মহামারি করোনা প্রতিরোধে কিছু প্রস্তাবনা

সম্পাদকীয় ডেস্ক সম্পাদকীয় ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:৩৪ পিএম, ১৮ এপ্রিল ২০২০

ডা. মো. হাসান ইমাম

করোনাভাইরাস প্রতিরোধ ও চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে সরকার বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। যার ফলে এখনো বাংলাদেশকে সংক্রমণের চতুর্থ ধাপের মারাত্মক ঝুঁকি থেকে বের করে আনার একটা শেষ সুযোগ আছে। কিন্তু বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দফতরের সমন্বয়হীনতা ও ভুল তথ্যপ্রদানের জন্য সব উদ্যোগ ব্যর্থ হতে চলেছে এবং দেশ আজ মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়ে গেছে। আমরা যদি সংক্রমণের চতুর্থ ধাপের মারাত্মক ঝুঁকি থেকে বাঁচতে চাই তাহলে নিচের ১ থেকে ৮ নম্বর পর্যন্ত প্রস্তাবনাগুলো আগামী তিন থেকে পাঁচদিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে পারলে এবং অন্য প্রস্তাবনাগুলো জরুরি ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করতে পারলে বাংলাদেশকে কিছু দিনের মধ্যে করোনাভাইরাসের মহামারি থেকে মুক্ত করতে পারা যাবে ইনশাআল্লাহ।

১. মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতীয় দুর্যোগ সংক্রান্ত কাউন্সিল জরুরি ভিত্তিতে গঠন। (যৌক্তিকতা: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে অন্য মন্ত্রণালয়গুলো সমন্বয় করছে না।)

২. ঢাকার যে সকল এলাকা এবং দেশের যে সকল বিভাগ, জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে তাদের সংস্পর্শে আসা সকল ব্যক্তি এবং সংক্রমিত সকল এলাকার ওয়ার্ড/গ্রাম/মহল্লাভিত্তিক সন্দেহজনক সকল পরিবারকে আগামী তিন থেকে পাঁচদিনের মধ্যে সর্বোচ্চ জনবল নিয়োগ করে করোনা টেস্ট করতে হবে এবং যাদের টেস্ট পজিটিভ হবে তাদের দ্রুত প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে এবং সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে নিতে হবে। (যৌক্তিকতা: জনগণ নিজ বাড়িতে আইসোলেশন/কোয়ারেন্টাইন মেনে চলতে পারে না, বরং প্রতিবেশী ও পরিবারের অন্যদের আক্রান্ত করে ফেলবে।)

৩. বাংলাদেশের প্রতিটি বিভাগ, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রামে যাদের ন্যূনতম করোনার উপসর্গ আছে এবং করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছে, সর্বোচ্চ জনবল নিয়োগ করে তাদের সকলের আগামী তিন থেকে পাঁচদিনের মধ্যে করোনা টেস্ট করতে হবে এবং রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত তাদের সবাইকে আইসোলেশন/কোয়ারেন্টাইনে রাখতে হবে। দক্ষিণ কোরিয়ার মতো পিপিই ছাড়া করোনা টেস্ট বুথ বানিয়ে স্যাম্পল সংগ্রহ করা যায় অথবা মেডিকেল কলেজ, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন হাসপাতাল ও কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরতদের মাধ্যমে স্যাম্পল সংগ্রহ করতে হবে, এতে সমগ্র দেশের যেকোনো স্থানে দ্রুত সময়ে স্যাম্পল সংগ্রহ করা যাবে।

৪. করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এলাকা এবং জেলাগুলোতে সরকারের পক্ষ থেকে লকডাউন করা হলেও জনগণের অসচেতনতার জন্য অনেকেই লকডাউন সঠিকভাবে মানছে না, লকডাউন শতভাগ কার্যকরী করতে হলে এখনই কারফিউ অথবা জরুরি আইন প্রয়োগের মাধ্যমে ঘরে থাকা বাধ্যতামূলক করতে হবে। বিশেষজ্ঞদের নিয়ে দুটি টিম গঠন করে একটি টিমকে শুধু প্রতিরোধকমূলক কাজে এবং অন্য টিমকে চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার কাজে লাগাতে হবে।

৫. যাদের সক্ষমতা আছে শুধু তাদের অর্থের বিনিময়ে এবং সকল গরিব ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ঘরে ঘরে বিনামূল্যে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিজিবি,পুলিশ, র‍্যাব, আনসার, জেলা প্রশাসক, ইউএনও এবং জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে খাবার পৌঁছে দিতে হবে। (যৌক্তিকতা: তাহলে খাবারের জন্য অথবা অন্য কোনো অজুহাতে ঘর থেকে কেউ বের হবে না এবং না খেয়ে কেউ কষ্ট পাবে না। চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান এই পদ্ধতি অবলম্বন করে সফল হয়েছে।)

