লকডাউন এক্সিট পরিকল্পনা প্রয়োজন

সম্পাদকীয় ডেস্ক সম্পাদকীয় ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:৪৯ পিএম, ০৩ মে ২০২০

আসিফ ইব্রাহিম, নিহাদ কবির, আবুল কাসেম খান, সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, ড. এম মাসরুর রিয়াজ

জীবন না জীবিকা? বর্তমান বিশ্বায়িত পৃথিবীতে এক অদৃষ্টপূর্ব পরিস্থিতিতে লক্ষ লক্ষ মানুষের মনে এ প্রশ্ন আবর্তিত হচ্ছে। কিন্তু কোভিড-১৯ এর কালে এ দুটো কি সত্যিই পারস্পরিকভাবে অসামঞ্জস্যপূর্ণ? নাকি স্বাস্থ্য যথাসম্ভব নিশ্চিত করেও জীবিকার চাহিদা পূরণের ব্যবস্থা করা সম্ভব? সৌভাগ্যক্রমে বা দৈব অনুগ্রহে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত করোনার সংক্রমণ ও তাতে মৃত্যুর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক কম।

বিশ্বজুড়ে বহু অর্থনীতি যখন করোনার চাপে সামলাতে ব্যতিব্যস্ত তখন কবে, কখন, কীভাবে দেশগুলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরম্ভ করবে, তা নিয়ে প্রচুর বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। যেখানে পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক মানুষই হয় সম্পূর্ণ গৃহবন্দি অথবা আংশিক চলাচলে সীমাবদ্ধ এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কার্যত স্থগিতই বলতে হয়, লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবিকার প্রয়োজনে তা সচল করার ব্যাপারটা প্রশ্নাতীতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কিছু সাদৃশ্য থাকলেও বিভিন্ন দেশের চিন্তাধারা এনিয়ে স্বভাবতই ভিন্ন রকমের, কারণ অর্থনীতির পুনঃসচলায়ন নির্ভর করবে প্রতিটি দেশে করোনার সংক্রমণের অবস্থার ওপর। সমস্যার ব্যাপ্তি যেহেতু একেক দেশ বা অঞ্চলে একেক রকমের তাই প্রতিটি সরকারের প্রতিক্রিয়াও একেক রকমের।

ইউরোপের যে দেশগুলোত সংক্রমণের চাপ কমে গেছে এবং নতুন রোগীদের বা মৃত্যুর সংখ্যা কমে গেছে, যেমন স্পেন, ইতালি, জার্মানি; সেসব দেশে সরকার সীমিত পরিসরে ব্যবসা এবং জনজীবন কিছু ক্ষেত্রে স্বাভাবিকীকরণের দিকে গেছে। অন্যদিকে যুক্তরাজ্যে যদিও নতুন রোগাক্রান্ত বা মৃতের সংখ্যা কমছে তবুও তারা প্রচুর সাবধানতা অবলম্বনপূর্বক লকডাউন বজায় রেখেছে। অনেকের কাছেই যুক্তরাজ্যের সিদ্ধান্তটা যুক্তিসংগত বলে মনে হয়েছে। সংক্রমণের ঝুঁকি সত্যিকার অর্থে কমে যাওয়ার আগে বা ভাইরাসটির সম্ভাব্য প্রসার ও নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ হাতে আসার আগেই হুট করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুরোদেশ শুরু করে দিলে আবার ভাইরাসটির পুনঃসমাগম এবং সংক্রমণ সম্ভাব্য মারাত্মক পরিণামের ঝুঁকি বহন করে। সিঙ্গাপুরের মতো দেশের উদাহরণ থেকে দেখা যায় যে প্রথমে তারা ভালো ফলাফলের ভিত্তিতে লকডাউনও যায়নি কিন্তু হঠাৎ করেই মধ্য-মার্চের চার সপ্তাহের মধ্যে সংক্রমণের হার প্রায় ৫০ গুণ বেড়ে যাওয়ায় এখন তারা দেরিতে হলেও কঠোর লকডাউনে চলে গিয়েছে।

সন্দেহ নেই, এ ধরনের ব্যাপক সীমাবদ্ধতা বা নিয়ন্ত্রণ বরদাশত করা কঠিন কিন্তু বিজ্ঞান এবং বিচক্ষণতা- দুটোই বলে যে যথাসময়ের আগেই এগুলো সরিয়ে নেয়াটা বিপজ্জনক, অন্তত একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা না করে, যাতে অর্থনীতিকে নিরাপদে পুনরায় খুলে দেয়ার জন্য গণস্বাস্থ্য বিষয়ক বিজ্ঞান এবং তথ্য, ক্রান্তিকালীন ব্যবস্থাপনা, এবং সুনির্দিষ্ট কাঠামো ও নিরাপত্তা বিধিসম্মত সকল বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট

