেনিন ৩৩৯ ১৩৪
১৪৫ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩০৬
১৪৬ মরিশাস ৩৩৪ ১০ ৩২২
১৪৭ ভিয়েতনাম ৩২৭ ২৭৮
১৪৮ মন্টিনিগ্রো ৩২৪ ৩১৫
১৪৯ উগান্ডা ৩১৭ ৬৯
১৫০ ইসওয়াতিনি ২৭৯ ১৬৮
১৫১ ইয়েমেন ২৭৮ ৫৭ ১১
১৫২ লাইবেরিয়া ২৬৯ ২৭ ১৪৪
১৫৩ মোজাম্বিক ২৩৩ ৮২
১৫৪ মায়ানমার ২০৬ ১২৬
১৫৫ মালাউই ২০৩ ৩৭
১৫৬ মার্টিনিক ১৯৭ ১৪ ৯১
১৫৭ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৫৮ মঙ্গোলিয়া ১৭৯ ৪৩
১৫৯ গুয়াদেলৌপ ১৬১ ১৪ ১১৫
১৬০ জিব্রাল্টার ১৫৮ ১৪৭
১৬১ গায়ানা ১৫০ ১১ ৬৭
১৬২ জিম্বাবুয়ে ১৪৯ ২৮
১৬৩ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৬৪ বারমুডা ১৪০ ৯২
১৬৫ কেম্যান আইল্যান্ড ১৪০ ৬৭
১৬৬ কম্বোডিয়া ১২৪ ১২২
১৬৭ সিরিয়া ১২২ ৪৩
১৬৮ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১১৬ ১০৮
১৬৯ লিবিয়া ১০৫ ৪১
১৭০ আরুবা ১০১ ৯৮
১৭১ বাহামা ১০১ ১১ ৪৭
১৭২ মোনাকো ৯৮ ৯০
১৭৩ বার্বাডোস ৯২ ৭৬
১৭৪ কমোরস ৮৭ ২৪
১৭৫ লিচেনস্টেইন ৮২ ৫৫
১৭৬ সিন্ট মার্টেন ৭৭ ১৫ ৬০
১৭৭ অ্যাঙ্গোলা ৭৪ ১৮
১৭৮ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬০ ৬০
১৭৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮০ ম্যাকাও ৪৫ ৪৫
১৮১ বুরুন্ডি ৪২ ২০
১৮২ সেন্ট মার্টিন ৪০ ৩৩
১৮৩ ইরিত্রিয়া ৩৯ ৩৯
১৮৪ বতসোয়ানা ৩৫ ২০
১৮৫ ভুটান ৩১
১৮৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২৫ ১৯
১৮৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৫ ১৪
১৮৮ গাম্বিয়া ২৫ ১৯
১৮৯ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯০ নামিবিয়া ২৩ ১৪
১৯১ গ্রেনাডা ২৩ ১৮
১৯২ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৯ ১৮
১৯৩ লাওস ১৯ ১৬
১৯৪ সেন্ট লুসিয়া ১৮ ১৮
১৯৫ কিউরাসাও ১৮ ১৪
১৯৬ ফিজি ১৮ ১৫
১৯৭ বেলিজ ১৮ ১৬
১৯৮ ডোমিনিকা ১৬ ১৬
১৯৯ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০০ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১১
২০১ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০২ সুরিনাম ১২
২০৩ ভ্যাটিকান সিটি ১২
২০৪ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১২ ১০
২০৫ সিসিলি ১১ ১১
২০৬ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৭ জান্ডাম (জাহাজ)
২০৮ পশ্চিম সাহারা
২০৯ পাপুয়া নিউ গিনি
২১০ সেন্ট বারথেলিমি
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ এ্যাঙ্গুইলা
২১৩ লেসোথো
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।