৬. বাংলাদেশে প্রচুর এক্সপ্রেস ট্রেন, স্টিমার, উন্নতমানের হোটেল, ইজতেমা মাঠ, স্টেডিয়াম, সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের বেড বর্তমানে অব্যবহৃত আছে। ট্রেনের বগি, স্টিমারের কেবিন, হোটেলের কেবিন, ইজতেমা মাঠ, ঢাকাসহ যে সকল জেলায় করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে সে সকল জেলার স্টেডিয়াম, সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের (নির্দিষ্ট সংখ্যক বেড) অস্থায়ী করোনা হাসপাতাল অথবা আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টাইন সেন্টার করার ব্যবস্থা গ্রহণ। (যৌক্তিকতা: এ ধরনের সেন্টারে করোনা আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন রোগী রাখলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে)

৭. দেশের সকল বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ফায়ার সার্ভিস, ওয়াসা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভার পক্ষ থেকে প্রতিদিন রাস্তায় জীবাণুনাশক স্প্রে করতে হবে। বিশেষ করে যেসকল বিভাগ ও জেলা সংক্রমিত। সকল যানবাহন বাসায়/অফিসে প্রবেশের পূর্বেই গেটের বাইরে চাকাসহ বডি জীবাণুনাশক দিয়ে স্প্রে করতে হবে এবং ঘরের বাইরে যারা যাবেন সবাই বাসার মেইন গেটের বাইরে জুতা স্প্রে করে ঘরের বাইরে রাখতে হবে। (যৌক্তিকতা যানবাহনের চাকা ও জুতার মাধ্যমে করোনাভাইরাস ফ্ল্যাট/বাসায় সংক্রমিত করে)

৮. গত ১ মার্চ থেকে যতজন ব্যক্তি বিদেশ থেকে বাংলাদেশে বিমানবন্দর, স্থলবন্দর, নৌবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও রেলপথ দিয়ে প্রবেশ করেছে তাদের সকলের এবং তাদের পরিবারের করোনা টেস্ট করাতে হবে। (যাদের টেস্ট করা হয়েছে তারা ব্যতীত)। যাদের করোনা টেস্ট পজিটিভ হবে তাদের সকলকে দ্রুত প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে নিতে হবে এবং করোনা রোগীর সংস্পর্শে যারা ছিল তাদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে নিতে হবে।

৯. মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নির্দেশিত ৩১ দফা কঠোরভাবে পালনের ব্যবস্থা করন।

১০. এ গ্রেডের অথবা সক্ষম সকল বেসরকারি হাসপাতালকে দ্রুত করোনা টেস্ট করার ও চিকিৎসা প্রদানের অনুমতি প্রদান এবং টেস্ট ফি সরকার কর্তৃক নির্ধারণ অথবা ফ্রি করা। (যৌক্তিকতা: তাহলে করোনা রোগী দ্রুত শনাক্ত হবে এবং করোনার ভয়ে অন্য রোগীদের যে সেবা বন্ধ ছিল সেটা দ্রুত চালু হবে)।

১১. প্রতিটি এ গ্রেডের/সক্ষমতা সম্পন্ন বেসরকারি হাসপাতালে ন্যূনতম ২০টি আইসিইউ বেড করোনা রোগীর জন্য প্রস্তুত করা বাধ্যতামূলক করতে হবে।

১২. বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টার, আকিজ গ্রুপের স্থাপনা, বঙ্গবন্ধু ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারকে পাঁচ হাজার শয্যার অস্থায়ী হাসপাতালে রূপান্তর করতে হবে, এই অস্থায়ী হাসপাতালে ন্যূনতম এক হাজার আইসিইউ বেড প্রস্তুত করতে হবে। (যৌক্তিকতা: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ২০-৩০% রোগীর আইসিইউ সাপোর্ট লাগে, আইসিইউ সাপোর্ট দেয়া গেলে বেশির ভাগ রোগীকে বাচানো যাবে)

১৩. সরকারের পক্ষ থেকে আগামী এক মাসের মধ্যে ন্যূনতম দুই হাজার বেডের আইসিইউ প্রস্তুত করতে হবে।