বাংলাদেশে গত চার সপ্তাহের বেশি সময় ধরে এক ধরনের আংশিক লকডাউনে থাকার কারণে জিডিপি প্রতিদিন প্রায় ৩৩০০ কোটি টাকার ধাক্কা খাচ্ছে, সেই সাথে প্রায় এক কোটি প্রান্তিক পরিবার তাদের দৈনিক আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, যার ওপর তারা নির্ভরশীল। প্রভাবশালী ব্যবসায়ী সংগঠন যেমন যারা তৈরি পোশাক ও বস্ত্রশিল্পের প্রতিনিধি, তারা নীতিনির্ধারকদের কাছ থেকে কারখানা খোলার অনুমতি নিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছেন। সরকার, জীবন ও জীবিকার তুলনামূলক পরিমাপের কঠিন পরিস্থিতিতে সীমিতভাবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরায় চালু করার দুরূহ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন; তবে অনেক বিশেষজ্ঞের মতে সিদ্ধান্তটি হয়তোবা যথাযথ সময়ের একটু আগেই, এবং যথাযথ প্রস্তুতি ছাড়াই চলে এসেছে। বর্তমান ব্যবস্থাপনায়, ওষুধশিল্প এবং রফতানিখাত ২৬ এপ্রিল থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিতভাবে কারখানা চালাতে পারবে, যদিও প্রথম থেকেই এ ধরনের একটা সুযোগ তাদের দেয়া হয়েছিল। ব্যাংকিংসেবা আগে সীমিত পরিসরে চলছিল, সেটার পরিসর বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে এবং পণ্যপরিবহনসেবা খুলে দেয়া হয়েছে। তবে যেহেতু বেশ কিছু খাতে “সীমিত” শব্দটার দিকে নজর না দিয়ে অনেক কলকারখানার পুরোদমে চালু হয়ে গেছে, সেগুলোর সাথে আনুষঙ্গিক সেবা যেমন আহার-বাসস্থান, সেগুলোও চালু হয়ে গেছে। ইফতারি বেচাকেনাও “সীমিত পরিসরে” চালু করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। চিন্তার কারণ এটাই যে, “সীমিত” শব্দটার কার্যকারিতা কতটুকু থাকবে- মান্যের চেয়ে অমান্যই বেশি হবে হয়তো।

অন্যান্য দেশের প্রতিক্রিয়া

সন্দেহ নেই যে উন্নত দেশই হোক আর উন্নয়নশীল অর্থনীতিই হোক, কোনো দেশই একটি অজানা, অনির্দিষ্টকালের জন্য সম্পূর্ণ লকডাউনে থাকতে পারবে না। আবার কোভিডের ভ্যাকসিন আবিষ্কার এবং সহজলব্ধ না হওয়া পর্যন্ত আগের অবস্থায়ও ফিরে যাওয়া যাবে না, কাজেই ধীরে ধীরে যতটা সম্ভব স্বাভাবিকীকরণের দিকে এগুতে হবে। কিন্তু এটাও লক্ষ্য রাখতে হবে যে, যেসব দেশে বা অঞ্চলে এখনও উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় ভাইরাস সংক্রমণ বিদ্যমান, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরায় চালু হলে, সেই সংক্রমণ বাড়বে। তাই যে দেশগুলো পুনরায় কাজ এবং ব্যবসা আরম্ভ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তারা বিজ্ঞান ও তথ্যভিত্তিক সুনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতির মাধ্যমে ব্যবসা বা শিল্পখাতের, ভৌগোলিক এবং সংশ্লিষ্ট জনসমষ্টির ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে তা করছে। তারা সুনির্দিষ্ট, পদ্ধতিগত লকডাউন এক্সিট স্ট্র্যাটেজি ব্যবহার করছে, যেখানে কম ঝুঁকিপুর্ণ অথচ জরুরি খাতগুলো দিয়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ক্রমান্বয়ে খুলে দেয়ার রূপরেখা বিবৃত রয়েছে। এই স্ট্র্যাটেজিগুলো আবার প্রয়োজনে নবলব্ধ তথ্যের আলোকে দ্রুত পরিবর্তনশীল এবং স্থানীয় পর্যায়েও ব্যবহারযোগ্য।

যে দেশগুলো এখন পরিষ্কারভাবে সময়-নির্দিষ্ট এক্সিট প্ল্যান বা নির্গমন পরিকল্পনা বিবৃত করেছে, তাদের মধ্যে রয়েছে মারাত্মকভাবে কোভিড বিধ্বস্ত দেশ যেমন যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন এবং ইতালি; আবার সে রকম দেশও যারা কোভিডকে বেশ ভালোভেবেই নিয়ন্ত্রণ করেছে, যেমন অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং চেক প্রজাতন্ত্র। ভারত ২০ এপ্রিল থেকে একটা পরিকল্পনা করেছিল জীবিকা নির্বাহের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় খাত যেমন কৃষি, ওষুধশিল্প, প্যাকেজিং, রফতানি, ই-কমার্স, কনস্ট্রাকশন ইত্যাদি খুলে দেয়ার, কিন্তু প্রয়োজনে লকডাউন আরও দুই সপ্তাহ বাড়িয়ে দিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া দেখিয়েছে কীভাবে শক্ত মধ্যাবর্তন এবং কার্যকর পরিকল্পনার মাধ্যমে ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা যায়।