১৪. সমগ্র বাংলাদেশ লকডাউন করা, বিশেষ করে যে সকল জেলায় করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে সে সকল জেলা। যে সকল জেলা এখনো সংক্রমিত হয়নি সে সকল জেলায় বাইরে থেকে কাউকে ঢুকতে না দেয়া এবং অন্য জেলায় যেতে না দেয়া। (যৌক্তিকতা: সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে পারলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম লকডাউন করে সফল হয়েছে)

১৫. সকল উপজেলা, জেলা ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা রোগীর পৃথক বিভাগ খুলে চিকিৎসা প্রদান এবং করোনা রোগীদের হাসপাতালে যাতায়াতের জন্য পৃথক রাস্তা তৈরি ও প্রতিটি হাসপাতালে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের ব্যবস্থা রাখা। (যৌক্তিকতা: করোনা আক্রান্ত রোগীদের সঠিক সময় অক্সিজেন দিতে পারলে জীবন বাঁচানো সম্ভব)

১৬. প্রতিটি নাগরিককে বাসায় অবস্থান করার বিষয়ে বাধ্য করা, শুধু ওষুধ, চিকিৎসা ও খাদ্য সংগ্রহ ছাড়া বাইরে বের হতে না দেয়া।

১৭. চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, নেপাল যেভাবে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করেছে আমরা তাদের অনুসরণ করতে পারি।

১৮. চীনের হেইলংজিয়াং ইউনিভার্সিটি অব চাইনিজ মেডিসিনের তিনজন চিকিৎসক একটি হাসপাতালে ৭০১টি করোনা রোগীর ওপর ভেষজ ওষুধ প্রয়োগ করায় ১৩০ জন দ্রুত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যায়, ২৬৮ জনের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়, ২১২ জনের ক্ষেত্রে শারীরিক অবনতি হয়নি, ৯০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে ভেষজ ভালো কাজ করেছে, এছাড়া করোনার চিকিৎসা ও প্রতিরোধক হিসাবে আদা, দারচিনি, যষ্টিমধু, ত্রিফলাসহ ১২টি ভেষজ ব্যবহার করা হয়েছে।
(Dr.Jun-Ling Ren, Dr.Ai-Hua Zhang, Dr.Xi-Jun Wang এর রিসার্চ পেপারটি Elsevier নামক মেডিকেল জার্নালে গত ১/৩/২০২০ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে, Corrigendum to "Traditional Chinese medicine for COVID-19 treatment" [Pharmacol.Res.155(2020)104743] Publication date: 1/3/2020, Journal: Elsevier.)

আমরা চীনের মতো করোনার প্রতিরোধক হিসেবে নাগরিকদের ক্ষেত্রে এবং রোগীদের এই ভেষজগুলো ব্যবহার করতে পারি। (দেশের ৬৪টি জেলা ২০০টি উপজেলা হাসপাতালে ভেষজ চিকিৎসক এবং সাপোর্টিং স্টাফ কর্মরত আছে, তাদের মাধ্যমে সমগ্র দেশে এই সেবা দেয়া যাবে।)

১৯. সরকারি ও বেসরকারি সকল চিকিৎসকের সমন্বয়ে টেলিমেডিসিন ও অনলাইন চিকিৎসাসেবা চালু করলে হাসপাতালের ওপর চাপ কমবে এবং রোগীরা আতঙ্ক থেকে মুক্তি পাবে।

২০. পিপিইসহ সুরক্ষাসামগ্রী ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পর্যাপ্ত পরিমাণে সংগ্রহে রাখতে হবে, না হলে আমেরিকা ও ইতালির মতো চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকটে পড়তে হবে।

২১. অত্যাবশকীয় সেবাদানকারী অফিস ছাড়া সকল সরকারি ও বেসরকারি অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি, কারখানা করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ না আসা পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হবে।

২২. ওষুধ, খাদ্য, কাঁচাবাজার, ফল ও মাছ মাংস কেনার জন্য বাইরে গেলে এবং বাসায় ফিরে কী কী সাবধানতা অবলম্বন করবে এবং এ সকল পণ্য বাসায় এনে কীভাবে জীবাণুমুক্ত করবে সেটার জন্য একটা গাইডলাইন প্রণয়ন করে সকল জনগণের জন্য প্রচার করতে হবে। (টাকা, পোশাক, প্যাকেট, ব্যাগ ও এ সকল পণ্য থেকে ভাইরাস সংক্রমণ হয়।)

২৩. বাংলাদেশে ১ জন চিকিৎসক ১ জন ইঞ্জিনিয়ার এবং ভারতের ১ জন চিকিৎসক মিনি ভেন্টিলেটর তৈরি করেছে, তাদের কাছ থেকে স্বল্পমূল্যে মিনি ভেন্টিলেটর সংগ্রহ করা যায় এবং বাংলাদেশের মেডিকেল যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এগুলো দ্রুত প্রস্তুত করে নেয়া যায়।