কার্যকর, সুনির্দিষ্ট এক্সিট পলিসি তৈরি

উপরোক্ত দেশগুলোর এক্সিট পলিসিগুলোর একটা লক্ষণীয় দিক হলো যে প্রত্যেকটিই বিজ্ঞান ও তথ্যনির্ভর, সুনির্দিষ্ট কাঠামোভিত্তিক এবং পর্যায়ক্রমিক। যেকোনো দেশের কর্মকাণ্ড পুনরায় আরম্ভ করার প্রস্তুতি নির্ভর করবে সে দেশের স্বাস্থ্যখাতের প্রস্তুতি এবং সংক্রমণের তীব্রতার ওপর। কার্যকর এক্সিট পলিসি নিম্নের বিষয়গুলোর ওপর নির্ভর করবে।

কোভিড পরীক্ষা করার বর্ধিত সক্ষমতা

বিস্তৃত পরিসরে কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং করা যাতে সংক্রমণের জ্ঞাত সোর্সের সব কন্ট্যাক্টকে শনাক্ত করে আইসোলেট করা যায়; নিয়মিত সংক্রমণ ও মর্টালিটি সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান ও বিতরণ করা; স্থানীয়ভাবে ক্ষমতায়ন এবং সামর্থ্য বৃদ্ধি করা যাতে প্রয়োজনে কোনো হটস্পট তৈরি হলে সেখানে সাথে সাথে লকডাউন করে দেয়া যায়।

অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতা থেকে ভালো উদাহরণগুলো বিবেচনা করে বাংলাদেশে সরকারের উচিত হবে একটা এমন পরিকল্পনা করা যাতে সবদিক বিবেচনা করে, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ এবং সম্ভবপক্ষে নিরোধ করা যায়, একই সাথে কার্যকরভাবে লকডাউন তুলে নেয়া যায়। পরিকল্পনা ও সমাধানগুলো এ বিষয়ে নির্দেশ দেবে যে:

১. মানদণ্ড : পর্যায়ক্রমে খুলে দেয়ার আগে কোন খাত বা এলাকাকে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাভিত্তিক কোন কোন শর্তাবলি পূর্ণ করতে হবে।
২. প্রস্তুতি : দেশব্যাপী এবং স্থানীয়ভাবে প্রশাসনকে কোন কোন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে হবে, ভাইরাসের সম্ভাব্য পুনঃআক্রমণসহ।
৩. নীতিমালা : ব্যক্তি, মালিক, সরকারি প্রতিষ্ঠান, সকলের নির্দিষ্ট দায়িত্ব কী হবে, খোলার সময় এবং পরবর্তী পর্যায়ে, বিশেষ করে স্থানীয়ভাবে।

বর্তমানকালে নিঃসন্দেহে এই পরিস্থিতি একেবারেই অভূতপূর্ব, এবং কোনো দেশই এর থেকে উত্তরণের উপায় বা ভাইরাস সংক্রমণ আটকানো, নিয়ন্ত্রণ বা রোগ নিরাময়ের কোনো অব্যর্থ উপায় বের করতে পারেনি। তারপরও লকডাউন এক্সিট স্ট্র্যাটেজি তৈরি করার সময় কয়েকটি বিষয়ে বাংলাদেশে লক্ষ্য রাখতে হবে। যেমন-

১. স্থানীয় ভৌগোলিক অবস্থানকৃত ঝুঁকি মোকাবিলা
২. দেশের এবং স্থানীয় প্রশাসনের সক্ষমতা বিবেচনায় সময়কালভিত্তিক পর্যায়ক্রমিক পদক্ষেপ নেয়া
৩. সমাজ এবং অর্থনীতির প্রতিটি অংশের বৈশিষ্ট বিবেচনায় নিয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই ও তদনুসারে পরিকল্পনা করা, এবং
৪. সমাজের দুর্বল অংশের ওপর সুনির্দিষ্ট প্রভাব বা অভিঘাত বিবেচনায় রাখা।

সর্বোপরি, পরিকলপনাটি বাস্তবসম্মত এবং ঘাতসহ হতে হবে, যাতে করে স্পষ্ট অভিপ্রায় ও লক্ষ্যগুলো পূর্ণ করা যায় যেমন, বিশেষ করে শ্রমিক ও ঝুঁকিপুর্ণ সবার স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা, চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা, কার্যকরভাবে পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও নীরিক্ষার জন্য প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা, জীবিকার ব্যবস্থা করা, চলাচল বা যাতায়াতব্যবস্থা চালু করা এবং আরেকটি সময় নিয়ে সমগ্র অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন বা পূর্বাবস্থায় বা আরও ভালো অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।

এসবই করা যাবে যথাপ্রয়োজনে উপযুক্ত বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণ করে, যেমন জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায়, চিকিৎসা-ব্যবস্থাপনায়, সামাজিক আচরণ বিজ্ঞানে এবং অর্থনীতির ক্ষেত্রে। কার্যকর সমন্বয় এক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে (কিন্তু এটা আমাদের দেশে প্রায়শই দেখা যায় না) এবং একটি প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় প্রক্রিয়া সন্নিবেশ করলে তা উল্লেখযোগ্যভাবে আমাদের প্রয়াসকে ঝৃদ্ধ করবে। এ রকম প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ, যার নেতৃত্বে থাকতে পারেন একজন উচ্চপর্যায়ের দক্ষ ও ক্ষমতায়িত নীতিনির্ধারক, সব অংশীজনকে একসাথে নিয়ে এসে সঠিক সিদ্ধান্তে গ্রহণ ও নিয়মিত পরিবীক্ষণে শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারবে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এবং ব্যবহারে অনেক পরিবর্তন আসবে যা আরও বহুদিন চলবে এবং ঘরে-বাইরে সাধারণ ও বিশেষ স্বাস্থ্যবিধি নির্ধারণ ও পালন করতে হবে, বিশেষ করে বিভিন্ন খাতের জন্য বিশেষায়িত নিরাপত্তা প্রটোকল তৈরি করতে ও মানতে হবে। এগুলো দৈনন্দিন ব্যবহারের অন্তর্গত হয়ে যাবে।

আগে যুদ্ধজয়, তারপর বিজয়োৎসব

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী এ সপ্তাহে কাজে ফিরে বলেছেন, “শত্রুকে কুস্তি করে মাটিতে ফেলে দেয়া শুরু করেই ছেড়ে দিও না।” বাংলাদেশ যেন এখনই সাবধানতা থেকে সরে না আসে, অর্থনীতি পুরোপুরি খুলে দেয়ার সঠিক সময়টি নির্ধারণ করার জন্য তথ্য-উপাত্তের ব্যবহার করে সময়োচিত সিদ্ধান্তটি নেয়। পদ্ধতিভিত্তিক, বিজ্ঞান ও তথ্যভিত্তিক, পর্যায়ক্রমিক পথে নিয়ন্ত্রণ শিথিল করাটাই বাঞ্ছনীয়। প্রথমদিকে প্রাজ্ঞ সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে সংক্রমণের ব্যাপকতার এড়াতে পারার সুফল যেন দ্রূত অপরিকল্পিত কোনো পদক্ষেপের কারণে আমরা হারিয়ে না ফেলি। এতে দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থাপনা ভেঙে পড়তে পারে এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে লকডাউন করতে হলে সমাজের দীর্ঘমেয়াদি প্রভূত ক্ষতিসাধন হতে পারে। নিয়ন্ত্রণ এমনভাবে যথাসময়ে শিথিল করতে হবে যাতে সবচেয়ে কম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে সবচেয়ে বেশি অর্থনৈতিক লাভ পাওয়া যায়।

আমরা মনে করি, জীবন ও জীবিকা কোনো “এটি নয়তো ওটি” সিদ্ধান্তের ব্যাপার না। বাস্তবসম্মত, সাহসী কিন্তু সাবধানতামূলক নীতির মাধ্যমে উভয়ই রক্ষা করা সম্ভব। আমাদের তুলনামূলকভাবে কম সংক্রমণ ও মৃত্যু সংখ্যা রয়েছে; আমরা এর অস্বাভাবিক কোনো বৃদ্ধি দেখতে চাই না। আমাদের নীতিনির্ধারকরা অন্য সেসব দেশের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিতে পারেন যারা রোগের বিস্তারের ক্ষেত্রে আমাদের চেয়ে কয়েক সপ্তাহ এগিয়ে আছে এবং জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতি, ইত্যাদি বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করতে পারেন যারা আমাদের দেশের বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় যথোপযুক্ত পরামর্শ দিতে পারেন যাতে আমরা স্বল্পতম সময়ে টেকসই, নিরাপদ এক্সিট এবং রিকোভারির পথ খুঁজে নিতে পারি।

লেখক:
আসিফ ইব্রাহিম, চেয়ারম্যন, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ
নিহাদ কবির, প্রেসিডেন্ট, মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, ঢাকা
আবুল কাসেম খান, চেয়ারম্যান, গবেষণা সংস্থা বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্টের (বিল্ড)
সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, উপদেষ্টা, লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশে (এলএফএমইএবি)।
ড. এম মাসরুর রিয়াজ, চেয়ারম্যান, পলিসি এক্সচেঞ্জ।

এইচআর/বিএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৯,৮০,২৭,৪২৭
আক্রান্ত