২৪. চীন যেহেতু করোনাভাইরাস ভালোভাবে প্রতিরোধ করেছে সেহেতু চীন থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এনে উন্নত চিকিৎসা প্রদান ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

২৫. করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ২০-৩০% রোগী প্রচণ্ড শ্বাসকষ্টে ভোগে, এসকল শ্বাসকষ্টের রোগীদের রেসপিরেটরি ফিজিওথেরাপি খুবই কার্যকর, শ্বাসকষ্ট থেকে রোগীদের মুক্তি দেয়া এবং ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য যে সকল হাসপাতালে করোনা রোগীর চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে সে সকল হাসপাতালে চিকিৎসকের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপিস্টের মাধ্যমে সেবা দেয়া প্রয়োজন।

২৬. শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে এবং আক্রান্তের সম্ভবনাও কম। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো এবং করোনারভাইরাসের প্রতিরোধক হিসেবে প্রতিটি মানুষকে আদা, দারুচিনি, লবঙ্গ, যষ্টিমধু, কালজিরা, হলুদ, ত্রিফলা ও তুলসীপাতা জ্বাল দিয়ে চায়ের মতো সেবন, প্রতি বেলায় কুসুম গরম পানি সেবন ও গার্গেল করা এবং ভিটামিন সি অথবা ভিটামিন সি যুক্ত ফল দিনে দুইবার খাবার উপদেশ প্রদান। (এ সকল উপাদান জেলা প্রশাসক, ইউএনও, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধির মাধ্যমে সকল ঘরে পৌঁছে দেয়া সম্ভব)

লেখক : মেডিসিন বিশেষজ্ঞ (এএমসি), এসপি হাসপাতাল, আদাবর, ঢাকা।
Email: [email protected]

এইচআর/বিএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬,৪৮,৪৫,৯২৫
আক্রান্ত

১৪,৯৯,৩৫৭
মৃত

৪,৪৯,৪২,২০১
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪,৬৯,৪২৩ ৬,৭১৩ ৩,৮৫,৭৮৬
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১,৪৩,১৪,২৬৫ ২,৭৯,৮৬৭ ৮৪,৬২,৪৩৪
ভারত ৯৫,৩৪,৯৬৪ ১,৩৮,৬৫৭ ৮৯,৭৩,৩৭৩
ব্রাজিল ৬৪,৩৬,৬৫০ ১,৭৪,৫৩১ ৫৬,৯৮,৩৫৩
রাশিয়া ২৩,৪৭,৪০১ ৪১,০৫৩ ১৮,৩০,৩৪৯
ফ্রান্স ২২,৪৪,৬৩৫ ৫৩,৮১৬ ১,৬৫,৫৬৩
স্পেন ১৬,৮২,৫৩৩ ৪৫,৭৮৪ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ১৬,৫৯,২৫৬ ৫৯,৬৯৯ ৩৪৪
ইতালি ১৬,৪১,৬১০ ৫৭,০৪৫ ৮,২৩,৩৩৫
১০ আর্জেন্টিনা ১৪,৪০,১০৩ ৩৯,১৫৬ ১২,৬৮,৩৫৮
১১ কলম্বিয়া ১৩,৩৪,০৮৯ ৩৭,১১৭ ১২,২৫,৬৩৫
১২ মেক্সিকো ১১,৩৩,৬১৩ ১,০৭,৫৬৫ ৮,৩৬,৫৬৭
১৩ জার্মানি ১১,০৫,৮৩২ ১৭,৮১২ ৭,৭৯,৫০০
১৪ পোল্যান্ড ১০,১৩,৭৪৭ ১৮,২০৮ ৬,২২,৯৮০
১৫ ইরান ৯,৮৯,৫৭২ ৪৮,৯৯০ ৬,৮৮,০৫৪
১৬ পেরু ৯,৬৭,০৭৫ ৩৬,০৭৬ ৮,৯৯,২১৩
১৭ দক্ষিণ আফ্রিকা ৭,৯৬,৪৭২ ২১,৭০৯ ৭,৩৪,৩০৫
১৮ ইউক্রেন ৭,৫৮,২৬৪ ১২,৭১৭ ৩,৬৯,০৫৪
১৯ তুরস্ক ৭,০০,৮৮০ ১৪,১২৯ ৪,১৪,১৪১
২০ বেলজিয়াম ৫,৮২,২৫২ ১৬,৯১১ ৩৮,২৬১
২১ ইরাক ৫,৫৬,৭২৮ ১২,৩৪০ ৪,৮৬,৩১৩
২২ চিলি ৫,৫৩,৮৯৮ ১৫,৪৩৮ ৫,২৯,৫০১
২৩ ইন্দোনেশিয়া ৫,৪৯,৫০৮ ১৭,১৯৯ ৪,৫৮,৮৮০
২৪ চেক প্রজাতন্ত্র ৫,৩৩,০৪২ ৮,৫১৫ ৪,৬১,৫৯৯
২৫ নেদারল্যান্ডস ৫,৩২,৪৪৪ ৯,৫০৪ ২৫০
২৬ রোমানিয়া ৪,৮৪,৫৫০ ১১,৬৬৫ ৩,৭১,২৩১
২৭ ফিলিপাইন ৪,৩৪,৩৫৭ ৮,৪৩৬ ৩,৯৯,০০৫
২৮ পাকিস্তান ৪,০৬,৮১০ ৮,২০৫ ৩,৪৬,৯৫১
২৯ কানাডা ৩,৮৯,৭৭৫ ১২,৩২৫ ৩,০৯,৮৮৬
৩০ মরক্কো ৩,৬৪,১৯০ ৫,৯৮৫ ৩,১৪,২৩৭
৩১ সৌদি আরব ৩,৫৭,৮৭২ ৫,৯১৯ ৩,৪৭,৫১৩
৩২ ইসরায়েল ৩,৩৯,৯৩৯ ২,৮৮৩ ৩,২৫,৩০৫
৩৩ সুইজারল্যান্ড ৩,৩৫,৬৬০ ৫,০৪৫ ২,৫৭,৬০০
৩৪ পর্তুগাল ৩,০৩,৮৪৬ ৪,৬৪৫ ২,২৩,৪৪৬
৩৫ অস্ট্রিয়া ২,৮৯,৪৬১ ৩,৪৪৬ ২,৩৩,৬৫৭
৩৬ সুইডেন ২,৬৬,১৫৮ ৬,৯৭২ ৪,৯৭১
৩৭ নেপাল ২,৩৬,২৪৬ ১,৫৩৮ ২,১৮,১৬১
৩৮ জর্ডান ২,২৭,২০৮ ২,৮৫৪ ১,৬৮,৪২৯
৩৯ হাঙ্গেরি ২,২৫,২০৯ ৫,১৪২ ৬৫,৮৮৮
৪০ ইকুয়েডর ১,৯৪,৮৭৬ ১৩,৫৬২ ১,৬৯,৮০৪
৪১ সার্বিয়া ১,৯১,৩৫৬ ১,৭০৪ ৩১,৫৩৬
৪২ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,৭১,৪৩৪ ৫৮০ ১,৫৬,৩৮০
৪৩ পানামা ১,৬৯,৩৩৯ ৩,১১৪ ১,৪৬,৫৭৬
৪৪ বুলগেরিয়া ১,৫১,৯১৩ ৪,৩৪৭ ৫৫,২০৬
৪৫ জাপান ১,৫০,৩৮৬ ২,১৭২ ১,২৭,৩০৪
৪৬ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,৪৫,১৯৭ ২,৩৩৪ ১,১৫,৬১১
৪৭ বলিভিয়া ১,৪৪,৯৯৪ ৮,৯৭২ ১,২৩,৬৭৩
৪৮ জর্জিয়া ১,৪৩,৩৭৬ ১,৩৪২ ১,২১,৬২১