২০,৯৭,৬৬৭
মৃত

৭,০৪,১৫,৪৬৩
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৫,৩০,২৭১ ৭,৯৬৬ ৪,৭৫,০৭৪
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২,৫১,৭৩,৬৩৭ ৪,১৯,৭২৯ ১,৫০,৭৯,২৯৩
ভারত ১,০৬,২৫,৪২০ ১,৫৩,০৫৩ ১,০২,৮১,৩৯১
ব্রাজিল ৮৬,৯৯,৮১৪ ২,১৪,২২৮ ৭৫,৮০,৭৪১
রাশিয়া ৩৬,৫৫,৮৩৯ ৬৭,৮৩২ ৩০,৫৪,২১৮
যুক্তরাজ্য ৩৫,৪৩,৬৪৬ ৯৪,৫৮০ ১৫,৮৬,৭০৭
ফ্রান্স ২৯,৮৭,৯৬৫ ৭১,৯৯৮ ২,১৪,৫৩৮
স্পেন ২৫,৬০,৫৮৭ ৫৫,০৪১ ১,৯৬,৯৫৮
ইতালি ২৪,২৮,২২১ ৮৪,২০২ ১৮,২৭,৪৫১
১০ তুরস্ক ২৪,১২,৫০৫ ২৪,৬৪০ ২২,৯০,০৩২
১১ জার্মানি ২১,০৮,৮৯৫ ৫১,১৫১ ১৭,৬২,২০০
১২ কলম্বিয়া ১৯,৭২,৩৪৫ ৫০,১৮৭ ১৮,০১,১৩৪
১৩ আর্জেন্টিনা ১৮,৪৩,০৭৭ ৪৬,৩৫৫ ১৬,২৫,৭৫৫
১৪ মেক্সিকো ১৬,৮৮,৯৪৪ ১,৪৪,৩৭১ ১২,৬৪,৭৮০
১৫ পোল্যান্ড ১৪,৫৭,৭৫৫ ৩৪,৫৬১ ১২,১৫,৭৩২
১৬ দক্ষিণ আফ্রিকা ১৩,৮০,৮০৭ ৩৯,৫০১ ১১,৮৩,৪৪৩
১৭ ইরান ১৩,৫৪,৫২০ ৫৭,১৫০ ১১,৪৪,৫৪৯
১৮ ইউক্রেন ১১,৭৭,৬২১ ২১,৪৯৯ ৯,১৪,৭৩০
১৯ পেরু ১০,৭৮,৬৭৫ ৩৯,১৫৭ ৯,৯৩,৫০৯
২০ ইন্দোনেশিয়া ৯,৫১,৬৫১ ২৭,২০৩ ৭,৭২,৭৯০
২১ নেদারল্যান্ডস ৯,৩২,৮৮৪ ১৩,৩৩৭ ২৫০
২২ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,১৭,৩৫৯ ১৪,৯৭৩ ৭,৮২,৫৫৮
২৩ কানাডা ৭,৩০,২০৮ ১৮,৫৯১ ৬,৪৪,৩১২
২৪ রোমানিয়া ৭,০৩,৭৭৬ ১৭,৫৫৪ ৬,৪১,২৮৮
২৫ চিলি ৬,৮৫,১০৭ ১৭,৭০২ ৬,৪২,০০৪
২৬ বেলজিয়াম ৬,৮৪,২৫৬ ২০,৫৭২ ৪৭,৫১৫
২৭ ইরাক ৬,১১,৪০৭ ১২,৯৭৭ ৫,৭৬,৭২৫
২৮ পর্তুগাল ৫,৯৫,১৪৯ ৯,৬৮৬ ৪,৩৪,২৩৭
২৯ ইসরায়েল ৫,৮২,৮৬৯ ৪,২৪৫ ৪,৯৭,৫৭৮
৩০ সুইডেন ৫,৪২,৯৫২ ১০,৯২১ ৪,৯৭১
৩১ পাকিস্তান ৫,২৭,১৪৬ ১১,১৫৭ ৪,৮০,৬৯৬
৩২ ফিলিপাইন ৫,০৭,৭১৭ ১০,১১৬ ৪,৬৭,৪৭৫
৩৩ সুইজারল্যান্ড ৫,০৭,১২৩ ৮,৯৭১ ৩,১৭,৬০০
৩৪ মরক্কো ৪,৬৩,৭০৬ ৮,০৭৬ ৪,৩৯,৩০১
৩৫ অস্ট্রিয়া ৩,৯৯,৭৯৮ ৭,২৮৮ ৩,৭৬,৩৬০
৩৬ সার্বিয়া ৩,৭৯,০৯৩ ৩,৮৩০ ৩১,৫৩৬
৩৭ সৌদি আরব ৩,৬৫,৭৭৫ ৬,৩৪২ ৩,৫৭,৩৩৭
৩৮ হাঙ্গেরি ৩,৫৫,৬৬২ ১১,৭১৩ ২,৩৫,২৭৬
৩৯ জাপান ৩,৪৫,২২১ ৪,৭৪৩ ২,৭৩,১৮৭
৪০ জর্ডান ৩,১৮,১৮১ ৪,১৯৮ ৩,০৪,২০০
৪১ পানামা ৩,০৩,৭৭৭ ৪,৯১২ ২,৪৬,৪৫২
৪২ লেবানন ২,৬৯,২৪১ ২,১৫১ ১,৫৮,৮২২
৪৩ নেপাল ২,৬৮,৬৪৬ ১,৯৭৯ ২,৬২,৮৬৮
৪৪ সংযুক্ত আরব আমিরাত ২,৬৭,২৫৮ ৭৬৬ ২,৩৯,৩২২
৪৫ জর্জিয়া ২,৫১,০৭১ ২,৯৯৮ ২,৩৮,১০১
৪৬ ইকুয়েডর ২,৩৬,১৮৯ ১৪,৫২৬ ১,৯৯,৩৩২
৪৭ বেলারুশ ২,৩২,২৯৮ ১,৬১৯ ২,১৬,৭৪৪
৪৮ স্লোভাকিয়া ২,৩১,২৪২ ৩,৮০১ ১,৮১,১২৯
৪৯ আজারবাইজান ২,২৮,২৪৬ ৩,০৫৩ ২,১৮,৩৮৭
৫০ ক্রোয়েশিয়া ২,২৭,৩২৬ ৪,৭৩৮ ২,১৯,০৮২
৫১ বুলগেরিয়া ২,১৩,৮৬৪ ৮,৭৪১ ১,৭৭,৩৫৪
৫২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,৯৯,৬৭২ ২,৪৮২ ১,৪৬,০২০
৫৩ বলিভিয়া ১,৯৩,৭৪৫ ৯,৭৬৪ ১,৪৬,৫৭৮
৫৪ ডেনমার্ক ১,৯২,২৬৫ ১,৯০৯ ১,৭৬,০০৩
৫৫ তিউনিশিয়া ১,৯০,৮৮৪ ৫,৯৮৯ ১,৩৭,৪৬০
৫৬ কোস্টারিকা ১,৮৮,৪৭৭ ২,৫০৬ ১,৪৫,৭২৪
৫৭ আয়ারল্যান্ড ১,৮১,৯২২ ২,৮১৮ ২৩,৩৬৪
৫৮ লিথুনিয়া ১,৭৩,৮১৯ ২,৫৫৪ ১,১৩,৩৬৪
৫৯ মালয়েশিয়া ১,৭২,৫৪৯ ৬৪২ ১,৩০,১৫২
৬০ কাজাখস্তান ১,৭২,৪১২ ২,৪০৩ ১,৫৬,৫২১
৬১ আর্মেনিয়া ১,৬৫,৫২৮ ৩,০২১ ১,৫৪,০৪৬
৬২ কুয়েত ১,৫৯,৮৩৪ ৯৫১ ১,৫২,৮২৬
৬৩ মিসর ১,৫৯,৭১৫ ৮,৮০১ ১,২৫,১৭১
৬৪ মলদোভা ১,৫৪,৭৮৮ ৩,৩১৫ ১,৪৫,১৬৮
৬৫ স্লোভেনিয়া ১,৫৪,৩০৬ ৩,২৮৪ ১,৩১,৩৭৭
৬৬ ফিলিস্তিন ১,৫৪,০৬৩ ১,৭৫৭ ১,৪২,৮১৯
৬৭ গুয়াতেমালা ১,৫২,৩৯৫ ৫,৩৮৯ ১,৩৬,৯৮০
৬৮ গ্রীস ১,৫০,৪৭৯ ৫,৫৭০ ১,৩৮,৭৪৮
৬৯ কাতার ১,৪৮,২৫৮ ২৪৮ ১,৪৪,৪৭৮
৭০ হন্ডুরাস ১,৩৬,৮৯৮ ৩,৪০৬ ৬০,২১৭
৭১ মায়ানমার ১,৩৬,১৬৬ ৩,০১৩ ১,১৯,৯৭৩
৭২ ওমান ১,৩২,৪৮৬ ১,৫১৭ ১,২৪,৭৩০
৭৩ ইথিওপিয়া ১,৩২,৩২৬ ২,০৫৭ ১,১৮,০০৬
৭৪ প্যারাগুয়ে ১,২৫,৫১৮ ২,৫৭০ ১,০০,৮৪৮
৭৫ ভেনেজুয়েলা ১,২২,২৬০ ১,১২৯ ১,১৪,২৯৯
৭৬ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ১,১৯,২০৬ ৪,৫৩৬ ৮৯,৮৮২
৭৭ নাইজেরিয়া ১,১৬,৬৫৫ ১,৪৮৫ ৯৩,৬৪৬
৭৮ লিবিয়া ১,১১,৭৪৬ ১,৭১৬ ৮৯,৯০৯
৭৯ আলজেরিয়া ১,০৪,৮৫২ ২,৮৫৩ ৭১,৩৪৩
৮০ কেনিয়া ৯৯,৬৩০ ১,৭৩৯ ৮৩,৩৫০
৮১ বাহরাইন ৯৮,৮৭৮ ৩৬৬ ৯৫,৫৯৪
৮২ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৮৯,৮১৭ ২,৭৫৪ ৭৫,৩৮৭
৮৩ চীন ৮৮,৭০১ ৪,৬৩৫ ৮২,৪৬৮
৮৪ কিরগিজস্তান ৮৩,৫৮৫ ১,৪৯৮ ৭৯,৫০৯
৮৫ উজবেকিস্তান ৭৮,২১৯ ৬২০ ৭৬,৬৫৫
৮৬ দক্ষিণ কোরিয়া ৭৩,৯১৮ ১,৩১৬ ৬০,৮৪৬
৮৭ আলবেনিয়া ৬৯,৯১৬ ১,২৯৬ ৪২,৪২৬
৮৮ নরওয়ে ৬০,২৫৯ ৫৪৪ ৪৯,৮৩৫
৮৯ সিঙ্গাপুর ৫৯,২৩৫ ২৯ ৫৮,৯৫৯
৯০ ঘানা ৫৮,৮২২ ৩৫৮ ৫৬,২৮৬
৯১ লাটভিয়া ৫৮,৭১০ ১,০৫৭ ৪২,৫১৭
৯২ মন্টিনিগ্রো ৫৬,৯৯৮ ৭৬২ ৪৭,৯৭৪
৯৩ শ্রীলংকা ৫৬,০৭৬ ২৭৬ ৪৭,৯৮৪
৯৪ আফগানিস্তান ৫৪,৪৮৩ ২,৩৭০ ৪৬,৮৮৭
৯৫ এল সালভাদর ৫২,৩৮৮ ১,৫৩০ ৪৬,০১৩
৯৬ লুক্সেমবার্গ ৪৯,৩১৯ ৫৬২ ৪৬,৪৯৯
৯৭ জাম্বিয়া ৪২,২১৩ ৫৯৭ ৩১,৫২২
৯৮ ফিনল্যাণ্ড ৪১,৫৬৫ ৬৩৩ ৩১,০০০
৯৯ এস্তোনিয়া ৩৯,২১২ ৩৫৪ ২৮,৭৪৩
১০০ উগান্ডা ৩৮,৮০৬ ৩১৬ ১৩,৬৯৯
১০১ উরুগুয়ে ৩৪,৯৯২ ৩৪৭ ২৬,৯২৭
১০২ নামিবিয়া ৩১,৫১৫ ৩১০ ২৯,২৩০
১০৩ মোজাম্বিক ৩০,২২৫ ২৮৩ ১৯,৫১০
১০৪ সাইপ্রাস ২৯,৬৩৬ ১৭৮ ২,০৫৭
১০৫ জিম্বাবুয়ে ২৯,৪০৮ ৮৭৯ ১৯,২৫৩
১০৬ অস্ট্রেলিয়া ২৮,৭৫০ ৯০৯ ২৫,৯৫৬