৪৯ কুয়েত ১,৪৩,২৬০ ৮৮২ ১,৩৮,১৩৪
৫০ কোস্টারিকা ১,৪১,৩৪০ ১,৭৩৯ ৮৮,২২৬
৫১ বেলারুশ ১,৩৯,৯০৮ ১,১৭৪ ১,১৭,১৯৫
৫২ কাতার ১,৩৯,২৫৬ ২৩৯ ১,৩৬,৫১৩
৫৩ আর্মেনিয়া ১,৩৭,২৩১ ২,২২৮ ১,১১,৭৯৫
৫৪ ক্রোয়েশিয়া ১,৩৪,৮৮১ ১,৯১৬ ১,১০,৩৫৫
৫৫ কাজাখস্তান ১,৩৩,৮৮৭ ১,৯৯০ ১,১৮,০০৪
৫৬ লেবানন ১,৩১,২৯৭ ১,০৫৫ ৮৩,০৩৪
৫৭ আজারবাইজান ১,২৯,৫৪৪ ১,৪৭০ ৭৯,১৬২
৫৮ ওমান ১,২৪,১৪৫ ১,৪৩০ ১,১৫,৬১৩
৫৯ গুয়াতেমালা ১,২৩,৪৬০ ৪,১৯১ ১,১২,১৮১
৬০ মিসর ১,১৬,৭২৪ ৬,৬৯৪ ১,০২,৯৪৯
৬১ ইথিওপিয়া ১,১০,৯৮৪ ১,৭১৫ ৭৬,০৬৭
৬২ মলদোভা ১,১০,৫৮০ ২,৩৪৩ ৯৬,৭১১
৬৩ গ্রীস ১,০৯,৬৫৫ ২,৬০৬ ৯,৯৮৯
৬৪ স্লোভাকিয়া ১,০৯,২২৬ ৮৯৮ ৭১,৭৩৮
৬৫ হন্ডুরাস ১,০৯,১৪৪ ২,৯৩০ ৪৮,৮৭৭
৬৬ ভেনেজুয়েলা ১,০৩,০৬৭ ৯০৫ ৯৮,০৩০
৬৭ তিউনিশিয়া ৯৯,২৮০ ৩,৩৫৯ ৭৩,৬০৭
৬৮ মায়ানমার ৯৩,৬০০ ১,৯৯৮ ৭২,৬০১
৬৯ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৯০,৩৭৮ ২,৭৭৩ ৫৪,৯৬৭
৭০ ফিলিস্তিন ৯০,১৯২ ৭৬৩ ৬৬,৯৮৯
৭১ বাহরাইন ৮৭,২৭০ ৩৪১ ৮৫,৪৬৩
৭২ চীন ৮৬,৫৬৭ ৪,৬৩৪ ৮১,৬৬৭
৭৩ কেনিয়া ৮৫,১৩০ ১,৪৮৪ ৫৬,৪৬৪
৭৪ আলজেরিয়া ৮৫,০৮৪ ২,৪৬৪ ৫৪,৯৯০
৭৫ প্যারাগুয়ে ৮৪,৪৮২ ১,৭৮৩ ৫৯,৪৬৫
৭৬ লিবিয়া ৮৪,০৮৭ ১,২০০ ৫৪,৭১২
৭৭ ডেনমার্ক ৮৩,৫৩৫ ৮৫২ ৬৬,০৮৬
৭৮ স্লোভেনিয়া ৭৯,৫৬৬ ১,৫৪৭ ৫৭,৪৪৭
৭৯ কিরগিজস্তান ৭৩,৯৩৩ ১,৪৯৮ ৬৫,৫৮৯
৮০ উজবেকিস্তান ৭৩,৪৩১ ৬১১ ৭০,৭১২
৮১ আয়ারল্যান্ড ৭৩,০৬৬ ২,০৭৪ ২৩,৩৬৪
৮২ মালয়েশিয়া ৬৮,০২০ ৩৬৫ ৫৬,৯৬৯
৮৩ নাইজেরিয়া ৬৭,৯৬০ ১,১৭৭ ৬৩,৮৩৯
৮৪ লিথুনিয়া ৬৪,৬২১ ৫৪৭ ২৫,২৭৮
৮৫ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৬৩,৮৯০ ১,৮২৫ ৪০,৯৭৭
৮৬ সিঙ্গাপুর ৫৮,২৩০ ২৯ ৫৮,১৪৪
৮৭ ঘানা ৫১,৬৬৭ ৩২৩ ৫০,৫৪৭
৮৮ আফগানিস্তান ৪৭,০২১ ১,৮২২ ৩৭,০২৬
৮৯ আলবেনিয়া ৩৯,৭১৯ ৮৩৯ ১৯,৯১২
৯০ এল সালভাদর ৩৯,১৩০ ১,১৩৪ ৩৫,৮৩৯
৯১ নরওয়ে ৩৬,৯৬৯ ৩৫১ ২৭,৪১৪
৯২ মন্টিনিগ্রো ৩৬,৩৫১ ৫১০ ২৫,৪০৯
৯৩ লুক্সেমবার্গ ৩৫,৮০২ ৩৩৪ ২৬,৪৯৭
৯৪ দক্ষিণ কোরিয়া ৩৫,৭০৩ ৫২৯ ২৮,৩৫২
৯৫ অস্ট্রেলিয়া ২৭,৯৩৯ ৯০৮ ২৫,৬১৪
৯৬ ফিনল্যাণ্ড ২৫,৮৮২ ৪০৮ ১৮,১০০
৯৭ শ্রীলংকা ২৫,৪১০ ১২৪ ১৮,৩০৪
৯৮ ক্যামেরুন ২৪,৪৮৭ ৪৪১ ২২,১৭৭
৯৯ উগান্ডা ২১,৪০৯ ২০৬ ৯,০৪৪
১০০ আইভরি কোস্ট ২১,৩৬১ ১৩২ ২১,০১০
১০১ লাটভিয়া ১৮,৩৭৭ ২২৪ ১,৮২৩
১০২ সুদান ১৮,২৫৪ ১,২৬৫ ১০,৪৯৩
১০৩ জাম্বিয়া ১৭,৭০০ ৩৫৭ ১৭,০৮৬
১০৪ মাদাগাস্কার ১৭,৩৪১ ২৫১ ১৬,৬৫৭
১০৫ সেনেগাল ১৬,১৭৩ ৩৩৪ ১৫,৬৫৭