১০৭ ক্যামেরুন ২৮,০১০ ৪৫৫ ২৬,৮৬১
১০৮ সুদান ২৬,২৭৯ ১,৬০৩ ১৫,৬৮৮
১০৯ আইভরি কোস্ট ২৫,৭৫১ ১৪২ ২৪,১১৯
১১০ সেনেগাল ২৩,৯০৯ ৫৫২ ১৯,৯১৬
১১১ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২১,৩৯৮ ৬৪৪ ১৪,৮৬৫
১১২ বতসোয়ানা ১৯,৬৫৪ ১০৫ ১৫,৯১১
১১৩ কিউবা ১৯,৫৩০ ১৮৪ ১৪,৭৫৪
১১৪ অ্যাঙ্গোলা ১৯,১৭৭ ৪৪৮ ১৭,১৭৬
১১৫ মাদাগাস্কার ১৮,৩০১ ২৭৩ ১৭,৬০৯
১১৬ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৭,৮২০ ১২৮ ৪,৮৪২
১১৭ মালটা ১৬,২৮০ ২৪৫ ১৩,২৩৪
১১৮ মৌরিতানিয়া ১৬,২৬৬ ৪১০ ১৪,৯৭০
১১৯ মালাউই ১৬,০৪৯ ৩৯৬ ৬,৩১৪
১২০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১৫,৪৩১ ৭৬ ৯,৯৯৫
১২১ মালদ্বীপ ১৪,৭৬৫ ৫০ ১৩,৬৮৩
১২২ জ্যামাইকা ১৪,৫৫০ ৩৩১ ১১,৮০৯
১২৩ গিনি ১৪,২৩৬ ৮১ ১৩,৫০৯
১২৪ ইসওয়াতিনি ১৪,০১৭ ৪৪১ ৮,৮২২
১২৫ সিরিয়া ১৩,৩৯৮ ৮৬৬ ৬,৮৪২
১২৬ তাজিকিস্তান ১৩,৩০৮ ৯০ ১৩,২১৮
১২৭ কেপ ভার্দে ১৩,৩০৭ ১২২ ১২,৫১৭
১২৮ থাইল্যান্ড ১২,৭৯৫ ৭১ ৯,৮৪২
১২৯ রুয়ান্ডা ১২,১৭০ ১৬২ ৭,৯৭৩
১৩০ বেলিজ ১১,৬৪২ ২৮৬ ১০,৯১১
১৩১ হাইতি ১০,৯৬৩ ২৪০ ৮,৯৫৯
১৩২ গ্যাবন ১০,১২০ ৬৬ ৯,৮০৯
১৩৩ হংকং ৯,৮৬৮ ১৬৭ ৮,৯০৪
১৩৪ বুর্কিনা ফাঁসো ৯,৭১৯ ১০৬ ৭,৭৪৮
১৩৫ রিইউনিয়ন ৯,৫৮৪ ৪৫ ৯,০৫৩
১৩৬ এনডোরা ৯,৩৭৯ ৯৩ ৮,৪৭৪
১৩৭ গুয়াদেলৌপ ৮,৯৮০ ১৫৪ ২,২৪২
১৩৮ বাহামা ৮,০৮৮ ১৭৫ ৬,৭২০
১৩৯ মালি ৭,৮৯৭ ৩১৮ ৫,৬৫৮
১৪০ কঙ্গো ৭,৭৯৪ ১১৭ ৫,৮৪৬
১৪১ সুরিনাম ৭,৭৮৩ ১৪৬ ৬,৯৬৮
১৪২ লেসোথো ৭,৫০৪ ১০৩ ১,৮৬৭
১৪৩ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৭,৪৫০ ১৩৩ ৬,৯৭৪
১৪৪ গায়ানা ৭,০৬৭ ১৭০ ৬,২৭৭
১৪৫ মায়োত্তে ৬,৯৮১ ৫৮ ২,৯৬৪
১৪৬ আরুবা ৬,৬২৩ ৫২ ৬,০১৩
১৪৭ মার্টিনিক ৬,৩২৭ ৪৪ ৯৮
১৪৮ নিকারাগুয়া ৬,২০৪ ১৬৮ ৪,২২৫
১৪৯ আইসল্যান্ড ৫,৯৮১ ২৯ ৫,৮৪৬
১৫০ জিবুতি ৫,৯১৩ ৬১ ৫,৮২৮
১৫১ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,৩৬৫ ৮৬ ৫,১৯১
১৫২ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৯৭৪ ৬৩ ৪,৮৮৫
১৫৩ সোমালিয়া ৪,৭৪৪ ১৩০ ৩,৬৬৬
১৫৪ কিউরাসাও ৪,৫৩৫ ২০ ৪,৩৯৩
১৫৫ টোগো ৪,৫০৫ ৭৪ ৩,৯০১
১৫৬ নাইজার ৪,২৪৯ ১৪৭ ৩,৩২৪
১৫৭ গাম্বিয়া ৩,৯৩৮ ১২৮ ৩,৬৯৭
১৫৮ জিব্রাল্টার ৩,৮৪৫ ৫৩ ২,৯৯৪
১৫৯ দক্ষিণ সুদান ৩,৭৭৩ ৬৪ ৩,৫৪২
১৬০ বেনিন ৩,৫৮২ ৪৮ ৩,২৮৪
১৬১ চ্যানেল আইল্যান্ড ৩,৩৯৮ ৭৮ ৩,১০৭
১৬২ সিয়েরা লিওন ৩,০৩০ ৭৭ ২,১০৯
১৬৩ চাদ ৩,০১২ ১১৪ ২,১৭৮
১৬৪ সান ম্যারিনো ২,৮৩৩ ৬৫ ২,৫৫৬
১৬৫ গিনি বিসাউ ২,৫১০ ৪৫ ২,৪০৫
১৬৬ ইয়েমেন ২,৪৩৬ ৬৬০ ১,৫৮০
১৬৭ লিচেনস্টেইন ২,৪১৫ ৫১ ২,৩২২
১৬৮ নিউজিল্যান্ড ২,২৬৭ ২৫ ২,১৬৬
১৬৯ কমোরস ১,৯৩৫ ৫৫ ১,২১০
১৭০ ইরিত্রিয়া ১,৯১০ ১,২৩৪
১৭১ লাইবেরিয়া ১,৯০১ ৮৪ ১,৭১৪
১৭২ সিন্ট মার্টেন ১,৭০৩ ২৭ ১,৫৪২
১৭৩ মঙ্গোলিয়া ১,৫৮৪ ১,০৪৬
১৭৪ ভিয়েতনাম ১,৫৪৬ ৩৫ ১,৪১১
১৭৫ বুরুন্ডি ১,৩২২ ৭৭৩
১৭৬ মোনাকো ১,২৮৭ ১,০৫৮
১৭৭ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১,১৬৪ ৯৩৫
১৭৮ বার্বাডোস ১,১৫৬ ৪৯৩
১৭৯ সেন্ট মার্টিন ১,১৪৬ ১২ ১,০০৬
১৮০ তাইওয়ান ৮৭২ ৭৭১
১৮১ ভুটান ৮৫০ ৬৩১
১৮২ সিসিলি ৮৪৪ ৬১২
১৮৩ পাপুয়া নিউ গিনি ৮৩৫ ৭৯০
১৮৪ সেন্ট লুসিয়া ৭১৮ ৩৫৪
১৮৫ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৮৬ বারমুডা ৬৮৪ ১২ ৬১১
১৮৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৬৫৫ ১২২
১৮৮ ফারে আইল্যান্ড ৬৫২ ৬৪৪
১৮৯ মরিশাস ৫৫৬ ১০ ৫১৮
১৯০ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৯১ কম্বোডিয়া ৪৫৩ ৩৯৬
১৯২ আইল অফ ম্যান ৪৩২ ২৫ ৪৫১
১৯৩ কেম্যান আইল্যান্ড ৩৮১ ৩৪১
১৯৪ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৩৬০ ২৪৪
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ৩০০ ২০৪
১৯৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১৯২ ১৬২
১৯৭ ব্রুনাই ১৭৪ ১৬৯
১৯৮ গ্রেনাডা ১৩৯ ১২৯
১৯৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ১১৪ ৯৫
২০০ ডোমিনিকা ১১৩ ১০৪
২০১ ফিজি ৫৫ ৫৩
২০২ পূর্ব তিমুর ৫৩ ৪৯
২০৩ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
২০৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৪৪ ৪৩
২০৫ লাওস ৪১ ৪১
২০৬ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৩৫ ৩৩
২০৭ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৩৫ ২৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ৩০ ২৯
২০৯ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২১০ সলোমান আইল্যান্ড ১৭ ১০
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১৬
২১২ এ্যাঙ্গুইলা ১৫ ১৫
২১৩ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১৪ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৫ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৬ ওয়ালিস ও ফুটুনা
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ সামোয়া
২১৯ ভানুয়াতু
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]