১০৬ মোজাম্বিক ১৫,৮৬৬ ১৩২ ১৪,০১৪
১০৭ অ্যাঙ্গোলা ১৫,৩১৯ ৩৫১ ৮,১৩৯
১০৮ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৪,৭১৬ ৭৭ ৪,৮৪২
১০৯ নামিবিয়া ১৪,৪৭৭ ১৫১ ১৩,৬৯৭
১১০ গিনি ১৩,১৪৩ ৭৬ ১২,১৫৪
১১১ মালদ্বীপ ১৩,০৭০ ৪৭ ১২,০০১
১১২ এস্তোনিয়া ১৩,০১৯ ১২২ ৭,৬০৮
১১৩ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১২,৯৮৭ ৩৩৬ ১১,৬৯৪
১১৪ তাজিকিস্তান ১২,২৬৯ ৮৭ ১১,৬৭৭
১১৫ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১১,২৮৩ ৭০ ৯,৯৯৫
১১৬ সাইপ্রাস ১১,১৭৫ ৫২ ২,০৫৭
১১৭ কেপ ভার্দে ১০,৮৬৭ ১০৬ ১০,৪২২
১১৮ জ্যামাইকা ১০,৮৬৪ ২৫৮ ৬,৫০০
১১৯ বতসোয়ানা ১০,৭৪২ ৩৪ ৭,৯১২
১২০ জিম্বাবুয়ে ১০,১২৯ ২৭৭ ৮,৬৪৩
১২১ মালটা ১০,১০১ ১৪৬ ৭,৮৮৭
১২২ হাইতি ৯,৩১৩ ২৩৩ ৮,০৯১
১২৩ গ্যাবন ৯,২৩৯ ৬০ ৯,০৮৯
১২৪ মৌরিতানিয়া ৮,৮৬৩ ১৭৯ ৭,৭৮০
১২৫ কিউবা ৮,৪৫৬ ১৩৬ ৭,৭১৪
১২৬ গুয়াদেলৌপ ৮,৪২৭ ১৪৯ ২,২৪২
১২৭ রিইউনিয়ন ৮,১০২ ৪০ ৭,১৭২
১২৮ সিরিয়া ৮,০৫৯ ৪২৬ ৩,৬৮৯
১২৯ বাহামা ৭,৫৪৩ ১৬৩ ৫,৯৩৪
১৩০ এনডোরা ৬,৮৪২ ৭৬ ৫,৯৮৮
১৩১ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৬,৭০৪ ১২১ ৫,৮৪৩
১৩২ হংকং ৬,৫০০ ১১০ ৫,৩৯৪
১৩৩ ইসওয়াতিনি ৬,৪৫৫ ১২২ ৬,০৩২
১৩৪ উরুগুয়ে ৬,২২৫ ৮০ ৪,৫৮৪
১৩৫ মালাউই ৬,০৪০ ১৮৫ ৫,৪৭১
১৩৬ রুয়ান্ডা ৫,৯৯৪ ৫০ ৫,৫৭৫
১৩৭ বেলিজ ৫,৮৫৪ ১৪৮ ৩,১৫১
১৩৮ নিকারাগুয়া ৫,৮৩৮ ১৬১ ৪,২২৫
১৩৯ কঙ্গো ৫,৭৭৪ ১১৪ ৪,৯৮৮
১৪০ জিবুতি ৫,৬৮২ ৬১ ৫,৫৮৭
১৪১ মার্টিনিক ৫,৫২০ ৪১ ৯৮
১৪২ গায়ানা ৫,৪৪৯ ১৫১ ৪,৫৩০
১৪৩ আইসল্যান্ড ৫,৪১৩ ২৭ ৫,১৮৭
১৪৪ সুরিনাম ৫,৩২০ ১১৭ ৫,২০০
১৪৫ মায়োত্তে ৫,১৮১ ৪৯ ২,৯৬৪
১৪৬ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,১৫৬ ৮৫ ৫,০০৯
১৪৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৯১৮ ৬৩ ১,৯২৪
১৪৮ আরুবা ৪,৯০২ ৪৫ ৪,৭১৮
১৪৯ মালি ৪,৮৩৭ ১৬১ ৩,২৬৩
১৫০ সোমালিয়া ৪,৫২৫ ১২১ ৩,৪৮০
১৫১ থাইল্যান্ড ৪,০৩৯ ৬০ ৩,৮৩২
১৫২ গাম্বিয়া ৩,৭৬৫ ১২৩ ৩,৬০৯
১৫৩ দক্ষিণ সুদান ৩,১১৮ ৬১ ২,৯৬৬
১৫৪ বেনিন ৩,০৫৫ ৪৪ ২,৮৩৯
১৫৫ টোগো ৩,০১৪ ৬৫ ২,৫৪৩
১৫৬ বুর্কিনা ফাঁসো ৩,০১০ ৬৮ ২,৬৬৭
১৫৭ কিউরাসাও ২,৬৫৮ ১,২১৮
১৫৮ গিনি বিসাউ ২,৪৪১ ৪৪ ২,৩২৭
১৫৯ সিয়েরা লিওন ২,৪১৬ ৭৪ ১,৮৩৮
১৬০ ইয়েমেন ২,২১৭ ৬২১ ১,৫১৮
১৬১ লেসোথো ২,১৪২ ৪৪ ১,২৭৮
১৬২ নিউজিল্যান্ড ২,০৬৯ ২৫ ১,৯৭৪
১৬৩ চাদ ১,৭০৫ ১০২ ১,৫৩৯
১৬৪ সান ম্যারিনো ১,৬৮৭ ৪৬ ১,৩৪০
১৬৫ নাইজার ১,৬৪০ ৭৬ ১,২২৭
১৬৬ লাইবেরিয়া ১,৫৯৫ ৮৩ ১,৩৪৩
১৬৭ চ্যানেল আইল্যান্ড ১,৩৯৭ ৪৮ ১,০১২
১৬৮ ভিয়েতনাম ১,৩৫৮ ৩৫ ১,২০১
১৬৯ লিচেনস্টেইন ১,৩১৮ ১৬ ১,১৪৯
১৭০ সিন্ট মার্টেন ১,০৭২ ২৫ ৯৭৩
১৭১ জিব্রাল্টার ১,০৩৫ ৯৫৪
১৭২ মঙ্গোলিয়া ৮১৯ ৩৬৫
১৭৩ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৭৫০ ৭২০
১৭৪ সেন্ট মার্টিন ৭১৭ ১২ ৬৪১
১৭৫ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫৯
১৭৬ বুরুন্ডি ৬৮৯ ৫৭৫
১৭৭ তাইওয়ান ৬৮৫ ৫৭০
১৭৮ পাপুয়া নিউ গিনি ৬৬৯ ৫৯৭
১৭৯ মোনাকো ৬২১ ৫৬৩
১৮০ কমোরস ৬১৩ ৫৮৬
১৮১ ইরিত্রিয়া ৫৭৭ ৪৯৮
১৮২ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৮৩ মরিশাস ৫০৮ ১০ ৪৬৫
১৮৪ ফারে আইল্যান্ড ৫০৩ ৫০০
১৮৫ ভুটান ৪১৫ ৩৮৬
১৮৬ আইল অফ ম্যান ৩৬৯ ২৫ ৩৪৪
১৮৭ কম্বোডিয়া ৩৩১ ৩০৪
১৮৮ কেম্যান আইল্যান্ড ২৮৫ ২৫৬
১৮৯ বার্বাডোস ২৭৯ ২৫৫
১৯০ বারমুডা ২৬৭ ২১৫
১৯১ সেন্ট লুসিয়া ২৬১ ১৪১
১৯২ সিসিলি ১৮৩ ১৬২
১৯৩ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৬২ ১৫৭
১৯৪ ব্রুনাই ১৫১ ১৪৫
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ১৪৭ ১০৫
১৯৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১৪৪ ১৩৩
১৯৭ ডোমিনিকা ৮৫ ৬৩
১৯৮ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৮৫ ৮০
১৯৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭২ ৭১
২০০ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
২০১ ফিজি ৪২ ৩৩
২০২ গ্রেনাডা ৪১ ৩০
২০৩ লাওস ৩৯ ২৬
২০৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৩৩ ৩২
২০৫ পূর্ব তিমুর ৩১ ৩১
২০৬ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ২২ ১৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৮ ১৮
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৭ ১৫
২১০ সলোমান আইল্যান্ড ১৭
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১৪
২১২ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১৩ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৪ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৫ এ্যাঙ্গুইলা
২১৬ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৭ ওয়ালিস ও ফুটুনা
২১৮ সামোয়া
২১৯ ভানুয়াতু
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]